Category: আন্তর্জাতিক

  • ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প

    ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যাতে কখনোই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে রাজা চার্লস আমার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।

    মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে সফররত ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। একই দিন হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র সফররত যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    হোয়াইট হাউসের এ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান যাতে কখনোই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে রাজা চার্লস তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।

    বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তার প্রশাসন কাজ করছে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, সেখানকার অবস্থা ‘খুবই ইতিবাচক’ দিকে যাচ্ছে।

    বক্তব্যে ইরানকে প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সামরিকভাবে ওই নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছি। আমরা কখনোই তাদের পরমাণু অস্ত্র হাতে পেতে দেব না।’

    এদিকে কংগ্রেসে ভাষণে চার্লস বলেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারত্ব আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন ‘বেশি গুরুত্বপূর্ণ’।

    রাজা আরও বলেন, তিনি তাদের রাজপরিবারের ১৯তম শাসক, যিনি নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়গুলো নিয়ে খোঁজখবর রাখেন।

    তিনি বলেন, ‘তাই যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতি গভীর সম্মান নিয়ে আমি আজ এখানে এসেছি। এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সব মানুষের কথা তুলে ধরা হয় এবং তাদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়।’

  • ইন্দোনেশিয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

    ইন্দোনেশিয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

    ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার উপকণ্ঠে বেকাসি শহরের একটি রেলস্টেশনের কাছে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।  আহত হয়েছেন ৮০ জনেরর বেশি।  মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা বলছে, সোমবার (২৭ এপ্রিল) গভীর রাতে একটি কমিউটার লাইন ট্রেন এবং একটি দূরপাল্লার ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

    কমিউটার লাইন অপারেটরের মুখপাত্র কারিনা আমান্দা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্থানীয় সময সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে ১৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত রেলওয়ে কোম্পানি কেএআই জানিয়েছে, এ ঘটনায় আহত অন্তত ৮৪ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার (বাসারনাস) প্রধান মোহাম্মদ স্যাফি বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে এখনও উদ্ধারকাজ চলছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া যাত্রীদের বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সংকীর্ণ জায়গা এবং ট্রেনের বগিগুলোর মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির কারণে উদ্ধারকাজ বেশ জটিল হয়ে পড়েছে।

    তিনি জানান, আটকে পড়াদের নিরাপদে বের করতে উদ্ধারকর্মীদের ধীরগতিতে কাজ করতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে উদ্ধারকারীরা ট্রেন দুটিকে আলাদা করে ফেলেছেন এবং ধাতব কাঠামো কাটতে অ্যাঙ্গেল গ্রাইন্ডার ব্যবহার করছেন।

    এর আগে কেএআই-এর মুখপাত্র অ্যান পুরবা প্রাথমিকভাবে ৫ জন নিহত এবং ৭৯ জন আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছিলেন। তবে মঙ্গলবার সকালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছায়।

     

  • সুদানের যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে লাশ সামলানোর লড়াই

    সুদানের যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে লাশ সামলানোর লড়াই

    খার্তুমের একটি অস্থায়ী মর্গে বসে প্রকৌশলী থেকে দাফনকর্মী হওয়া আলি গেব্বাই মৃতদের একটি স্প্রেডশিটে তথ্য খুঁজে দেখছিলেন।

    হাজার হাজার নাম। প্রতিটির সঙ্গে ছবি ও কবরস্থানের তথ্য। সুদানের যুদ্ধের এক ভয়াবহ নথি।

    স্বেচ্ছাসেবকদের দল যখনই কোনো লাশ পায়, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে। এরপর ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করে।

    আশায় থাকে, স্বজনরা দেখে এসে পরিচয় নিশ্চিত করবেন।

    খার্তুম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    গেব্বাই এএফপিকে বলেন, ‘আমরা প্রতিটি লাশের ছবি তুলি। পকেটে কিছু আছে কি না দেখি, যাতে পরিচয় শনাক্ত করা যায়। আর কোথায় দাফন করা হয়েছে, সেটিও আমরা চিহ্নিত করি।’

    এপ্রিলের তপ্ত এক দিনে, সুদানের রাজধানীর ছোট একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে মাটিতে পড়ে ছিল এক নারীর লাশ।

    বাদামি ছোপযুক্ত জোব্বা তার মুখ ও শরীর ঢেকে রেখেছে।

    কেউ পরিচয় নিশ্চিত করতে না এলে, দলটি পরিষ্কার সাদা কাফন প্রস্তুত করে। মুসলিম রীতি অনুযায়ী গোসল করিয়ে কাছেই দাফন করে।

    খার্তুমে মর্গ বলতে এখন এটুকুই ভরসা।

    আর সেটিও অধিকাংশ নিহতের ভাগ্যে জোটে না। অনেককে যেখানে নিহত হন, সেখানেই তড়িঘড়ি করে মাটিতে অগভীর কবর দেওয়া হয়।

    সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে চলমান এই সংঘাত এখন চতুর্থ বছরে।
    মৃতের সঠিক সংখ্যা নেই। তবে নিহত অন্তত কয়েক হাজার থেকে শুরু করে সহায়তা কর্মীদের হিসাবে ২ লক্ষাধিক হতে পারে।

    আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির সুদান শাখার উপপ্রধান হোসে লুইস পোসো গিল এএফপিকে বলেন, ‘এতসব অনুমান হতাশাজনক। মানুষ জানেই না যে কী ঘটেছে। এই ট্রমা ও প্রভাব উপেক্ষা করা যায় না।’

    গত এক বছরে সেনাবাহিনী খার্তুম পুনর্দখল করার পর, প্রায় ২৮ হাজার লাশ উত্তোলন করে, পুনরায় দাফন করা হয়েছে বলে জানান দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান হিশাম জেইন আল-আবেদিন।

    তবে এখনো রাজধানীর অর্ধেকের কিছু বেশি এলাকা পরিষ্কার করা গেছে।

    গেব্বাই বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে, তিনি ও তার দল প্রায় ৭ হাজার লাশ দাফন করেছেন।

    অন্যদিকে দারফুরে জাতিগত হত্যাযজ্ঞে একসঙ্গে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে।

    এ বছরই কেবল কর্দোফানে ড্রোন হামলায় অন্তত ৭০০ জন নিহত হয়েছেন।

    -মর্গ ধ্বংস-

    দেশজুড়ে লাশ সংরক্ষণের জায়গা নেই। গণনারও উপায় নেই। সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের সময়, মসজিদ ও বাজারে যখন অগ্নিবোমা আঘাত হানে, উদ্ধারকারীরা  তখন প্রায়ই কাফনের কাপড়ের সংকটে পড়ে যান। মৃতদের সেখানেই দাফন করা হয়। নিজের কাপড় বা প্লাস্টিক ব্যাগে জড়িয়ে।

    অনেক গ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য পাঠানোর মতো মর্গ তো দূরের কথা কোনো ক্লিনিকই নেই।জেইন আল-আবেদিন বলেন, খার্তুমের মর্গগুলো ‘যুদ্ধের আগেই পূর্ণ ছিল।’

    আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির তথ্য অনুযায়ী, খার্তুমের চারটি মর্গই যুদ্ধের কারণে অচল হয়ে পড়ে। তবে ভেতরে লাশ রয়ে যায়।

    জেইন আল-আবেদিন জানান, হামলায় ওমদুরমান মর্গ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। কমপ্রেসর লুট হয়ে যায়। চারদিকে পচতে থাকা লাশ পড়ে ছিল।

    তার দল এক বছর ধরে খার্তুমের লাশ উত্তোলন করছে।

    তাদের লক্ষ্য—অগভীর কবর, জনসমাগমস্থল, নর্দমা ও নীল নদের তীর থেকে লাশ উদ্ধার করা।

    গুলি চলা আর গোলাবর্ষণের মধ্যে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারেনি। পাশের রাস্তায় যাওয়া তো দূরের কথা, কবরস্থানে পৌঁছানোও অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    ফলে মানুষ নিজেদের উঠান, খেলার মাঠ ও রাস্তার মোড়ে স্বজনদের দাফন করে।

    তিন বছরে খার্তুম এক খোলা কবরস্থানে পরিণত হয়েছে।

    জেইন আল-আবেদিন বলেন, ‘এটি সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। মানবিক মর্যাদা নষ্ট করে। মৃত্যু যেন স্বাভাবিক হয়ে যায়।’

    একই চিত্র গোটা সুদানজুড়ে। দারফুরে, স্যাটেলাইট ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেছে আর কর্দোফানে এখনো ড্রোন হামলায় সাধারণ মানুষ নিহত হচ্ছেন।

  • গুলির ঘটনা ইরান যুদ্ধ থেকে আমাকে বিরত রাখতে পারবে না: ট্রাম্প

    গুলির ঘটনা ইরান যুদ্ধ থেকে আমাকে বিরত রাখতে পারবে না: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে গুলির ঘটনা তাকে ইরান যুদ্ধ থেকে বিরত করতে পারবে না।

    তবে ঘটনাটি ওই সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত নয় বলেই তার বিশ^াস।

    হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ঘটনা ইরান যুদ্ধ জয়ে আমাকে নিরুৎসাহিত করতে পারবে না। এটি এর সঙ্গে সম্পর্কিত কি না আমি জানি না। তবে আমরা যা জানি, তাতে আমি তা মনে করি না।’

    ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    এর আগে শনিবার তিনি বলেন, ঘটনাটি ইরান যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা নিয়ে ‘কখনোই নিশ্চিত হওয়া যায় না।’

    তিনি জানান, হামলাকারীর উদ্দেশ্য খুঁজে বের করতে তদন্তকারীরা কাজ করছেন।

    তাকে তিনি ‘একক হামলাকারী’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    এর আগে, শনিবারই ট্রাম্প পাকিস্তানে তার দূতদের সফর বাতিল করেন।

    প্রায় দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর তেহরানের আলোচনার অবস্থান সন্তোষজনক না হওয়ায়, তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
    ওই সফরে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।

  • জাপানে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলকর্মীরা

    জাপানে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলকর্মীরা

    জাপানের উত্তরাঞ্চলের বনাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার শত শত দমকলকর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
    দেশটির কর্তৃপক্ষ ৩ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে তাদের বাড়িঘর থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইওয়াতে অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় তিন দিন আগে শুরু হওয়া দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০০ হেক্টর (১,৭৩০ একর) বনভূমি পুড়ে গেছে।

    ওৎসুচি শহরের কাছে উপত্যকার ওপর দিয়ে ঘন ধোঁয়ার বিশাল স্তম্ভ দেখা গেছে, ৩০ কিলোমিটার দূর থেকেও যার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।
    আগুন নেভাতে হেলিকপ্টার থেকে দাবানলে পানি ছিটানো হচ্ছে।

    এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের  গাড়িগুলো বসতবাড়ির কাছাকাছি বনাঞ্চলে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

    শনিবার আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় ১২টি হেলিকপ্টার, ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি দমকল কর্মী ও জাপান আত্মরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

    এ পর্যন্ত অন্তত ৮টি ভবন পুড়ে গেছে, তবে সব বাসিন্দাকে আগেই নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    স্থানীয় এক কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা আগুন নেভানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং পরে আরও তথ্য জানানো হবে।’

    ওৎসুচির এক বাসিন্দা জাপানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এনএইচকে-কে বলেন, ‘আমি আশা করছি, শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি হবে।’

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে শুষ্কতা বাড়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপানে দাবানলের ঝুঁকি বেড়েছে।

    গত বছর ইওয়াতে অঞ্চলের ওফুনাতো শহরের আগুন ছিল অর্ধশতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।

    বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে, জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন খরা আরও দীর্ঘ ও তীব্র করে তুলছে, যা দাবানলের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে।

  • জান্তা ঘাঁটিসহ মালির বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ

    জান্তা ঘাঁটিসহ মালির বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ

    পশ্চিম আফ্রিকার জান্তা-শাসিত দেশ মালির বিভিন্ন জেলায় আজ শনিবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে এএফপি জানিয়েছে, সামরিক শাসক জেনারেল আসসিমি গোইতার নিজ এলাকা কাটি শহরেও গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের প্রধান শহর গাও ও মধ্যাঞ্চলের সেভারে এলাকাতেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

    গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জঙ্গি সহিংসতায় জর্জরিত রয়েছে মালি। দেশটিতে ২০২০ ও ২০২১ সালে দুই দফা সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে।