Category: রাজনীতি

  • নিখোঁজ বৈষম্যবিরোধী নেতা মামুন উদ্ধার !

    নিখোঁজ বৈষম্যবিরোধী নেতা মামুন উদ্ধার !

    রাজনীতি ডেস্ক:    জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও তুরাগ থানা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা মামুনুর রশীদকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

    শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় পূর্বাচলের ১ নম্বর সেক্টরের মসজিদ থেকে তাকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, মাওলানা মামুনুর রশীদকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছি। চিকিৎসার জন্য তাকে কুয়েত মৈত্রীর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    মহিদুল ইসলাম বলেন, সুস্থ হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তিনি কীভাবে নিখোঁজ হন। পরে এ বিষয়ে সংবাদ ব্রিফিং করে জানানো হবে। এরপর তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।মামুনুর রশীদের সন্ধান চেয়ে রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে আজ মানববন্ধন করে তার পরিবার।

  • তরুণদের রাজপথে নামতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন তারেক রহমান : রিজভী

    তরুণদের রাজপথে নামতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন তারেক রহমান : রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তরুণ প্রজন্মকে রাজপথে নামতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন বলে দাবি করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী পতাকা হাতে তরুণদের যে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করেছিলেন তারেক রহমান, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

    বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী এ মন্তব্য করেন। এ সময় বরগুনা ও পিরোজপুর জেলা বিএনপির সদ্য ঘোষিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি শহীদ জিয়ার কবর জিয়ারত করেন।

    রিজভী বলেন, “খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ার পর তারেক রহমান জাতীয়তাবাদী পতাকা হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি দেশীয় রাজনীতির পাশাপাশি প্রবাসেও সংগঠনকে সুসংগঠিত করেছেন এবং তরুণদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সম্পৃক্ত করেছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বের যে দৃশ্য আমরা দেখেছি, তা ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।”

    তিনি আরও বলেন, তরুণদের সামনে নেতৃত্বের যে উদাহরণ তারেক রহমান স্থাপন করেছেন, তা নতুন প্রজন্মকে ভবিষ্যতেও প্রেরণা জোগাবে। আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করে রিজভী বলেন, ওয়াসিম আকরাম, আবু সাঈদ, মুগ্ধর রক্ত বৃথা যাবে না; তাদের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে।

    বিএনপির এই নেতা আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ভয়ঙ্কর ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, শেখ হাসিনা মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন পর্যন্ত বিদেশে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

    নিউইয়র্কে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাঞ্ছিত করার খবরকে ‘ভিত্তিহীন অপপ্রচার’ বলে দাবি করেন রিজভী। তার ভাষায়, “নিউইয়র্কে মির্জা ফখরুলকে লাঞ্ছিত করা হয়নি। এসব গুজব ছড়িয়ে আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে।”

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অকার্যকারিতা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। রিজভীর অভিযোগ, আদালতের নির্দেশে ২৪ হাজার ৮২৪ কোটি টাকা উদ্ধারের কথা থাকলেও দুদক কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

    বরগুনা ও পিরোজপুর জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির নেতাদের নাম উল্লেখ করে রিজভী বলেন, তারা আন্দোলন–সংগ্রামে আপসহীন থেকেছেন। তার প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে এ দুটি জেলা বিএনপি একটি আদর্শ সংগঠনে পরিণত হবে, যেখানে কোনো চাঁদাবাজ বা সমাজবিরোধীর স্থান হবে না।

  • কুমিল্লা জেলা বিএনসিপি’র নতুন কমিটি ঘোষণা

    কুমিল্লা জেলা বিএনসিপি’র নতুন কমিটি ঘোষণা

    সভাপতি আবু কাউসার ভূইয়া অনি, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন নয়ন ও সহ-সভাপতি মনসর আলিম

    মোঃ ইমরান হোসেন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দল (BNCP) কুমিল্লা জেলা শাখার ২০২৫ সালের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সভাপতি হিসেবে আবু কাউসার ভূইয়া (অনি) এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আফজাল হোসেন নয়ন এর নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি প্রাথমিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ডেস্ক থেকে স্বাক্ষরিত ও সিলমোহরযুক্ত ঘোষণাপত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে বিভাগীয়, জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

    ঘোষিত কমিটির সদস্যরা:

    • আবু কাউসার ভূইয়া অনি (সভাপতি),
    • তানভির হোসেন জাবেদ (সিনিয়র সহ-সভাপতি),
    • মোঃ মানিক মিয়া (সহ-সভাপতি),
    • মনসুর আলম (সহ-সভাপতি),
    • হেলাল খান (সহ-সভাপতি),
    • আফজাল হোসেন নয়ন (সাধারণ সম্পাদক),
    • সানি ইসনাইন (সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক),
    • সাদ্দাম হোসেন সাইফুল ( যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক),
    • বিল্লাল হোসেন (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক),
    • রণি মজুমদার (সাংগঠনিক সম্পাদক),
    • শাহাদাত হোসেন (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক),
    • ইমরান আহমেদ রাহিল (দপ্তর সম্পাদক),
    • শাওন আহমেদ (সহ-দপ্তর সম্পাদক),
    • আরিফ হোসেন ( প্রচার সম্পাদক)

    দলটির ওয়েবসাইট www.ncp-bnp.org এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে QR কোডসহ প্রকাশিত তালিকা সংগঠনের স্বচ্ছতা ও প্রযুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্ব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে আরও সুসংগঠিতভাবে তুলে ধরবে। পাশাপাশি, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্য সচেতনতা ও অনলাইন কার্যক্রমে BNCP কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

  • জামায়াতের প্রস্তাবে সম্মত না হওয়ায় তারা চাপ সৃষ্টি করছে : দাবি মির্জা ফখরুল

    জামায়াতের প্রস্তাবে সম্মত না হওয়ায় তারা চাপ সৃষ্টি করছে : দাবি মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির কাছ থেকে জামায়াতে ইসলামী ৩০টি আসনে ছাড় চেয়েছিল বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, বিএনপি সেই প্রস্তাবে সম্মত না হওয়ায় জামায়াত এখন পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি তুলে বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাংলা দৈনিক ‘এই সময়’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সম্প্রতি পত্রিকাটির সাংবাদিক অনমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নেওয়া সাক্ষাৎকারটি গতকাল সোমবার প্রকাশিত হয়।

    এসময় সাক্ষাৎকারে ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রশ্ন করা হয়, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন কি আদৌ হবে? জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির দাবি পূরণ না হলে কি নির্বাচন হতে দেবে? হলেও কি দেশজুড়ে অশান্তি ও রক্তপাত হবে?

    জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতেই ভোট হবে। সংশয়ের কোনো জায়গা নেই। কোনো অশান্তি হবে না। মানুষ ভোটাধিকার ফেরত চাইছেন, নির্বাচন চাইছেন। উৎসবের মতো ভোট হবে ফেব্রুয়ারিতে।

    সাংবাদিকের জামায়াতের পিআর পদ্ধতি ও এনসিপির গণপরিষদের নির্বাচনের দাবি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, জামায়াত ভোটে আসবে। পিআর-টিআর নয়, মানুষ যে পদ্ধতিতে ভোট বোঝেন, সেই প্রচলিত পদ্ধতিতেই হবে বাংলাদেশের ভোট। জামায়াতও দেখবেন অংশ নেবে। আর এনসিপিকে আমরা কোনো শক্তি বলেই আর মনে করি না।

    এনসিপি কি বিএনপির কাছে আসন চেয়েছিল-এমন এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, না, এনসিপি কখনো চায়নি। তবে জামায়াত চেয়েছে। এনসিপির এখন একমাত্র লক্ষ্য, বিএনপিকে সরকার গঠন করতে না দেওয়া।

    জামায়াত কি ৫০টি আসন চেয়েছিল-জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ৩০টা চেয়েছে। আমরা উৎসাহ দেখাইনি। অনেক কম একটি সংখ্যার কথা বলেছি, যা তাদের পছন্দ হয়নি। আপনাকে আশ্বাস দিচ্ছি, জামায়াতকে আর আমরা মাথায় উঠতে দেব না। তারা যত বড় না শক্তি, আমরা অকারণে তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। পিআর-টিআর সবই বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল। জামায়াত কিন্তু নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    নির্বাচন বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর এখন আস্থা আছে কি না-জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, পরিস্থিতি বদলেছে। দলের পক্ষে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলি। দেখছি, এখন তিনি সর্বোচ্চ সিরিয়াস। আন্তরিকভাবেই চান ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হোক।

    তিনি বলেন, আগস্টের ৫ তারিখে ইউনূস নির্বাচনের দিন ঘোষণা করলেন। তার আগের দিন রাতে ইউনূস সাহেবের বাসভবনে তাঁর ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আমার দীর্ঘ আলোচনা হয়। সেনাপ্রধান বলেন, পুলিশ কম বলে এক বছর ধরে সেনাদের রাস্তায় ডিউটি করতে হচ্ছে, যা কাম্য নয়। তিনি ডিসেম্বরে ভোটের কথা বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারিতে আপত্তি নেই। সব রকম সহযোগিতা করবেন।

    জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুরের পরের দিন ড. ইউনূস বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতৃত্বকে তাঁর বাসভবনে ডেকেছিলেন কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, ড. ইউনূস সেদিন আমাদের একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। সে বার্তা সংক্ষিপ্ত, এক লাইনের। এক ধরনের ফাইনাল বেল বলতে পারেন। ইউনূস সেদিন আমাদের জানিয়ে দেন, ফেব্রুয়ারিতে ভোটের বাস ধরতে না পারলে তিনি মার্চ থেকে আর থাকবেন না।

    আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিক দলগুলো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না-এমন প্রশ্নে ফখরুল বলেন, আমরা বলেছি আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিকেরা সবাই, এমনকি জাতীয় পার্টিও নির্বাচনে অংশ নিক। একটা সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট হোক। এজন্য অনেকে আমাকে ভারতের এজেন্ট, আওয়ামী দালাল বলে গালাগাল দিচ্ছে। কিন্তু শেখ হাসিনার অপকর্ম আমরাও কেন করব?

    বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ভারত মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী। ভৌগোলিকভাবেও বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, এক দিকে সাগর। সুতরাং ভারতের প্রভাব বাংলাদেশে থাকবেই। সমস্যা হলো, বাংলাদেশ বলতে শুধু আওয়ামী লীগকে বুঝেছে ভারতের শাসকেরা।

    ভারতীয় সাংবাদিকের ‘২৫ বছর ধরে জামায়াত আপনাদের শরিক’-এমন মন্তব্যের জবাবে ফখরুল বলেন, ভুল। আওয়ামী লীগ এই অপপ্রচারটা ভারতকে বিশ্বাস করিয়েছে। তারা শুধুই নির্বাচনী শরিক। তারা ধর্মীয় রাজনীতি করে, আমরা করি না।

    ‘আসলে আওয়ামী চশমা দিয়ে ভারত বাংলাদেশকে দেখেই ভুলটা করেছে। বাকিদের সঙ্গে যোগাযোগই রাখেনি। আজ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ক্ষোভের পাহাড় তীব্র ভারত-বিরোধিতায় পর্যবসিত হয়েছে। তবে বিএনপির পক্ষে আমি আশ্বাস দিচ্ছি, জামায়াতকে আর সুবিধা নিতে দেবো না। আমরা চাই, ভারত সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখুক’-যোগ করেন তিনি।

  • শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

    শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব ছাড়াও অংশ নিয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    অন্যদিকে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, তপন চৌধুরী, একে আজাদ, নাসিম মনজুর, কামরান টি রহমান, আহসান খান চৌধুরী, তাসকিন আহমেদ, এমএ হাতেম, ফজলে এশান শামীম, ডা. রশিদ আহমেদ হোসেনী প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

    সূত্রের ভাষ্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকটিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।

  • যে কোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: তারেক রহমান

    যে কোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বললেন, “সমগ্র বাংলাদেশে ধানের শীষের যত নেতাকর্মী আছে, যারা আজও গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, আমাদের সামনে একটি লক্ষ্য থাকতে হবে। আমাদের যে কোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।”

    তারেক রহমান বলেন, “আমাদের সকলকে সচেতন থাকতে হবে। আমাদের প্রত্যেকটি মানুষকে, শহীদ জিয়া এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার প্রত্যেকটি সৈনিককে অত্যন্ত সচেতেন থাকতে হবে। কেউ যেন আমাদের নাম ব্যবহার করে, এই দলের নাম ব্যবহার করে, বিএনপির নাম ব্যবহার করে তাদের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে না পারে। কেউ যেন আমাদের নাম ব্যবহার করে জনগণের মধ্যে আমাদের সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে-এই ব্যাপারে প্রত্যেককে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

    দলের নেতাকর্মীদের দুটি বিষয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর মধ্যে একটি হচ্ছে দলের যেকোনো সিদ্ধান্তে একমত থাকা এবং অপরটি হচ্ছে ব্যক্তিস্বার্থে কেউ যেন বিএনপিকে ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকা।

    তারেক রহমান বলেন, “আজ আমরা সম্মিলিতভাবে যেভাবে এই কাউন্সিলকে সফল করেছি, আমরা যদি আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, একটি সফল জনরায় আমাদের পক্ষে আনতে সক্ষম হবো।

    সবাইকে দলের যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার তাগিদ দিয়ে উদাহরণসহ তিনি বলেন, “একটি পরিবারের মুরব্বি যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় তখন সেই পরিবারের সব সদস্য সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়, পাশে এসে দাঁড়িয়ে যায়। দলের নীতি-নির্ধারকমণ্ডলী হচ্ছে বিএনপি নামক বৃহৎ দলের মুরব্বি। তারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেন তখন নেতাকর্মীদের দায়িত্ব হচ্ছে সেই সিদ্ধান্ত নেমে নেওয়া।”

    ‘আজ যারা দলীয় পদ পাওয়ার জন্য নির্বাচন করছেন তাদের কাছে কাউন্সিলররা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি আগামী নির্বাচনে জনগণ গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে, তাদের পাশে থাকতে হবে, পাশে রাখতে হবে’-উল্লেখ করেন তিনি।

    জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই সম্মেলনে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তারেক রহমান। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।