Category: গণমাধ্যম

  • ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

    ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

    দেশের ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    সংসদ নেতা আজ বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’।

    আজ সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ. এম. মাহবুব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীরবিক্রম। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ, ২০২৬ তারিখে দেশের ১০টি জেলা এবং ৩টি সিটি কর্পোরেশনের ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, আগামীতে দেশের প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

    নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) নির্বাচনী এলাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি মাননীয় সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

    এর আগে সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়। দিনের শুরুতেই নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন সংসদ নেতা।

  • পারমাণবিক জ্বালানিতে স্বনির্ভরতার পথে ভারত

    পারমাণবিক জ্বালানিতে স্বনির্ভরতার পথে ভারত

    নিজস্ব পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়েছে ভারত। দেশটির নকশায় তৈরি একটি রিয়্যাক্টরে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

    জ্বালানি-চাহিদা বেড়ে চলা ভারত পারমাণবিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা বাড়ানোর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

    বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত তৃতীয় বৃহত্তম গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী।

    দেশটি বর্তমানে আট গিগাওয়াট ক্ষমতা থেকে ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

    নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, কালপাক্কামের প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিয়্যাক্টর (পিএফবিআর) ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। এই পর্যায়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন বিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আজ ভারত তার বেসামরিক পারমাণবিক অভিযাত্রায় একটি নির্ধারক পদক্ষেপ নিল। এতে আমাদের পারমাণবিক কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ এগিয়ে গেল।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এই উন্নত রিয়্যাক্টরটি যত জ্বালানি ব্যবহার করে, তার চেয়েও বেশি উৎপাদন করতে সক্ষম। এটি আমাদের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার গভীরতা ও প্রকৌশল দক্ষতার শক্তির প্রতিফলন।’

    মোদি একে ‘আমাদের বিশাল থোরিয়াম মজুত ব্যবহারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে উল্লেখ করেন।

    থোরিয়াম হচ্ছে পারমাণবিক রিয়্যাক্টরের সম্ভাব্য জ্বালানি।

    তবে রিয়্যাক্টরটি এখনো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেনি। পূর্ণ ক্ষমতায় চালুর পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।

    এ উন্নয়ন এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ বৈশ্বিক জ্বালানি অনিশ্চয়তা জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

    ভারত এখনও ব্যাপকভাবে কয়লার ওপর নির্ভরশীল। তবে দেশটি ২০৭০ সালের মধ্যে নিট-শূন্য কার্বন নিঃসরণ অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

  • ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় নিহত ৩

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় নিহত ৩

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ভøাদিমির অঞ্চলের বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন

    আঘাত হানায় তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আঞ্চলিক গভর্নর মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    ভøাদিমির অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার আভদেয়েভ টেলিগ্রামে বলেন, ‘শত্রু ড্রোন আমাদের অঞ্চলের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।

    তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং তাদের সাত বছর বয়সী এক কিশোর রয়েছে। এছাড়া পাঁচ বছর বয়সী এক মেয়ে শিশু দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

  • হজ প্যাকেজের ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে : ধর্মমন্ত্রী

    হজ প্যাকেজের ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে : ধর্মমন্ত্রী

    ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) জানিয়েছেন, হজ ২০২৭-এর প্যাকেজ প্রণয়ন ও ঘোষণার সময় হজযাত্রীর সুযোগ-সুবিধা ও চাহিদার ভিত্তিতে সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে প্যাকেজের ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    তিনি আজ (মঙ্গলবার) সংসদে সরকারি দলের সদস্য (কক্সবাজার-৩) লুৎফুর রহমানের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নত এক প্রশ্নে এ তথ্য জানান।

    ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সনের হজ প্যাকেজ ঘোষণার মাধ্যমে হজের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্যাকেজ অনুযায়ী সৌদি আরব ও বাংলাদেশ পর্বের বিভিন্ন খরচ ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। সৌদি টাইম লাইন অনুযায়ী ভিসাসহ সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হবে।

  • সংসদে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ পাস

    সংসদে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ পাস

    জেল-জরিমানার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আজ ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ পাস হয়েছে।

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে আজ পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিলটি উত্থাপন করেন ।

    বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাওরকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থাপনা; অবকাঠামোগত উন্নয়ন; সেচব্যবস্থা; বন্যা নিয়ন্ত্রণ; মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতর প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর হাওর অঞ্চলের অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন; অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ; নদীপথে বাধা সৃষ্টি; বিষ ও কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং পর্যটনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য আইনি কাঠামোর অপ্রতুলতা অনুভূত হয়।

    বিবৃতিতে তিনি আরও জনান, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) ২০২০ সালে দায়ের করা রিট পিটিশনের রায়ে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ প্রদান করেন।

    এই প্রেক্ষাপটে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, মাহমান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ বিলটি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

    আইনের বিধান লঙ্ঘনে দু’বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উভয় দণ্ডের অতিরিক্ত দণ্ড হবে না।

    পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে সেটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

  • ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    তিনি আজ (মঙ্গলবার) সংসদে সরকারি দলের সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর (নওগাঁ-৪) টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

    তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও সেবা প্রদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ৪৮তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ২ হাজার ৯৮৪ জন সহকারী সার্জন, ২৭৯ জন ডেন্টাল সার্জন এবং ৪৪তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ৯৮জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস) ও ২২জন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৬২ জন সহকারী সার্জন (এমবিবিএস ডাক্তার) নিয়োগ দেওয়া হয়।

    ফেনী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবদিনের তারকাচিহ্নিত আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০২০-২১ থেকে এ যাবৎ করোনা ভাইরাস মৌসুমে মহামারি মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জাম আমদানি ও কেনাকাটায় ৪ হাজার ৬৪৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়। সেই বরাদ্দ থেকে ভ্যাকসিন ক্রয়ে ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সিরিঞ্জ ক্রয়ে ব্যয় হয়েছে ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ভ্যাকসিন এবং সিরিঞ্জ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দিতে পরিবহন ব্যয় হয়েছে ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা। সিরিঞ্জ শিপিং চার্জ হিসেবে খরচ হয়েছে ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার ৯৮০ টাকা।

    তিনি জানান, ভ্যাকসিন ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে সরকার সর্বদা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।