Category: আন্তর্জাতিক

  • চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামতে প্রস্তুত ফিলিপাইন

    চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নামতে প্রস্তুত ফিলিপাইন

    দক্ষিণ চীন সাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে ফিলিপাইনের রেড লাইন অতিক্রম করলে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে প্রস্তুত ম্যানিলা।

    ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালান পিটার কাইটানো এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দক্ষিণ চীন সাগরে নিজের অধিকার রক্ষা করতে প্রস্তুত রয়েছে তার দেশ।

    ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের বক্তব্য উদ্ধৃত করে কাইটানো বলেন, ‘কেউ পশ্চিম ফিলিপাইন সাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ হরণের চেষ্টা করলে তিনি যুদ্ধের নির্দেশ দেবেন।

    ২০১৬ সালের একটি আন্তর্জাতিক সালিশ কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর বেইজিংয়ের কোনো ঐতিহাসিক মালিকানা নেই।

    ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার দেশের রেড লাইনের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, বিতর্কিত স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জে চীন কোনো নির্মাণ কাজ চালাতে বা সেখানে মোতায়েন ম্যানিলার একটি যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা চালাতে পারবে না।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের আরেকটি রেড লাইন হচ্ছে সেখানকার প্রাকৃতিক সম্পদ কেউ নিজের মনে করে নিতে পারবে না। সেইসঙ্গে স্পার্টলির থিটু দ্বীপে আমাদের সৈন্যরা যখন কোনো চালান নিয়ে যাবে বা সেখানকার রানওয়ে মেরামত করবে তখন তাদের উত্ত্যক্ত করা যাবে না। স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জে ফিলিপাইনের প্রশাসনিক ভূভাগের সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম থিটু।

    ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট দুতার্তের বরাত দিয়ে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যে হুমকি দিলেন তা দুতার্তের এর আগে ঘোষিত নীতির পরিপন্থি। দুই বছর আগে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মার্কিন বিরোধী নেতা হিসেবে পরিচিত প্রেসিডেন্ট দুতের্তে চীনের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়িয়ে চলার মনোভাব ব্যক্ত করে এসেছেন।

  • ‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

    ‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

    ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

     তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

    মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

    এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

    তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

    এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

    ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

    এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

    মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

    (৩০মে/এসআই)

    ‘গাজায় হামলার পরিণতি ইসরায়েলকে ভোগ করতে হবে’

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

    ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফুজি বারহুম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় তেলআবিবের ধারাবাহিক হামলার পরিণতির জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে দায়ী থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলা ও আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে গাজা উপত্যকা থেকে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে তা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার।

    মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০ অবস্থানে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর প্রতিরোধ সংগঠনগুলো অধিকৃত ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এরপর এক বক্তব্যে বারহুম এ কথা বলেন।

    এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মুখপাত্র দাউদ শাহাব বলেছেন, ইসরায়েল ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। কাজেই এখন প্রতিরোধ শক্তিগুলোর এ কথা প্রমাণ করার সময় এসেছে তারা তেলআবিবের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

    তিনি আরো বলেন, আমরা সংকট সৃষ্টি কিংবা যুদ্ধের দিকে যেতে চাই না, কিন্তু এ কথা প্রমাণ করতে চাই, যেকোনো আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেয়ার শক্তি আমাদের আছে।

    এছাড়া, গাজার নাসির সালাউদ্দিন ব্রিগেড এক ঘোষণায় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসরায়েল যুদ্ধ করতে পারে কিন্তু তার শেষ কখন হবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার অবস্থায় আর তেলআবিব নেই।  গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে, কুদস দখলদার বাহিনীর যেকোনো কাপুরুষতার জবাবে তাদের ঘাড়ের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নেমে আসবে।

    ইসরায়েলি জঙ্গি বিমানগুলো মঙ্গলবার গাজা উপত্যকার অন্তত ৩০টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। গত চার বছরের মধ্যে এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা।

    এসব হামলার জবাবে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ইসরায়েলি বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ করেছে।

    মঙ্গলবার গাজার সীমান্তবর্তী ইহুদি উপশহরগুলোতে বারবার সাইরেন বেজে উঠেছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

  • দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরে মোদি, চিন্তিত চীন

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরে মোদি, চিন্তিত চীন

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরে গেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার রাতে তিনি পাঁচদিনের এ সফরে রওনা হয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি পৌঁছেছেন ইন্দোনেশিয়ায়। তারপর যাবেন মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে। এই সফরে বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এ সফর নিয়ে চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

    ক্ষমতার চার বছর পূর্ণ করল মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার। আর এরই মধ্যে মোদি বেরিয়েছেন বিভিন্ন দেশ সফরে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরের সময় শিক্ষার্থীদের এবং শীর্ষ নামী সংস্থার সিইওদের সঙ্গে আলোচনায় বসাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

    ভারত সরকারের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতিকে জোরদার করতেই মোদির এই সফরের মূল কারণ বলে ধারণা কূটনীতিক মহলের। বিশেষ করে মোদি ইন্দোনেশিয়ার সবং দ্বীপের বন্দরে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেবেন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

    সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী লুহুত পন্দজাইতান জানিয়েছিলেন, সবং বন্দরের গভীরতা ৪০ মিটার। ফলে সব ধরনের জাহাজ, এমনকী সাবমেরিনের জন্যও এটি কার্যকরী।’

    আর ইন্দোনেশীয় মন্ত্রীর এই মন্তব্যেই চিন্তিত চীন। মোদির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফর নিয়ে চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তারা বলছে, ভারত সবং-এ বানিজ্য ঘাঁটি গড়লে অসুবিধা নেই। তাতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বানিজ্য সম্ভাবনাই বাড়বে। কিন্তু যদি ভারত সেখানে সামরিক ঘাঁটি গড়তে চায় তাহলে সরাসরি চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে ভারতকে। সেক্ষেত্রে ভারতের হাতই পুড়বে বলে দাবি করেছে চীনা গণমাধ্যম।

    তারা বলছে, শ্রীলঙ্কার হামবানতোতা বন্দরের কথা। ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপ-বন্দরটি চীনের সরকারি এক সংস্থাকে শ্রীলঙ্কা ৯৯ বছরের জন্য লিজ দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ওই বন্দরটি চীন ভারত মহাসাগরে বানিজ্যের কাজে ব্যবহার করে। কিন্তু তারা হুমকি দিয়ে বলছে, ভারত যদি সবং বন্দরে সামরিক ঘাঁটি গড়ে চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায়, সেক্ষেত্রে চীন ছেড়ে কথা বলবে না। তারাও ভারত মহাসাগরে সামরিক কার্যক্রম চালু করবে।

    এসব কূটনৈতিক প্যাঁচের বাইরে বেশ কিছু সাংস্কৃতিক কর্মসূচিও আছে প্রধানমন্ত্রী মোদির। দুদিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে জাকার্তার কনভেনশন হলে মিলিত হবেন ইন্দোনেশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে।

    দিল্লির সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, কৈলাস খেরের গানের মধ্য দিয়ে মোদিকে বরণ করে নেবেন প্রবাসী ভারতীয়রা। মোদির এই আগমন নিয়ে প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে দারুন উৎসাহ দেখা দিয়েছে। শুধু জাকার্তা নয়, বালি, সুরাবায়া, সামারা থেকেও ভারতীয়রা আসছেন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনতে, তার সঙ্গে মিলিত হতে।

    এই অনুষ্ঠান ঘিরে সমগ্র ইন্দোনেশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়দের এক হতে দেখা যাবে বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। মোদিকে হাতের কাছে পাওয়ার সূযোগ প্রবাসী ভারতীয়দের কাছে খুব একটা আসে না। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে কয়েকটি আব্দারও করতে চান তারা।

    দেশটিতে বসবাসকারী ভারতীয়দের অভিযোগ, আগে ভারত-ইন্দোনেশিয়া সরাসরি বিমান যোগাযোগ ছিল। এখন তা বন্ধ হয়ে গেছে। তারা নতুন বিমান চালু করার দাবি রাখবেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। তাতে, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য সব প্রয়োজনেই দেশের সঙ্গে তারা সহজে যোগাযোগ রাখতে পারবেন।

    এছাড়া গত কয়েকবছরে ইন্দোনেশিয়ায় ভারতীয় পন্য পাওয়া ভার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেদিকেও নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইবেন তারা। এছাড়া দুদেশের মধ্যে বানিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ুক তাও চাইছেন ইন্দোনেশিয়ায় বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়রা।

  • মঙ্গোলিয়ায় ভবিষ্যৎ খেয়ে ফেলছে ভেড়া-ছাগল

    মঙ্গোলিয়ায় ভবিষ্যৎ খেয়ে ফেলছে ভেড়া-ছাগল

    মঙ্গোলিয়ার তৃণভূমিতে ছাগল ও ভেড়ার আধিক্য খাদ্য সঙ্কটের সৃষ্টি করছে৷ ফলে শীতকালে প্রচুর গবাদি পশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে৷ এ অবস্থা থেকে উত্তরণে জাতিসংঘ বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছে।

    মরুভূমির দেশ মঙ্গোলিয়া। দেশটিতে তৃণভূমির পরিমাণ সামান্য। দেশটির স্বল্পপরিমাণ তৃণভূমিতে চারণ করে প্রায় পাঁচ কোটি ছাগল ও ভেড়া। আর এই ছাগল-ভেড়াগুলোই মঙ্গোলিয়ানদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    কারণ তৃণভূমিতে ঘাস বা তৃণলতা মূলসহ খেয়ে ফেলছে ছাগল ও ভেড়া। এর ফলে তৃণভূমিতে ঘাস ও লতাপাতা জন্মানোর পথ রোধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ছাগল ভেড়া নিজেদের ভবিষ্যৎ যেমন সঙ্কটে ফেলছে ঠিক তেমনই খামারিদের ভবিষ্যৎও শঙ্কার মধ্যে ফেলছে। খবর ডয়চে ভেলের।

    দেশটিতে শীতের সময় হাজার হাজার ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু হয়। কারণ তীব্র শীত প্রতিরোধের জন্য তারা তাদের শরীরের খুব বেশি চর্বি জমাতে পারে না। এর ফলে পশুপালনকারীরাও হতাশ হয়ে পড়ছেন। একই সময়ে অনেকগুলো ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু তাদেরকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে।

    আর এমনভাবে চলতে থাকলে আগামী দশ বছরের মধ্যে মঙ্গোলিয়া থেকে ছাগল ভেড়া উধাও হয়ে যাবে। আর এটা হলে পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত থাকা হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়বেন বা অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়বেন।

    এমন সমস্যা সমাধানে বিকল্প একটি চিন্তা বের করেছে জাতিসংঘ। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী যার যত বেশি পশু তার তত বেশি কর দিতে হবে। এতে ভেড়া বা ছাগলের সংখ্যা কমে আসবে এবং প্রত্যেক ছাগল ও ভেড়া যত্ন পাবে। আর খাদ্যের ওপর চাম কমার ফলে মঙ্গোলিয়ার তৃণভূমি রক্ষা পাবে।

  • দেড় লাখ গরু হত্যার পরিকল্পনা!

    দেড় লাখ গরু হত্যার পরিকল্পনা!

    দেড় লাখ গরু হত্যার পরিকল্পনা করছে নিউজিল্যান্ড। মাইকোপ্লাজমা বোভিস নামে ব্যাকটেরিয়া জনিত এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে দেশটিতে। রোগটি ক্রমেই বিস্তার লাভ করছে। সে কারণেই দেশটির সরকার দেড় লাখেরও বেশি গরু মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল সোমবার নিউজিল্যান্ড সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে মাইকোপ্লাজমা বোভিস নামের একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের বিস্তার রোধে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    নিউজিল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কাজে কোটি কোটি ডলার খরচ হবে। তবে পরিকল্পনা সফল হলে, প্রথমবারের মত নিউজিল্যান্ড সংক্রমিত মাইকোপ্লাজমা বোভিস নামের এই ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্তি পাবে।

    এ বিষয়ে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেকিনা আরদেম বলেছেন, ‘এই পরিকল্পনা অর্থনৈতিক দিক থেকে সমস্যায় ফেলবে।’ কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় এই পরিকল্পনা। তার আশা মাইকোপ্লাজমা বোভিস দেশ থেকে নির্মূল হবে।

    এদিকে নিউজিল্যান্ডের ফেডারেটেড কৃষক গ্রুপের প্রধান সভাপতি কেটি মিলানে বলেছেন, মাইকোপ্লাজমা বোভিস ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হলেও, কৃষকদের ক্ষতির দিকটিও দেখছে সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রত্যেককে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এর আগে ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর জুলাইতে প্রথম মাইকোপ্লাজমা বোভিসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। চলতি বছর নিউজিল্যান্ডের ৩৮টি খামারে এই ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান মেলে। এর আগেও প্রায় ২৪ হাজার গরু মেরে ফেলা হয়।

  • সিঙ্গাপুরে যুক্তরাষ্ট্র-উ. কোরিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা

    সিঙ্গাপুরে যুক্তরাষ্ট্র-উ. কোরিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের প্রস্তুতির জন্য দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। আজ মঙ্গলবার জাপানি ব্রডকাস্টার এনএইচকে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে আগামী ১২ জুন বৈঠকের জন্য চূড়ান্ত দিন ঠিক করেন ট্রাম্প। সিঙ্গাপুরে নির্ধারিত সময়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।    বৈঠকের জন্য গতকাল সোমবার মার্কিন কর্মকর্তাদের একটি ‘প্রাক অগ্রবর্তী’ দল সিঙ্গাপুরে পৌঁছায়। এদিকে আজ মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের স্থানীয় একটি হোটেলে হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ফর অপারেশন্স জো হ্যাগিনকে দেখা গেছে। উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে হ্যাগিন বলেন, ‘এখানে অনেক মিটিং হবে।’ অন্যদিকে গতকাল সোমবার রাতে সিঙ্গাপুরে পৌঁছেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন। সপ্তাহখানেক আগেও কূটনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুর বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। আর এর আগে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত চাপ দিচ্ছে অভিযোগ তুলে কিমও সম্মেলন বাতিলের হুমকি দিয়েছিলেন। বহুল প্রতীক্ষিত এই সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় কী হবে-এখনো সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, কোরীয় উপদ্বীপ পরমাণু অস্ত্র মুক্ত করা এবং উত্তেজনা প্রশমণই আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হতে পারে।