Category: আন্তর্জাতিক

  • ‘ড্রোন হামলা থেকে প্রাণে বাঁচলেন’ ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট

    ‘ড্রোন হামলা থেকে প্রাণে বাঁচলেন’ ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট

    ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ভাষণ দেয়ার সময় একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে।ভেনিজুয়েলা সরকারের দাবি, বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা ছিল। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।প্রেসিডেন্ট মাদুরো বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া ‘সব তথ্য’ একটি ডানপন্থী চক্রান্তের দিকে ‘ইঙ্গিত করছে’, যার সঙ্গে কলম্বিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ফ্লোরিডার সম্পর্ক আছে, যেখানে নির্বাসিত অনেক ভেনিজুয়েলান বসবাস করেন।ঘটনার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন অপরাধীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে বিস্তারিত আর কিছু জানাননি।মাদুরো বলেন, বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন ব্যবহার করে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয় কিন্তু সে থেকে তিনি বেঁচে গেছেন।ওই ঘটনার লাইভ ফুটেজে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট মাদুরো ভাষণ দেয়ার সময় হঠাৎ করে ওপরের দিকে তাকিয়ে হতভম্ব হয়ে যান। এ সময় মাদুরোকে বর্ম দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করেন তার দেহরক্ষীরা।এ সময় কয়েক ডজন সেনাসদস্যকে সেখান থেকে দৌড়ে চলে যেতে দেখা যায়।এ হামলার জন্য কলম্বিয়াকে দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো। তবে এ অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলে তা উড়িয়ে দিয়েছে বোগোটা।ভেনিজুয়েলার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই হামলার ঘটনায় সাত সেনাসদস্য আহত এবং আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী জর্জ রদ্রিগেজ বলেন, প্রেসিডেন্ট স্ট্যান্ডের কাছে বিস্ফোরকবোঝাই দুটি ড্রোনের বিস্ফোরণ ঘটে।

  • রাশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১৮

    রাশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১৮

    রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে এর ১৮ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।স্থানীয় সময় শনিবার সকালে সাইবেরিয়ার ক্রাশনুইয়ার্স্ক অঞ্চলে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর বার্তা সংস্থা তাসের। উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই হেলিকপ্টারটি সাইবেরিয়া অঞ্চলের ক্রাশনুইয়ার্স্কে বিধ্বস্ত হয়।

    রাশিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমআই-৮ হেলিকপ্টারটিতে ১৫ জন যাত্রী এবং তিনজন ক্রু ছিলেন।

    এটি ইউটায়ার এয়ারলাইনসের হেলিকপ্টার। হেলিকপ্টারটি সাধারণত তেল উত্তোলনকারী শ্রমিকদের বহন করে থাকে।

  • পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে বাংলা রাখার প্রস্তাব বিধানসভায় পাশ

    পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে বাংলা রাখার প্রস্তাব বিধানসভায় পাশ

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে ‘বাংলা’ রাখার বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে রাজ্যটির বিধানসভায়। এখন তা দেশটির কেন্দ্রীয় সংসদ বা লোকসভায় পাঠানো হবে। সেখানে পাস হয়ে গেলেই পশ্চিমবঙ্গ পরিচিতি পাবে ‘বাংলা’ নামে।আজ বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিধানসভায় এ বিল পাস হয়েছে বলে জানিয়েছেন জি নিউজ ইন্ডিয়া।দেশটিতে কোনো রাজ্যের নাম বদলাতে হলে তাতে লোকসভার অনুমোদন লাগে। এখন ভারতের কেন্দ্রীয় সংসদের দিকেই তাকিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সরকার।মমতা ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কয়েকবার রাজ্যটির নাম বদলের উদ্যোগ নিতে দেখা গেছে। কিন্তু কখনোই তা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।বছর দুয়েক আগে ২০১৬ সালের আগস্টে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা পাস হয় বিধানসভায়। ওই প্রস্তাবনায় তিনটি পৃথক ভাষা বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজিতে রাজ্যের নাম ‘বেঙ্গল’ করার সুপারিশ করা হয়। তখন প্রস্তাবনাটি কেন্দ্রে প্রত্যাখ্যাত হয়।এরপর নতুন করে বিল পাস করলো মমতার সরকার। এই বিলে তিন ভাষায়ই রাজ্যের নাম ‘বাংলা’ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।অনেকের মত হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ নামের মধ্যে পশ্চিম শব্দটি দেশভাগের ইতিহাসের দুঃসহ স্মৃতি বহন করে বিধায় সেটা মুছে ফেলার মানে হয় না।কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ভাষার ওপর রাজ্যের নাম রাখায় যেমন আগ্রহী, তেমনি রাজ্যের ইংরেজি নাম ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’ নিয়ে বেশ বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সময়ে।বিধানসভায় নাম বদলের প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন তিনি নিজেই।মমতা বলেন, বর্তমানে বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় রাজ্যের নাম তিনভাবে লেখা হয়ে থাকে। বাংলায় পশ্চিমবঙ্গ, ইংরেজিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল ও হিন্দিতে বাঙ্গাল।তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজ্যের একটি নাম নির্দিষ্ট করতে বলেছে। যেটি প্রত্যেকটি ভাষায় ব্যবহার করা যাবে। সেক্ষেত্রে বাংলা নামটিই পছন্দ করেন তিনি।তিনি বলেন, গোটা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ভাষা বাংলা। তাই রাজ্যের নাম বাংলা রাখাই প্রাসঙ্গিক।

  • পাকিস্তানে নির্বাচনে ছেলের সমর্থন না পেয়ে প্রার্থীর আত্মহত্যা

    পাকিস্তানে নির্বাচনে ছেলের সমর্থন না পেয়ে প্রার্থীর আত্মহত্যা

    নির্বাচনে নিজের সন্তানের সমর্থন না পেয়ে পাকিস্তানের মির্জা আহমেদ মুঘল নামে এক স্বতন্ত্র প্রার্থী আত্মহত্যা করেছেন।

    তিনি ফয়সালাবাদের ১০৩ আসন থেকে ট্রাক মার্কায় জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু ছেলের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।-খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

    আত্মহননের একদিন আগে একটি ভিডিওতে নিজের ছেলেকে দায়ী করে গেছেন তিনি। হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেঞ্জারে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভিডিওতে তিনি বলেন, তাকে ভোট দিতে লোকজনকে নিরুৎসাহিত করছেন তার ছেলে। এতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে নিজেকে গুলি করে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন।

    একটি গোরস্তান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    তার মৃত্যুর পর ওই আসনের ভোট স্থগিত করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। ২০১৭ সালের নির্বাচনী আইন অনুসারে বুধবারের পর যে কোনো দিন সেখানে নির্বাচন হবে।

    নির্বাচনী আইনের ৭৩ ধারায় বলা হয়েছে, ভোট শুরু হওয়ার আগে যদি কোনো প্রার্থী মারা যান, তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন স্থগিত করতে পারবেন।

    তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান দলে এক প্রার্থীও শনিবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ একটি মামলা নিয়েছে এবং অজ্ঞাত ওই গাড়িচালককে খুঁজছে।

  • যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি বিচ্ছিন্ন : রুহানি

    যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি বিচ্ছিন্ন : রুহানি

    ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ কেন্দ্র করে যে কোনো সময়ের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন বেশি বিচ্ছিন্ন। এমনকি নিজের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গেও বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

    শনিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

    তিনি বলেন, আমরা এমন একটি পরিস্থিতিতে আছি যে যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি বিচ্ছিন্ন। এ সময়ে তিনি ব্রিটেনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করেন।

    গত মে মাসে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক অবরোধের ঘোষণাও এসেছে তার কাছ থেকে।

    ২০১৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে করা চুক্তিটিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষয়ে যাওয়া, পচা বলে মন্তব্য করেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে করা এই পরমাণু চুক্তির কারণে মার্কিন নাগরিক হিসেবে আমি লজ্জিত।

  • জনসন পাউডার ব্যবহারে ক্যানসার, ৩৯ হাজার কোটি টাকা জরিমানা

    জনসন পাউডার ব্যবহারে ক্যানসার, ৩৯ হাজার কোটি টাকা জরিমানা

    জনসন অ্যান্ড জনসনের ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করে ক্যানসার হওয়ার অভিযোগে বিচার শেষে কোম্পানিটিকে ৪৭০ কোটি ডলার (প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা) জরিমানা করেছে মার্কিন আদালত।শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি রাজ্যের আদালত এ রায় দেন। খবর বিবিসিরপাউডার ব্যবহারে জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ করেন ২২ নারী।এর মধ্যে ৫৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ও ৪১০ কোটি ডলার শাস্তিমূলক জরিমানা হিসেবে ধরা হয়েছে, যার পুরোটাই অভিযোগকারী ২২ নারীকে দিতে হবে।রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জনসন অ্যান্ড জনসন বলেছে, এ রায়ে তারা ‘গভীরভাবে হতাশ। কারণ, অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বহুবার পরীক্ষার পর এটা প্রমাণিত যে তাদের পণ্যে কোনো দূষণ নেই। তারা আপিলের পরিকল্পনা নিচ্ছে।৬ সপ্তাহের এই বিচার চলার সময় ওই নারীরা ও তাদের পরিবার জুরিকে বলেছে, কয়েক দশক ধরে কোম্পানিটির তৈরি বেবি পাউডার ও অন্যান্য পাউডার ব্যবহার করার পর তারা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।অভিযোগকারী ২২ নারীর মধ্যে ছয়জন জরায়ু ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা যান।তাদের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, ট্যালকম পণ্য ‘অ্যাজবেস্টজে’ দূষিত বলে জনসন অ্যান্ড জনসন ১৯৭০-এর দশক থেকে জানলেও ঝুঁকির বিষয়ে ভোক্তাদের সতর্ক করেনি।তবে এর আগে একই অভিযোগে করা মামলাগুলোতে ক্ষতিপূরণের যেসব রায় দেয়া হয়েছিল তার সবগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে গিয়ে জয়ী হয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন।এর আগে সর্বশেষ একই অভিযোগের বিচারে কোম্পানিটিকে ৪১ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার জুরিরা। পরে সেই রায় উচ্চ আদালতে বাতিল হয়ে যায়।