তিনে তিন হার সিলেটের

আগে ব্যাট করে জেতা যায়নি প্রথম দুই ম্যাচে। সিলেট থান্ডার জিততে পারল না পরে ব্যাট করেও। শনিবার ঢাকা প্লাটুনের ১৮২ রান তাড়া করতে নেমে মোসাদ্দেক হোসেনরা আটকে গেছেন ১৫৮ রানে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে ৫ উইকেটে আর রাজশাহী রয়্যালসের কাছে ৮ উইকেটে হারের ধারাবাহিকতায় এটি দলটির টানা তৃতীয় হার। টুর্নামেন্টের প্রথম তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরে ঢাকার প্রথম পর্ব শেষ করল সিলেট। দুই দিনের বিরতি দিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে পরবর্তী ম্যাচ গড়াবে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সিলেট থান্ডার প্রতি ম্যাচেই ভুগেছে ব্যটিংয়ে। শনিবার বড় রানের লক্ষ্যে ব্যটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করে দিয়েছিলেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। ইনিংসের প্রথম ২২ বলের মধ্যে ৪৭ রান তুলে ফেলেছিলেন রনি তালুকদার, জনসন চার্লস, আন্দ্রে ফ্লেচাররা। কিন্তু ওয়াহাব রিয়াজের বলে ১৪ রান করা রনি আউট হতেই ধ্বস নামে ব্যটিং লাইন আপে। পরের ওভারে রানআউট হন চার্লস, তরুণ পেসার হাসান মাহমুদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হন শফিকুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ মিঠুন শিকার হন মাশরাফি বিন মুর্তজার। ১ উইকেটে ৪৭ থেকে ২৩ বলের মধ্যে ৫ উইকেটে ৬১ রানের রূপ পায় স্কোরবোর্ড। এরপরও যে আরও ৯৬ রান যোগ হয়, তার মূলে অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেনের অপরাজিত ফিফটি। নাঈম হাসান, দেলোয়ার হোসেন আর ক্রিসমার সানতোকিদের নিয়ে ছোট ছোট জুটি গড়ে ২০ ওভার পর্যন্ত ব্যটিং টেনে নেন তিনি। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ বলে ৬০ রান করে মাঠ ছাড়েন মোসাদ্দেক।

ঢাকা প্লাটুনের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন মাশরাফি ও হাসান মাহমুদ। এর আগে ব্যটিংয়ে ঢাকার হয়ে বড় অবদান রাখেন এনামুল হক বিজয়। ডানহাতি এ ওপেনার ৪২ বল খেলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৬২ রান। উদ্বোধনী জুটিতে তাকে সঙ্গ দেওয়া তামিম ইকবাল ২৮ বলে খেলেন ৩১ রানের ইনিংস। ঢাকার হয়ে শেষদিকে কার্যকর ছোট তিনটি ইনিংস খেলে দেন থিসারা পেরেরা (১১ বলে ২২), জাকের আলি (১২ বলে ২০) ও ওয়াহাব রিয়াজ (৭ বলে ১৭)।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ঢাকা প্লাটুন: ২০ ওভারে ১৮২/৪ (এনামুল ৬২, তামিম ৩১, থিসারা ২২*, ইভান্স ২১, জাকের ২০; মোসাদ্দেক ১/১৬, দেলোয়ার ১/২৮)।

সিলেট থান্ডার: ২০ ওভারে ১৫৮/৭ (মোসাদ্দেক ৬০*, চার্লস ১৯, দেলোয়ার ১৭; হাসান ২/২৪, মাশরাফি ২/২৯)।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *