Category: রাজনীতি

  • দল অনুগত প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না: রিজভী

    দল অনুগত প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না: রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক: প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে একটি ধর্মভিত্তিক দলের অনুগতদের বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য জনগণ প্রস্তুত; তারা পূর্বের মতো ডামি নির্বাচন চায় না। তবে দল অনুগত প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না।

    শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    রিজভী বলেন, নতুন ইস্যু তৈরি করে জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। ভ্রান্ত কথা বলে মিথ্যা পরিসংখ্যান দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। গত ১৫ বছর কারা আপসহীন লড়াই করেছে তা সাধারণ মানুষ জানে।

    এ সময় ভারতের পূজা মণ্ডপে ডক্টর ইউনূসকে বিকৃতি করার সমালোচনাও করেন রিজভী আহমেদ।

  • বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয় পার্টি নেতারা

    বনানীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জাতীয় পার্টি নেতারা

    অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর বনানী পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুসহ দলের শীর্ষ নেতারা।

    বুধবার (১ অক্টোবর) রাতে পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

    এ সময় বনানী পূজা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি জে. এল. ভৌমিক এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রঞ্জন বিশ্বাস জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং মিষ্টি উপহার প্রদান করেন।

  • একটি গুপ্ত সংগঠন গত ১৫ বছর গোপনে রাজনীতি করেছে

    একটি গুপ্ত সংগঠন গত ১৫ বছর গোপনে রাজনীতি করেছে

    অনলাইন ডেস্ক:     জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন ছাত্রশিবিরের দিকে ইঙ্গিত করে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্র চলছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে জেনেছি, একটি গুপ্ত সংগঠন গত ১৫ বছর ধরে গোপনে রাজনীতি করেছে। তারা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে ডিজাইনিং করছে— তাদের লোকজনকে ব্যাংক, বীমা, কলেজ, স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির আড়ালে রেখেছে। এখন তারা পোলিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে তাদের নিয়োগের চেষ্টা করছে। এভাবে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য তারা উঠেপড়ে লেগেছে।

    বুধবার সকালে রাজধানীর কলাবাগান প্রধান সড়কে ঢাকা-১০ আসনের আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাদের উদ্যোগে ‘দূষণমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে আধুনিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং কার্যকর বাস্তবায়নের দাবি’ নিয়ে আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। কিন্তু বিএনপির গুপ্ত রাজনীতি করার ইতিহাস নেই। যারা গুপ্ত রাজনীতি করেন, তারা সেই বাসনা ত্যাগ করুন। বাংলাদেশের জনগণের জন্য রাজনীতি করুন, ষড়যন্ত্র ও ঘোলা পানিতে মাছ শিকার বন্ধ করুন।

    ব্যারিস্টার অসীম সতর্ক করে বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যদি ম্যানিপুলেট করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার ছাড়া আর কিছু হবে না। তিনি নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, নির্বাচনি দায়িত্বে যেন নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ করা হয়। পুলিশ, প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এমন হতে হবে, যাদের দেশের জনগণের প্রতি প্রকৃত কমিটমেন্ট রয়েছে। কোনো কর্মকর্তাকে যেন পক্ষপাতিত্ব করতে না দেওয়া হয়।

    এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, অনেকে ষড়যন্ত্র করছেন। কেউ বলছেন শাপলা না দিলে নির্বাচনে যাব না, কেউ বলছেন পিআর না হলে নির্বাচন হতে দেব না। এটা ফ্যাসিস্ট হাসিনার ভাষা। আপনারা কি ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের স্কিম হাতে নিয়েছেন? জনগণ আপনাদেরকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।

    বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগে যেমন ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে রাজপথে ছিলেন, এখনো জনমুখী কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে থাকুন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপিকে ভ্যানগার্ডের মতো রাজপথে থাকতে হবে। জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমাদের লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

    তিনি বলেন, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে।

    এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, কলাবাগানসহ আশপাশের এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত হকারদের দখলে চলে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। তারা প্রশাসন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রধান সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার জোর দাবি জানান।

    মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন- কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, মার্কেট থানা যুবদলের আহ্বায়ক মিজান ব্যাপারী, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল সাত্তার, কলাবাগান থানা বিএনপির সভাপতি লাকি, নিউমার্কেট থানা বিএনপির সভাপতি মতিউর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কলাবাগান থানা ছাত্রদলের সভাপতি ওবায়দুল সৈকত, কলাবাগান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম উল্লাহ চিশতী এবং ধানমন্ডি থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন মামুন প্রমুখ।

  • এবার নসরুল হামিদ বিপুর সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ ফাঁস

    এবার নসরুল হামিদ বিপুর সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ ফাঁস

    অনলাইন ডেস্ক:      ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। ওই ফোনালাপে বিভিন্ন সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগের দায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ওপর চাপানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। গত বছরের ২৪ জুলাই শেখ হাসিনা ও নসরুল হামিদ বিপুর মধ্যে এ ফোনালাপ হয় বলে জানা গেছে।পাঠকদের জন্য ফোনালাপটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

    ফোনালাপে নসরুল হামিদ বিপু বলেন, জ্বালানি বিল নিয়ে আর কোনো সমস্যা নাই। একদিনে কাভার করে ফেলছি ২৪ লাখ। শেখ হাসিনা বলেন, ২৪ লাখ! তাহলে এটা নিউজ করো। উত্তরে বিপু বলেন, করছি তো। সকাল থেকে সমস্ত সাংবাদিক নিয়ে পুরো ঢাকা শহর ঘুরছি। হাসিনা বলেন, কই একবারও তো ক্যামেরায় দেখলাম না। বিপু বলেন, আরে দেখাবেন কেমনে! কালকে আমি জোর করে বললাম, এতগুলো ছবি তুললা একটাও তো দেখাইলা না। হাসিনা বলেন, আমি যা বলি শুনো, থোরাসা হাদিয়া দে দো। বিপু বলেন, হু ঠিকাছে। ওইটা আমি মাথায় রাখছি। আজকে ডাইকা আমি বলছি। হইছে কি আমি বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী কথা যেটা বলছি ওইটা কাইটা দিয়ে বাকি কথা রাখতেছে।উত্তরে হাসিনা বলেন, কাটলে বলবা তোদের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেব।

    ফোনে হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, শিবির আর ছাত্রদল মিলেই যে (অগ্নিসংযোগ) করছে, মানে বিএনপি-জামায়াত যে করছে, এটা বারবার বলতে হবে, লিখতে হবে। আর বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করো। কারণ বিদেশে খবর যাচ্ছে ছাত্রলীগ এসব করছে। ছাত্রলীগ তো মাইর খেয়ে বের হয়ে চলে আসছে। তাদের তো কিচ্ছু নাই, কাপড়চোপড় নাই। বলে, আপা আমরা এক কাপড়ে।

  • জাপার রওশনপন্থি মহাসচিব মামুনুর রশীদ ৬ দিনের রিমান্ডে

    জাপার রওশনপন্থি মহাসচিব মামুনুর রশীদ ৬ দিনের রিমান্ডে

     রাজনীতি ডেস্ক:    সরকার উৎখাতে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মামুনুর রশীদের ছয়দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    অন্যদিকে রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এর আগে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    এর আগে ১৭ সেপ্টম্বর এ মামলার প্রধান আসামি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী (৫৫) ও তার প্রধান সহযোগী গোলাম মোস্তফা আজাদের (৪৯) পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সিএমএম আদালত। তার আগে, ১৫ সেপ্টেম্বর একই মামলায় এনায়েত করিমের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিন্টো রোডে সন্দেহজনকভাবে চলাচলরত অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠান আদালত।

    মামলার অভিযোগসূত্রে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর মিন্টো রোডের মন্ত্রিপাড়া এলাকায় প্রাডো গাড়িতে আরোহণ করে সন্দেহজনক চলাচল করতে দেখা যায় আসামি এনায়েত করিম চৌধুরীকে। এ সময় তার গাড়ি থামানো হয় এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোনো সদুত্তোর দিতে না পারায় তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। তার নিকট থেকে পাওয়া দুইটি আইফোন বিশ্লেষণ করে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

  • ক্ষমতায় এলে ৩ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজের অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

    ক্ষমতায় এলে ৩ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজের অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

    অনলাইন ডেস্ক: আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে, দেশ সেবার সুযোগ পেলে তিনটি প্রধান বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (এফডিইবি) বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনের অনুষ্ঠানে শনিবার দুপুরে যোগ দিয়ে তিনি এমন অঙ্গীকার করেন।

    এসময় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা ক্ষমতায় এলে দাবি আদায়ে কাউকে এক মিনিটের জন্যও কর্মস্থল ফেলে রাস্তায় আসতে হবে না। ইনসাফের ভিত্তিতে যার যেটা পাওনা সেটা তার হাতে তুলে দেয়া হবে। আমাদের প্রধান কমিটমেন্ট (অঙ্গীকার) ৩টি। প্রধান ফোকাস থাকবে ভাঙাচোরা শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা রাখব না। আমার মেরুদণ্ড নেই তো দাঁড়াব কীভাবে, বসব কীভাবে, মেরুদণ্ড ছাড়া তো আমি ফুটবল হয়ে যাব। প্রথমে মেরুদণ্ডেই চিকিৎসার জন্য হাত দিতে হবে। যে শিক্ষা অনৈতিকতা তৈরি করে, মানুষকে দুর্নীতিবাজ বানায়, মানুষকে ইতর প্রাণী বানায় সেই শিক্ষা আমরা দেবো না। যে শিক্ষা মানুষকে মানুষ বানায়, মানুষকে সম্মান করতে শেখায় সেই শিক্ষাই আমরা আমাদের ছেলে-মেয়েদের হাতে তুলে দেবো।”

    ‘নৈতিক আর বৈষয়িক শিক্ষার মেলবন্ধন তৈরি করা হবে। যার ফলে শিক্ষার পাঠ শেষ করে সে অনুযায়ী কাজ পেয়ে যাবে। সে বেকার থাকবে না। কেউ কাজের বাইরে থাকবে না। হয় সে উদ্যোক্তা নয় তো চাকরিজীবী হবে’-উল্লেখ করেন জামায়াত আমির।

    দ্বিতীয় কমিটমেন্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু ডিগ্রির ভিত্তিতে এই কল্যাণ রাষ্ট্রে কারও মর্যাদা র্নিধারণ হবে না। কাজের ভিত্তিতে মর্যাদা নির্ধারণ করা হবে।

    তৃতীয় কমিটমেন্টের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, দুর্নীতির জোয়ার কেটে দিবো। এ কথা শুনে অনেকের বুকে ধড়ফড় শুরু হয়েছে। অনেকেই তো আবার চলেনই এগুলো দিয়ে। যে সার্ভিসের ডেপ্থ এবং ওয়েট যত সেই সার্ভিসের বেতন কাঠামো সেইভাবে করতে হবে।