Category: রাজনীতি

  • ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি: নির্বাচন কমিশনার

    ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি: নির্বাচন কমিশনার

    অনলাইন ডেস্ক:   সাংবিধানিক আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রতীকের তালিকায় ‘শাপলা’ না থাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-কে প্রতীকটি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম। রোববার (১৯ অক্টোবর) সিলেটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।সিলেট পুলিশ লাইনসে নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে না হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি, রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অতীতের মতো বিতর্কিত নির্বাচন আর হবে না উল্লেখ করে তিনি জানান, সবার সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা হবে এবং কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি নির্বাচনী দায়িত্বে থাকতে পারবেন না।

    আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বক্তব্যই কমিশনের অবস্থান বলে জানান তিনি। নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, আইনগতভাবে আওয়ামী লীগ স্থগিত দল হওয়ায় তাদের কার্যক্রমও স্থগিত রয়েছে, ফলে তারা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, সিলেটের পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • জুলাই সনদে স্বাক্ষর করল গণফোরাম

    জুলাই সনদে স্বাক্ষর করল গণফোরাম

    অনলাইন ডেস্ক:    জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে গণফোরাম। এ নিয়ে মোট ২৫টি দল সনদে সই করলো। রোববার (১৯ অক্টোবর) সংসদ ভবনের এলডি হলে এই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়।সনদে স্বাক্ষর শেষে দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, বাহাত্তরের চার মূলনীতি থাকলে জুলাই সনদ পূর্ণতা পেতো। তবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংশোধনের আশ্বাস পেয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে গণফোরাম। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার বর্তমান সরকার পেয়েছে, সেটা বাস্তবায়নের দায়িত্ব সবার।

    ঐকমত্যে কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ বলেন, গণফোরাম বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামো প্রক্রিয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নতুন রাষ্ট্র সংস্কারের সাথেও দলটি জড়িত থাকবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলই জুলাই সনদের সবচেয়ে বড় অংশীদার। এই দলিল ঐকমত্য কমিশনের একক দলিল নয়, এটি সবার রাজনৈতিক অঙ্গীকার। এ সময় এখনও জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করা দলগুলোকে সই করার আহ্বান জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদ সই করেনি।

  • আ.লীগের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে যা বললেন বিএনপি মহাসচিব

    আ.লীগের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে যা বললেন বিএনপি মহাসচিব

    অনলাইন ডেস্ক:   কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ তো নিজেরাই নিজেদের বিলীন করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে তাদের আর কোনো জায়গা আছে বলে আমি মনে করি না। সুতরাং তাদের ফের রাজনীতিতে ফিরে আসা সহজ হবে না।’গত ১০ অক্টোবর রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে রাজনৈতিক দল গণহত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আসতেই হবে, সিরিয়াসলি বিচার হতে হবে।’আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এটা আমি ঠিক এই মুহূর্তে মন্তব্য করতে রাজি নই। কারণ এই দলটির ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আছে, সেটা উইথড্র হলে যে সিচুয়েশন তৈরি হবে, সেটার উপর নির্ভর করবে। তবে আমি মনে করি, উইথড্র হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।’

    আওয়ামী লীগের বিচার প্রক্রিয়া ধীর গতিতে এগোচ্ছে বলে যে আলোচনা চলছে তাতে দ্বিমত প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘না, না, সেটা আমি মনে করছি না। বরং এর মধ্যেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষে যতটা সম্ভব, সেটা তারা করছে। ট্রাইব্যুনালও বাড়িয়েছে, ফলে বিচার কাজ দ্রুতই এগোচ্ছে। সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে, বিচার কাজ সম্ভবত শেষের দিকে চলে এসেছে।’

  • ‘উলটো শেখ হাসিনা বললেন, তাকে পদ্মা সেতু থেকে টুস করে ফেলে দেবেন’

    ‘উলটো শেখ হাসিনা বললেন, তাকে পদ্মা সেতু থেকে টুস করে ফেলে দেবেন’

    অনলাইন ডেস্ক:   বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আক্রোশের কথা তুলে ধরে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারা আমাদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে ছয় বছর মিথ্যা মামলায় জেলে রেখেছে। আমরা বহুবার তাদের কাছে গিয়েছি, অন্তত তাকে যেন চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া।  উলটো (শেখ হাসিনা) বলেছেন, তাকে নতুন পদ্মা ব্রিজ থেকে টুস করে ফেলে দেবে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দানারহাট ঈদগা মাঠে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্ত হওয়ার পর খালেদা জিয়া জনগণের সামনে একটাই কথা বলেছেন যে, প্রতিহিংসা নয়, প্রতিশোধ নয়, আমরা ভালোবাসা দিয়ে মানুষের মন জয় করি।

    তিনি বলেন, সরকারের কাজ হচ্ছে সবাইকে সমান চোখে দেখা—কে হিন্দু, কে মুসলমান, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিস্টান, কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ। কিন্তু সাবেক সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ ছাড়াই কোনো কাজ হতো না। যা কিছু আছে সবকিছু আওয়ামী লীগ।জুলাই আন্দোলন নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা হাসিনাকে সরাতে সক্ষম হয়েছি। হাসিনা পালানোর পর মানুষ একটি শান্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে।

    তিনি উপস্থিত কর্মীদের কাছে জানতে চান, এখন কি রাতে ঘুমানো যায়? নেতাকর্মীরা ‘হ্যাঁ’ সূচক মন্তব্য করলে তিনি বলেন, এখন রাতে আরাম করে ঘুমানো যায়। তা না হলে আগে কখন বাড়িতে পুলিশের শব্দ শোনা যায়, কখন মামলা হয়।মির্জা ফখরুল বলেন, আর কোনো ছাত্র ও যুব সমাজকে প্রাণ দিতে হবে না। এ অবস্থার সৃষ্টি আর কেউ করবেন না। 

    ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এসএম আবুল কাশেম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, ওবায়দুল্লাহ মাসুদসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

  • ‘জামায়াতের অন্য কোনো মাস্টারপ্ল্যান থাকতে পারে’, কেন বললেন রিজভী

    ‘জামায়াতের অন্য কোনো মাস্টারপ্ল্যান থাকতে পারে’, কেন বললেন রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক:    গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় সংকট সৃষ্টি হলে ‘কালো ঘোড়ার অনুপ্রবেশ’ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রিজভী বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশ, যেগুলো অতি উন্নত গণতান্ত্রিক দেশ যেমন- ব্রিটেন, আমেরিকা যদি আমরা বলি বা আরও অন্যান্য দেশে প্রতিনিধি নির্বাচনের যে পদ্ধতিটা চালু আছে… সরাসরি প্রার্থীকে ভোট দেওয়া… তো আমাদের এখানে কী এমন ঘটনা ঘটল যে, পিআরই হচ্ছে উৎকৃষ্ট গণতন্ত্রের মডেল?

    ‘এটা আমার মনে হয় অবান্তর কথা তারা (জামায়াতে ইসলামী) বলছে। এটা বলে একটা বিভ্রান্তি তৈরি করছেন অথবা তাদের অন্য কোনো মাস্টারপ্ল্যান আছে কিনা আমি জানি না…থাকলেও থাকতে পারে যে, নির্বাচন হওয়া না হওয়া নিয়ে’।

    তিনি বলেন, আমি মনে করি যে, যারা গণতান্ত্রিক সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন তারা প্রত্যেকেই এমন একটি জায়গায় উপনীত হবেন, যাতে আমাদের পরবর্তী গণতন্ত্রের অভিযাত্রার পথে আমাদের যেন বিঘ্ন না ঘটে। তা না হলে কালো ঘোড়া প্রবেশ করতে পারে, কালো ঘোড়া ঢুকে যেতে পারে।

    রিজভী বলেন, উন্নত বিশ্বের দেশ দীর্ঘ দিনের গণতন্ত্র চর্চার দেশেও এখন কথা উঠেছে, এই পদ্ধতিতে (পিআর) জনমতের ট্রু রিফ্লেকশনটা হয় না। এ নিয়ে সেসব দেশে আলাপ-আলোচনা, বির্তক চলছে। আপনি জানেন যে, জাপান গণতন্ত্রের দিক থেকে অতি উন্নত একটি দেশ এবং সেখানেও ৩৭% পিআর পদ্ধতি চালু আছে। সেখানে সারা বিশ্বেই পিআর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা চলছে, কোথাও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়িত হয়নি সেখানে হঠাৎ করে আমাদের এখানে কেন চালু করতে চাইবেন?

    তিনি বলেন, আমরা মনে করি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে আপনি হঠাৎ করে পিআরের কথা বললে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করবে। আমি এ পর্যন্ত যত জরিপ দেখেছি, বিশেষ করে গণমাধ্যমে সেখানে অধিকাংশ মানুষ আনুপাতিক হারে ভোট পদ্ধতি সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নাই এবং অনেকেই কনফিউজড।

    গণভোট ও নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, জুলাই সনদে গণভোটের যে ব্যাপারটা রয়েছে… দুই-একটি দল চাচ্ছেন তারা এটি আগে করার জন্য। এখন আগে আপনি কখন করবেন? যদি জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে হয়… কারণ ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে রোজা শুরু হবে। তাহলে নিশ্চয়ই রোজার আগে নির্বাচন করতে হবে। সেক্ষেত্রে নির্বাচন এবং গণভোট একসঙ্গে করা ছাড়া তো আর অন্য কোনো গত্যন্তর নেই।

    তিনি বলেন, এখন অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়…নির্বাচন ও গণভোটের তো একটা প্রস্তুতি আছে। জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হয়, বহুবিধ কাজ থাকে, বহু কার্যক্রম থাকে। ফলে গণভোট আগে করে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করবেন কী করে? এতে সংকট তৈরি করবে বরং একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়াটাই বাঞ্ছনীয় বলে মনে সবাই করছেন, এটাই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।

    রিজভী বলেন, জাতীয় নির্বাচন দ্রুত হওয়া জরুরি। প্রত্যেকেই মনে করছেন যে, দেশে রাজনৈতিক সমস্যা, অর্থনৈতিক সমস্যা দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনারা অর্থনৈতিক অবস্থা দেখছেন যে, বিনিয়োগ একেবারে শূন্যের কোঠায়। কারণ নির্বাচিত সরকার নেই। নির্বাচিত সরকার থাকলে পরে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীরা তারা আস্থাশীল হয়, তারা বিনিয়োগ করতে আস্থাবান হয় এবং তারা বিনিয়োগ করেন। বিনিয়োগের সঙ্গে কর্মসংস্থানের যেমন একটা বিষয় আছে এবং অর্থনীতিকে সামগ্রিকভাবে চাঙ্গা করার একটা বিষয় আছে। সেই ক্ষেত্রে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরিত না হলে পরে সংকট আরও ঘনীভূত হবে।

  • কিছু উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে: তাহের

    কিছু উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে: তাহের

    অনলাইন ডেস্ক:   অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনে একটি বিশেষ দলের অনুগতদের বসিয়ে ‘নীলনকশার নির্বাচন’ করার ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত নেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। জামায়াতের নায়েবে আমির দাবি করেছেন, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওই সব উপদেষ্টার নাম, এমনকি ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের কণ্ঠ রেকর্ডও তাদের কাছে রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে এই ষড়যন্ত্র বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন।

    জামায়াত নেতা অন্তর্বর্তী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘প্রশাসনের যে অবস্থা এবং যে ষড়যন্ত্র চলছে, এটাকে বন্ধ করুন। নিরপেক্ষ সৎ লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন করুন।’

    সৈয়দ তাহের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি সময়মতো সাবধান না হন, তাহলে কোন কোন উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, আমরা জনগণের কাছে তাদের নাম প্রকাশ করব। তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে। মিটিংয়ে তারা কী বক্তব্য দেন, এর খবর আছে। আমরা আপনাদের সংশোধনের জন্য সময় দিতে চাই।’

    সম্প্রতি জনপ্রশাসনে একজন সচিব নিয়োগের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করে আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন, ‘সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে আমরা এখানে কোনো দলীয় লোক দেব না, অসৎ লোক দেব না। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করছি, আমাদের সঙ্গে কথা বলার এক দিন পরেই এমন এক ব্যক্তিকে সেখানে নিয়োগ করা হয়েছে, যার অতীতের দুর্নীতির ইতিহাস অনেক লম্বা। সে একটি দলের প্রতি পরিপূর্ণভাবে অনুগত।’

    এই জামায়াত নেতা যোগ করেন, ‘আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম, সেখানে একই রকমের কথা—প্রচণ্ড চাপ কোনো একটি দলের লোকদেরকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য। আমরা বলতে চাই, কোনো একটি দলের লোককে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিভিল এবং পুলিশ প্রশাসনে বসিয়ে যে নীল নকশার নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র চলছে, এতে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখি না। এরকম একটি নির্বাচনে—২০২৪-এর মতো, ২০১৮-এর মতো পাতানো নির্বাচনে—জনগণ অংশগ্রহণ করবে না।’

    জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম, এহসানুল মাহবুব জোবাবয়ের, আবদুল হালিম প্রমুখ।