Category: গণমাধ্যম

  • চীনে ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২, নিখোঁজ ২০

    চীনে ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২, নিখোঁজ ২০

    সপ্তাহের শেষে চীনের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে পৌঁছেছে| প্রাকৃতিক দুর্যোগটিতে আরও ২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে বুধবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে|

    চীনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ˆবরী আবহাওয়া প্রায়ই দেখা যায়| বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে দেশটির কোথাও প্রবল বৃষ্টিপাত, আবার কোথাও তীব্র দাবদাহ পরিস্থিতি ˆতরি হয়|

    বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়|

    রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিজিটিএন জানায়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে চীনের কয়েকটি এলাকায় ‘রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত’ হয়েছে| এই টানা বৃষ্টিপাতের কারণে স্কুল ও কর্মস্থল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে| একই সঙ্গে ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে|

    রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া বুধবার জানায়, মধ্যাঞ্চলীয় দুর্গম হুনান প্রদেশে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে ও আরও ১১ জন নিখোঁজ রয়েছে|

    এর আগের দিন সিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রদেশটির একটি কাউন্টিতে ভারী বৃষ্টিতে ৬১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন|

    তবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি|

    মঙ্গলবার সিনহুয়া জানায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংশি অঞ্চলে শনিবার সন্ধ্যায় একটি ট্রাক উত্তাল নদী পার হওয়ার সময় পানিতে পড়ে যায়|

    এ ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে|

    ওই ঘটনায় প্রথম মৃত্যুর খবর রোববার প্রকাশিত হয়|

    পাশের গুইঝৌ প্রদেশেও ভারী বৃষ্টিতে চার জনের মৃত্যু হয়েছে| আরও পাঁচ জন নিখোঁজ রয়েছেন|

    আরও উত্তরে মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় তিন জন মারা গেছেন ও চার জন নিখোঁজ হয়েছেন| এতে কিছু স্থাপনা ধসে পড়েছে ও কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে|

    সিনহুয়ার খবরে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি অঞ্চলের জন্য মঙ্গলবার ১২ কোটি ইউয়ান বা ১ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের দুর্যোগ ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার|

    এ ছাড়া গুইঝৌ প্রদেশের জন্য আরও ৩ কোটি ইউয়ান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে|

    জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশনের বরাতে সিনহুয়া জানায়, প্রদেশটিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে|

    এএফপির হিসাব অনুযায়ী, হুনান, গুইঝৌ ও হুবেইয়ের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে অন্তত ২৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে|

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও এ অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে|

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জেতায় টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জেতায় টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জেতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।

    আজ সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারায় টাইগাররা। এর আগে মিরপুরে প্রথম টেস্টে ১০৪ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ।

    ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতার পাশাপাশি পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

    এই জয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় ভারতকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থানে উঠে এলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অর্জন ৫৮.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট। ৪৮.১৫ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে অবস্থান করছে ভারত।

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের এমন সাফল্য অব্যাহত থাকবে এবং এই অর্জন তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আরও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দলীয় ঐক্য, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চে আরও এগিয়ে যাবে। তিনি খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান।

  • আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

    আজ সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে দেয়া ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলার সামান্য ঘাটতিও জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।’

    প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে আনসার-ভিডিপি ভবিষ্যতে একটি প্রযুক্তিনির্ভর মানবিক ও সামাজিক বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে কোনো দেশেই যে কোনো সুশৃঙ্খল বাহিনীর জন্য ‘চেইন অব কমান্ড’ ও ‘ডিসিপ্লিন’ মেনে চলা অনিবার্য ও অবশ্য পালনীয় নীতি। এই দুইটি বিষয়ে সামান্যতম অবহেলা থাকলে কোনো বাহিনী প্রকৃত অর্থে সুশৃঙ্খল বাহিনী হয়ে উঠতে পারে না। আপনাদের এ বিষয়টি গভীরভাবে মনে রাখতে হবে। কোনো বাহিনীর মধ্যে শৃঙ্খলার অভাব দেখা দিলে সেই বাহিনী সম্পর্কে জনমনে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়।’

    তিনি বলেন, ‘পেশাদারিত্ব, জনসম্পৃক্ততা এবং তৃণমূল পর্যায়ে নিরাপত্তা ও সামাজিক উন্নয়নে অবদানের মাধ্যমে আনসার ও ভিডিপি একটি বহুমাত্রিক ও জনমুখী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।’

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে বাহিনীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওই সময় আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা থানা পাহারা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা রেখেছে। এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বাহিনীটি সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা প্রদানের ক্ষেত্রেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।’

    তিনি বলেন,  ‘ব্যাটালিয়ন আনসার, অঙ্গীভূত আনসার, থানা বা উপজেলা আনসার এবং ভিডিপি-টিডিপি,এই প্রতিটি শক্তি সমন্বিতভাবে দেশের নিরাপত্তা ও তৃণমূলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে।  আমি মনে করি, এই কাঠামোই বাহিনীটিকে কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলভিত্তিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।’

    পার্বত্য চট্টগ্রাম, সরকারি দপ্তর, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিল্প কলকারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় নিরাপত্তা প্রদান, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী নির্যাতন মোকাবিলা ও মাদক বিরোধী কার্যক্রমসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থা ও সম্প্রীতি জোরদারে আনসার ভিডিপির সক্রিয় ভূমিকা রাখার বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ বাহিনী কেবল নিরাপত্তা রক্ষা নয়, সামাজিক পরিবর্তনেরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।’

    তিনি বলেন, ‘আনসার-ভিডিপি মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সিক্স জি ওয়েল্ডিংসহ বহুমাত্রিক চাহিদাভিত্তিক আধুনিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে  যা নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী। আমি মনে করি, এ ধরণের উদ্যোগ ও কর্মতৎপরতা দেশে বিদেশে আনসার ও ভিডিপির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে আরও জোরদার করবে। ‘

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আনসার-ভিডিপি বর্তমানে একটি নির্ভরযোগ্য ‘ফাস্ট রেসপোন্ডার’ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। বন্যা, অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্যোগে এই বাহিনীর সাহসিকতা, দ্রুততা ও মানবিক দায়বদ্ধতা দৃষ্টান্তমূলক।  একইসঙ্গে রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং, সোলার প্যানেল এবং বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে এই বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যগণ টেকসই উন্নয়নের পথে দৃঢ়ভাবে অগ্রসর হচ্ছেন।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আনসার-ভিডিপির সাফল্যও প্রশংসনীয়।   ৫ম,৬ষ্ঠ ও ৭ম বাংলাদেশ গেমসে পরপর তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ  বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ২০০৪ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ অর্জন করে। আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া আয়োজন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে বর্তমান সরকার দেশের ১০টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ৩৭৯ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’

    ক্রীড়াকে একটি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান সরকার  যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্টে যেসব খেলোয়াড় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলছেন, একটি বেতন কাঠামোর আওতায় এনে বর্তমান সরকার তাদেরকে স্পোর্টস কার্ড প্রদান করেছে। আপনারা নিঃসন্দেহে জেনেছেন, আনসার ভিডিপির ১৫ জন ক্রীড়াবিদকেও বর্তমান সরকার স্পোর্টস কার্ড প্রদান করেছে। ‘

    মুক্তিযুদ্ধে বাহিনীর অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় ৪০ হাজার আনসার সদস্য রাইফেল নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং ৬৭০ জন সদস্য শহীদ হন। তাদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং আল্লাহর দরবারে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য শেষে একাডেমিতে আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর সদস্যদের তাঁত ও বুনন শিল্প, মৃৎ শিল্প, গবাদি পশু  খামার, জাপানি ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন। সদস্যরা কিভাবে কাজ করছে সে সম্পর্কে তিনি অবহিত হন।

    অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, রেল প্রতি মন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এটিএম শামসুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানসহ সংসদ সদস্য ও সরকারি ঊধর্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬ তম জাতীয় সমাবেশে যোগ দেন। তিনি শহীদদের স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে কর্মসূচি শুরু করেন।

    এর আগে সফিপুরে আনসার ভিডিপি একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং  বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

  • জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর

    জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজীপুরে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন ।

    তিনি আজ দুপুর ২টায় গাজীপুরের ধরপাড়ার সাতাইশ চৌরাস্তায় এই ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন ও সচিব সাইদুর রহমান খানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। এ সময় একটি স্মারক বৃক্ষরোপণও করেন তিনি।

    প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সাতাইশ চৌরাস্তার ধরপাড়া এলাকায় প্রায় ৮ একর জমির ওপর এই ইনস্টিটিউট নির্মিত হবে। এখানে প্রশাসনিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য আবাসিক ভবনও থাকবে। এই ইনস্টিটিউট দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।

  • দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের পঞ্চম দিনে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতল টাইগাররা। সিরিজের প্রথম টেস্ট ১০৪ রানে জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

    সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ৪৩৭ রানের টার্গেটে ৩৫৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।

    চতুর্থ দিন শেষে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান তুলেছিল পাকিস্তান। ফলে টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩ উইকেট। পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২১ রান। পঞ্চম দিন বাকী ৩ উইকেটে ৪২ রান যোগ করে ৩৫৮ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

    ৭৫ রান নিয়ে খেলতে নেমে ব্যক্তিগত ৯৪ রানে বাংলাদেশ পেসার শরিফুল ইসলামের শিকার হন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

    ৮ রানে দিন শুরু করে ব্যক্তিগত ২৮ রানে বাংলাদেশ স্পিনার তাইজুল ইসলামের বলে আউট হন সাজিদ খান। রানের খাতা খোলার আগে তাইজুলের শিকার হন খুররাম শাহজাদ।

    ৩৪.২ ওভার বোলিং করে ১২০ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার তাইজুল। এছাড়া নাহিদ রানা ২টি, শরিফুল ও মেহেদি হাসান মিরাজ ১টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা লিটন দাস এবং সিরিজ সেরা হন মুশফিকুর রহিম।

    এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭৮ ও পাকিস্তান ২৩২ রান করেছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩৯০ রান।

  • চতুর্থ দিনের চা-বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০০ রান তুলেছে সফরকারী পাকিস্তান

    চতুর্থ দিনের চা-বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০০ রান তুলেছে সফরকারী পাকিস্তান

    বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ৪৩৭ রানের জবাবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের চতুর্থ দিনের চা-বিরতি পর্যন্ত ৫ উইকেটে ২০০ রান তুলেছে সফরকারী পাকিস্তান। টেস্ট জিততে আরও ২৩৭ রান করতে হবে পাকিস্তানকে। বাংলাদেশের দরকার ৫ উইকেট।

    সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিনের শেষ দিকে ৪৩৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২ ওভার ব্যাট করে কোন রান তুলতে পারেনি পাকিস্তান।

    চতুর্থ দিন দলীয় ২৭ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজলকে ৬ রানে বিদায় দেন বাংলাদেশ পেসার নাহিদ রানা।

    আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকে সাজঘরের পথ দেখান বাংলাদেশ স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। ২টি চারে ২১ রান করেন আজান।

    ৪১ রানে ২ উইকেট পতনের পর বাংলাদেশের বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে ৯২ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম।

    বাবরকে ৪৭ রানে এবং মাসুদকে ৭১ রানে থামান বাংলাদেশ স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এছাড়া মিডল অর্ডার ব্যাটার সৌদ শাকিলকে ৬ রানে আউট করেন নাহিদ। ফলে ১৬২ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

    ষষ্ঠ উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়ে চা-বিরতিতে যান মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আঘা। সালমান ২৫ ও রিজওয়ান ১৫ রানে অপরাজিত আছেন।

    বাংলাদেশের নাহিদ ও তাইজুল ২টি কওে এবং মিরাজ ১টি উইকেট নেন।

    এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭৮ ও পাকিস্তান ২৩২ রান করেছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩৯০ রান।