Category: গণমাধ্যম

  • বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা

    বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা

    বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

  • পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানদের বিক্ষোভ, সেনাদের প্রতি সমর্থন

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানদের বিক্ষোভ, সেনাদের প্রতি সমর্থন

    সীমান্ত প্রদেশগুলোতে শত শত আফগান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন। তারা বেসামরিক মানুষ হত্যার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান ও সীমান্তে লড়াইরত নিজেদের সেনাদের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।

    আফগানিস্তানের গারদেজ থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।

    বিক্ষোভকারীরা সেনাদের গলায় রঙিন ফুলের মালা পরিয়ে দেন।

    জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে এক সপ্তাহ ধরে চলা সীমান্ত সংঘর্ষে কয়েক ডজন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন আরো কয়েক হাজার মানুষ।

    পূর্বাঞ্চলীয় পাকতিয়া প্রদেশের রাজধানী গারদেজে বাসিন্দারা জড়ো হন। তাদের কেউ কেউ তালেবান সরকারের সাদা পতাকা নাড়ান।

    একজন বিক্ষোভকারী গামাই বলেন, ‘আজ আমরা পাকতিয়ার কেন্দ্র গারদেজে জড়ো হয়েছি। আফগান বেসামরিক নাগরিকদের ওপর পাকিস্তানের নির্মম হামলার প্রতিবাদ জানাতে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ভূমি রক্ষার জন্য এখানে এসেছি।’

    আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশন জানিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শিশুসহ অন্তত ৪২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ১০৪ জন আহত হয়েছেন।

    ইসলামাবাদ বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তারা জানিয়েছে, তাদের সেনারা ৪৩০ জনের বেশি আফগান সেনাকে হত্যা করেছে।

    অন্যদিকে আফগানিস্তান জানিয়েছে, পাকিস্তানের প্রায় ১৫০ সেনা নিহত হয়েছেন। তবে দুই পক্ষের হতাহতের দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন।

    পাকিস্তানের আগের বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে আফগান সীমান্তে অভিযান চালানোর পর সংঘর্ষ শুরু হয়। ইসলামাবাদ বলেছে, ওই হামলায় তারা জঙ্গিদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল।

    খোস্ত প্রদেশের গুরবুজ জেলাতেও একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাটি সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    বিক্ষোভকারী ওবায়দুল্লাহ গুরবাজ বলেন, ‘আজকের এই প্রতিবাদ শুধু দেখানোর জন্য নয়। কুনারে নিহত ১৭ জন শহীদের জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। তাদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষও রয়েছেন।’

    ৭০ বছর বয়সী এই ব্যক্তি বলেন, ‘আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, গত সাত-আট দিন ধরে আমাদের পেছনে সেনারা দাঁড়িয়ে আছেন। তারা ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত, তবু দৃঢ়ভাবে দেশ রক্ষা করছেন।’

    আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ২৫ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন।

    সীমান্তে সংঘর্ষের কারণে প্রায় ৬৬ হাজার আফগান বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

    সংস্থাটি জানায়, নানগারহার প্রদেশে তাদের অন্তত একটি কেন্দ্র উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত ক্ষতির শিকার হয়েছে।

    সংঘর্ষের কারণে পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা আফগানদের জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে জরুরি খাদ্য সহায়তাও স্থগিত হয়েছে।

    বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, এতে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দেশটি আগেই তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছিল।

    নানগারহারের এক বাসিন্দা বলেন, আগে জাতিসংঘের সংস্থা তাদের অনেক সহায়তা করত। এখন তিনি নিজের খাওয়ার রুটির পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন।

    শুধু এক নাম ব্যবহার করে ফারহাদ বলেন, ‘কখনো পেট ভরে, কখনো আধা পেট নিয়ে আমরা দিন কাটাই।’

    তিনি বলেন, ‘গত রাতে আমি প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের কাছে ১ হাজার আফগানি (১৬ ডলার) ধার চাইতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কেউ আমাকে দেয়নি।’

  • মুসলিম মোগল স্থাপত্যের নির্দশন হিন্দা কসবা মসজিদ

    মুসলিম মোগল স্থাপত্যের নির্দশন হিন্দা কসবা মসজিদ

    মুসলিম মোগল আমলের স্থাপত্য শিল্পের অনন্য নির্দশন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদ। জেলার মসজিদের নাম আসলেই প্রথমে নাম মনে পড়ে এ মসজিদের কথা। মসজিদটি এখন জেলার গর্ব হয়ে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের হিন্দা গ্রামে এ মসজিদটি অবস্থিত। জেলা শহর থেকে মসজিদের দূরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার। ইসলামী স্থাপত্য শিল্পের শৈল্পিক ছোঁয়ায় নির্মিত হয়েছে এ মসজিদটি।

    ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ, বাংলা ১৩৬৫ সালে হিন্দা এলাকায় বাগমারী পীর নামে পরিচিত পীর আব্দুল গফুর চিশতী হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। চিরকুমার পীর আব্দুল গফুর চিশতীর নক্সায় আব্দুল খালেক চিশতীর তত্ববাবধানে এ মসজিদটি নির্মিত হয়।

    মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৪৯.৫ ফুট ও প্রস্থ ২২.৫ ফুট। মসজিদের উত্তর পার্শ্বে ৪০ ফিট উচ্চতার একটি মিনার আছে। মসজিদের ছাদের উপরে ইসলামের ৫টি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে ৫টি গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে। মাঝখানের গম্বুজটি বড় ও চার দিকে ৪টি ছোট গম্বুজ। মসজিদের ভেতরে ও বাইরে দেয়ালে কাঁচের টুকরা, চিনামাটির ভাংগা টুকরা ও মোজাইক দিয়ে নক্সা করা হয়েছে।

    দেয়ালের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন রং দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। এখানে একসাথে ৩ থেকে ৪ শ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে। বর্তমানে মসজিদটির সামনে বিশাল গেট ও সামনের অংশে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। জয়পুরহাটের ঐতিহ্যের কথা মনে হলে এই হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদের কথা সবার মনে পড়ে।

  • ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    গাজীপুরে বিশেষ অভিযানে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. এমদাদুল হককে (৩৬) গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

    ডিএনসি জানায়, গতকাল সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটে জয়দেবপুরের শিরিরচালা বাঘের বাজার এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী ‘আলম এশিয়া’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ওই মাদককারবারীকে আটক করা হয়।

    এছাড়া তার কাছ থেকে মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামি দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুর এলাকায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেটের পাইকারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    আন্তঃজেলা মহাসড়ক ব্যবহার করে মাদক পরিবহন রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

  • বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

    বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

    বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।

    আজ সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    এ সময়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো.  শরীফুল আলম, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন,বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে পৃথক কোনো আলোচনা হয়নি। এই চুক্তিটি ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি। ফলে এ নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই।

    খন্দকার মুক্তাদির জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নির্দিষ্টভাবে চুক্তি নিয়ে আলাদা কোনো আলোচনা হয়নি।

    চুক্তিটি বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘যে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতে দুই পক্ষেরই কিছু দাবি থাকে। কিছু ধারা এক পক্ষের অনুকূলে থাকে, আবার কিছু ধারা অন্য পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়। আলোচনার মাধ্যমে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়।’

    তিনি বলেন, এই চুক্তিকে এখনই পুরোপুরি নেতিবাচক বা ইতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে এর অনেক ধারা কাজে লাগানো যাবে।

    মন্ত্রী আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালতের ট্যারিফ সংক্রান্ত রায়ের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিষয়টি এখনো বিকাশমান।

    চুক্তি সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো চুক্তিই চূড়ান্ত নয়। প্রতিটি চুক্তিতে সংশোধন ও পুনরায় আলোচনার সুযোগ থাকে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আলোচনা করে পরিবর্তন আনা সম্ভব।’

    ভিসা বন্ড প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে। সরকার চায় দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা যেন সহজে যাতায়াত করতে পারেন এবং কোনো বাধার মুখে না পড়েন।

    নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেছে বলেও জানান মন্ত্রী।

    তিনি বলেন, কিছু নন-ট্যারিফ বাধা দূর করা গেলে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এতে দেশটি বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় হবে।

    তিনি আরও জানান, এসব বাধা দূর হলে যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা ও অর্থায়ন কার্যক্রমেও বাংলাদেশ আরও সহজে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চুক্তি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকার বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

  • চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

    তিনি আজ দুপুরে ডিএমপি সদর দপ্তরে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি দুইটা বিষয়ে অনুশাসন দিয়েছি। এর মধ্যে একটি হচ্ছে – আমরা চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করব এবং সেই হিসেবে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। অপরটি হচ্ছে -যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, দাগী আসামী, যারা সমাজে  বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদের একটি স্বচ্ছ তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। তালিকা অনুযায়ী তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

    তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া ঢাকা থেকে শুরু হবে। সারাদেশেই চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী, দাগি আসামিদের নির্মোহ তালিকা করে অভিযান পরিচালনা করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না। সবকিছু আইনের গতিতে চলবে।

    মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। আশা করি আমরা খুব শিগগিরই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারবো।

    এ ব্যাপারে মন্ত্রী গণমাধ্যম ও এ দেশের সাধারণ জনগণের সহযোগিতা চান।