Category: গণমাধ্যম

  • অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলে ইতালিয়ান মিডফিল্ডার

    অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলে ইতালিয়ান মিডফিল্ডার

    বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২৬ সদস্যের শক্তিশালী দলে ইতালি অনূর্ধ্ব-২১ দলের ক্রিস্টিয়ান ভোলপাতোকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন অস্ট্রেরিয়ান কোচ টনি পোপোভিচ। গত সপ্তাহে ইতালির পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন ভোলপাতো। পরে আনুষ্ঠানিক ভাবে তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব লাভ করেন।

    ২২ বছরন বয়সী এই এ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের জন্ম ও বেড়ে ওঠা সিডনিতে। সিরি-এ ক্লাব সাসৌলোর হয়ে তিনি খেলেছেন। এবারের বিশ্বকাপ দলে দুজন নতুন মুখ অন্তর্ভূক্ত করেছেন টনি। তার মধ্যে ভোলপাতো একজন। অপরজন হলেন জাপান ভিত্তিক স্ট্রাইকার তেতে ইয়েনগি।

    অস্ট্রেলিয়া দলের নেতৃত্বে থাকছেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যাট রায়ান। লা লিগা মৌসুমে লেভান্তের হয়ে দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন রায়ান। এটা তার চতুর্থ বিশ্বকাপ। একইসাথে ক্যারিয়ারে চার নম্বর বিশ্বকাপ খেলতে নামবেন মেলবোর্ন সিটি ফরোয়ার্ড ম্যাথিউ লেকি।

    প্রথমবারের মত বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পেয়েছেন ১৭জন খেলোয়াড়।

    পোপোভিচ বলেন, ‘এখানে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে, যেহেতু টুর্নামেন্টটা বিশ্বকাপ। সব কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের যারা গত কয়েক সপ্তাহ জুড়ে দীর্ঘায়িত ও কঠিন অনুশীলন ক্যাম্পে কঠোর পরিশ্রম করেছে।’

    ইনজুরি আক্রান্ত মিডলসব্রো মিডফিল্ডার রিলে ম্যাকগ্রি টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ায় ভোলপাতোর শেষ মুহূর্তের অন্তর্ভূক্তি অস্ট্রেলিয়াকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে।

    টানা ষষ্ঠবারের মত বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়া অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ-ডি’তে তুরষ্ক, প্যারাগুয়ে ও স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামবে।

    স্কোয়াড :
    গোলরক্ষক : প্যাট্রিক বিচ, পল ইজো, ম্যাথিউ রায়ান

    ডিফেন্ডার : আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরুন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাটি, মিলোস ডিগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইটালিয়ানো, হ্যারি সুটার, কেই ট্রেউইন

    মিডফিল্ডার : ক্যামেরুন ডেভলিন, আডিন রাস্টিক, জ্যাকসন ইরভিন, কনর মেটকাফে, এইডেন ও’নীল, পল ওকোন-ইংস্টেলার

    ফরোয়ার্ড : নেস্ত্রয় ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আয়ার মাবিল, মোহাম্মদ টুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভোলপাতো, তেতে ইয়েনগি।

  • আয়কর বিভাগে নিয়োগপ্রত্যাশীদের থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়: এনবিআরের সতর্কবার্তা

    আয়কর বিভাগে নিয়োগপ্রত্যাশীদের থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়: এনবিআরের সতর্কবার্তা

    আয়কর বিভাগে চাকরিপ্রত্যাশীদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে সক্রিয় কতিপয় প্রতারকচক্র থেকে সাধারণ জনগণকে সতর্ক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

    আজ (সোমবার) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এনবিআরের শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান থাকলেও কিছু অসাধু ব্যক্তি ও চক্র অভিনব কৌশলে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মিথ্যাচারের মাধ্যমে মানুষকে প্রতারিত করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই এ চক্রের মূল উদ্দেশ্য।

    এতে আরও বলা হয়েছে, জনসচেতনার উদ্দেশ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই মর্মে সকলকে আশ্বস্ত করছে যে, আয়কর বিভাগের চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতপূর্বক যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও আয়কর বিভাগের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত কমিটি কর্তৃক যোগ্য প্রার্থীগণ নির্বাচিত হবেন।

    আয়কর বিভাগে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ সংগ্রহকারী কোন দুষ্ট চক্রের তথ্য পেলে তা সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার অফিসকে অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা, টেলিফোন নম্বর ০২-২২২২১৭৭৭৭, ইমেইল: ঢ়ৎড়@হনৎ.মড়া.নফ অবহিত করতে আহ্বান জানিয়েছে এনবিআর।

    সেইসঙ্গে, ভবিষ্যতে এ  ধরনের প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য চাকরিপ্রার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে আয়কর বিভাগ।

  • শ্রীলঙ্কায় মদ্যপ চালকের ট্রাকচাপায় ৬ জনের মৃত্যু

    শ্রীলঙ্কায় মদ্যপ চালকের ট্রাকচাপায় ৬ জনের মৃত্যু

    শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর কাছে মদ্যপ অবস্থায় এক ট্রাক চালক মানুষের ভিড়ের ওপর গাড়িটি উঠিয়ে দিলে অন্তত ছয় জনের মৃত্যু ও আরও সাত জন আহত হয়। এ সময় তারা বৌদ্ধ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিনামূল্যে খাবারের জন্য অপেক্ষা করছিল।

    দেশটির পুলিশ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    পুলিশ জানায়, ৪২ বছর বয়সী ট্রাক চালক রোববার গভীর রাতে কলম্বোর উপকণ্ঠ মীগোদা এলাকায় এই দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    পরে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরীক্ষায় তার মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

    হতাহতরা বৌদ্ধ ধর্মীয় উৎসব ‘ভেসাক’ উপলক্ষে বিতরণ করা খাবার গ্রহণের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

    শ্রীলঙ্কায় প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

  • জনগণের সকল প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের সকল প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশের জনগণের সকল প্রত্যাশা পূরণ করতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

    তিনি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দর্শণে অনুপ্রাণিত হয়ে বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে এবং নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।’

    আজ (রোববার) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    ‘সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে’ উল্লেখ করে একটি সফল সরকার পরিচালনা করতে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    তিনি বলেন, ‘আজ সকলের (নেতা-কর্মী-সমর্থক) উদ্দেশে বলতে চাই, সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। একই সঙ্গে সামনের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণও। এমন সময় হেসে-খেলে পার করলে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ক্ষতি হয়ত ব্যক্তি পর্যায়ে হবে না; ক্ষতি হবে দেশের, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের। কাজেই আসুন, শহীদ জিয়া যেভাবে দেশকে গঠন করতে চেয়েছিলেন, যেভাবে সামনে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলের; আমরা সে ধারা বজায় রেখেই দেশ পরিচালনার চেষ্টা করি।’

    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ধীরে ধীরে প্রত্যেকটি সেক্টরকে সামনে এগিয়ে নিয়ে দেশকে স্বাবলম্বী করে গড়তে চেয়েছিলেন। আমাদের যে ইশতেহারের পক্ষে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে দেশের মানুষ রায় দিয়েছে সেটিতে শহীদ জিয়ার প্রত্যেকটি পথ নির্দেশিকা মেনে গ্রহণ করেছি।

    নেতামকমীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার সরকারের কাজ করবে। আপনি সরকারি দলেরই একজন কর্মী। সরকার তখনই সফল হতে পারবে যখন আপনি প্রত্যেকটি কার্যক্রমে সহযোগিতা করবেন। সঠিক কাজে সঠিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, আইনজীবী ফোরাম, তাঁতি দল বা  শ্রমিক দল অর্থাৎ আমাদের মূল দলসহ প্রত্যেকটি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দেশের আনাচে কানাচে গ্রাম-গঞ্জে, হাট-বাজারে, উপজেলায়, পৌরসভায়, বিভাগীয় শহর সবখানে-অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে নির্বাচনে দলকে জিতিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু কাজ শেষ হয়ে যায়নি। একইভাবে আমাদের লক্ষ্যগুলো সফল করার মাধ্যমে জনগণের দৃষ্টিতে সফল সরকার হতে হবে।’

    শুধু এমপি-মন্ত্রীরা পরিশ্রম করলেই সফলতা আসবে না। সারাদেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সকল নেতাকর্মী যখন কর্মসূচিগুলোকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠে নামবেন তখন তা সম্ভব হবে। ’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি রাজনৈতিক সরকার। বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল যাদের নীতি আছে, আদর্শ আছে এবং ম্যানিফেস্টোও আছে। এই ম্যানিফেস্টো দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরেছিলাম ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে। জনগণ তা দেখেছে, শুনেছে ও বুঝেছে। এরপর তারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে দায়িত্ব দিয়েছেন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য।’

    তিনি বলেন, এই পরিকল্পনা ১২ তারিখ পর্যন্ত ছিল শুধু বিএনপির। কিন্তু নির্বাচনের পর বাংলাদেশের মানুষের রায় যখন জানতে পারলাম, বুঝতে পারলাম জনগণ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আমাদের দিয়েছেন এই পরিকল্পনার পক্ষে। অর্থাৎ সরকারের ইশতেহার এখন কেবল বিএনপির নয়, এটি এখন জনগণের। যারা এর পক্ষে রায় দিয়েছেন, তাদের সেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আমাদের পূরণ করতে হবে।

    বিচার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। গত ১৭ বছরে বিচার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতসহ গণতন্ত্রকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, জাতি তার সাক্ষী।’

    সামাজিক অবক্ষয় রোধে পারিবারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘দেশে ফেরার পর মনে হয়েছে পারিবারিক শিক্ষার কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ বাড়াতে কাজ করার সরকারি নির্দেশনা সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়েছে।’

    বাবার স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে দিয়েই বিশ্ব বাংলাদেশকে চিনত। বাংলাদেশ মানেই তাকে বুঝত অনেকে। একজন সন্তান হিসেবে এটি আমাকে গর্বিত করে।’

    নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘২০২৪ সালে ৫ আগস্ট জনগণকে নিয়ে আমরা একটি সফল আন্দোলন করেছিলাম। এরপর ২০২৬ সালে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সফলভাবে পার করে এসেছি।’

    তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করি, যে ম্যানিফেস্টোর পক্ষে বাংলাদেশের মানুষ রায় দিয়েছে সেটিকে বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা যাতে সফলভাবে সরকারের কার্যক্রম শেষ করতে পারি। তাহলেই শহীদ জিয়ার প্রতি পরিপূর্ণ সম্মান প্রদর্শণ করতে সক্ষম হব বলে বিশ্বাস করি।’

    অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভায় সভাপতিত্ব করেন।

    বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মনি এবং ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

    এছাড়া অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন জিয়াউর রহমানের জীবন ও অবদান নিয়ে আলোচনা করেন।

    পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর দলের প্রতিষ্ঠাতার স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

  • ঈদের ছুটি শেষে আজ খুলছে অফিস

    ঈদের ছুটি শেষে আজ খুলছে অফিস

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের ছুটি শেষে আজ থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিবাজার খুলছে। দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে কর্মজীবী মানুষরা নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরছেন।

    ইতোমধ্যে রাজধানীমুখী মানুষের চাপ বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঢাকায় ফিরেছেন চাকরিজীবী ও কর্মজীবী মানুষ।

    রোববারও অনেককে রাজধানীতে ফিরতে দেখা গেছে। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহনের চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে অফিসপাড়ায় স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য কিছুটা কম। অনেকেই এদিন সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময়ে সময় কাটাবেন।

    গত ২৮ মে দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়। ঈদ উপলক্ষে সরকার আগে থেকেই ছয় দিনের ছুটি ঘোষণা করেছিল। পরে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নির্বাহী আদেশে আরও একদিন ছুটি বাড়ানো হয়।

    ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি কার্যকর হয়। একই ছুটি ভোগ করেন ব্যাংক, বিমা ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও।

    তবে অতিরিক্ত ছুটির সমন্বয়ে চাকরিজীবীরা ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিস করেছেন।

    ছুটির আওতার বাইরে ছিলেন যারা:
    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর পরিচালনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ ও এ সব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির আওতার বাইরে ছিলেন।

    এ ছাড়া হাসপাতাল ও অন্যান্য জরুরি সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী কর্মী এবং জরুরি দায়িত্ব পালনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও ছুটির সুবিধা পাননি।

  • ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

    ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী

    ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল সোয়া ৯টায় সচিবালয়ের অফিসে এসেছেন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সকাল থেকে বিভিন্ন ধারাবাহিক কর্মসূচি রয়েছে। সেগুলোতে তিনি অংশ নিচ্ছেন।’

    ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে গত ২৫ মে সরকারি ছুটি শুরু হয়।