Category: আন্তর্জাতিক

  • সোমবার ফের বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    সোমবার ফের বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আগামী সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার উচ্চ-পর্যায়ের শান্তি আলোচনা সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনা সম্পর্কে অবগত ইরানি কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

    কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, মার্কিন-ইরানি প্রতিনিধিদলগুলো আগামীকাল রোববার পাকিস্তানের রাজধানীতে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    এরআগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার থেকেই উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। এই প্রচেষ্টা সফল হয়েছে, কারণ উভয় পক্ষই দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে, যা পাকিস্তানকে তার মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা পুনরায় শুরু করার সুযোগ করে দিয়েছে।

    পর্দার আড়ালে কাজ করার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বুধবার ত্রিদেশীয় সফরে বের হন, একই দিনে দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তেহরানে পৌঁছান। সৌদি ও কাতারের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর শেহবাজ বৃহস্পতিবার রাতে তুরস্কে পৌঁছেছেন। আর ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে সেখানে ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কাটিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান।

    যদিও পাকিস্তান এসব আলোচনার ফলাফল নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি, তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

    ইসলামাবাদের কর্মকর্তাদের মতে, ইসলামাবাদ এবং পার্শ্ববর্তী শহর রাওয়ালপিন্ডিতে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে, কারণ অন্যান্য প্রদেশ থেকে হাজার হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী আসতে শুরু করেছে। সাধারণত ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন হলে ইসলামাবাদ প্রশাসন অনান্য প্রদেশগুলোর কাছে সহায়তা চেয়ে থাকে।

    গত শনিবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রথম দফায় রাজধানীতে ১০ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করেছিল পাকিস্তান।

    এদিকে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা আরও জোরদার হয়েছে যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে তিনি ইসলামাবাদে যেতে পারেন। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে আলোচনাধীন ‘প্রায় সবকিছুই’ তেহরান মেনে নিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারপর একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেন মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা, যা ১৯৭৯ সালের পর মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ এবং ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। তবে ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হয় এবং উভয় দেশের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

    বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য এখনো কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আলোচনা নিয়ে গণমাধ্যমগুলোকে যাচাইবিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    সূত্র: সিএনএন, এনডিটিভি

  • হরমুজ প্রণালি খোলায় জিনপিং ‘খুব খুশি’: ট্রাম্প

    হরমুজ প্রণালি খোলায় জিনপিং ‘খুব খুশি’: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে যাওয়া বা দ্রুত খুলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ‘খুব খুশি’।  নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

    পোস্টে ট্রাম্প তার আসন্ন চীন সফরের কথাও উল্লেখ করে জানান, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার বৈঠকটি হবে ‘বিশেষ এবং সম্ভাব্যভাবে ঐতিহাসিক’।

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শির সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি—অনেক কিছুই অর্জিত হবে!’

    এদিকে, হরমুজ প্রণালি ‘শুধুমাত্র যুদ্ধবিরতির শর্তে এবং শর্তসাপেক্ষে’ খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র।  ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

    মুখপাত্র  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়ে-নিক বলেন, শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামরিক জাহাজ বা কোনো বাহনের এই প্রণালি দিয়ে চলাচলের অধিকার নেই। ‘

  • যে দুই শর্তে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিল ইরান

    যে দুই শর্তে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিল ইরান

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। তবে এক্ষেত্রে জাহাজগুলোকে দুটি শর্ত মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।

    আইআরজিসি নৌবাহিনী বলেছে, ইরান ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তবে কোনো সামরিক জাহাজ এই জলপথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে না।

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে দুটি শর্ত মেনে চলতে হবে। প্রথমত, প্রণালির পূর্বনির্ধারিত রুট দিয়েই কেবল জাহাজগুলোকে চলাচল করতে হবে। আর দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে আইআরজিসি নৌবাহিনীর অনুমতি নিয়ে এই জলপথ ব্যবহার করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরুর পরপরই বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর এই জলপথে অন্তত ১৯টি বেসামরিক জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।

    এসব হামলার ফলে ব্যস্ততম এই জলপথ স্থবির হয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র যেন জোরপূর্বক এই জলপথ উন্মুক্ত না করতে পারে, সেজন্য ইরান হরমুজ প্রণালিতে নৌ-মাইন পেতে রাখে।

    অবশেষে গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরপরই এই প্রণালি খুলে যাবে বলে শোনা যায়। তবে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়ায় তৎক্ষণাৎ প্রণালিটি উন্মুক্ত করেনি ইরান। শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাইল ও লেবানন ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর প্রণালিটি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • শর্তসাপেক্ষে হরমুজ খোলা আছে: ইরান

    শর্তসাপেক্ষে হরমুজ খোলা আছে: ইরান

    হরমুজ প্রণালি ‘শুধুমাত্র যুদ্ধবিরতির শর্তে এবং শর্তসাপেক্ষে’ খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র।

    ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

    মুখপাত্র  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়ে-নিক বলেন, শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামরিক জাহাজ বা কোনো বাহনের এই প্রণালি দিয়ে চলাচলের অধিকার নেই।’

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রণালির পরিস্থিতি ‘অস্থায়ী’ এবং লেবাননের পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে আবারও এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

    এদিকে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার উচ্চ-পর্যায়ের শান্তি আলোচনা সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনা সম্পর্কে অবগত ইরানি কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

    কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, মার্কিন-ইরানি প্রতিনিধিদলগুলো আগামীকাল রোববার (১৯ এপ্রিল) ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের

    লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের

    দক্ষিণ লেবাননে চলমান সংঘাত বন্ধ করে দেশটির সরকারের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    বার্লিনের একজন মুখপাত্র সোমবার জানান, নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে মের্ৎস গাজার পরিস্থিতি নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং পশ্চিম তীরে ‘আংশিক দখলদারিত্ব’ না চালানোর আহ্বান জানান।

    জার্মানির মুখপাত্র বলেন, চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যকার সামরিক সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় জার্মানির সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

    জার্মান সরকার জানায়, শুরুতে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে সমর্থন জানালেও পরবর্তীতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাব এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় বার্লিন তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে।

    মুখপাত্র আরো জানান, মের্ৎস বলেছেন, সংঘাত বন্ধ হলে হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জার্মানি সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তবে, তা কেবল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে।

    যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এটি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জেরে এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ-চলাচল ইরানি হুমকির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।

    এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রণালিটিতে আংশিক নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছেন।

  • হরমুজ প্রণালিতে ‘সব পক্ষকে’ নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে : গুতেরেস

    হরমুজ প্রণালিতে ‘সব পক্ষকে’ নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে : গুতেরেস

    জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সোমবার বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা সব পক্ষেরই নিশ্চিত করা উচিত।

    ইরান এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি এ আহ্বান জানান।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহণ করা হয়। এই হরমুজ প্রণালি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছে।

    জাতিসংঘ প্রধানের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই প্রণালিতে সৃষ্ট বিঘœ ইতোমধ্যেই নিকটবর্তী অঞ্চলের বাইরেও সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি আরো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ছে এবং বিভিন্ন খাতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।’

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প  সোমবার ইরানি বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপের নির্দেশ দেন। চলতি সপ্তাহে শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরাইলি হামলার জেরে ইরান ইতোমধ্যেই প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল কার্যকরভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

    জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘প্রায় ২০ হাজার নাবিক এই সংঘাতের মধ্যে আটকে পড়েছে। তারা বর্তমানে জাহাজে অবস্থান করছে এবং প্রতিদিনই ক্রমবর্ধমান কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছে।’

    জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস আবারও শান্তি আলোচনার আহ্বান জানান।

    মুখপাত্র বলেন, ‘একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। সব ধরনের লঙ্ঘন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’