ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি Logo মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন Logo কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুবি-র সহযোগী অধ্যাপকের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ারের লাশ উদ্ধার Logo উত্তর কোরিয়ার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান Logo পুরোনো কোনো গন্ধেই ফিরে আসে শৈশবের স্মৃতি ! Logo ১১ নম্বর ভরপাশা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়ায় জুবেল জমাদ্দারকে শুভেচ্ছা Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি Logo তথ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ দারিদ্র্য নিরসনের মডেল : বিশ্বব্যাংক

প্রতিনিধির নাম :

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে হার্টভিগ শেফার এখানে তিন দিনের সফর শেষে উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে বাংলাদেশকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেফার বলেন, বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে যে একটি দেশ সরকার ও জনগণের অঙ্গীকার সংকল্পের বলে একটি দেশ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসে মাত্র চার দশকের ব্যবধানে স্বল্প মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছতে দেশকে তার যুবকদের জন্য আরও বেশি ও ভাল কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। এর জন্য অত্যন্ত প্রযোজন হবে একটি শক্তিশালী বেসরকারী খাত, অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ, দক্ষ শ্রমশক্তি, কার্যকর অবকাঠামোসহ সঠিক নীতিমালা ও দ্রুত পদক্ষেপ।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র নিরসনে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তারা দেশের উন্নয়নের অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেন এবং বিশ্বব্যাংক কীভাবে বিগত কয়েক দশকে অর্জন করা চমৎকার অর্জনসমূহ ধরে রাখতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেন। শেফার বলেন, বিশ্বব্যাংক সরকার, অংশীদার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে নিবিড় সহযোগিতা এবং সকল মানুষের সুবিধার্থে উচ্চ মধ্যম আয়ের মর্যাদার দিকে যাত্রায় বাংলাদেশের সঙ্গে যোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পোর্টফোলিও গত ছয় বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছ এবং বর্তমানে ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের দরিদ্র দেশগুলোকে ছাড়ে ঋণদানকারী আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ)’র অন্যতম বৃহৎ সুবিধাভোগী।

আজ এর আগে, শেফার বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামে বক্তৃতা করেন এবং নারীর ক্ষমতায়নে এর সাফল্যসহ দেশের উন্নয়ন উদ্ভাবনের প্রশংসা করেন, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নযন সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। তিনি অর্থমন্ত্রী এবং অন্যান্য উর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন অংশীদারদের সাথেও সাক্ষাৎ করেন।

বিশ্বব্যাংক স্বাধীনতা অর্জনের পরে বাংলাদেশকে প্রথমে সমহায়তাদানকারী অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। সেই থেকে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনুদান, সুদমুক্ত এবং ছাড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০
১৬ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশ দারিদ্র্য নিরসনের মডেল : বিশ্বব্যাংক

আপডেট এর সময় : ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে হার্টভিগ শেফার এখানে তিন দিনের সফর শেষে উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে বাংলাদেশকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেফার বলেন, বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে যে একটি দেশ সরকার ও জনগণের অঙ্গীকার সংকল্পের বলে একটি দেশ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসে মাত্র চার দশকের ব্যবধানে স্বল্প মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছতে দেশকে তার যুবকদের জন্য আরও বেশি ও ভাল কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। এর জন্য অত্যন্ত প্রযোজন হবে একটি শক্তিশালী বেসরকারী খাত, অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ, দক্ষ শ্রমশক্তি, কার্যকর অবকাঠামোসহ সঠিক নীতিমালা ও দ্রুত পদক্ষেপ।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র নিরসনে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তারা দেশের উন্নয়নের অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেন এবং বিশ্বব্যাংক কীভাবে বিগত কয়েক দশকে অর্জন করা চমৎকার অর্জনসমূহ ধরে রাখতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেন। শেফার বলেন, বিশ্বব্যাংক সরকার, অংশীদার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে নিবিড় সহযোগিতা এবং সকল মানুষের সুবিধার্থে উচ্চ মধ্যম আয়ের মর্যাদার দিকে যাত্রায় বাংলাদেশের সঙ্গে যোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পোর্টফোলিও গত ছয় বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছ এবং বর্তমানে ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের দরিদ্র দেশগুলোকে ছাড়ে ঋণদানকারী আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ)’র অন্যতম বৃহৎ সুবিধাভোগী।

আজ এর আগে, শেফার বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামে বক্তৃতা করেন এবং নারীর ক্ষমতায়নে এর সাফল্যসহ দেশের উন্নয়ন উদ্ভাবনের প্রশংসা করেন, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নযন সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। তিনি অর্থমন্ত্রী এবং অন্যান্য উর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন অংশীদারদের সাথেও সাক্ষাৎ করেন।

বিশ্বব্যাংক স্বাধীনতা অর্জনের পরে বাংলাদেশকে প্রথমে সমহায়তাদানকারী অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। সেই থেকে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনুদান, সুদমুক্ত এবং ছাড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।