Category: আন্তর্জাতিক

  • ট্রাম্পের সেক্রেটারিকে বের করে দিলো রেস্টুরেন্টের মালিক

    ট্রাম্পের সেক্রেটারিকে বের করে দিলো রেস্টুরেন্টের মালিক

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কাজ করায় রেস্টুরেন্ট থেকে বের করে দেওয়া হলো হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্সকে। গত শুক্রবার ভার্জিনিয়া প্রদেশের একটি নামকরা রেস্টুরেন্ট থেকে ট্রাম্পের ওই কর্মীকে সপরিবারে বের করে দেওয়া হয়। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার উদ্দেশ্যে লেক্সিংটনের ‘রেড হেন’ নামে ওই রেস্টুরেন্ট থেকে প্রেস সেক্রেটারি সারাহকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়।

    রেস্টুরেন্টের মালিক স্টেফিনি ওয়েলকিনসন মন্তব্য করেন, সারাহ একটি ‘অমানবিক ও অনৈতিক’ প্রশাসনের জন্য কাজ করছে। অন্যদিকে তার রেস্টুরেন্টের নির্দিষ্ট মান আছে। সততা,  সহানুভূতি ও সহযোগিতার সঙ্গে এখানে সবাইকে আমন্ত্রণ করা হয়। তাই রেস্টুরেন্টের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে ট্রাম্পের মুখপাত্রকে ২৬ নাম্বার সিটটি ছেড়ে দিয়ে বের হয়ে যেতে বলেন।  এ বিষয়ে সারাহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটের এক বার্তায়  জানান, ‘রেস্টুরেন্টের মালিক আমাকে বের হয়ে যেতে বললে আমি সবিনয়ে চলে আসি।’ এর একদিন আগে, ওয়াশিংটন ডিসির এক মেক্সিকো রেস্টুরেন্টে স্বরাষ্ট্র সচিবকে হেনস্থার ঘটনা ঘটে।

  • অবশেষে গুডবাই

    অবশেষে গুডবাই

    ঐতিহাসিক আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন একে অন্যকে গুডবাই জানালেন। এর মধ্য দিয়ে দৃশ্যত দুই দেশের মধ্যে সিঙ্গাপুরের বহুল প্রতীক্ষিত সামিটের শেষ হতে যাচ্ছে। আজই স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় এয়ারফোর্স ওয়ানে করে সিঙ্গাপুর থেকে উড়াল দেয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। অন্যদিকে তার সঙ্গে আলোচনা শেষে এরই মধ্যে সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপ ত্যাগ করেছে কিম জং উনকে বহনকারী গাড়িবহর। এর আগে দু’নেতা একটি ‘কমপ্রিহেনসিভ’ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেন। এতে কি আছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায় নি। তবে স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটায় এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। তাতে কিম উপস্থিত থাকবেন না বলেই মনে হচ্ছে। এদিন দু’নেতা শীর্ষ পর্যায়ের উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। সব মিলিয়ে এ আলোচনা হয়েছে প্রায় ৫ ঘন্টার মতো। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। ডকুমেন্টে স্বাক্ষরের পর পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি কিম জং উনকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানাবেন। আরও বলেছেন, কিম জং উনের সঙ্গে তিনি একটি অত্যন্ত স্পেশাল বন্ড তৈরি করেছেন। তাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনার সঙ্গে এখানে উপস্থিত হতে পারা সম্মানের। ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করার পর তারা দু’জনেই যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার পতাকার সামনে দাঁড়ান। এ দিনে শেষবারের মতো আবার তারা করমর্দন করেন। এ সময় সমবেত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, তিনি (কিমের) চমৎকার একজন সমঝোতাকারী। তার দেশের মানুষের পক্ষে এই সমঝোতা। সাংবাদিকরা এ সময় তার কাছে জানতে চান উত্তর কোরিয়ার নেতার কাছ থেকে তিনি কি শিক্ষা পেলেন? জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমি শিখেছি যে, তিনি একজন অত্যন্ত মেধাবী মানুষ। আমি আরো শিখেছি, তিনি নিজের দেশের মানুষকে খুবই ভালবাসেন। ট্রাম্প আবার আশস্ত করেন তারা আবারও সাক্ষাতে মিলিত হবেন। উত্তর কোরিয়া খুব দ্রুততার সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্তকরণ প্রক্রিয়া অবলম্বন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। এ ইস্যুতে কি কিম রাজি হয়েছেন? সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমরা এ প্রক্রিয়া খুব, খুব দ্রুততার সঙ্গে শুরু করছি।

  • সিঙ্গাপুরকে ধন্যবাদ কিমের

    সিঙ্গাপুরকে ধন্যবাদ কিমের

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠক আয়োজন করায় সিঙ্গাপুরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন। রবিবার সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি বৈঠকের আয়োজন করার জন্য সিঙ্গাপুরকে ধন্যবাদ জানান।

    কিম বলেন, যদি বৈঠক সফল হয় তবে সিঙ্গাপুর ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    এ সময় সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি হুসেন লুঙ বৈঠকের জন্য সিঙ্গাপুরে আসায় কিমকে সাধুবাদ জানান। এছাড়া দুই নেতার এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন লি হুসেন।

    সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    এছাড়া সিঙ্গাপুর ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

    সোমবার সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আর মঙ্গলবার সকাল নয়টার দেশটির স্যান্টোসা দ্বীপের দ্য ক্যাপেলো হোটেলে ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হবেন ট্রাম্প ও কিম।

    বৈঠক সফল হলে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা রাজ্য বিষয়ক কমিশনের চেয়ারম্যান কিমকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানাবেন বলে সম্প্রতি জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর বৈঠক ফলপ্রসূ না হলে উত্তর কোরিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।

  • সিঙ্গাপুরের পথে উত্তর কোরীয় নেতা

    সিঙ্গাপুরের পথে উত্তর কোরীয় নেতা

    উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং থেকে রবিবার সকালে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তিনটি উড়োজাহাজ সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এর মধ্যে যে কোনও একটি বিমানে রয়েছেন উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন।

    মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বহুল আলোচিত ঐতিহাসিক বৈঠক করতেই তিনি সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন।

    তিনটি উড়োজাহাজের মধ্যে প্রথমটি রাশিয়ার তৈরি কার্গো বিমান। যাতে কিমের জন্য খাদ্য সামগ্রী, গাড়ি এবং নিরাপত্তার জন্য  অনুমোদিত অস্ত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ খবর দিয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক গণমাধ্যম স্ট্রেইট টাইমস।

    দ্বিতীয় উড়োজাহাজটি চীনা বোয়িং সেভেন হান্ড্রেড ফোরটি সেভেন। যা স্থানীয় সময় আনুমানিক সকাল সাড়ে আটটায় উড্ডয়ন করে।

    সূত্রের বরাত দিয়ে স্ট্রেইট টাইমস জানিয়েছে, এ বিমানে রয়েছেন কিম এবং তার সঙ্গে সফররত কর্মকর্তাবৃন্দ। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়নহোপ ও কিমের ব্যাপারে এ প্রতিবেদন দিয়েছে। সে অনুযায়ী দুপুর তিনটায় সিঙ্গাপুরে পোঁছবেন উত্তর কোরীয় নেতা।

    আর সোভিয়েত যুগে তৈরি বিমান ইলিয়াসিন ইল-টুয়েন্টি টু বিমানটি সর্বশেষ সকাল দশটার দিকে উড্ডয়ন করেছে।

    সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রবিবার সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর পর এদিনই দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি হুসেন লুং এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন কিম।

    এদিকে কিম এবং ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত সিঙ্গাপুরের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চাঙ্গি।

    উত্তর কোরিয়া থেকে সিঙ্গাপুরে আসা কার্গো বিমানে সম্ভবত কিমের বিলাসবহুল গাড়ি বহর থাকবে। তার মধ্যে রয়েছে মার্সিডিজ বেঞ্জের বিভিন্ন মডেল। আর কিম সম্ভবত ব্যবহার করবেন বিএমডব্লিউ সেভেন। যা আগেই সিঙ্গাপুরে চলে এসেছে।

    এছাড়া নিরাপত্তারক্ষীসহ কমপক্ষে ১০০ জন কর্মকর্তা কিমের সঙ্গে সফরে আসছেন বলে জানিয়েছে স্ট্রেইট টাইমস।

  • এক প্রেমিককে দিয়ে আরেক প্রেমিককে খুন

    এক প্রেমিককে দিয়ে আরেক প্রেমিককে খুন

    ভারতে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনা ভয়ানক আকার ধারণ করেছে। এবার এক প্রেমিককে দিয়ে অন্য এক প্রেমিককে হত্যা করানোর অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মৃত বক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ।

    এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে। শুক্রবার থানার সামনে মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ অভিযুক্ত গৃহবধূ এবং তার প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে। খবর বর্তমানের।

    পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম অজয় কর (২৬)। অশোকনগর থানা এলাকায় তার বাড়ি। আটকদের নাম সখী চৌধুরী বিশ্বাস এবং বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য। তাদের বাড়িও অশোকনগরে। অজয় একজন প্রতিভাবান উঠতি ক্রিকেটার ছিলেন। অনেক পুরস্কারও জিতেছেন।

    অজয়ের পরিবারের অভিযোগ, তার (অজয়) সঙ্গে সখীর অনেক দিনের সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন থেকৈ অজয় জানতে পারেন, সখীর আরও অনেক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বজিতের সঙ্গে সখীর প্রেমের সম্পর্ক গভীর হয়েছিল। এটা জানার পর অজয়কে দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ। এমনকি, বুধবার বিশ্বজিৎই নাকি অজয়কে বাইকে করে চাপিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে অজয় আর বাড়ি ফেরেননি।

    পুলিশ আরও জানিয়েছে, বুধবার রাতেই অশোকনগর ৩ নম্বর রেলগেট এলাকা থেকে একটি ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে হাবড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    বৃহস্পতিবার খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে গিয়ে অজয়ের মৃতদেহ বলে চিহ্নিত করেন। তারপরই অভিযোগ ওঠে, বিশ্বজিৎকে দিয়ে অজয়কে খুন করিয়েছেন সখী। ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য লাইনের ধারে দেহ ফেলে দেওয়া হয়।

    শুক্রবার ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ অশোকনগর থানায় নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন পরিবারের লোকজন এবং প্রতিবেশীরা। থানার সামনে রাস্তা অবরোধ করেও বিক্ষোভ চলে।

    এক পুলিশ অফিসার বলেন, যে দু’জনের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, সেই সখী চৌধুরী বিশ্বাস ও বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • চীনে মাটির নিচে আটকা পড়া ২৩ শ্রমিক উদ্ধার

    চীনে মাটির নিচে আটকা পড়া ২৩ শ্রমিক উদ্ধার

    চীনের উত্তরপূর্বের একটি খনি থেকে বুধবার ২৩ শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে এক বিস্ফোরণের ঘটনায় তারা আটকা পড়ার কয়েক ঘণ্টা পর তাদেরকে উদ্ধার করা হলো। ওই বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত হয়েছে এবং অপর দু’জন নিখোঁজ রয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ কথা জানায়। খবর এএফপির।

    লিয়াওনিং প্রদেশের বেনজিতে চীনের জাতীয় কয়লা গ্রুপ কোম্পানির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হুয়ামির গ্রুপের আকরিক লোহা খনিতে মঙ্গলবারের বিস্ফোরণে অপর নয়জন কর্মী আহত হয়েছে।

    সিনহুয়ার খবরে বলা হয়, খনিটির প্রায় এক হাজার মিটার গভীরে শ্রমিকরা বিস্ফোরক নামানোর সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে খনির উত্তোলন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    এ বিস্ফোরণের পর স্থানীয় সময় বুধবার ভোর ৫ টা ২০ মিনিটের দিকে খনি থেকে ছয় শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। এর দুই ঘণ্টা পর সেখান থেকে আরো ১৭ জনকে বের করে আনা হয়। তারা সকলেই খনির অভ্যন্তরে আটকা পড়েছিল। তারা সুস্থ রয়েছে।

    কর্তৃপক্ষ নিখোঁজ অপর দুজনের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।