Category: আন্তর্জাতিক

  • ৩১ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এইদিনে

    ৩১ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এইদিনে

    আজ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭, রোববার। ১৭ পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। ১২ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরি। গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩৬৫ তম (অধিবর্ষে ৩৬৬ তম) দিন।

    এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

    ঘটনাবলি

    ১৬০০- ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনুমোদন দেন।

    ১৮০২- পেশোয়া দ্বিতীয় বাজিরাও ব্রিটিশ সরকারের আশ্রয় গ্রহণ করেন।

    ১৮২৭ – ইংরেজ ফার্মাসিস্ট জন ওয়াকার প্রথম দিয়াশলাই আবিষ্কার করেন।

    ১৮৩১ – কৃষ্ণধন মিত্রে সম্পাদনায় শিশুপাঠ্য মাসিক পত্রিকা ‘জ্ঞানোদয়’ প্রকাশিত হয়।

    ১৯০৬- চীনের থুংমেং হুই দলের সদস্য লিউ তাওই চীনের ছাংশা শহরে গ্রেফতার হয়ে নিহত হন।

    ১৯১৬- রাশিয়ার যাজক রাসপুটিন নিহত হন।

    ১৯২৫- রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারোল পুত্রের স্বপক্ষে সিংহাসন ত্যাগ করেন।

    ১৯২৯ – জওহরলাল নেহরু ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ভারতীয় কংগ্রেসে ঘোষণা করেন ‘পূর্ণ স্বাধীনতাই ভারতের লক্ষ্য’।

    ১৯৪২- স্টালিনগ্রাদের লড়াইয়ে জার্মান বাহিনী পরাজয় বরণ করে।

    ১৯৪৮ – কার্জন হলে পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার পক্ষে তথ্যপূর্ণ হৃদয়স্পর্শী ভাষণ প্রদান করেন।

    ১৯৮৩– ব্রুনাই এর স্বাধীনতা ঘোষণা হয়।

    ১৯৮৭- চীনের নৌবাহিনীর পারমাণবিক ডুবু জাহাজের প্রথম নৌযাত্রা সাফল্যের সংগে সমাপ্ত হয় ।

    ১৯৮৮- পরমাণু, অনাক্রমণ, বিমান পরিবহন ও সংস্কৃতি বিষয়ে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি স্বাক্ষর।

    ১৯৮৯- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত প্রজাতন্ত্রগুলোতে জাতীয়তাবাদী চেতনা চরমে ওঠার প্রেক্ষাপটে আযারবাইজান প্রজাতন্ত্রের জনগণ ইরানের সাথে একত্রিত হবার জন্যে আন্দোলন শুরু করে।

    ১৯৯৩- হাংচৌ শহরে চীনের প্রথম ইলেক্ট্রোনিক সংবাদপত্রের জন্ম হয় ।

    ১৯৯৬- ৭৪ বছর বয়স্ক বুট্রোস ঘালি ছিলেন প্রথম আফ্রিকা ব্যক্তি যিনি জাতিসংঘের মহসচিবের পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ১৯৯৯- আমেরিকা কর্তৃক পানামা খাল পানামার কাছে হস্তান্তর।

    ১৯৯৯ – রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলেৎসিন পদত্যাগ করেন এবং ভ্লাদিমির পুতিন তার স্থলাভিষিক্ত হন।

    ২০০২- জার্মানিতে বিশ্বের প্রথম ম্যাগনেটিক দ্রুততম ট্রেনের (ঘণ্টায় ২৭০ মাইল গতি) যাত্রা শুরু।

    ২০০৯ – এ দিনে সুপার মুন ও চন্দ্রগ্রহণ একই সঙ্গে ঘটেছিল।

    ২০১৪ – চিনের সাংহাই এ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে আতঙ্কবাদীদের হামলায় ৩৬ লোক নিহত ও ৪৯ জন আহত হয়।

    জন্ম

    ১৪৯১ – ফরাসি অভিযাত্রী জাক কার্তিয়ে জন্মগ্রহন করেন।

    ১৫১৪- প্রখ্যাত চিকিৎসক এবং এ্যানাটমিস্ট ড: এন্ড্রিয়াস ভেসালিয়াস বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৭৩৮- ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৮৩০- মিসরের শাসনকর্তা ইসমাইল পাশা জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৮৬৯ – ফরাসি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর আঁরি মাতিস জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৮৭৫ – প্রাচ্যবিদ আর্থার ক্রিস্টেসেন ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগে জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৮৮৮- বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রের গবেষক বেণীমাধব বড়ুয়া জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯৩৮ – লেখক আল কামাল আবদুল ওহাব জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯১১- চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও মানবহিতৈষী ড. মোহম্মদ ইব্রাহিম জন্মগ্রহন করেন।

    ১৯১৮- শিক্ষাবিদ ও গবেষক আজিজুর রহমান মল্লিক জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯৪৫ – তাত্ত্বিক কম্পিউটার বিজ্ঞানী লেনার্ড এডলম্যান জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯৪৮ – কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯৫২ – কবি ত্রিদিব দস্তিদার জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯৮৬ – বাংলাদেশী ক্রিকেটার নাঈম ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন।

    মৃত্যু

    ১৯৪০- চীনা সঙ্গীতজ্ঞ সিও ইয়ৌমেই এর চীনের শাংহাইয়ে মুত্যু হয়।

    ১৯৫২- স্বাধীনতা সংগ্রামী ও তাবলিগ নেতা কিফায়েতুল্লাহ এর মুফতির মুত্যু হয়।

    ১৯৮৩ – বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ সুলতান এর মুত্যু হয়।

    ১৯৯০- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট নেতা কমরেড মণি এর সিংহ মুত্যু হয়।

    দিবস

    আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস (আজারবাইজান), নভি গড ইভ (রাশিয়া), অমিসোকা (জাপান), খাঞ্জা উৎসব এর ষষ্ঠ দিন (আমেরিকা)।

  • ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

    ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

    দুর্নীতি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানী তেহরান, কেরমানশাহ, রাশত, ইস্পাহান এবং কোমাসহ ১৩টি শহরে সরকারবিরোধী স্লোগানে মুখরিত ছিল কয়েক হাজার মানুষ।

    দেশটির দ্বিতীয় জনবহুল শহর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মাশহাদে প্রথম বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে বিভিন্ন শহরে শহরে তা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

    বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থানে ইরান সরকার। বিক্ষোভ চলাকালে ‘কটু স্লোগান’ দেয়ায় ৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইরান সরকার ‘অবৈধ সমাবেশ’ এড়িয়ে চলার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। খবর বিবিসি ও এএফপির।

    উচ্চ দ্রব্যমূল্য নিয়ে ক্ষুব্ধ লোকজন শুক্রবার মাশহাদের রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু করে। পরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে রাজবন্দিদের মুক্তি ও পুলিশি নির্যাতন বন্ধেরও দাবি জানানো হয়েছে।

    প্রথমদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হলেও পরে তা সরকারি নীতিবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানের বড় বড় শহরগুলোতে আন্দোলন বিস্তৃত হয়।

    শুক্রবার রাজধানী তেহরানেও বিক্ষোভ হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় আসা ফুটেজে বিক্ষোভ ঘিরে প্রচুর পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে। সরকারবিরোধী বিক্ষোভের উদ্দেশে রাজধানীর সিটি স্কয়ারে জড়ো হওয়া অর্ধশতাধিক আন্দোলনকারীদের গ্রেফতারের কথা জানিয়েছেন তেহরানের নিরাপত্তাবিষয়ক ডেপুটি গভর্নর জেনারেল।

    বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতারে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা ইরানের জনগণ এবং তাদের মৌলিক অধিকারের দাবি ও দুর্নীতি বন্ধে সমর্থন দিতে সব দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র হুশিয়ারি দিয়ে বলেছে, জনগণের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা উচিত ইরান সরকারের, যা ঘটছে তা বিশ্ব দেখছে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্নীতি এবং জনগণের সম্পদ দিয়ে সন্ত্রাসীদের অর্থ সহায়তা দেয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ইরানিরা। সে কারণেই সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়ে রাজপথে নেমেছে সাধারণ মানুষ।

    ২০০৯ সালে বিতর্কিত নির্বাচনের পরে হওয়া বিক্ষোভের চেয়ে এবারের বিক্ষোভকেই জনরোশের সবচেয়ে গুরুতর ও ব্যাপক অভিব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন পর্যবেক্ষকরা। বিক্ষোভের শুরুর দিকে অর্থনৈতিক অবস্থা ও দুর্নীতি আন্দোলনকারীদের মনোযোগের কেন্দ্রে থাকলেও পরে তা রাজনৈতিক দিকে মোড় নেয়।

    দেশজুড়ে বিক্ষোভের জন্য আন্দোলনকারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেও ব্যবহার করছেন। অন্যদিকে অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।

    কেবল প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিই নন, আন্দোলনকারীদের স্লোগানের তীর বিস্তৃত হয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খোমেনির বিরুদ্ধেও।

    বিক্ষোভ হয়েছে ধর্মীয় নেতাদের আবাসস্থল হিসেবে খ্যাত কোম শহরেও। বিক্ষোভকারীদের ‘জনগণ ভিক্ষা করছে, মোল্লারা ঈশ্বরের মতো আচরণ করছে’ জাতীয় স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

    সরকারের সমর্থনে পাল্টা শোভাযাত্রা : শুক্রবার ইরানে হাজার হাজার মানুষ সরকারের নীতিবিরোধী বিক্ষোভ করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তেহরানের রাস্তায় একটি শোভাযাত্রার ছবি দেখানো হয়।

    আর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাসাদে সমর্থকরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনির ছবিসহ ব্যানার নিয়ে মিছিল করেছেন। খবর রয়টার্সের।

    বৃহস্পতিবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমেছিলেন কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী। শুক্রবার তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ খেরমানসাহ শহরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

  • অবশেষে পাকিস্তানকে অর্থ সহায়তা বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    অবশেষে পাকিস্তানকে অর্থ সহায়তা বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    পাকিস্তান যাতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় তার জন্য অনেক আগে থেকেই চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসলামাবাদকে অর্থ সাহায্য বন্ধ করারও হুমকি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবশেষে পাকিস্তানকে প্রস্তাবিত ২৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দিতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

    সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাঙ্খিত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এমন সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। শনিবার নিউ ইয়র্ক টাইমসকে উদ্ধৃত করে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি দৈনিক ডন। এ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে পত্রিকাটি।

    জানা গেছে, পাকিস্তানকে বারবার সতর্ক করার পরও আগস্টে অর্থ দিয়েছিল ওয়াশিংটন। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানাচ্ছে, ২০০২ সাল থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত পাকিস্তানকে ৩৩ হাজার কোটি ডলার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে ২৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেয়ার বিষয়টি অনেকদিন থেকে ঝুলে রয়েছে। এর কারণ হিসেবে তারা বলছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ভূমিকায় মোটেই সন্তুষ্ট নয় ওয়াশিংটন।
    তাই ওই অর্থ যাতে পাকিস্তানকে না দেয়া হয় তার জন্য চাপ ক্রমশ বাড়ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে।

  • উত্তেজনা বাড়িয়ে বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জের কাছে দক্ষিণ কোরিয়ার মহড়া

    উত্তেজনা বাড়িয়ে বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জের কাছে দক্ষিণ কোরিয়ার মহড়া

    বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে নিজেদের সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে ব্যস্ত ক্ষমতাধর দেশগুলো। চলছে পাল্টাপাল্টি হুমকি ও মহড়া। আর তারই জের ধরে এবার দু’দিনের সামরিক মহড়া শুরু করল দক্ষিণ কোরিয়া। জাপান সাগরের দ্বীপপুঞ্জের কাছে মহড়া শুরু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে টোকিও।

    অবশ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর বিবৃতিতে সামরিক মহড়াকে নিয়মিত বিষয় বলে অভিহিত করা হয়। মহড়ায় যুদ্ধজাহাজ অংশ নেয় এবং বছরে দু’বার এটি অনুষ্ঠিত হয় বলেও বিবৃতি উল্লেখ করা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, মহড়ায় নৌ, বিমান বাহিনীর অংশ নেওয়ার পাশাপাশি মেরিন কোর ও পুলিশসহ অন্যান্য বিভাগও অংশ নেবে। দক্ষিণ কোরিয় সীমানার মধ্যে বহির্শক্তির অনুপ্রবেশ ঠেকানোর লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা মহড়া দোকদো অনুষ্ঠিত হয় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

    এদিকে, বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জের কাছে এই মহড়া চালানোকে কেন্দ্র করে সিউলের কাছে নিয়মিত প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে টোকিও। প্রাকৃতিক সম্পদ ও গ্যাস সমৃদ্ধ দ্বীপপুঞ্জকে দক্ষিণ কোরিয়া দোকদো বলে অভিহিত করলেও জাপান একে তাতেশিমা বলে থাকে।

  • নিউইর্য়কে আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১২, আহত অনেক

    নিউইর্য়কে আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১২, আহত অনেক

    নিউইর্য়কের ব্রনক্সে একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১২জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অনেকে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে শহরের ব্রঙ্কস পৌর এলাকার প্রসপেক্ট অ্যাভিনিউয়ের একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে।

    এ ব্যাপারে নিউইয়র্কের মেয়র বিল দে ব্লাসিওর বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, নিহতদের মধ্যে এক বছরের একটি শিশুও রয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এদিকে নিউইয়র্ক ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন লাগার পর পরই ১৬০ জনের বেশি ফায়ার সার্ভিসকর্মী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। আগুন বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।

    স্থানীয় একটি স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের বাসিন্দাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র।

  • ১লা জানুয়ারিতে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ৭শ’ ৪৪ কোটি!

    ১লা জানুয়ারিতে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ৭শ’ ৪৪ কোটি!

    ২০১৮ সালের ১লা জানুয়ারিতে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ৭শ’ ৪৪ কোটি ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮১ জন। মার্কিন আদমশুমারি ব্যুরোর হিসাবের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা তাস এ খবর প্রকাশ করেছে।

    গত ১০ বছর আগে বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২৪ হলেও বর্তমানে তা কমে ১ দশমিক ৭ এ দাঁড়িয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে বিশ্বব্যাপী প্রতি সেকেন্ডে ৪.৩ জন শিশু জন্ম নেবে এবং ১.৮ জনের মৃত্যু হবে। এর আগে মার্কিন আদমশুমারি ব্যুরোর এক হিসেবে ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা বেড়ে ৯শ’কোটিতে পৌঁছাবে বলে আভাস দেয়া হয়।

    উল্লেখ্য, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, আগামী দশকগুলোতে বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি প্রধানত নয়টি দেশকে (ভারত, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ডেমক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, ইথিওপিয়া, তাঞ্জানিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া ও উগান্ডা) কেন্দ্র করেই ঘটবে। তবে, জন্মনিয়ন্ত্রণের হার কমে আসায় এই তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই।