Category: আন্তর্জাতিক

  • ইন্দোনেশিয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৪৭

    ইন্দোনেশিয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৪৭

    ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে নিহতের সংখ্যার দাঁড়িয়েছে ১৩৪৭ জনে।

    মঙ্গলবার দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানানো হয়।

    গত শুক্রবারের এ ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে সোমবার পর্যন্ত ৮৪৪ জনের প্রাণহানি কথা বলা হচ্ছিল।

    বিবিসি বলছে, এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক মানুষ চাপা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

    পালু শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুরোপুরি ব্যাহত হয়েছে। সেখানে খুবই কম পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাচ্ছে। খাবার এবং পানির জন্য হাহাকার চলছে শহরে।

    ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের পালু শহরে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে সৃষ্ট সুনামির ফলে ভেসে যায় পালু শহর।

    ভূমিকম্প ও সুনামিতে হাজার হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এতে পুরো এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভূমিধসে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে লোকজন।

  • পদার্থে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

    পদার্থে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

    লেসার নিয়ে গবেষণায় ‍যুগান্তকারী উদ্ভাবনের জন্য মঙ্গলবার রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এ পুরস্কারের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করে।

    সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আগামী ১০ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তিন বিজ্ঞানীর হাতে তুলে দেওয়া হবে পুরস্কার।

    গার্ডিয়ান জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের আর্থার, ফ্রান্সের রেজার্ড এবং কানাডার ডোনাকে ভাগাভাগি করে দেওয়া হবে নোবেল পুরস্কারের অর্থ। এক্ষেত্রে ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনারের মধ্যে আর্থার অর্ধেক এবং বাকি অর্ধেক অন্য দুই বিজ্ঞানীর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।

    গত ৫৫ বছরের মধ্যে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পাওয়া প্রথম নারী হলেন ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড। পুরস্কারপ্রাপ্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ডোনা রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসকে বলেন, আমার আগে মাত্র দুইজন নারী এক্ষেত্রে নোবেল পেয়েছেন; বিষয়টি আমি জানতামই না।

    তিনি বলেন, অামরা সেই জায়গা থেকে বের হয়ে এসেছি। আমাদের উদযাপন করা উচিত। নারী হিসেবে সম্মানিত বোধ করছি।

    বর্তমান কাজের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে কোনও ধরনের সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন আর্থার আশকিন। তিনি বলেন, একটি গবেষণা নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করছি।

    এর আগে সোমবার ক্যান্সারের চিকিৎসার নতুন পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসায় নোবেল বিজয়ী হিসেবে দুইজনের নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। এরা হলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জেমস পি অ্যালিসন ও জাপানের তাসুকু হনজো।

    আগামী বুধবার রসায়নে, শুক্রবার শান্তিতে এবং সোমবার অর্থনীতিতে এ বছরের জন্য নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

  • ‘সু চির পদক্ষেপ দুঃখজনক, তবে নোবেল প্রত্যাহার নয়’

    ‘সু চির পদক্ষেপ দুঃখজনক, তবে নোবেল প্রত্যাহার নয়’

    রোহিঙ্গা সংকটে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির পদক্ষেপ ‘দুঃখজনক’ হলেও শান্তিতে তার নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন নোবেল ফাউন্ডেশনের প্রধান লারস হেইকেনস্টেন।

    শুক্রবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

    লারস হেইকেনস্টেন বলেন, পুরস্কার প্রদানের পরের কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তা প্রত্যাহারের কোনো মানে হয় না। সেক্ষেত্রে বিচারকদের ধারাবাহিকভাবে পুরস্কারপ্রাপ্তদের যোগ্যতা নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির বিতর্কিত ভূমিকার জন্য একের পর এক তার পুরস্কার ও সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে; এমন সময়ে নোবেল প্রধানের বক্তব্য এলো। এছাড়া আগামী শুক্রবারই  চলতি বছরের জন্য শান্তিতে পুরস্কার জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

    সাক্ষাৎকারে হেইকেনস্টেইন বলেন, মিয়ানমারে সু চি যা করছেন তা যে বেশ প্রশ্নবিদ্ধ তা আমরা দেখছি। আমরা মানবাধিকারের পক্ষে, এটা আমাদের অন্যতম প্রধান মূল্যবোধ। রাখাইনে যা ঘটেছে অবশ্যই বিস্তৃতভাবে সু চি এর জন্য দায়ী। যা খুবই দুঃখজনক।

    মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯১ সালে সু চি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

    হেইকেনস্টেন বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই পুরস্কার পাওয়ার পর কিছু ব্যক্তিত্ব এমন বিতর্কিত কাজ করেন, যা আমরা অনুমোদন করতে পারি না। আগেও এমনটা ছিল, সবসময়ই হবে। এটা এড়ানো যাবে না বলেই আমার মনে হয়।

    গত বছরের আগস্টে সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে হামলার অভিযোগ তুলে মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে অভিযানে নামে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দমন পীড়নে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে শুরু করে রোহিঙ্গারা।

  • কলকাতা মেডিকেল কলেজে আগুন

    কলকাতা মেডিকেল কলেজে আগুন

    কলকাতা মে়ডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২৫০ জন রোগীকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। খবর এনডিটিভির

    বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

    তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী এবং রোগীর স্বজনরা প্রথম ধোঁয়া দেখতে পান।

    আগুনের উৎস বোঝার আগেই ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে পুরো হাসপাতালে। আতঙ্ক শুরু হয়ে যায় রোগী এবং তাদের আত্মীয়দের মধ্যে।

    হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা প্রথমে আগুন নেভানেোর কাজ শুরু করেন। এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদের সঙ্গে যোগ দেন।

  • এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

    এবার চীনের সাথে বাণিজ্যযুদ্ধে নামলো ভারত

    চীনের ফ্রিজ, এসি সহ ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।এর ফলে পাল্টা হুমকি দিয়েছে চীন।এর মাশুল দিতে হতে পারে ভারতকে৷ চিনের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এই মত প্রকাশ করেছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়বে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলি৷ কারণ এই দুই দেশের অন্যতম প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত৷

    গত ২৭ সেপ্টেম্বর, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৯টি পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে৷ সেই তালিকায় এসি, ফ্রিজ, ওয়াসিং মেশিন, স্পিকার, জুতো, জেট ফুয়েল সহ ১৯টি পণ্য রয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ডলারের তুলনায় রুপির দরের সর্ব্বোচ পতনের জেরে আমদানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের৷ সেই খরচ কমাতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷

    স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিন ও দক্ষিণ কোরিয় কোম্পানিগুলির৷ সেই চিন্তার কথা ফুটে উঠেছে বাণিজ্য মন্ত্রকের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি ডিরেক্টর বাই মাং এর গলায়৷ গ্লোবাল টাইমসকে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের জেরে চিনা ও দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলিতে প্রভাব পড়বে৷ কারণ ভারতে এই ১৯টি পণ্যের সিংহভাগ এই দুই দেশ থেকে আসে৷

    চিনের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে দুটি কারণ৷ প্রথমত, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট কমানো৷ অর্থাৎ রফতানির চেয়ে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়া৷ দ্বিতীয়ত, প্রতিযোগিতার বাজারে বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসন থেকে দেশীয় কোম্পানিগুলিকে সুরক্ষিত করতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত মুক্ত অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিপন্থী৷ এতে বিদেশি কোম্পানিগুলি সমস্যায় পড়বে৷ শুধু কোম্পানি সমস্যায় পড়বেনা, ক্রেতারাও৷ তাদেরও বেশি দাম দিয়ে সেই পণ্য কিনতে হবে৷

  • মুসলিমরা রামের বংশধর, রাম মন্দির নির্মাণে তাদের সাহায্য করা উচিত’

    মুসলিমরা রামের বংশধর, রাম মন্দির নির্মাণে তাদের সাহায্য করা উচিত’

    বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, ভারতের মুসলিমরা সবাই ভগবান রামের বংশধর৷ তাই অযোধ্যার বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণে মুসলিমদেরও এগিয়ে আসা উচিত৷ কারণ তাঁরা প্রত্যেকে রামের বংশধর৷ সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এমনই মন্তব্য করেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷

    পাশাপাশি, তিনি বলেন যদি রাম মন্দির গঠনের কাজ দ্রুত শুরু না হয়, তবে ধৈর্য্য হারাবেন দেশের হিন্দুরা৷ ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা নাকি মথুরা, অযোধ্যা ও কাশীর দখল নিতে পারেন৷ তা দেশের শান্তি শৃঙ্খলার জন্য খুব একটা সুখকর হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন এই মন্ত্রী৷

    ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী গিরিরাজ সিং কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও একহাত নেন এদিন৷ তিনি বলেন বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরে বেরিয়ে, পুজো দিয়ে আসলে রাজনৈতিক নাটক করছেন কংগ্রেস সভাপতি৷ হিন্দুদের নিজের দলের দিকে আকৃষ্ট করতে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি৷

    গিরিরাজ সিংয়ের বক্তব্য, রাহুল গান্ধী যদি আসল হিন্দু হন, তবে ঠিক ভোটের আগে মন্দিরে গিয়ে পুজো দেওয়ার নাটক বন্ধ করুন৷ পারলে কংগ্রেসের মধ্যে গোমাংস খাওয়া আটকান, তারপর রাহুল যেন হিন্দু বলে নিজেকে দাবি করেন৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন রাহুল গান্ধীর কৈলাশ মানসরোবর যাত্রা আসলে লোকসভা ভোটের আগে হিন্দু ভোটব্যঙ্ক নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা৷

    এরআগে, গিরিরাজ বলেন ভারত আবার এক দেশভাগের সাক্ষী থাকবে৷ ধর্মের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে ভারত এক দেশভাগের সাক্ষী ছিল। স্বাধীনতার পর এই ৭২ বছরে দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে হুহু করে। ৩৩ কোটি থেকে বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৩৫.৭ কোটি।

    কোনও বিশেষ সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, ‘এই জনসংখ্যার চাপ আগামী দিনে ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে’। ট্যুইটারে তিনি আরও লেখেন ‘আগামী দিনে ভারত যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চলেছে তা বর্ণনা করাও মুশকিল’।

    তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হয়। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে ২০৪৭ সালে।

    উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েকজন বিজেপি নেতা ভারতের মুসলমান এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য করেছেন।নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এ কাজটি তারা বেশি করে করে থাকেন।