Category: আন্তর্জাতিক

  • জাতিসংঘে নারী মহাসচিব প্রার্থী ইকুয়েডরের এসপিনোসার প্রচারণা শুরু

    জাতিসংঘে নারী মহাসচিব প্রার্থী ইকুয়েডরের এসপিনোসার প্রচারণা শুরু

    ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা জাতিসংঘের নেতৃত্ব দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন।

    জাতিসংঘের শীর্ষ পদে একজন নারীকে নিয়োগ দেওয়া ‘ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের’ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

    জাতিসংঘের প্রথম নারী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে নেমেছেন এসপিনোসা

    জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    বর্তমানে এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চার জন। তাদের মধ্যে আরও দুজন নারী রয়েছেন।

    এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসপিনোসা বলেন, জাতিসংঘের প্রতি তার ‘গভীর ভালোবাসা’ রয়েছে।

    তিনি বলেন, অনেকে বলেন, এখন সময় এসেছে জাতিসংঘের নেতৃত্বে একজন নারী আসার। আর আমি মনে করি, এটি ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের প্রশ্ন।

    এসপিনোসা আরও বলেন, তবে আমি এটিকে যোগ্যতার বিষয় হিসেবেও দেখি। জাতিসংঘের সেবায় অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও দক্ষতার পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো প্রয়োজন।

    এসপিনোসার ভাষায়, ‘বিশ্বের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে এই সম্ভাবনার বাইরে রাখা যায় না।’

    তিনি আরও বলেন, বিপজ্জনক সময়ে ‘ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির’ প্রয়োজন রয়েছে।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ-সংঘাত বেড়ে যাওয়ার মধ্যে জাতিসংঘের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও আর্থিক সংকটে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও রয়েছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে।

    এসপিনোসা বলেন, ‘জাতিসংঘকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। উল্টোটা নয়।’

    বিদায়ী মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ঘোষিত সংস্কারের চেয়েও আরও উচ্চাভিলাষী পরিবর্তনের আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি সম্ভাব্য সংঘাতের আগাম সংকেত শনাক্ত ও সতর্ক করতে একটি ‘আর্লি ওয়ার্নিং’ ব্যবস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন। অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সমর্থনে জমা দেওয়া তার ‘ভিশন’ নথিতে এ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।

    এসপিনোসা বলেন, ‘এটি কঠিন দায়িত্ব। তবে যদি আপনি কাজটি করতে জানেন ও নিজের নেতৃত্বের ধরনে আত্মবিশ্বাসী হন, তাহলে জাতিসংঘ একবিংশ শতাব্দীকে আরও আশাবাদ ও সম্ভাবনার দৃষ্টিতে দেখতে পারবে।’

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, পরিবর্তন কোনো একক ব্যক্তির কাজ নয়। বরং ‘দৃঢ় নেতৃত্বের’ অধীনে ‘রাজনৈতিক গতি’ তৈরি করেই তা সম্ভব।

    হুপক্ষীয় ব্যবস্থার ওপর বাড়তে থাকা চাপের মধ্যেও এসপিনোসা মনে করেন, ‘মানবজাতির অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘই একমাত্র সার্বজনীন প্ল্যাটফর্ম।’

    নিজের প্রার্থিতা প্রচারে জাতিসংঘ ব্যবস্থায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘে ইকুয়েডরের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।

    এ পদে দায়িত্ব পালন করা মাত্র পাঁচ জন নারীর একজন তিনি।

    তবে প্রতিদ্বন্দ্বী চিলির মিশেল ব্যাচেলেট, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান ও সেনেগালের ম্যাকি সালের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে চাননি এসপিনোসা।

  • কাতারের উপকূলের কাছে জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

    কাতারের উপকূলের কাছে জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   কাতারের উপকূলের কাছে একটি জাহাজে অজ্ঞাত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে।

    রোববার ভোরে যুক্তরাজ্যের একটি সামুদ্রিক সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

    যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার জানিয়েছে, একটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কাতারের রাজধানী দোহার উত্তর-পূর্বে প্রায় ২৩ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থানকালে  ‘অজ্ঞাত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র’ জাহাজটিকে আঘাত হানে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    সংস্থাটি আরও জানায়, অজ্ঞাত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ফলে জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং জাহাজের কোনো ক্ষতিরও খবর পাওয়া যায়নি।

    সংস্থাটি জানায়, ঘটনাটির পেছনে কে বা কী জড়িত তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

  • আমিরাত ও জাহাজে হামলা ‘অযৌক্তিক’: ইরানকে মাখোঁ

    আমিরাত ও জাহাজে হামলা ‘অযৌক্তিক’: ইরানকে মাখোঁ

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক স্থাপনা ও হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি জাহাজে হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।

    বুধবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মাখোঁ বলেন, ‘চলমান উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি এবং আমিরাতের বেসামরিক অবকাঠামো ও কয়েকটি জাহাজে অযৌক্তিক হামলার নিন্দা জানিয়েছি।’

    প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, ফোনালাপে মাখোঁ ও পেজেশকিয়ান সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি, চলমান আলোচনা ও হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন।

    ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাতে পেজেশকিয়ান মাখোঁকে বলেন, ‘আমরা সন্তুষ্ট যে ফ্রান্সের অবস্থান সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের ওপর ভিত্তি করে।’

    তিনি বলেন, ‘তবে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়ে যে কোনো আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।’

    পেজেশকিয়ান আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিমালার কাঠামোর মধ্যে থেকেই সব সমস্যা সমাধানে ইরান প্রস্তুত।

    তিনি বলেন, ‘ইরানের জনগণের বৈধ অধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া তেহরানের আর কোনো দাবি নেই।’
    এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের ‘অবিশ্বাসের’ কারণও তুলে ধরেন তিনি।

    পেজেশকিয়ান বলেন, ‘অতিরিক্ত দাবি, হুমকিমূলক বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় কাঠামো মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা কূটনীতির পথকে আরও জটিল করে তুলেছে।’

     

     

    https://drive.google.com/file/d/1f-x7jozWeLGpx-ou60mdahUiDrdGRx5K/view?usp=sharing

    https://drive.google.com/file/d/1_7AUfahPS9JLNYj2NW0kCTtphdE9LNOY/view?usp=sharing

  • যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট শুরু, চাপের মুখে স্টারমারের লেবার পার্টি

    যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট শুরু, চাপের মুখে স্টারমারের লেবার পার্টি

    যুক্তরাজ্যে স্থানীয় নির্বাচনে বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এসব নির্বাচন লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এ নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থী ও বামপন্থী পপুলিস্টদের উত্থানও সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে স্থানীয় ভোটে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ভোটকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়।
    লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সাধারণ নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটানোর পর, এটিই প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ওপর বিশ্ব নেতাদের কূটনৈতিক চাপ

    যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ওপর বিশ্ব নেতাদের কূটনৈতিক চাপ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক পথে ফেরার জন্য ইরানের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন বিশ্ব নেতারা।

    হরমুজ প্রণালীতে একাধিক হামলার পর যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার মুখে পড়েছে।

    হরমুজ প্রণালীতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার পর, নতুন করে আলোচনা শুরু করার তৎপরতা দেখা গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির প্রায় এক মাস পর প্রথমবারের মতো তারা ইরানের হামলার মুখে পড়েছে।

    তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    যুদ্ধবিরতির পর থেকেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা চলছে। পাকিস্তানে বৈঠকে অংশ নিতে দুইবার পরিকল্পনা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

    ইরান স্পষ্ট করেছে যে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তারা ছাড়বে না। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলার আগে বিশ্বের মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যেত।

    জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘অঞ্চল ও বিশ্বকে জিম্মি করা বন্ধ করতে হবে।’ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারও একই আহ্বান জানান।

    মার্কিন ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরবও উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।

    দেশটি বলেছে, রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

    সোমবার যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তাদের বাহিনী ইরানের অন্তত ছয়টি ছোট নৌযান ডুবিয়ে দিয়েছে। তবে ইরান এ দাবি অস্বীকার করে।

    তারা অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র নৌকায় থাকা পাঁচ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে।

    -‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’-
    সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে।
    দেশটি একে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য আগ্রাসন’ বলে উল্লেখ করেছে।

    ফুজাইরাহ আমিরাতের একটি জ্বালানি স্থাপনায় হামলায় তিন জন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন।

    চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যার তিনটি ভূপাতিত করা হয়েছে ও একটি সাগরে পড়ে।

    এছাড়া ইরান রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি অ্যাডনকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সামরিক কর্মকর্তা বলেন, সংশ্লিষ্ট তেল স্থাপনায় হামলার কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল না।

    রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ‘দুঃসাহসিকতা’ থেকেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রণালী দিয়ে অবৈধভাবে জাহাজ চলাচলের পথ তৈরি করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।

    তিনি আরও বলেন, এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে জবাবদিহি করতে হবে।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, এই সংঘর্ষ প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক সংকটের সামরিক সমাধান নেই।

    তিনি পাকিস্তানের মধ্যস্থতার কথাও উল্লেখ করেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অশুভকামীদের ফাঁদে পড়ে, যুক্তরাষ্ট্র যেন আবার জটিলতায় না জড়ায়। ইউএইকেও সতর্ক থাকতে হবে। প্রজেক্ট ফ্রিডম আসলে প্রজেক্ট ডেডলক।’

    -হরমুজে শক্তি প্রদর্শন যুক্তরাষ্ট্রের-
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানকে প্রণালী খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    যুদ্ধের আগে এটি চালু ছিল। ইরান এটিকে তাদের কৌশলগত চাপের মূল হাতিয়ার হিসেবে দেখছে।

    রোববার ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি উদ্যোগ ঘোষণা করেন।

    তিনি বলেন, নিরপেক্ষ দেশের জাহাজগুলোকে উপসাগর থেকে বের করে আনার এটি একটি মানবিক প্রচেষ্টা।
    মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে দুটি মার্কিন পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজকে উপসাগর থেকে বের হয়েছে।

    তবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড এ দাবি অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, গত কয়েক ঘণ্টায় কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেল ট্যাংকার প্রণালী অতিক্রম করেনি।

    সিউল জানিয়েছে, প্রণালীতে একটি দক্ষিণ কোরীয় জাহাজে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    সমুদ্র বিষয়ক গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান এএক্সএসমেরিনের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত উপসাগরে ৯০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ অবস্থান করছিল।

    ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ইরান ‘কিছু হামলা’ চালালেও বড় ধরণের ক্ষতি হয়নি।
    হামলার পর তেলের দাম আরও বেড়েছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের জুলাই ডেলিভারির দাম পাঁচ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

    যুদ্ধের কারণে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করেছে। কংগ্রেস নির্বাচনকে সামনে রেখে, এটি ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

    লেবাননে ইসরাইলের সঙ্গে আলাদা যুদ্ধবিরতিও নতুন করে চাপে পড়েছে।

    ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে ঘিরে এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ইসরাইলের দুই সেনা ‘মাঝারি মাত্রায়’ আহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    মার্চের শুরুতে হিজবুল্লাহর আকাশ পথে হামলার পর ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বোমাবর্ষণ ও স্থল অভিযান চালায়।

    এতে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন বলে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

    লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন নিরাপত্তা চুক্তি ও ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

    এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের প্রস্তাব দেন ট্রাম্প, যা এই মাসে হোয়াইট হাউসে হতে পারে।

  • বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার পর ইথিওপিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করলো সুদান

    বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার পর ইথিওপিয়া থেকে রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করলো সুদান

    খার্তুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনায় ইথিওপিয়ার জড়িত থাকার অভিযোগে, ইথিওপিয়ায় নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে সুদান।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    মঙ্গলবার দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা সুনা এ খবর জানিয়েছে।

    একটি সামরিক সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, সোমবার খার্তুম বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে ছোড়া কয়েকটি ড্রোন দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং কাছাকাছি এলাকায় ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন।

    সুদানে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে সংঘাত চলছে।
    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশজুড়ে ড্রোন হামলা ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সুদান সেনাবাহিনী মার্চ মাসে অভিযোগ করেছিল যে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস  ইথিওপিয়ার ভূখণ্ডের ভেতর থেকে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এটি ছিল সংঘাতে ইথিওপিয়ার সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য অভিযোগ।

    সুদানের সেনাবাহিনী-সমর্থিত সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন সালেম সোমবার খার্তুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাত-ইথিওপিয়ার ড্রোন হামলার বিষয়ে আলোচনার জন্য ইথিওপিয়া থেকে সুদানের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন।
    সালেমকে উদ্ধৃত করে সুনা এ কথা জানিয়েছে।

    আরএসএফ-কে অস্ত্র সরবরাহের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে অভিযোগ উঠলেও, দেশটি বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সেলিম উল্লেখ করেছেন যে হামলাটি ইথিওপিয়ার ভূখণ্ড থেকেই হয়েছে।
    তিনি বলেন, এটি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।