Blog

  • প্রায় ৬ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১৯.৫ কেজি গাঁজা’সহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০

    প্রায় ৬ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১৯.৫ কেজি গাঁজা’সহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০

    বিশেষ প্রতিনিধি (ক্রাইম) সুমন শাহ্ : র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে র‌্যাবের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিপুল গাঁজা’সহ মাদক চক্রের ০৪ (চার) জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ০৯/০৬/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১৯.৫০ ঘটিকার সময় ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বদরপুর এলাকায় ফরিদপুর টু মাগুরাগামী মহাসড়কের উপর একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনপূর্বক সন্দেহজনক বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশী করে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ১০.৫ কেজি (দশ কেজি পাঁচশত গ্রাম) গাঁজা, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩,১৫,০০০/- (তিন লক্ষ পনেরো টাকা), সহ ০২ (দুই) জন ব্যক্তিকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিদের নাম ১। মোস্তফা কামাল (২৭), পিতা- মৃত সেকান্দার আলী ও ২। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৬), পিতা- আক্তার হোসেন উভয় সাং- উত্তর মিলনপুর, থানা- দিঘীনালা, জেলা- খাগড়াছড়ি বলে জানা যায়।

    অপর আরেকটি অভিযানে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ১০/০৬/২০২৬ তারিখ ভোর অনুমান ০৫.৪৫ ঘটিকায় ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানাধীন বেল্লাকান্দি এলাকায় একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে ০৯ (নয়) কেজি গাঁজা, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২,৭০,০০০/- (দুই লক্ষ সত্তর হাজার), সহ ০২ (দুই) জন ব্যক্তিকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিদের নাম ১। মোঃ মনির হোসেন @ রুবেল (২৬), পিতা- মোঃ হাফিজ উদ্দিন ও ২। মোঃ আমির হোসেন (২৪), পিতা- আব্দুল গনি, উভয় সাং-উত্তর মিলনপুর, থানা-দিঘীনালা, জেলা-খাগড়াছড়ি বলে জানা যায়।

    প্রকাশ থাকে যে, আটককৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ফরিদপুর ও মাগুরা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকসহ আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র‌্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র‌্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন হল ছয় জাতির আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল উৎসব

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন হল ছয় জাতির আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল উৎসব

    পল্টনস্থ শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে আজ (বুধবার) বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন হলো বয়সভিত্তিক পুরুষ আইএএইচএফ (আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশন) ট্রফি। বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে পোলার আইসক্রিম।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা করেন আলিফ স্কোয়াড শিল্পীরা। এর আগে প্রতিটি দলের পতাকা সহযোগে খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা ও ম্যানেজাররা হ্যান্ডবল কোর্টে প্রবেশ করেন। এ সময় প্রতিটি দেশের বিভিন্ন দেশাত্মবোধক গান বাজতে থাকে।

    আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতার আয়োজন দেখে মুগ্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। প্রতিটি দেশকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে যারা অংশ নিয়েছে তাদের প্রত্যেককে স্বাগত জানাই। আমরা বিশ্বাস করি, বর্তমান সরকার স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি নিয়ে কাজ করছে এবং আমরা পাশের দেশসহ এশিয়া ইউরোপের সব দেশের সঙ্গে স্পোর্টস ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে আমাদের রিলেশন এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করতে পারি। আমাদের ক্রীড়াঙ্গনকে উঁচু জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।’

    আজ (বুধবার) দুপুর ১টায় মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে অ-১৮ প্রতিযোগিতা।

    অনূর্ধ্ব-২০ দলের বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ রয়েছে সন্ধ্যা ৭টায়। প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান।

    ভারত, নেপাল, ইয়েমেন, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ- এই ছয় জাতির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই প্রতিযোগিতা। অনূর্ধ্ব-২০ বিভাগে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো। ‘এ’ গ্রুপে খেলবে ভারত, নেপাল ও ইয়েমেন। ‘বি’ গ্রুপে আছে- মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও স্বাগতিক বাংলাদেশ।

    দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলগুলো নিয়ে ১৩ জুন হবে সেমিফাইনাল এবং ১৪ জুন ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

    অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগের ম্যাচগুলো রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হবে। সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দল হবে চ্যাম্পিয়ন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মাহবুব উল আলম, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সারওয়ার ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন আহমেদ, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ঢাকা আইসক্রিম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মাসুদ ইমাম।

  • ইআইআর প্রকল্পের বহুমুখী সুফল সরকারের খাল খনন কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে

    ইআইআর প্রকল্পের বহুমুখী সুফল সরকারের খাল খনন কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে

    সদ্য বাস্তবায়িত ইআইআর প্রকল্পের মাধ্যমে বৃহত্তর রংপুরের মানুষ কৃষি ও অন্যান্য বিভিন্ন খাতে বহুমুখী সুফল পেতে শুরু করেছেন, যা সরকারের দেশব্যাপী চলমান খাল খনন কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে।

    এই প্রকল্পটি শুধু ফসলের উৎপাদন বাড়িয়ে কৃষি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনই আনেনি, বরং বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে পরিবেশের উন্নতি, বাস্তুতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন, ভূপৃষ্ঠের পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনর্ভরণেও ভূমিকা রাখছে।

    বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) বিএমডিএ ২৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচ বছর (২০১৯-২০২৪) মেয়াদি ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে বৃহত্তর রংপুর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ (ইআরপি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে।

    বিএমডিএ কর্মকর্তারা জানান, ভূ-পৃষ্ঠের পানি সংরক্ষণ প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ায় এবং সংরক্ষিত পানির ব্যবহার বৃহত্তর রংপুরের ৩৫টি উপজেলার ৩৩ হাজার ৩২৮টি কৃষক পরিবারকে বছরে ৪১৮ কোটি টাকা মূল্যের অতিরিক্ত ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪ টন ধান উৎপাদনে সহায়তা করছে।

    এই প্রকল্পের আওতায় ৩৫টি বিলুপ্ত খালের ২৩০ কিলোমিটার, ১০টি বিল ও ৮৮টি পুকুর পুনঃখনন, ৩০টি সৌরশক্তি চালিত ও ১৮৩টি বিদ্যুৎ চালিত লো-লিফট পাম্প, ৫০টি সৌরশক্তি চালিত খননকৃত কূপ, ১৬টি ফুটওভার ব্রিজ এবং নয়টি ক্রস ড্যাম স্থাপন করা হয়েছে।

    এর ফলে, সংরক্ষিত ভূপৃষ্ঠের পানি ব্যবহার করে ১৩,৪০৫ হেক্টর জমিতে সেচ ও সম্পূরক সেচ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে, যার মাধ্যমে বছরে ৩৭০ কোটি টাকা মূল্যের অতিরিক্ত ১ লাখ ২৩ হাজার ১৫২ টন ধান উৎপাদিত হচ্ছে।

    বিলুপ্ত খাল ও জলাশয় খননের ফলে প্রকল্প এলাকায় আরও ১ হাজার হেক্টর জমি আংশিক জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয়েছে, যার ফলে প্রতি বছর ১৫ কোটি টাকা মূল্যের অতিরিক্ত ৫ হাজার টন ধান উৎপাদিত হচ্ছে।

    এছাড়া, ১ হাজার ১২২ মিটার ভূগর্ভস্থ পিভিসি পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইজলামারী চর বিল, মিয়ার চর বিল এবং সবুজপাড়া বিলের ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমি প্রথমবারের মতো স্থায়ী জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয়েছে।

    এর ফলে, স্থানীয় কৃষকরা এই তিনটি বিলের ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে তিনটি ফসল চাষ করছেন এবং বছরে ৩৩ কোটি টাকা মূল্যের ১০ হাজহার ৯১২ টন অতিরিক্ত ধান উৎপাদন করছেন।

    বিএমডিএ’র সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার এবং ইআইআর প্রকল্পের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. হাবিবুর রহমান খান বিএসএসকে বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা ১৫ হাজার ৬৫৫ হেক্টর জমিকে সেচ ও সম্পূরক সেচ সুবিধার আওতায় এনে বছরে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪ টন অতিরিক্ত ধান উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে।’

    এছাড়াও কৃষকরা পুনঃখনন করা খাল ও জলাশয়ের তীরেব ছরে ছয় কোটি টাকা মূল্যের ১ হাজার ৬৫০ টন বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফল ও গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ঘাস এবং ৮০ টন বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ উৎপাদন করছেন।

    এছাড়াও, জেলেরা পুনঃখনন করা খাল, বিল ও পুকুরের সংরক্ষিত পানি থেকে বহু স্থানীয় ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছ ধরছেন, অন্যদিকে মহিলারা ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য হাঁস পালন করছেন এবং প্রতিদিন গৃহস্থালীর কাজে এই জল ব্যবহার করছেন।

    খান বলেন, ‘প্রকল্প এলাকায় বনভূমি ও সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশের উন্নতি এবং বাস্তুতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আমরা পুনঃখনন করা খাল ও জলাশয়ের তীরে কাঠ, ঔষধি, শোভাবর্ধক ও ঔষধি গাছের ২.৩০ লক্ষ চারা রোপণ করেছি।’

    পুনঃখনন করা জলাশয়গুলির তীরে রঙিন ফুল, পাখি এবং গাছপালা একত্রিত হয়ে এক মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য সৃষ্টি করে, যা প্রকৃতি ও মানুষের ভালোবাসার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে এবং মানুষের মনকে বিস্ময়ে ভরিয়ে তোলে।

    তিনি বলেন, ‘রংপুর অঞ্চলে প্রকৃতিকে সবুজ রূপ দিতে বাস্তুতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং পরিবেশের উন্নতি সাধনে ইআইআর প্রকল্পটি একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’

    বাসস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার সাঙ্খরপুর গ্রামের মশিউর রহমান বলেন, বিলুপ্তপ্রায় মরা তিস্তা নদী পুনঃখননের ফলে কৃষকদের বিস্তীর্ণ জমি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয়েছে এবং চার দশক পর তারা সেখানে প্রথমবারের মত আমন ধান চাষ করতে সক্ষম হয়েছেন।

    তিনি বলেন, পুনঃখনন করা মরা তিস্তা নদীতে স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছ ধরছেন, যেখানে নদীর তীরে গাছের চারা রোপণের ফলে প্রকৃতি সবুজ হয়ে উঠেছে এবং বাস্তুতন্ত্রও পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে।

    একই গ্রামের গৃহিণী শিউলি বেগম বলেন, মরা তিস্তা নদী পুনঃখননের পর স্থানীয় মহিলারা নদীর তীরে হাঁস পালন এবং কলা, শাকসবজি ও নেপিয়ার ঘাস চাষ করে তাদের জীবিকা উন্নত করছেন।

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চর বেরুবাড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল হালিম বলেন, বোয়ালেরদারা খাল পুনঃখননের ফলে বিশাল এলাকা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয়েছে এবং চার দশক পর সেখানে বছরে তিনটি ফসল চাষের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    ইঞ্জিনিয়ার খান মত প্রকাশ করেন, ‘ইআইআর প্রকল্পের মতো, দেশব্যাপী সরকারের চলমান খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন পুরো কৃষি-অর্থনীতিকে কার্যকরভাবে পরিবর্তন করতে পারে এবং পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের উন্নতির পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে পারে।’

  • ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ শেষ হবে : যুক্তরাষ্ট্র

    ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ শেষ হবে : যুক্তরাষ্ট্র

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুত দক্ষিণ সীমান্তের দেয়াল নির্মাণ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ আশা করছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) কমিশনার রডনি স্কট মঙ্গলবার এ তথ্য জানান।

    ওয়াশিংটনে সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে নির্মাণাধীন শক্তিশালী ধাতব বিম দিয়ে তৈরি এ বাধ সান ডিয়েগো থেকে মেক্সিকো উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তবে যে সব স্থানে এর প্রয়োজন নেই বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, তেমন কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেয়াল নির্মাণ করা হবে না।

    ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    স্কট বলেন, ‘মূল সীমান্ত দেয়ালের কাজ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ শেষ হবে।’

    তিনি জানান, এখনো দেয়ালটির কয়েকটি অংশে কাজ বাকি রয়েছে।

    স্কট বলেন, ‘যেসব এলাকায় আমরা সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে দেয়ালের প্রয়োজন নেই, শুধু সে সব স্থানেই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে বিগ বেন্ড ন্যাশনাল পার্কের কথা বলা যায়। এটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকা এবং সেখানে অনেক উঁচু খাড়া পাহাড় রয়েছে।’

    তিনি আরও জানান, দেয়ালের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক নজরদারি ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। এসব কাজ ২০২৮ সালের জুলাই অথবা সর্বোচ্চ আগস্টের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।

    টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সীমান্তঘেঁষা রিও গ্র্যান্ডে নদীর দীর্ঘ অংশেও পৃথক ভৌত প্রতিবন্ধক ব্যবস্থা থাকবে। দুই দেশের মধ্যে নদীটির সীমান্ত অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ কিলোমিটার।

    মেক্সিকো থেকে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার ঠেকানোর লক্ষ্যেই এই দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।
    সরকারি সূচক অনুযায়ী, উভয় কার্যক্রমই কমেছে।

    তবে স্কটের মতে, শুধু ভৌত দেয়াল নির্মাণ করলেই গোপন তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

  • কাল সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী

    কাল সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট আগামীকাল জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন। প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

    সরকারের লক্ষ্য বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ : ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

    প্রস্তাবিত বাজেটে অবকাঠামো উন্নয়নের তুলনায় মানবসম্পদ উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কারণে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    আসন্ন বাজেটে উদ্যোক্তা উন্নয়ন তহবিলে ২২৫ কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব থাকতে পারে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের ঘোষণাও আসতে পারে।

    এছাড়া ২৫ লাখ নাগরিকের জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বেশ কয়েকটি নতুন কর্মসূচি যুক্ত করার পাশাপাশি বিদ্যমান কর্মসূচিগুলোতে বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে। পাশাপাশি বিদেশে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

    যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে ও সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকা-ে উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব থাকতে পারে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আগামী অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ৬৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    সম্ভাব্য বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তা থেকে সংগ্রহ করা হবে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

    এবারের বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার উদ্যোগ। লাইসেন্স, অনুমোদন ও কর ব্যবস্থাপনায় সংস্কার আনার পাশাপাশি ‘বাংলাবিজ’ নামে একটি সমন্বিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবসাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে অনলাইনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল, সরাসরি ব্যাংক হিসাবে কর ফেরত এবং কর-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব আসতে পারে।

    অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, চলতি বছরের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় আগামী অর্থবছরে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

    তাদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আনা ছাড়া উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

    পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মনজুর হোসেন বাসস’কে বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব সংগ্রহ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মতো চ্যালেঞ্জ থাকলেও নীতিনির্ধারকেরা আশা করছেন, চলমান সংস্কার কার্যক্রম অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

  • কাল সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী

    কাল সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট আগামীকাল জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন। প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

    সরকারের লক্ষ্য বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ : ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

    প্রস্তাবিত বাজেটে অবকাঠামো উন্নয়নের তুলনায় মানবসম্পদ উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কারণে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    আসন্ন বাজেটে উদ্যোক্তা উন্নয়ন তহবিলে ২২৫ কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব থাকতে পারে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের ঘোষণাও আসতে পারে।

    এছাড়া ২৫ লাখ নাগরিকের জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বেশ কয়েকটি নতুন কর্মসূচি যুক্ত করার পাশাপাশি বিদ্যমান কর্মসূচিগুলোতে বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে। পাশাপাশি বিদেশে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

    যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে ও সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকা-ে উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব থাকতে পারে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আগামী অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ৬৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    সম্ভাব্য বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তা থেকে সংগ্রহ করা হবে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

    এবারের বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার উদ্যোগ। লাইসেন্স, অনুমোদন ও কর ব্যবস্থাপনায় সংস্কার আনার পাশাপাশি ‘বাংলাবিজ’ নামে একটি সমন্বিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবসাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে অনলাইনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল, সরাসরি ব্যাংক হিসাবে কর ফেরত এবং কর-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব আসতে পারে।

    অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, চলতি বছরের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় আগামী অর্থবছরে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

    তাদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আনা ছাড়া উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

    পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মনজুর হোসেন বাসস’কে বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব সংগ্রহ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মতো চ্যালেঞ্জ থাকলেও নীতিনির্ধারকেরা আশা করছেন, চলমান সংস্কার কার্যক্রম অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।