Category: রাজনীতি

  • একদল মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করছে, আরেকদল চব্বিশ: আমীর খসরু

    একদল মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করছে, আরেকদল চব্বিশ: আমীর খসরু

    অনলাইন ডেস্ক: একদল মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করে সুবিধা নিয়েছে, আরেকদল চব্বিশ দিয়ে আখের গোছাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আন্দোলনের কৃতিত্ব শুধু জনগণের। বিএনপি কোন কৃতিত্ব নিতে চায় না।

    আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে এক সেমিনারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    আমীর খসরু বলেন, বিপ্লবোত্তর যেসব দেশ দ্রুত নির্বাচন হয়নি বরং দাবি আদায় পূরণে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে, সেসব দেশে গৃহযুদ্ধ লেগে আছে।

    তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে লড়াই হলে দেশের ভবিষ্যত অনিশ্চয়তায় পড়বে। এই পরিবর্তন ধারণ করতে না পারলে সেক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির ভবিষ্যত ভালো হবে না।

  • জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদের সহায়ক: রিজভী

    জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদের সহায়ক: রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক: দেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। তিনি বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় পার্টি দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করেছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

    রিজভী বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের অনুসারী তাদের আইন অনুযায়ী বিচার হওয়া উচিত। তিনি জোর দেন, বিএনপি বর্তমানে রাষ্ট্রক্ষমতায় না থাকার কারণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অভাবের দায় বিএনপির কাঁধে আসে না। তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ ১৬ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক সচেতনতার কার্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া ধ্বংস করেছে।

    আলোচনা সভায় রিজভী আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে যে কেউ অন্যের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার রাখে, তবে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরের ওপর হামলাকে তিনি ন্যাক্কারজনক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি কোনো মব সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী নয় এবং তারা আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের ভিত্তিতে রাজনীতি পরিচালনা করে।

    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রসঙ্গে রিজভী মন্তব্য করেন, তাকে কারাগারে নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল জাতিকে পরাভূত করা। তিনি একই সঙ্গে বলেন, বিএনপি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কোনো কাজের দায় নিতে পারে না, বিশেষ করে যারা ফ্যাসিবাদকে সমর্থন বা সহযোগিতা করেছে।

  • হত্যার উদ্দেশ্যেই নুরকে আঘাত করা হয়েছিল: মির্জা ফখরুল

    হত্যার উদ্দেশ্যেই নুরকে আঘাত করা হয়েছিল: মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই আঘাত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নুরকে দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ।

    মির্জা ফখরুল বলেন, নুরকে যে আঘাত করা হয়েছে, তা হত্যার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে- এটা স্পষ্ট। তিনি আগের তুলনায় কিছুটা সুস্থতার দিকে গেলেও এখনো সংকটজনক অবস্থায় আছেন। শরীরের যে স্থানগুলোতে আঘাত লেগেছে, সেগুলো অত্যন্ত গুরুতর। তার মস্তিষ্কেও আঘাত ও রক্তক্ষরণ হয়েছে।

    তিনি বলেন, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি হয়নি, সবকিছু সঠিকভাবে চলছে। এখানে কিছুদিন বিশ্রামের পর তাকে বাইরে নিয়ে গিয়ে পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে খেতে পারছেন না, পাইপের মাধ্যমে তরল খাদ্য গ্রহণ করতে হচ্ছে। তার সুস্থ হতে সময় লাগছে এবং পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য তাকে দেশের বাইরে নেওয়া দরকার।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অভ্যুত্থানের পরেও যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের নেতাদের ওপর এভাবে হামলা চালায়, তাহলে সাধারণ মানুষের ওপর তারা কী করছে তা সহজেই অনুমান করা যায়। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন, তা দ্রুত সম্পন্ন করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি নূরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত দেশের বাইরে পাঠানো জরুরি।

    এর আগে, দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম। এ সময় তিনি নুরের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন।

     

    সূত্র: বাসস

  • জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত গণতন্ত্র ঝুঁকিমুক্ত নয়: তারেক রহমান

    জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত গণতন্ত্র ঝুঁকিমুক্ত নয়: তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের জবাবদিহি মূলক সরকার প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত গণতন্ত্র ঝুঁকিমুক্ত নয়। অশুভ অদৃশ্য শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান হচ্ছে; কোনও কোনও দল নানা শর্ত আরোপ পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।

    আজ রোববার (৩১ আগস্ট) বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় সভায় ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, পুঁথিগত সংস্কারের চেয়ে কার্যকর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা বেশি জরুরি। রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে সংস্কারে বিএনপি সম্পূর্ণ একমত। সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে; তবে জনগণের অধিকার চর্চা ও প্রয়োগের পথে বাধা সৃষ্টি করে কোনও সংস্কার টেকসই করা যাবে না।

    তিনি আরও বলেন, পরাজিত পলাতক স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের অভিপ্রায়ের সরকার। তবে এই সরকারের কাছে অবশ্যই একটি দক্ষ ও জবাবদিহি মূলক রাজনৈতিক সরকারের মতো পারফরম্যান্স আশা করার যৌক্তিক কারণ নেই। এইজন্য এই সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, তত তাদের দূর্বলতা তত বেশি দৃশ্যমান হবে।

    এমনকি পলাতক স্বৈরাচারের মত বিএনপির বিজয় ঠেকানোর অপরাজনীতির পরিবর্তে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার গঠন করার আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, বিএনপি মনে করে রাজনীতি মানে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়। বরং জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। সে লক্ষ্যে বিএনপি বিভিন্ন ধরণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কীভাবে এগুলো কাজ করবে তা পেপারওয়ার্কের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    আসন্ন নির্বাচনে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে তারেক রহমান আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানারকম ষড়যন্ত্র ডালপালা মেলতে শুরু করেছে। গণতন্ত্র, ন্যায়, বিচার, আইনের শাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি কখনো পিছপা হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না।

  • নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া

    নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া

    অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া হামলায় আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের স্বাস্থ্যের সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তার ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

    শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে নুরের খোঁজখবর নিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    শনিবার দিবাগত রাতে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তিনি মর্মাহত এবং এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, বেগম জিয়া নুরের যথাযথ চিকিৎসার অনুরোধ করেছেন।

    এছাড়া বেগম খালেদা জিয়া নুরুল হকের দ্রুত এবং সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন বলেও শায়রুল কবির উল্লেখ করেন।

    উল্লেখ্য, রাজধানীর কাকরাইলে শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জাপার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। এ সময়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। নুর বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

  • নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে সক্ষম হবে: রিজভী

    নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে সক্ষম হবে: রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি অবাদ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে সক্ষম হবে। আমি তাদের আন্তরিকতার কোনো অভাব দেখিনি।

    আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ ও মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

    এ সময় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

    রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা ইসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের কাছে জানতে চেয়েছি যে, নির্বাচন যে হবে, সেই হওয়ার ক্ষেত্রে অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের বিষয়ে তো আমাদের এখনো সংশয় রয়েছে। সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে তিনি দায়িত্বে রয়েছে। আসলে এটা কতটুকু হওয়া সম্ভব বা কতটুকু করা যায়, এই নির্বাচন কমিশনের সেই সক্ষমতা রয়েছে কি-না? সেই বিষয়গুলো আমরা জানতে চেয়েছিলাম। তারা পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির কথা বলেছেন।

    তিনি আরো বলেন, আমরা এও জানি যে, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দোসররা বসে আছে। একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যাতে বিঘ্নিত হয়, সে জন্য নানা ধরনের কলাকৌশল ও সুদূর প্রসারী ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত নানাভাবে যুক্ত রয়েছে তারা।

    বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ইসি তো একটা প্রশাসন। যদিও এটা একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট বডি। তবে এটা রাষ্ট্রের একটি স্বাধীন সত্তা। রুহুল কবির রিজভী আরো বলেন,সর্বক্ষেত্রে, আপনার সিভিল প্রশাসন বলুন। সেখানেও যেমন রয়েছে, অনেক ঘটনা দেখছি অনেক কিছুই হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে আমাদের সেটাই জানতে চাওয়ার ছিল যে, দোসররা এখানে কি ধরনের অবস্থান করছে? তারা কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে কি-না। এগুলো আমরা তাদেরকে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেন যে, না আমরা সবকিছু বিবেচনা করে সবকিছু দেখে শুনে স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে  কোন ধরনের কোন বিঘ্ন না ঘটে। কোন ধরনের কোন কালিমা যাতে লিপ্ত না হয়, সে ব্যাপারটা তারা সুচারুভাবে দেখছেন। তিনি আরো বলেন, একটা অবাদ সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য যে প্রস্তুতি দরকার নির্বাচন কমিশন সেই প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। সে ব্যাপারে তাদের যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস রয়েছে।

    রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা এসেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলার জন্য। আমরা দুজন কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা জানতে এসেছি, প্রবাসীদের ভোটের কী অবস্থা এবং তারা ভোট দিতে পারবে কি-না এবং তাদের অগ্রগতি কেমন।

    তিনি বলেন, আমরা উনাদের বক্তব্য শুনলাম, পোস্টাল ব্যালোটের মাধ্যমে তাদের ভোট হতে পারে। এটা নিয়ে তারা কাজ করছেন। আর সংসদীয় আসনের নির্ধারণের সর্বশেষ পরিস্থিতি কি? এগুলো উনারা আমাদের জানালেন।

    তিনি বলেন, আমরা সামগ্রিকভাবে তাদের প্রস্তুতি কতটুকু সেই বিষয়টা জানতে এসেছি। উনাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সেটা আমাদেরকে বলেছেন।

    পিআর পদ্ধতি নিয়ে কিছু দলের দাবির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশন একটা অবাদ সুষ্ঠ নির্বাচন এই মুহূর্তে করার জন্য যে কাজগুলি করা দরকার, সেই পদক্ষেপগুলো তারা গ্রহণ করছেন।  সাংবিধানিক যে দায়িত্ব ইসি’র ওপর প্রদত্ত হয়েছে, সেই অনুযায়ী তাদের যে কাজগুলো করার, সেই কাজগুলো তারা করে যাচ্ছেন। আমরা মূলত তাদের প্রস্তুতি সম্পার্কে জানার জন্য এসেছিলাম।  তিনি আরো বলেন, আরপিওতে বিধিবদ্ধ যে বিধানগুলি আছে এবং বিধিবদ্ধ যে আইনগুলো রয়েছে, সেই আইনগুলো দিয়েই জনগণের মধ্যে একটা আস্থা তৈরি হওয়া প্রয়োজন। নির্বাচনের ব্যাপারে গত ১৬ বছরে যে আস্থাটা উঠে গেছে, সেই আস্থাটি নিশ্চিত করার বিষয়ে তারা অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটা পরিচিতি আছে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি ভূমিকা রেখেছেন। তার মত একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার ওপর যেভাবে আক্রমণ হয়েছে, এটা অবশ্যই নিন্দনীয়। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এটা কখনোই একটা গণতান্ত্রিক দেশে হতে পারে না।

    তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের দলের পক্ষ থেকে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দলের মহাসচিব একটা নিরপেক্ষ সুষ্ঠ তদন্ত করে, যারা এর সাথে দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছেন। একটা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত যারা দায়ী, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।