Category: রাজনীতি

  • নুরুল হকের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    নুরুল হকের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

    অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার আঘাতজনিত কোনো স্মৃতিভ্রংশ (মেমোরি লস) হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এর আশঙ্কা নেই।

    সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা প্রথমে তার মাথার ইনজুরি নিয়ে বেশি চিন্তিত ছিলাম। প্রথম সিটি স্ক্যানে সামান্য রক্ত জমাট দেখা গিয়েছিল, তবে পরে আর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। নিউরোসার্জারি বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, এরকম আঘাতে মেমোরি লস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

    পরিচালক জানান, বর্তমানে নুরুল হকের কিছুটা জ্বর রয়েছে। এটি ভাইরাসজনিত বা আঘাতজনিত কারণেও হতে পারে। তার ঠাণ্ডাজনিত অ্যালার্জির পুরনো সমস্যাও আছে। জ্বর কমে গেলে দ্রুত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

    চিকিৎসকরা জানান, নুরুল হকের নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছিল, সেখান থেকে রক্তপাত হচ্ছিল। পরে তা বন্ধ হয়েছে। চোয়ালের হাড় ফ্র্যাকচার থাকায় সুস্থ হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। চোখে রক্ত জমাট বাঁধলেও বর্তমানে দৃষ্টিশক্তিতে কোনো সমস্যা নেই।

    গত ২৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে নুরুল হক গুরুতর আহত হন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে তিনি ও দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে তার চিকিৎসা শুরু করা হয়।

    আইএসপিআর জানায়, ওই রাতে সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যও আহত হন। সরকার ইতোমধ্যে এই হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করেছে।

  • বিএনপি জনগণের পথপ্রদর্শক: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি জনগণের পথপ্রদর্শক: মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের শাসনে গণতন্ত্র, অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট শাসন ব্যবস্থায় যেসব প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো পুনর্গঠন করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

    সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে টেকসই গণতন্ত্র নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও দেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ২৪ জুলাই ঢাকার রাজপথে হাজারো তরুণ, যুবক, নারী ও শিশুরা তাদের অধিকার ফেরাতে প্রাণ দিয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলায় গত ১৫ বছরে দলের ১২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। শুধু জুলাই মাসেই চারজন সহকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। এ জেলায় আওয়ামী লীগ প্রায় সাড়ে সাত হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ৭৫টি মামলা দিয়েছে, যার ফলে কেউ পালিয়ে ছিলেন, কেউ ধানক্ষেতে লুকিয়ে ছিলেন, কেউ আবার কারাভোগ করেছেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, অনেক প্রিয় সহযোদ্ধাকে হারিয়েছি।

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে ফখরুল বলেন, জিয়া এমন একটি দল গড়ে দিয়েছিলেন, যা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে এবং সংগ্রাম করেছে। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন, যিনি দীর্ঘ নয় বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এবং গত ১৫ বছরে ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন।

    তিনি দলের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতি, রাজনৈতিক কাঠামো এবং রাষ্ট্রের ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এছাড়া দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

    সোমবার বিকেলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    সাত বছর আট মাস পর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে জেলা বিএনপির পাঁচ উপজেলা এবং তিনটি পৌরসভার ৮০৮ জন কাউন্সিলর ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, আল মামুন, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী এবং পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরীফ। সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফয়সাল আমিন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন বিএনপি গঠিত হবে, যা বাংলাদেশের মানুষকে পথ দেখাবে। কমিটির মাধ্যমে জেলা সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিকভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। বিএনপি সেই দল, যা বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে এবং ভিশন–২০৩০ মাধ্যমে দেশের নতুন রূপরেখা ঘোষণা করেছে।

  • নুরকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস

    নুরকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস

    অনলাইন ডেস্ক: গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

    শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের পুরাতন ভবনের ভিভিআইপি ১নং কেবিনে গিয়ে নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন তিনি।

    এর আগে গত ৩০ আগস্ট নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন হাসপাতালে গিয়ে তার খোঁজ নেন।

    গত ২৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। দুপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিচার্জে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁনসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত হওয়ায় নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে রাত ১১টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

  • জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় বিএনপির তীব্র নিন্দা

    জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় বিএনপির তীব্র নিন্দা

    নিজস্ব প্রতিনিধি : জাতীয় পার্টির কাকরাইলস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কিছু উচ্ছৃঙ্খল মানুষের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।

    শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে এহেন হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যাশা পূরণে জনমনে বিভ্রান্তি ও হতাশা সৃষ্টি করবে। এটি গণতন্ত্র ও জুলাই চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধা দেয়া স্বৈরাচারী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রকৃত গণতন্ত্রে বহুদলের অস্তিত্ব অনিবার্য। কোনো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক তৎপরতা অব্যাহত থাকবে কিনা বা সেই রাজনৈতিক দলটির টিকে থাকা নির্ভর করে জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর। এখানে হুমকি, হামলা বা হিংসাত্মক আচরণের দ্বারা ভয়-ভীতি সৃষ্টি করে কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমকে থামিয়ে দেওয়া সর্বজনীন বহুদলীয় গণতান্ত্রিক নীতির সাথে মোটেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিএনপি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কিছু উচ্ছৃঙ্খল মানুষের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

  • তৌহিদী জনতার পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে: রিজভী

    তৌহিদী জনতার পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে: রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক: নানা ফতোয়া দিয়ে ধর্মের নামে বিভাজন করা হচ্ছে। মাজার ভেঙে লাশ পুড়িয়ে দেয়া রাসূলের শিক্ষা নয়— এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক মিলাদ মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।

    রিজভী আহমেদ বলেন, দেশে নৈরাজ্য চলছে, তৌহিদী জনতার পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। বিএনপির আমলে যেমন শেখ হাসিনা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চক্রান্ত করেছিল, আবারও সেরকম কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, অন্তবর্তীকালীন সরকারকে তা খুঁজে বের করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ভেতর থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। পাকিস্তান আমলেও মাজার আক্রমণ করা বা লাশ পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা শোনা যায়নি।

    এখন হঠাৎ করে দেশে এসব নৈরাজ্য কেনো বাড়ছে— তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির এ সিনিয়র নেতা।

  • জি এম কাদের ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    জি এম কাদের ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের এবং তার স্ত্রী শেরীফা কাদেরের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক ইব্রাহীম মিয়া বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ আদেশ দেন।

    দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। এ কারণে দম্পতির বিদেশযাত্রা বন্ধে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছিল।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন দিতে ১৮ কোটি ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়, যার মূল সুবিধাভোগী ছিলেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের। চুক্তি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় অধ্যাপক মাসুদা এম রশীদ চৌধুরীকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তার স্থলে কাদেরের স্ত্রী শেরীফা কাদের সংসদ সদস্য হন।

    দুদক আরও জানিয়েছে, জি এম কাদের জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণ করেন এবং পদ বাণিজ্য ও মনোনয়ন বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করেন, যা পরে বিদেশে পাচার করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি যেখানে ৩০১ সদস্যের হওয়ার কথা, সেখানে সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে ৬০০ থেকে ৬৫০ জন করা হয়েছে—যা পদ বাণিজ্যের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা অনুসারে, জি এম কাদেরের নামে নগদ ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকা, ব্যাংকে ৩৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং প্রায় ৮৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি জিপ গাড়ি রয়েছে। অন্যদিকে তার স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নামে নগদ ৫৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, ব্যাংকে ২৮ লাখ ৯ হাজার টাকা এবং ৮০ লাখ টাকার একটি জিপ গাড়ি রয়েছে। এছাড়া লালমনিরহাট ও ঢাকায় তাদের স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে জমি ও ফ্ল্যাটের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।