Category: গণমাধ্যম

  • তারেক রহমানের আমন্ত্রণে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: সালেহ শিবলী

    তারেক রহমানের আমন্ত্রণে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: সালেহ শিবলী

    তারেক রহমানের আমন্ত্রণে মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ২০০৪ সালে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বিল গেটসের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বিল গেটস ঝটিকা সফরে এখানে এসেছিলেন।’

    শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি ক্লাবে ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠন : টেলিকম, ডেটা ও সাইবার সুরক্ষা বিল ২০২৬’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এসব কথা জানান। বাংলাদেশ আইসিটি স্টেকহোল্ডারস অ্যালায়েন্স (বিআইএসএ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

    প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলেন আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র চেয়েছি। কিন্তু গত কয়েক দিন অনলাইনে যেসব ভাষা ব্যবহার করে একটি দল সমালোচনা করছে; সেগুলো মানুষের ভাষা নয়। গালিগালাজ কখনও বাকস্বাধীনতা হতে পারে না।’

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

    বিআইএসএ সভাপতি ফয়সাল আলিমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এবং বিআইএসএ-এর প্রধান উপদেষ্টা মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক ।

    এছাড়া, সংলাপে আইসিটি খাতের উদ্যোক্তা, আইন বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • একনেক সভায় সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী

    একনেক সভায় সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শুরু হয়েছে।

    আজ (রোববার) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১০ম এ সভায় সভাপতিত্ব করছেন তারেক রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।

    জানা যায়, বৈঠকে মোট ১৭টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে।

    সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ কমিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

  • ইউরোপের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে বাস্তবসম্মত ‘রোডম্যাপ’ তৈরির তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

    ইউরোপের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে বাস্তবসম্মত ‘রোডম্যাপ’ তৈরির তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন নতুন প্রজন্মের দক্ষ জনশক্তিকে ইউরোপীয় শ্রমবাজারে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করতে একটি বাস্তবসম্মত ও প্রয়োগযোগ্য ‘রোডম্যাপ’ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

    তিনি বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এই প্রবাহ বাড়াতে এবং প্রবাসে নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

    আজ (শনিবার) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘ইউরোপীয় শ্রমবাজারে ১০ লাখ দক্ষ জনশক্তি: মাস্টারপ্ল্যান (২০২৬-২০৩১) উপস্থাপন এবং প্রবাসীদের রাষ্ট্রীয় অধিকার নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    ইতালবাংলা সমন্বয় উন্নয়ন সমিতি এবং বাংলাদেশের প্রবাসী উন্নয়ন সমিতি যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

    তথ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের লুটপাটের কারণে আমরা ভঙ্গুর অর্থনীতি ও ঋণের বিশাল বোঝা উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছি।

    তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ও অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করতে রেমিট্যান্স আয়ের পরিধি বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

    বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের প্রধান ক্ষেত্র মূলত দুটি: তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত ও রেমিট্যান্স। প্রতি বছর আমরা তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে প্রায় ৪০-৪২ বিলিয়ন ডলার এবং রেমিট্যান্স থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার আয় করি। কিন্তু আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে কেবল এই দুই খাতের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না।’

    এসময় তথ্যমন্ত্রী রপ্তানি পণ্যের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহ নিশ্চিতে প্রবাসে কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদ রফতানি বাজারকে আরও সম্প্রসারণ করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

    বৈদেশিক মুদ্রার বিকল্প বাজার হিসেবে দেশের পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যদি কুয়াকাটা বা কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো ও পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, তবে বিদেশি পর্যটকরা এখানে ঘুরতে আসবেন। এভাবেই পর্যটন আমাদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের একটি শক্তিশালী বিকল্প ক্ষেত্র হতে পারে।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশের সুবর্ণ সময়ে অবস্থান করছে। আমাদের এই বিশাল কর্মক্ষম জনশক্তিকে কেবল শ্রমিক হিসেবে নয়, বরং উন্নত জ্ঞান ও দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে বিশ্ববাজারে পাঠাতে হবে।

    প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের দেশের ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে আমাদের কর্মীরা যাতে কর্মস্থল ত্যাগ করে ‘পালিয়ে যাওয়া’ বা নিয়মভঙ্গের মতো কাজ না করেন, সেদিকে নজর দিতে হবে। তাই দক্ষতা ও ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি তাদের নীতি-নৈতিকতা ও আচরণগত মোটিভেশন প্রদান করা জরুরি।’

    তিনি এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    সেমিনারে ইউরোপের বাজারে আগামী ৫ বছরে ১০ লাখ জনশক্তি রপ্তানির একটি মাস্টারপ্ল্যান উপস্থাপন করা হয়। মন্ত্রী এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ডাটাবেজ তৈরির পাশাপাশি নিয়মিত মতবিনিময়ের মাধ্যমে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও তুলে ধরেন।

    এছাড়া সেমিনারে প্রবাসীদের ভোটাধিকার কার্যকর করা এবং  জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের জন্য সংরক্ষিত আসনেরও দাবি জানানো হয়।

    সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক প্রকৌশলী মো. সালাহ উদ্দিন এবং উপ পরিচালক মোহাম্মদ আলী মর্তুজা বলেন, ইউরোপের বাজারে প্রতিযোগিতা করতে আমাদের কর্মীদের ভাষাগত ও কারিগরি দক্ষতায় সেরা হতে হবে। বিশেষ করে কর্মস্থলে টিকে থাকার মানসিকতা তৈরি করা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    বিএনপির সর্ব ইউরোপিয়ান শাখার আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ ঝিন্টুর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে মাস্টারপ্ল্যান উপস্থাপন করেন ইতালবাংলা সমন্বয় ও উন্নয়ন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহ মোহাম্মাদ তাইফুর রহমান ছোটন।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউরোপের বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠনের নেতারা।

  • নির্যাতন বন্ধে সমাজ ও প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন প্রয়োজন : আইনমন্ত্রী

    নির্যাতন বন্ধে সমাজ ও প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন প্রয়োজন : আইনমন্ত্রী

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, শুধু আইন প্রণয়ন করে দেশে নির্যাতনের সংস্কৃতি বন্ধ করা সম্ভব নয়।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের এই সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তবেই আমাদের ভালো আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে। নির্যাতনের সংস্কৃতি নির্মূল করতে শুধু আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়। আমাদের এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং সমান গুরুত্ব দিয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। যেন মানুষ বুঝতে পারে যে, নির্যাতন একটি অমানবিক কাজ, এটি অন্যায় এবং অগ্রহণযোগ্য।

    আজ সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘নির্যাতন প্রতিরোধ এবং ইউএনসিএটি ও ওপিসিএটি বাস্তবায়ন বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভা’য় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের সংবিধান নিজেই শক্তিশালী সুরক্ষা প্রদান করে। অনুচ্ছেদ ৩৫(৫) স্পষ্টভাবে বলে যে, কোনো ব্যক্তিকে নির্যাতন বা নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর শাস্তি বা আচরণের শিকার বানানো যাবে না। সাংবিধানিক এই বিধান মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র এবং আন্তর্জাতিক নির্যাতন বিরোধী সম্মেলনের নীতিসমূহকে প্রতিফলিত করে। এটি সরাসরি একটি নিষেধাজ্ঞা এবং রাষ্ট্র ও সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।

    চাইলেই রাতারাতি এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ হবে না জানিয়ে আইনমন্ত্রী আরো বলেন, গত দুই মাসে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জোরপূর্বক গুমের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    তিনি বলেন, আগস্ট-পরবর্তী ক্ষমতার পালা বদলের পর থেকে হেফাজতে নির্যাতনও ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এগুলো আমাদের আইনি সংস্কৃতি, আমাদের আইনশাস্ত্র এবং আমাদের জাতীয় বিবেকের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।

    তবে, সুরক্ষা আইনের অপব্যবহার যেন না হয়, তা নিশ্চিত করার ওপর তিনি দৃঢ়ভাবে জোর দিয়ে বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা দায়মুক্তির সংস্কৃতি চাই না। আমরা কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন চাই না। আমরা হেফাজতে মৃত্যু চাই না। আমরা জোরপূর্বক গুম চাই না। আমরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চাই না। আমরা জানি এই ধরনের লঙ্ঘন কী পরিমাণ যন্ত্রণা দেয়।

    আজকের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার এবং নির্যাতন, জোরপূর্বক গুম, যথেচ্ছ আটক ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণের বিরুদ্ধে কর্মরত বেসরকারি সংস্থাগুলোর বৈশ্বিক জোট ওএমসিটি।

    এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার; দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান; এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারপারসন বিচারপতি মঈনুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তি বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টার ড. অ্যালিস জিল এডওয়ার্ডস।

  • জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য, বায়োইকোনমি রেজুলেশন গৃহীত

    জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য, বায়োইকোনমি রেজুলেশন গৃহীত

    ব্যাংককে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসকাপ) ৮২তম অধিবেশন গতকাল শুক্রবার শেষ হয়েছে।

    অধিবেশনে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের নেতৃত্বে টেকসই বায়োইকোনমি বা জৈব অর্থনীতি বিষয়ক একটি যুগান্তকারী রেজুলেশন গ্রহণে নেতৃত্ব দেয় বাংলাদেশ।

    আজ (শনিবার) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ অর্জন আঞ্চলিক উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি বাংলাদেশের উদ্যোগে উত্থাপিত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে গৃহীত হয়। যা এ অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    রেজুলেশনটি বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার-টেকসই, উদ্ভাবননির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে সার্কুলার অর্থনীতি, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং টেকসই বায়ো-ইকোনমি ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    অধিবেশনে বক্তব্যে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বায়োইকোনমি শুধু একটি নতুন ধারণা নয়; এটি জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার একটি কার্যকর পথ।’

    বাংলাদেশের এ উদ্যোগে সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, চীন, মঙ্গোলিয়া, আর্মেনিয়া ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সমর্থন দিয়েছে। যা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক ঐকমত্যের প্রতিফলন।

    অধিবেশনে আরও ‘সব বয়সের মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সামাজিক উন্নয়ন জোরদার’ বিষয়ে বাকু-ব্যাংকক ঘোষণা গৃহীত হয়েছে। এতে অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • রাজধানীর বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

    রাজধানীর বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল পরিদর্শন করেছেন।

    তিনি আজ সকালে নিউ ইস্কাটনে অবস্থিত স্কুলটি পরিদর্শন করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।

    তিনি আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হঠাৎ করেই স্কুলটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শিশু-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটান। তাদের সঙ্গে কথা বলেন। ছোট্ট শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হয়। কেউ কেউ ছুটে আসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলাতে। কেউ আবার অটোগ্রাফ নিতে।

    আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্লাসরুমে ঢুকেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পড়াশুনার পাশাপাশি তিনি খেলাধুলা করারও পরামর্শ দেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এ মেলবন্ধন দেখে শিক্ষকরাও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

    প্রধানমন্ত্রী এর আগে সকালে বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে ফাউন্ডেশনের ট্রেনিং কাম ডরমেটরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, বিয়ামের মহাপরিচালক আব্দুল মালেক উপস্থিত ছিলেন।