Category: আন্তর্জাতিক

  • ভারতের সঙ্গে হাত মেলাতে চায় চীন

    ভারতের সঙ্গে হাত মেলাতে চায় চীন

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রটেকশনিজমের বিরুদ্ধে ভারতের সঙ্গে হাত মেলাতে চায় চীন। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির দেয়া ভাষণের ভূয়সী প্রশংসা করে ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করার অঙ্গিকার করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

    মঙ্গলবার ইকোনমিক ফোরামে প্রটেকশনিজমের মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে বক্তব্য পেশ করেন মোদি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। প্রটেকশনিজম একটি অর্থনৈতিক পরিভাষা।

    কোনো একটি দেশ তার নিজের দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে বা বিদেশি ব্যবসার প্রতিযোগিতা থেকে নিজের দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসাকে রক্ষার জন্য একতরফাভাবে নেয়া পদক্ষেপকে প্রটেকশনিজম বলা হয়ে থাকে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বাণিজ্য ক্ষেত্রে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য বহু পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘আমেরিকা প্রথম’ নীতির আড়ালে এসব পদক্ষেপ নেয়া অব্যাহত রেখেছেন তিনি।

    এ প্রটেকশনিজমের বিরুদ্ধে আগে থেকেই সরব বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনীতির দেশ চীন। ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির নাম উল্লেখ না করে প্রটেকশনিজম প্রসঙ্গে ইকোনমিক ফোরামের মঞ্চে মোদি মার্কিন বাণিজ্য নীতির সমালোচনা করেন।

    জিনপিং বলেন, সারা বিশ্বের বাণিজ্যের উন্নতির স্বার্থে মোদির এ ডাকে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসবে চীন। ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে একযোগে কাজ করতে চায় বেইজিং।

  • যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্কের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্কের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা ট্রাম্পের

    এ অবস্থায় সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে চলতে তুরস্কের প্রতি তিনি এ আহ্বান জানিয়েছেন।

    তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে ফোন করে এ আহ্বান জানান ট্রাম্প।

    এ সময় মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাধতে পারে এমন যে কোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে চলতে এরদোগানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    ট্রাম্প বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা যাতে আর না বাড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলেছেন। এ কারণে সেনা অভিযান সীমিত করা দরকার বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

    সিরিয়ায় কুর্দি গেরিলা নিয়ন্ত্রিত আফরিনের পর মানবিজেও তুরস্ক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেয়ার পর ট্রাম্প এরদোগানকে ফোন করলেন।

    গত শনিবার থেকে আফরিনে সেনা অভিযান চালাচ্ছে তুরস্ক। প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ওয়াইপিজি গেরিলাদের নির্মূলের লক্ষ্যে আফরিনে অভিযান চালানো হচ্ছে।

    সিরিয়ায় প্রকাশ্যে অন্তত দুই হাজার মার্কিন সেনা ও উপদেষ্টা মোতায়েন রয়েছে। সিরিয়ার সরকারের অনুমতি ছাড়াই ওই সব মার্কিন সেনা সেখানে অবস্থান করছে এবং সরকার উৎখাতের জন্য সব ধরনের অন্যায় তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

  • উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নদীকে কাজে লাগাতে হবে

    উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নদীকে কাজে লাগাতে হবে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে নদীকে কাজে লাগাতে হবে। বৃহস্পতিবার সকালে নিজ কার্যালয়ে যমুনা-পদ্মা নদীর তীর স্থিরকরণ, ভূমি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ উন্নয়নে প্রস্তাবিত পাইলট প্রকল্পের রূপরেখা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, নদীভিত্তিক পরিবহনব্যবস্থা আরও উন্নত করতে হবে। এ সময় নদী সংরক্ষণ ও নাব্য রক্ষায় প্রতি বছর যথাসময়ে ড্রেজিং করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

    দেশের জনসংখ্যা দিন দিন বাড়ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদীতীরবর্তী ভূমি পুনরুদ্ধার করে শিল্পকারখানা স্থাপন করতে পারলে দেশে যেমন কর্মসংস্থান বাড়বে, তেমনি দারিদ্র্যও দূর হবে।

  • ঝুঁকির মুখে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদ!

    ঝুঁকির মুখে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদ!

    ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের সঙ্গে রাশিয়ার সম্ভাব্য আঁতাতের বিষয়ের তদন্ত এখন তাঁকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে।
    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সম্ভাব্য আঁতাতের ঘটনা খতিয়ে দেখতে নিযুক্ত বিশেষ কৌঁসুলি রবার্ট মুলারের তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে।
    ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদ একটি সম্ভাব্য ঝুঁকির মুখে পড়তে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা অনেকের।
    সর্বশেষ মঙ্গলবারের খবর হচ্ছে, ট্রাম্পের অন্যতম ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর প্রশাসনের অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্সকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুলারের তদন্ত দল। আরও খবর হচ্ছে, সম্ভাব্য আঁতাতের বিষয়ের প্রাথমিক পর্যায়ে তদন্ত করা মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কোমিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কেবল তা-ই নয়, স্বয়ং আঁতাতের বিষয়ে এবার ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান মুলার।
    মার্কিন আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জেফ সেশন্স ও জেমস কোমিকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসাবাদের উদ্যোগ প্রমাণ করে রবার্ট মুলারের স্পষ্ট ধারণা আছে তিনি কী করতে যাচ্ছেন।
    ট্রাম্প ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বাধা দিয়েছিলেন, মুলারের তদন্তের মাধ্যমে হয়তো সেই বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা অনেকের।
    মুলার এককালে এফবিআইয়ের পরিচালক ছিলেন। তাঁর সাবেক সহকারী মাইকেল জেলডিন বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের বাধা কোন পর্যায়ের অপরাধ, মুলার সম্ভবত সেই বিষয়টি নির্ধারণের চেষ্টা করছেন। এটা কি অভিশংসনযোগ্য অপরাধ, নাকি এর দ্বারা কোনো অপরাধই সংঘটিত হয়নি, তাই নির্ধারণের চেষ্টা করছেন বিশেষ কৌঁসুলি।
    গত মে মাসে কোমিকে বরখাস্তের পর ক্রিস্টোফার রেকে এফবিআই পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেন ট্রাম্প।
    সম্প্রতি খবর হচ্ছে, ক্রিস্টোফারও পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন। কারণ, ট্রাম্পের অনুগত অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্স তাঁকে চাপ দিচ্ছেন এফবিআইতে জেমস কোমির নিয়োগ করা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিতে। কারণ, ট্রাম্প মনে করেন ওই কর্মকর্তারা তাঁর প্রতি বিরাগভাজন।
    রুশ আঁতাত নিয়ে তদন্তে এই পর্যন্ত ট্রাম্পের চারজন শীর্ষ সহযোগী অভিযুক্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসনের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন, তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা শিবিরের সাবেক প্রধান পল মানাফোর্ট এবং তাঁর প্রচারণা শিবিরের সাবেক পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা জর্জ পাপাডোপুলাস। তবে এখন পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেআইনি কাজের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
    আর মুলারের তদন্ত যতই শেষ পর্যায়ে উপনীত হচ্ছে, এই তদন্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ট্রাম্প, তাঁর সহযোগী এবং রিপাবলিকানদের প্রচেষ্টা ততই বাড়ছে।
    নিউইয়র্কের কর্নেল ল স্কুলের অধ্যাপক জেন্স ডেভিড অহলিন বলেন, মনে হচ্ছে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে (ইলেভেনথ আওয়ার) পৌঁছেছে।
    তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি ইঙ্গিত করে, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদ হয়তো ঝুঁকির মুখে রয়েছে। কারণ, মুলার বেশ আটঘাট বেঁধেই নামছেন। তাঁর কাছে রয়েছে জেমস কোমি, জেফ সেশন্সের জবানবন্দি এবং মাইকেল ফ্লিনের সাক্ষ্য।

  • ‘সিরিয়ায় মার্কিন ও তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি অবৈধ’

    ‘সিরিয়ায় মার্কিন ও তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি অবৈধ’

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ ইয়াহিয়া রাহিম সাফাভি বলেছেন, সিরিয়ায় মার্কিন ও তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি অবৈধ। তেহরানে সামরিক বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তুরস্ক আমেরিকার সাথে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করে এবং মার্কিন কৌশল অবলম্বন করে। তবে তুরস্ক কুর্দিদের নিয়ে নতুন বাহিনী গঠনের মার্কিন পরিকল্পনার বিরোধী বলে তিনি জানান।

    আফরিনে তুর্কি হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, কুর্দিরা হয়তো সেখানে স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল গড়ে তোলার চেষ্টা করবে, আর এ ধরনের অঞ্চল গড়ে তুলতে কুর্দিদের জন্য ভূমধ্যসাগরের সাথে সংযোগ জরুরি। কুর্দিরা যাতে তাতে সফল হতে পারে সে জন্যই তুরস্ক আফরিনে হামলা চালিয়েছে।

    রাহিম সাফাভি বলেন, সিরিয়ায় তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি অবৈধ। কারণ তারা সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে। তুর্কি সেনারা আফরিনে প্রবেশ করার কারণে দামেস্কের সাথে আঙ্কারার সম্পর্কে জটিলতা বাড়বে।

    সিরিয়ার সরকারের অনুমতি না নিয়েই গত শনিবার থেকে আফরিনে সামরিক হামলা শুরু করেছে তুরস্ক। সিরিয়ার সরকার ওই হামলাকে তার দেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। আমেরিকাও সিরিয়ার সরকারের অনুমতি না নিয়ে দেশটিতে সামরিক তৎপরতা চালাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়া, ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহ সিরিয়ার সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুরোধে সাড়া দিয়ে সেখানে গেছে।

  • পশু খাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত লালু প্রসাদ

    পশু খাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত লালু প্রসাদ

    পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি তৃতীয় মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) প্রধান লালু প্রসাদ যাদব(৬৯)। বুধবার রাঁচির সিবিআই’এর বিশেষ আদালত লালুকে দোষী সাব্যস্ত করেন। লালুর সাথেই বিহারের আরেক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথ মিশ্রকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আজ বিকালের দিকেই এই মামলায় লালুসহ বাকীদের সাজা ঘোষণা হতে পারে। লালুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ১৯৯২ থেকে ১৯৯৩ সালের মধ্যে চাঁইবাসা ট্রেজারি থেকে ৩৩.১৩ কোটি রুপি নষ্ট করেছিলেন।

    এর আগে দুইটি পশুখাদ্য মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। গত মাসেই দ্বিতীয় পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় লালুকে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় রাঁচির বিশেষ সিবিআই আদালত। বর্তমানে রাঁচির বিরসা মুন্ডা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন তিনি।
    তারও আগে ২০১৩ সালের অক্টোবরে পশু খাদ্য কেলেঙ্কারির চাইবাসা ট্রেজারির প্রথম মামলাটিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। ওই মামলায় সেসময় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার হারান লালু। যদিও সেসময় মাত্র দুই মাস কারাগারে কাটানোর পর সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান লালু।