Category: রাজনীতি

  • আজ যে গণতন্ত্রের কথা সবাই বলছে, তার সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান

    আজ যে গণতন্ত্রের কথা সবাই বলছে, তার সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে বললেন, “আজ যে গণতন্ত্রের কথা সবাই বলছে, সেই গণতন্ত্রের সূচনা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপনও করেছেন তিনি।”

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “অসংখ্য রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে বিএনপি আজ মুক্ত পরিবেশে কর্মসূচি পালন করছে। এজন্য বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও যারা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাজিত করেছেন সেই ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানাই। একাত্তরে ভিন্ন অবস্থানে থাকা দল এমনকি যাদের কালকে জন্ম হয়েছে তারাও আজ বিএনপিকে নিয়ে কথা বলে। কিন্তু বিএনপি হলো ফিনিক্স পাখির মতো, এ দলকে ভাঙার নানান ষড়যন্ত্র হয়েছে কিন্তু কোনোটি সফল হয়নি, বরং ষড়যন্ত্রকারীরাই পালিয়ে গেছে।”

    ‘বিএনপি হঠাৎ করেই উঠে আসেনি, দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ জায়গায় এসেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় যে নেতাকে নির্যাতন করে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল, সেই নেতাই নতুন করে গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। এখন নতুন সুযোগ এসেছে তারেক রহমানকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার। তাই সবাইকে বিএনপির পাশে দাঁড়াতে হবে’-উল্লেখ করেন তিনি।

    জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর পর অনুষ্ঠিত এ সম্মেলন শুরু হয়। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা স্টেডিয়ামে সমবেত হন। কয়েক হাজার কর্মীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয় সম্মেলন।

  • সরকারি আমন্ত্রণে আফগানিস্তানে মামুনুল হকসহ ৬ আলেম

    সরকারি আমন্ত্রণে আফগানিস্তানে মামুনুল হকসহ ৬ আলেম

    অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে মাওলানা মামুনুল হকসহ বাংলাদেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরামের একটি প্রতিনিধি দল আফগানিস্তান সফরে গেছেন। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তারা দেশটির রাজধানী কাবুলে পৌঁছান।

    বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, সফরকালে প্রতিনিধি দল ইমারাতে ইসলামিয়া (তালেবান) সরকারের প্রধান বিচারপতি, একাধিক মন্ত্রী, শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। বিশেষভাবে মানবাধিকার ও নারী অধিকার বিষয়ে পশ্চিমা মহলে যে সমালোচনা রয়েছে, সে প্রসঙ্গেও তারা বাস্তব অবস্থান সরাসরি পরিদর্শন করবেন।

    আলোচনায় দুই দেশের আলেমদের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করা, কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং বাণিজ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে। প্রতিনিধিদলটি আফগানিস্তানে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাও পরিদর্শন করবে।

    মামুনুল হক ছাড়াও প্রতিনিধি দলে রয়েছেন– হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল হামিদ (মধুপুরের পীর), মাওলানা আবদুল আউয়াল, মাওলানা আবদুল হক, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, মাওলানা মনির হোসাইন কাসেমী ও মাওলানা মাহবুবুর রহমান।

    প্রসঙ্গত, গত ১৪ সেপ্টেম্বর মাওলানা মামুনুল হকসহ প্রতিনিধি দল পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান। সেখানে তারা ওমরাহ আদায় করেন। ওমরাহ পালন শেষে গতকাল সকালে দুবাই হয়ে কাবুলে পৌঁছান।

    এই সফরে আফগানিস্তান ছাড়াও মধ্য এশিয়ার আরও দেশে মাওলানা মামুনুল হকের যাওয়ার কথা রয়েছে।

  • হাসিনার বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে নাহিদ ইসলাম

    হাসিনার বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে নাহিদ ইসলাম

    রাজনীতি ডেস্ক:    ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়েছেন।

    নাহিদ ইসলাম এরআগে জানান, দুই দিনের মধ্যেই তার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হবে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তার সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও, একই মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীর জেরা শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।

    বুধবার ট্রাইব্যুনালে মাহমুদুর রহমানের জবানবন্দি ও তার ওপর দুই দিনব্যাপী জেরা শেষ হওয়ার পর প্রসিকিউশন পক্ষ জানায়, আজই নাহিদ ইসলামের সাক্ষ্য নেওয়া হবে।

    চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘মাহমুদুর রহমানের সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন নাহিদ ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়েই এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অধ্যায় সমাপ্ত হবে।’

    জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের অভিযোগে দায়ের হওয়া এই মামলাটি বর্তমানে বিচারকার্যের প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

    সাক্ষীদের জবানবন্দিতে গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে দেশজুড়ে হত্যাযজ্ঞ চালানোর বীভৎস বর্ণনা উঠে এসেছে। আর এসবের জন্য দায়ী করে শেখ হাসিনা, কামালসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন শহীদ পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা।

    গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।

    আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মোট আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দ তালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার রয়েছে। সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৮১ জন। গত ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

  • বিসিএস পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে বিক্ষোভের সময় পরিবর্তন করল জামায়াত

    বিসিএস পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে বিক্ষোভের সময় পরিবর্তন করল জামায়াত

    অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির সময়সূচি পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, বিসিএস পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, পূর্বঘোষিত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি সকালের পরিবর্তে বিকেলে পালন করা হবে। এতে পরীক্ষার পরিবেশে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না।

    জামায়াত জানায়, গত সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে তারা জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়ে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। ওই কর্মসূচি ছিল ১৮, ১৯ ও ২৬ সেপ্টেম্বর। তবে ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বিধায় সময় পরিবর্তন করা হয়েছে।

    ঘোষণায় আরও বলা হয়, দেশের সব শাখাকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে কোনোভাবেই বিক্ষোভ হবে না। কর্মসূচি কেবল বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে।

    পোস্টে পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়, তারা যেন মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেন এবং সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন, সেই কামনা করা হচ্ছে।

  • ৫ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের ঘোষণা জামায়াতের

    ৫ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের ঘোষণা জামায়াতের

    অনলাইন ডেস্ক: পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিসহ ৫ দফা দাবিতে ৩ দিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের এসব দাবি ঘোষণা করা হয়।

    দলটির নেতাদের বরাতে জানা গেছে, পিআর পদ্ধতির বাস্তবায়ন, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে নিষিদ্ধকরণসহ ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ১৮, ১৯ ও ২৬ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে জামায়াত।

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আমরা সংসদের উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ উভয় ক্ষেত্রেই আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির বাস্তবায়ন চাই। রাজনৈতিক বৈচিত্র্য ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পিআর পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই।

    পাঁচ দফা উপস্থাপন প্রসঙ্গে সৈয়দ আব্দুল্লাহ তাহের বলেন, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আজ ১৫ সেপ্টেম্বর আন্দোলনের পাঁচ দফা গণদাবি জাতীয় সামনে তুলে ধরছি।

    ১. জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

    ২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয়কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করতে হবে।

    ৩. অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।

    ৪. ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম ও গণহত্যা, দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।

    ৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, কলামিস্ট, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও নানা শ্রেণিপেশার মানুষ পিয়ার পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। এমতাবস্থায় জনগণের দাবি আদায়ের জন্য গণআন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। তাই আমাদের এই কর্মসূচি ঘোষণা।

    তথ্য অনুাযায়ী, জামায়াতের তিন দিনের কর্মসূচি: ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ। ১৯ সেপ্টেম্বর দেশের সকল বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ। ২৬ সেপ্টেম্বর সকল জেলা উপজেলায় বিক্ষোভ।

  • রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মিলে বিএনপিকে লক্ষ্য করে মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের চেষ্টা: রিজভী

    রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মিলে বিএনপিকে লক্ষ্য করে মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের চেষ্টা: রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেন, রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এমন একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করতে চাইছে, যা বিএনপিকেও ঘায়েল করতে লক্ষ্য রাখে। তিনি বলেন, এটি কি কোনো গভীর নীলনকশার অংশ নয়—যা মানুষের জন্য ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    রিজভী আরও বলেন, দেশজুড়ে এমন কিছু শক্তির উত্থান ঘটছে যা গণতন্ত্রের চর্চা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, বিএনপি দেশের মাটি মিশ্রিত রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংস্কৃতি চর্চা করে, যেখানে জামায়াতে ইসলামী ইসলাম প্রচারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অনেক আগেই, তাই জনগণেরও মতামত রয়েছে।

    ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ব্যালট পেপার একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে ছাপানো হয়েছে, যার মালিকের সঙ্গে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সরকারি প্রেসের মাধ্যমে ব্যালট ছাপানো যেত, কিন্তু তা না করে ব্যক্তিগত প্রেসে ছাপানো হয়েছে। এমন অনিয়ম দেখে জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষকেরাও দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ভূমিকার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোড অব কনডাক্ট অনুযায়ী সাবেক শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক আত্মিক সম্পর্কের পরিপন্থী এবং নির্বাচনকে একচেটিয়া করতে সরকারপন্থী কিছু মানুষের সঙ্গে আঁতাত করে উপাচার্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভূমিকা পালন করেছেন।

    রিজভী আরও বলেন, অতীতে অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া অনেকেই এখন নতুন সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন। তারা সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছেন, যা দেশের গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্বাভাবিকতায় প্রভাব ফেলে।

    বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৮তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।