Category: প্রচ্ছদ

  • শিক্ষাখাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার

    শিক্ষাখাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার

    শিক্ষা খাতের বরাদ্দকে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।

    আজ (বুধবার) সকালে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজার লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে এবং একটি গুণগত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই আলোকে শিক্ষা খাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইশতেহারে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় তা সম্প্রসারণ করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা পূরণে পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।’

    এর আগে মাইক বিভ্রাটের কারণে আধা ঘণ্টা দেরিতে সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

    সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে। ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে ১ হাজার ৫০০টি প্রতিষ্ঠানে- মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে- ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য স্বতন্ত্র ডিজিটাল পরিচয় বা ‘এডু-আইডি’ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

    তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সব জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়নের পাশাপাশি আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি ও ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসায় ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু করা হবে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আইসিটি বিভাগের আওতাধীন কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে আগামী ৬ মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন ইউজিং ফ্লুটার, পাইথন প্রোগ্রামিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’

    প্রধানমন্ত্রীর জন্য চারটি প্রশ্ন নির্ধারিত ছিল। প্রথম প্রশ্নটি করেন সংসদ সদস্য সেলিম রেজা। তার প্রশ্নটি ছিলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করে বলবেন কি, আপনার সরকারের আমলে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার প্রদান, নতুন প্রজন্মকে গুনগত মানসম্পন্ন শিক্ষায় শিক্ষিত করা এবং বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সমমানের উচ্চ শিক্ষা, তথ্য প্রযুক্তি ও দক্ষতায় গড়ে তুলবার লক্ষে আপনার সরকারের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা?

    সেলিম রেজা ছাড়া অন্য তিনটি তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন করেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য রুশদী। এ ছাড়া আরও পাঁচজন সাংসদ প্রশ্ন উপস্থাপন করেন— পটুয়াখালী-৪ আসনের এবিএম মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৯ আসনের আবুল কালাম, ঢাকা-১৯ আসনের দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, নোয়াখালী-১ আসনের এএম মাহবুব উদ্দিন এবং নওগাঁ-৪ আসনের ইকরামুল বারী টিপু।

  • সংসদে সরকারি হিসাব নিরীক্ষা বিল ২০২৬ পাস

    সংসদে সরকারি হিসাব নিরীক্ষা বিল ২০২৬ পাস

    দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতের লক্ষ্যে ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা বিল, ২০২৬’ আজ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি সংসদে উত্থাপন ও পাসের প্রস্তাব করেন। এর মাধ্যমে ২০২৫ সালে জারি করা ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ’ প্রতিস্থাপন করে একটি পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন করা হলো। সংসদ অধিবেশন না থাকাকালে সংবিধানের ৯৩(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশটি জারি করেছিলেন।

    বিলে বলা হয়েছে, এই আইন ২০২৫ সালের ৪ মে থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। এর মাধ্যমে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি)-এর জন্য একটি বিস্তৃত আইনি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে, যার আওতায় প্রজাতন্ত্রের সব সরকারি হিসাব, আদালত, সরকারি সংস্থা ও কর্মচারীদের আর্থিক কার্যক্রম নিরীক্ষা করা হবে।

    বিলের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে—সিএজি নিজেই নিরীক্ষার পরিধি, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। এছাড়া সমন্বিত তহবিল থেকে ব্যয়িত সকল অর্থ, রেলওয়ে ও ডাক বিভাগের মতো রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্পে সরকারের অংশীদারিত্বও নিরীক্ষার আওতায় থাকবে।

    বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া ঋণ বা অনুদানের শর্তাবলীর যথাযথ বাস্তবায়ন যাচাই করার ক্ষমতাও এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    প্রচলিত আর্থিক নিরীক্ষার বাইরে গিয়ে ‘অর্থনীতি, দক্ষতা ও কার্যকারিতা” (ইকোনমি, এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ইফেক্টিভনেস) ভিত্তিক নিরীক্ষা পরিচালনার ক্ষমতাও সিএজি-কে দেওয়া হয়েছে। এই নিরীক্ষা প্রযোজ্য হবে সকল সরকারি দপ্তর, করপোরেশন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, যেখানে সরকারের মালিকানা কমপক্ষে ৫১ শতাংশ।

    উচ্চমান বজায় রাখতে সিএজি প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অফিসের পেশাগত নৈতিকতা ও কার্যকারিতা পর্যালোচনার জন্য একটি স্বাধীন তদারকি কমিটি গঠন করতে পারবেন।

    বিলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সংসদে নিরীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর তা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

    এছাড়া অভিযোগ ও প্রতিকার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কোনো নিরীক্ষিত প্রতিষ্ঠান নিরীক্ষকদের পেশাগত আচরণ নিয়ে আপত্তি তুললে সিএজি বাধ্যতামূলকভাবে তদন্ত শুরু করবেন।

    আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সিএজি তার দপ্তরের বরাদ্দকৃত বাজেটের ওপর চূড়ান্ত কর্তৃত্ব পাবেন, তবে সাংগঠনিক পুনর্গঠন বা নতুন পদ সৃষ্টি করতে সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

    এছাড়া সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে আন্তর্জাতিক নিরীক্ষা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

    বিলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদ অধিবেশন না থাকায় পূর্বে এটি বিল আকারে উপস্থাপন সম্ভব হয়নি। সে কারণে রাষ্ট্রপতি ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেন। সংবিধানের ৯৩(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস করা প্রয়োজন ছিল।

    তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের সব সরকারি হিসাব, আদালত, সরকারি কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীদের নিরীক্ষা এবং প্রতিবেদন নিশ্চিত করে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই এই আইনের মূল লক্ষ্য।

    পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

  • নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

    নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নারী শিক্ষার প্রসার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং শিক্ষায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

    তিনি জানান, এ লক্ষ্যে দেশের সব উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারীকরণের বিষয়টি সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাগুলোতে নারী শিক্ষার প্রসারে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

    আজ (বুধবার) সকালে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

    মাইক বিভ্রাটের কারণে প্রায় আধা ঘণ্টা দেরিতে সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।

    স্পিকার জানান, বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর এবং মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইকরামুল বারী টিপুর প্রশ্ন ছিল, নওগাঁ-৪ আসনের মান্দা উপজেলাধীন ‘মান্দা থানা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ’সহ দেশের সব উপজেলা সদরের একটি করে মহিলা কলেজ সরকারীকরণের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না এবং থাকলে তা কতদিনে বাস্তবায়ন করা হবে?

    প্রশ্নের জন্য ইকরামুল বারী টিপুকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মান্দা থানা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজসহ দেশের অন্যান্য উপজেলার উপযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারীকরণের বিষয়টি বিদ্যমান নীতিমালা ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সংস্থান বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

  • ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

    ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

    দেশের ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    সংসদ নেতা আজ বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’।

    আজ সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ. এম. মাহবুব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীরবিক্রম। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ, ২০২৬ তারিখে দেশের ১০টি জেলা এবং ৩টি সিটি কর্পোরেশনের ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, আগামীতে দেশের প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

    নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) নির্বাচনী এলাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি মাননীয় সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

    এর আগে সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়। দিনের শুরুতেই নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন সংসদ নেতা।

  • কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নবাগত প্রশাসককে কুমিল্লা রাইফেলস ক্লাবের শুভেচ্ছা ও সম্মাননা

    কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নবাগত প্রশাসককে কুমিল্লা রাইফেলস ক্লাবের শুভেচ্ছা ও সম্মাননা

    কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নবাগত প্রশাসক মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপুকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেছে কুমিল্লা রাইফেলস ক্লাব। সম্প্রতি এক সংক্ষিপ্ত ও অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে এই আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা জানানো হয়।

    সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে রাইফেলস ক্লাবের সদস্যরা নবাগত প্রশাসককে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপুর দায়িত্ব গ্রহণকে স্বাগত জানিয়ে তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, তার দক্ষ নেতৃত্বে কুমিল্লা সিটির চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল, আধুনিক ও জনবান্ধব হয়ে উঠবে।

    অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ক্লাবের পক্ষ থেকে মোস্তাক মিয়ার মাধ্যমে নবাগত প্রশাসকের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়।

    এ সময় কুমিল্লা রাইফেলস ক্লাবের অন্যান্য সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলেই নবাগত প্রশাসকের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন এবং কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • কুমিল্লায় আধুনিক পার্ক ও রেইসকোর্স খালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন: জেলা প্রশাসক ও সিটি প্রশাসকের দিকনির্দেশনা

    কুমিল্লায় আধুনিক পার্ক ও রেইসকোর্স খালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন: জেলা প্রশাসক ও সিটি প্রশাসকের দিকনির্দেশনা

    কুমিল্লা নগরীর বিনোদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন জেলা ও সিটি কর্পোরেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।
    মঙ্গলবার (বা সংশ্লিষ্ট তারিখ) কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণাধীন আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন পার্কটির নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মুঃ রেজা হাসান এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপু।
    পরিদর্শনকালে তারা পার্কটির সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম এবং নান্দনিক অবকাঠামো নির্মাণের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখেন। নাগরিকদের জন্য আধুনিক ও নিরাপদ বিনোদন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কারিগরি ও পরিবেশগত দিক নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে জেলা প্রশাসক ও সিটি প্রশাসক একটি সুন্দর, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব নগর বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পার্কের দীর্ঘমেয়াদী সৌন্দর্য রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও তারা বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।
    একই সময়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপু নগরীর রেইসকোর্স খালের চলমান খনন কাজ পরিদর্শন করেন। তিনি খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে খনন কাজের গুণগত মান বজায় রাখার নির্দেশ দেন। নগরীর পরিবেশ উন্নয়নে চলমান এই কার্যক্রম দ্রুত ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন।
    পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পিত ও আধুনিক কুমিল্লা গড়ার লক্ষ্যে চলমান এই প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।