Category: আন্তর্জাতিক

  • ‘সিরিয়ায় মার্কিন ও তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি অবৈধ’

    ‘সিরিয়ায় মার্কিন ও তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি অবৈধ’

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ ইয়াহিয়া রাহিম সাফাভি বলেছেন, সিরিয়ায় মার্কিন ও তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি অবৈধ। তেহরানে সামরিক বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তুরস্ক আমেরিকার সাথে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করে এবং মার্কিন কৌশল অবলম্বন করে। তবে তুরস্ক কুর্দিদের নিয়ে নতুন বাহিনী গঠনের মার্কিন পরিকল্পনার বিরোধী বলে তিনি জানান।

    আফরিনে তুর্কি হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, কুর্দিরা হয়তো সেখানে স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল গড়ে তোলার চেষ্টা করবে, আর এ ধরনের অঞ্চল গড়ে তুলতে কুর্দিদের জন্য ভূমধ্যসাগরের সাথে সংযোগ জরুরি। কুর্দিরা যাতে তাতে সফল হতে পারে সে জন্যই তুরস্ক আফরিনে হামলা চালিয়েছে।

    রাহিম সাফাভি বলেন, সিরিয়ায় তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি অবৈধ। কারণ তারা সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে। তুর্কি সেনারা আফরিনে প্রবেশ করার কারণে দামেস্কের সাথে আঙ্কারার সম্পর্কে জটিলতা বাড়বে।

    সিরিয়ার সরকারের অনুমতি না নিয়েই গত শনিবার থেকে আফরিনে সামরিক হামলা শুরু করেছে তুরস্ক। সিরিয়ার সরকার ওই হামলাকে তার দেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। আমেরিকাও সিরিয়ার সরকারের অনুমতি না নিয়ে দেশটিতে সামরিক তৎপরতা চালাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়া, ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহ সিরিয়ার সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুরোধে সাড়া দিয়ে সেখানে গেছে।

  • পশু খাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত লালু প্রসাদ

    পশু খাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত লালু প্রসাদ

    পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি তৃতীয় মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) প্রধান লালু প্রসাদ যাদব(৬৯)। বুধবার রাঁচির সিবিআই’এর বিশেষ আদালত লালুকে দোষী সাব্যস্ত করেন। লালুর সাথেই বিহারের আরেক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথ মিশ্রকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আজ বিকালের দিকেই এই মামলায় লালুসহ বাকীদের সাজা ঘোষণা হতে পারে। লালুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ১৯৯২ থেকে ১৯৯৩ সালের মধ্যে চাঁইবাসা ট্রেজারি থেকে ৩৩.১৩ কোটি রুপি নষ্ট করেছিলেন।

    এর আগে দুইটি পশুখাদ্য মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। গত মাসেই দ্বিতীয় পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় লালুকে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় রাঁচির বিশেষ সিবিআই আদালত। বর্তমানে রাঁচির বিরসা মুন্ডা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন তিনি।
    তারও আগে ২০১৩ সালের অক্টোবরে পশু খাদ্য কেলেঙ্কারির চাইবাসা ট্রেজারির প্রথম মামলাটিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। ওই মামলায় সেসময় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার হারান লালু। যদিও সেসময় মাত্র দুই মাস কারাগারে কাটানোর পর সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান লালু।

  • গুপ্তধন-সহ বিশ্বের দীর্ঘতম গুহার সন্ধান

    গুপ্তধন-সহ বিশ্বের দীর্ঘতম গুহার সন্ধান

    বিশ্বের বৃহত্তম প্লাবিত গুহার সন্ধান মিলেছে। এটি মেক্সিকোর উপসাগরীয় অঞ্চল ইউকাটান পেনিনসুলায়। ওই অঞ্চলে ১১৬ মাইল দীর্ঘ গুহাটির অবস্থান নিশ্চিত করেছে অনুসন্ধানকারী প্রত্নতত্ত্ববিদ ও ডুবুরিরা। আবিষ্কৃত নতুন গুহার মধ্যে থাকতে পারে প্রাচীন মায়ান সম্প্রদায়ের গুপ্তধনও। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। খবর নিউজউইক’র।

    লুক্কায়িত গুহার সন্ধানে দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল সেদেশের ডুবুরিরা। সঙ্গে ছিলেন জলের তলায় কাজ করা প্রত্নতত্ত্ববিদেরাও। নতুন গুহাটি রয়েছে জলের তলায় থাকা দুটি গুহার মধ্যবর্তী স্থানে। এক কথায় দুটি গুহার মধ্যে সংযোগ সাধন করছে এই ১১৬ মাইলের গুহাটি। খুব শিগগির নতুন নাম পেতে চলেছে জোড়া গুহা। নতুন নাম হচ্ছে স্যাক অ্যাকটন।

    উল্লেখ্য, মেক্সিকোতে রহস্যময়ী উপসাগরীয় অঞ্চল হিসেবে পেনিনসুলার খ্যাতি রয়েছে। সেই রহস্য অনুসন্ধানেই কাজ করছে গ্রেট মায়া অ্যাকুইফার প্রজেক্ট (জিএএম) টিম। রহস্যভেদ করতে দীর্ঘদিন ধরে পেনিনসুলার পানির নিচেই রয়েছে টিমের সদস্যরা। নতুন গুহা আবিষ্কারের ঘটনা নিঃসন্দেহে ওই টিমের কাছে বড় প্রাপ্তি। বিশ্বের অন্যতম প্রত্নতত্ত্বের খনি হিসেবে এবার প্রতিনিধিত্ব করবে এই নতুন গুহা। এমনটাই মনে করেন জিএমএম-এর ডিরেক্টর। যে পদ্ধতিতে গুহার সন্ধান মিলেছে, সেই একই পদ্ধতি মেনেই জিএএম টিম আগে আমেরিকার প্রাচীন বাসিন্দাদের ইতিহাস খুঁজে বের করেছে। এবার খুঁজে পাওয়া যাবে প্রাচীণ মায়ান সংস্কৃতির তথ্যপ্রমাণ।

  • ওজন কমাতে বলা হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে

    ওজন কমাতে বলা হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাস্থ্য ‘চমৎকার’ বলে দাবি করেছেন হোয়াইট হাউজের ফিজিশিয়ান ডা: রনি জ্যাকসন। ট্রাম্প সুস্থ অবস্থাতেই প্রেসিডেন্টের পুরো মেয়াদ শেষ করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি। তবে তাকে ওজন কমানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

    গত সপ্তাহে ৩/৪ ঘণ্টা ধরে ট্রাম্পের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। উচ্চমাত্রার কোলেস্টরেল ও স্থুলতা সত্ত্বেও মঙ্গলবার দাবি করা হয়েছে তার স্বাস্থ্য ‘চমৎকার’। তবে খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনতে হবে ট্রাম্পকে। নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। ছয় ফুট তিন ইঞ্চি লম্বা ট্রাম্পের বর্তমান ওজন ১০৮ কেজির বেশি। তাকে ৫-৭ কেজি ওজন কমানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

    প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই ৭১ বছর বয়সী ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠে। সম্প্রতি মার্কিন সাংবাদিক মাইকেল ওলফের ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি: ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস’ বইয়ে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠার পর বিষয়টি নিয়ে আরও বেশি আলোচনা শুরু হয়। পরে কয়েক ঘণ্টা ধরে ট্রাম্পের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়।

  • ফার্স্ট লেডি’ই কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্রাম্পের!

    ফার্স্ট লেডি’ই কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্রাম্পের!

    আগামী শনিবার ট্রাম্প প্রশাসনের বর্ষপূর্তি। তার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড নিয়ে শুরু হয়ে গেছে কাটা-ছেঁড়া। বাদ যাননি দেশের প্রথম নারী মেলানিয়া ট্রাম্পও।

    মেলানিয়া সম্পর্কে অনেকে বলছেন, গত একবছরে বড্ড বেশি আড়ালেই থেকেছেন তিনি। আর এর কারণেই আমেরিকাবাসীর কাছে মেলানিয়া হয়ে উঠেছেন রহস্যময়ী, বলে মত তাদের।

    ‘আমেরিকা ফার্স্ট’- এই নীতিকে অগ্রাধিকার দিতে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জন্য অপছন্দ দেশগুলোকে ‘নোংরা’ বলতেও আপত্তি নেই তার। কিন্তু মার্কিন রাজনীতিকদের একাংশ মনে করছেন, ‘আমেরিকা প্রথম’ বার্তা দিয়ে ট্রাম্প যেভাবে অন্যান্য দেশগুলোকে অপমান করছেন, সেখানে দেশের ‘প্রথম মহিলাই তার এই পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন না।

    তাদের মতে, মেলানিয়া ট্রাম্প তার আচার-আচরণে মার্কিন সংস্কৃতির সাথে খাপ খায় না। দীর্ঘদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থেকেও তার মাতৃভূমি স্লোভেনিয়ার সংস্কৃতি বয়ে নিয়ে চলছেন খোদ হোয়াইট হাউসে। তাই ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ মন্তব্যে মেলানিয়াকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন সমালোচকরা।

    মার্কিন দেশের প্রথম নারী হওয়ার আগেও বর্ণময় চরিত্রের জন্য সব সময় লাইমলাইটে ছিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প।

    ওহায়ও ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ক্যাথারিন জেলিসন জানান, মেলানিয়ার বর্ণময় চরিত্রের জন্য আমেরিকাবাসীর কাছে এনিগমা হয়ে রয়েছেন তিনি।

    স্লোভেনিয়ায় বেড়ে ওঠা, প্যারিসে ফ্যাশন মডেল হিসাবে কর্মজীবন এরপর ১৯৯৬-তে নিউ ইয়র্কে ট্রাম্প মডেলিং ম্যানেজমেন্টের সাথে কাজ করা-এসবই তাকে আরও বর্ণময় করে তুলেছে। ২০০১-এ গ্রীন কার্ড পান মেলানিয়া।

    এরপর ২০০৫ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিয়ে করে পরের বছর মার্কিন নাগরিকত্ব পান তিনি। মেলানিয়ার বর্ণময় চরিত্রের জন্যই প্রথম মার্কিন নারীদের মধ্যে তিনি অনন্যা।

    মেলানিয়া ‘প্রথম মার্কিন নারী’ যাকে মডেল হিসাবে নগ্ন ফোটোশ্যুটে দেখা গেছে। মার্কিন নাগরিক হয়েও ইংরেজি তার কাছে দ্বিতীয় ভাষা। এমনকী ২০০ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনিই প্রথম বিদেশি মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্ত্রী।

    মেলানিয়ার পোশাক-পরিচ্ছদেও স্বতন্ত্র ভাবনা রয়্ছেে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাথে মেলানিয়াকে দেখা গেছে ইউরোপিয় কায়দার পোশাকে। এমনকী বেশ কিছু মার্কিন ডিজাইনারও মেলানিয়ার পোশাক তৈরিতে নিমরাজি ছিলেন।

    মেলানিয়া দেশের ‘প্রথম নাগরিক’ হওয়ার পর ফরাসি ডিজাইনার হার্ভ পেরিকে নিয়োগ করেছিলেন তিনি। এছাড়াও ছেলে ব্যারনের দেখভালের জন্য ট্রাম্প টাওয়ারে বেশি স্বছন্দ মনে করেন মেলানিয়া। তাই, শরণার্থী রুখতে ট্রাম্পের কড়া পদক্ষেপকে কটাক্ষ করতে মেলানিয়াকেই হাতিয়ার করছেন বিরোধীরা।’ফার্স্ট লেডি’ই কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্রাম্পের!

    আগামী শনিবার ট্রাম্প প্রশাসনের বর্ষপূর্তি। তার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড নিয়ে শুরু হয়ে গেছে কাটা-ছেঁড়া। বাদ যাননি দেশের প্রথম নারী মেলানিয়া ট্রাম্পও।

    মেলানিয়া সম্পর্কে অনেকে বলছেন, গত একবছরে বড্ড বেশি আড়ালেই থেকেছেন তিনি। আর এর কারণেই আমেরিকাবাসীর কাছে মেলানিয়া হয়ে উঠেছেন রহস্যময়ী, বলে মত তাদের।

    ‘আমেরিকা ফার্স্ট’- এই নীতিকে অগ্রাধিকার দিতে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জন্য অপছন্দ দেশগুলোকে ‘নোংরা’ বলতেও আপত্তি নেই তার। কিন্তু মার্কিন রাজনীতিকদের একাংশ মনে করছেন, ‘আমেরিকা প্রথম’ বার্তা দিয়ে ট্রাম্প যেভাবে অন্যান্য দেশগুলোকে অপমান করছেন, সেখানে দেশের ‘প্রথম মহিলাই তার এই পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন না।

    তাদের মতে, মেলানিয়া ট্রাম্প তার আচার-আচরণে মার্কিন সংস্কৃতির সাথে খাপ খায় না। দীর্ঘদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থেকেও তার মাতৃভূমি স্লোভেনিয়ার সংস্কৃতি বয়ে নিয়ে চলছেন খোদ হোয়াইট হাউসে। তাই ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ মন্তব্যে মেলানিয়াকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন সমালোচকরা।

    মার্কিন দেশের প্রথম নারী হওয়ার আগেও বর্ণময় চরিত্রের জন্য সব সময় লাইমলাইটে ছিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প।

    ওহায়ও ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ক্যাথারিন জেলিসন জানান, মেলানিয়ার বর্ণময় চরিত্রের জন্য আমেরিকাবাসীর কাছে এনিগমা হয়ে রয়েছেন তিনি।

    স্লোভেনিয়ায় বেড়ে ওঠা, প্যারিসে ফ্যাশন মডেল হিসাবে কর্মজীবন এরপর ১৯৯৬-তে নিউ ইয়র্কে ট্রাম্প মডেলিং ম্যানেজমেন্টের সাথে কাজ করা-এসবই তাকে আরও বর্ণময় করে তুলেছে। ২০০১-এ গ্রীন কার্ড পান মেলানিয়া।

    এরপর ২০০৫ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিয়ে করে পরের বছর মার্কিন নাগরিকত্ব পান তিনি। মেলানিয়ার বর্ণময় চরিত্রের জন্যই প্রথম মার্কিন নারীদের মধ্যে তিনি অনন্যা।

    মেলানিয়া ‘প্রথম মার্কিন নারী’ যাকে মডেল হিসাবে নগ্ন ফোটোশ্যুটে দেখা গেছে। মার্কিন নাগরিক হয়েও ইংরেজি তার কাছে দ্বিতীয় ভাষা। এমনকী ২০০ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনিই প্রথম বিদেশি মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্ত্রী।

    মেলানিয়ার পোশাক-পরিচ্ছদেও স্বতন্ত্র ভাবনা রয়্ছেে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাথে মেলানিয়াকে দেখা গেছে ইউরোপিয় কায়দার পোশাকে। এমনকী বেশ কিছু মার্কিন ডিজাইনারও মেলানিয়ার পোশাক তৈরিতে নিমরাজি ছিলেন।

    মেলানিয়া দেশের ‘প্রথম নাগরিক’ হওয়ার পর ফরাসি ডিজাইনার হার্ভ পেরিকে নিয়োগ করেছিলেন তিনি। এছাড়াও ছেলে ব্যারনের দেখভালের জন্য ট্রাম্প টাওয়ারে বেশি স্বছন্দ মনে করেন মেলানিয়া। তাই, শরণার্থী রুখতে ট্রাম্পের কড়া পদক্ষেপকে কটাক্ষ করতে মেলানিয়াকেই হাতিয়ার করছেন বিরোধীরা।

  • ভারত-ইসরায়েলের মধ্যে যেসব চুক্তি হলো

    ভারত-ইসরায়েলের মধ্যে যেসব চুক্তি হলো

    ছয় দিনের সফরে ভারতে অবস্থান করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। দীর্ঘ ১৫ বছর পর ইসরায়েলের শীর্ষস্থানীয় কোনো  নেতাকে দেশের মাটিতে পেয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় ভারত সরকার। তবে শুধু আলাপচারিতায় মধ্যেই নিজেদের বেঁধে রাখেনি ভারত-ইসরায়েলের কর্তা-ব্যক্তিরা। নিজেদের সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে নয়টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে দেশ দুটি। গতকাল মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ওই চুক্তিগুলোতে স্বাক্ষর করেন৷