Category: গণমাধ্যম

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় মির্জা ফখরুলের

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় মির্জা ফখরুলের

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি সারাদেশের মানুষ অত্যন্ত আশাবাদী, আস্থাশীল এবং এই নেতার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অবশ্যই একটা গণতান্ত্রিক সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হবে। এই বিশ্বাস আমাদের সকলের আছে। আমরা আজকে দিনে দেশবাসীকে জনগণকে আমাদের দলের পক্ষ থেকে আমরা আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপি মহাসচিব এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে সম্পূর্ণ একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে আমরা এই স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন করতে চলেছি। দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর ফ্যাসিস্টের যাতাকালে বাংলাদেশে যখন গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, স্বাধীনতা বিপন্ন হয়ে পড়েছিল তখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করেছে সংগ্রাম করেছে। প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, ২০ হাজারের মত নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, প্রায় ১৭শ’  নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে।’

    তিনি বলেন, ‘সমস্ত নির্যাতন নিপীড়নকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের মানুষ লড়াই চালিয়ে গেছে এবং সবশেষে জুলাই ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবার নতুন করে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আজকে আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান যিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নির্বাসিত থেকে আমাদেরকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নির্বাচনের পরে সরকার গঠন করে তিনি তার সম্পূর্ণ নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে দেশকে গড়ে তুলবার কাজে লিপ্ত হয়েছেন। মাত্র এক মাসের মধ্যেই তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূরে এগিয়ে গেছে।’

    দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুদের মাসিক ভাতা প্রদান, খাল খনন কর্মসূচি, প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদ মওকুফ এবং পহেলা বৈশাখ ফার্মার্স কার্ড প্রদানের কথা উল্লেখ করেন বিএনপি মহাসচিব।

    বিএনপি মহাসচিব বক্তব্যে শুরুতে বলেন, আমরা স্মরণ করতে চাই আমাদের যিনি এই দিনের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন এবং দীর্ঘ নয় মাস রণাঙ্গনে থেকে লড়াই করে বাংলাদেশের জনগণকে নিয়ে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে তিনি দেশ স্বাধীন করেছিলেন তার প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তা দলের পক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

    তিনি বলেন, ‘এই স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অগণিত মানুষ যারা কষ্টভোগ করেছেন, আহত হয়েছেন, পঙ্গু হয়েছেন জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’

    বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আজকে সেই সূত্রে স্মরণ করতে চাই বাংলাদেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি সেই যুদ্ধ থেকে শুরু করে তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই দেশের মানুষের জন্য স্বাধীনতার জন্য গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন লড়াই করেছেন আমরা বাংলাদেশ জাতীয় দলের পক্ষ থেকে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি ।’

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসুর মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ ও অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে তারা মোনাজাতে অংশ নেন।

  • জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ জিয়া’র মাজারে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।

    এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র পক্ষ থেকে দলের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পরে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীর সন্তানের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয়  দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। এসময় বিউগলের করুণ সুর বাজানো হয়।

    প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শহীদ পরিবারের সদস্যগণ, কুটনীতিক এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    পরে, দলীয় প্রধান হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের সিনিয়র নেতাদের সাথে নিয়ে স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এসময় মন্ত্রিপরিষদের পক্ষেও পুস্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মৃতিসৌধে উপস্থিত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

    পরে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপিত

    যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপিত

    যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ পালিত হচ্ছে দেশের ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

    এ সময় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ‘কালরাতে’ নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস হামলার পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রাম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। সেই থেকে দিনটি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

    দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।

    আজ সরকারি ছুটির দিন।

    দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার।

    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

    দিবসটি উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলো বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।

    ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় ভোরে তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

    সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও উত্তোলন করা হয় বড় আকারের জাতীয় পতাকা। একই সঙ্গে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ভবন ও বহুতল ভবনেও পতাকা ওড়ানো হয়।

    বিকেলে বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার ও খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি।

    জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    সকাল ৮টায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শোভাযাত্রা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

    দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়েছে।

    সকাল ৯টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর জাহাজ। এসব জাহাজ চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা, পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জের পাগলা এবং বরিশালে বিআইডব্লিউটিসির ঘাটে অবস্থান করছে। এছাড়া চাঁদপুর ও মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের জাহাজও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

    এ উপলক্ষে বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট, কাবাডি ও হাডুডুসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতার কেন্দ্র মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।

    ঢাকাসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সিনেমা হলে বিনামূল্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে।

    জাদুঘরগুলো সারাদিন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। শিশুদের জন্য খোলা রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনকেন্দ্র।

    দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে।

    শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত, জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হচ্ছে। পাশাপাশি মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়েও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

    দেশব্যাপী সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, পুনর্বাসন কেন্দ্র ও বিভিন্ন কল্যাণ প্রতিষ্ঠানে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।

  • সরকারের বহুমুখী উন্নয়ন ও অগ্রগতি তুলে ধরলেন তথ্যমন্ত্রী

    সরকারের বহুমুখী উন্নয়ন ও অগ্রগতি তুলে ধরলেন তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সরকারের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে বলেছেন, সরকার সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের প্রতিটি অঙ্গনকে স্পর্শ করার লক্ষ্যে বহুমুখী উদ্যোগ ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

    আজ (বুধবার) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সরকারের গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন তিনি।

    এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এবং তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী জানান, সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী দেশে ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার রয়েছে। প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্যকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার ।

    তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৩৭ হাজারেরর বেশি পরিবারের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এসব পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ অর্থ সহায়তা পাবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

    ধর্মীয় সেবকদের কল্যাণে গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় সেবকদের জন্য সম্মানী ভাতা চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৯০৮ জন ইমাম, ৯৯০ জন পুরোহিত, ১৪৪ জন বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬ জন গির্জার যাজক এই ভাতার আওতায় এসেছেন। আগামী চার অর্থবছরে দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে শাড়ি, থ্রি-পিস, লুঙ্গি ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি যাকাত ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    কৃষিখাতের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ৮টি বিভাগের ১১টি উপজেলায় ২১ হাজার ১৪ জন কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

    তিনি আরও জানান, সরকার সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৫৪টি জেলায় কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সরকারের মিতব্যয়িতা ও ভিআইপি সংস্কৃতি ত্যাগের উদাহরণ দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যরা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি ও প্লট সুবিধা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে ভিআইপি প্রোটোকল কমানো হয়েছে এবং সরকারি ব্যয়ে মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির চাপ থাকলেও সরকার এখন পর্যন্ত জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি গুজব রোধে এবং ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

    বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ১শ’ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে পূর্ব অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    শ্রমিক অসন্তোষ রোধে সরকারের পদক্ষেপের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে শিল্পাঞ্চলে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি হয়নি।

    স্বাস্থ্যখাতের অগ্রগতি তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ই-‘হেলথ কার্ড’ চালু ও এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যার ৮০ শতাংশই হবে নারী। এছাড়াও ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ে মন্ত্রী জানান, চাঁদাবাজি দমন ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নারী যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করতে ‘পিঙ্ক বাস’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, খেলাধূলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিক স্তর থেকে ক্রীড়া শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং প্রতিটি উপজেলায় ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

    এছাড়া ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ঋণ মওকুফ, প্রবাসী কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন প্রণয়ন এবং বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই চালুর বিষয়ে সরকারের উদ্যোগের কথাও ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন জহির উদ্দিন স্বপন।

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় জাপানে গমনেচ্ছুদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদানের শর্তাদি শিথিল করেছে।

    তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য ব্যাংক সলভেন্সি বা আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

    তথ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিতে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। জনগণের সক্রিয় সহযোগিতায় এসব উদ্যোগ সফল হবে।

  • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা হয়েছে।

    আজ (বুধবার) সকালে ঢাকায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।