Blog

  • দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে : মাহদী আমিন

    দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে : মাহদী আমিন

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, দেশে দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি জবাবদিহিমূলক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে। এই সরকারের ক্ষমতায়ন মানেই দেশের সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন, যা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে।

    আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে গতকাল এক জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর চাঁদপুর আগমনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাসের কথা বর্ণনা করে মাহদী আমিন বলেন, ‘এই জনসমুদ্র কেবল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের নিছক কোনো কর্মসূচি নয়, এটি চাঁদপুরবাসীর ভালোবাসা, আবেগ এবং আশার এক ঐতিহাসিক জাগরণে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যখন লাল বাসে চড়ে আসছিলেন, তখন পথে পথে গণমানুষের ঢল নামে।’

    তিনি বলেন, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে মা’য়েরা পর্যন্ত কেবল প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য রাস্তায় নেমে এসেছেন, কারণ দেশের মানুষ এই নির্বাচিত সরকারের ওপর আস্থা রাখে।

    সরকারের তিন মাসের সফলতার খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের ভেতরে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো ধরে ধরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় কৃষক কার্ড এবং ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

    মাহদী আমিন বলেন, এই ফ্যামিলি কার্ড শুধুমাত্র মা’য়েদের সাময়িক ভাগ্য পরিবর্তন বা সংকটের সমাধান নয়। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, দেশটাকে যদি বদলে দিতে হয়, তবে প্রতিটি সমাজ এবং পরিবারকে বদলে দিতে হবে। আর সেই ইতিবাচক বদল সম্ভব হবে মা’য়েদের হাত ধরেই।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠবে এবং নারীদের ক্ষমতায়ন আরও বেশি গতি পাবে।

    চাঁদপুর জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ওই জনসভায় সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য সহ, বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ইউরোপের আলোচনা

    হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ইউরোপের আলোচনা

    হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইউরোপের কয়েকটি দেশ তেহরানের সঙ্গে আলোচনা করছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

    শনিবার প্রচারিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জাহাজ চলাচলের পর ইউরোপীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

    তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, ‘চীন, জাপান ও পাকিস্তানসহ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের পর আজ আমরা তথ্য পেয়েছি যে ইউরোপীয়রাও প্রণালী অতিক্রমের অনুমতি পেতে রেভল্যুশনারি গার্ডস নৌবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে।’

    তবে কোন কোন দেশ এ আলোচনায় রয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল অনেকাংশ বন্ধ করে দেয় ইরান।

    গত ৮ এপ্রিল থেকে সেখানে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে।

    এই জলপথে ইরানের নিয়ন্ত্রণ বিশ্ববাজারে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তেহরানের কৌশলগত প্রভাবও বাড়িয়েছে।

    অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নিজস্ব নৌ অবরোধ আরোপ করেছে।

    স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বে মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই পথ দিয়ে হয়ে থাকে। এছাড়া আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পণ্যও এ রুট ব্যবহার করে।

    সাম্প্রতিক দিনগুলোয় ইরান চীনের জাহাজসহ কয়েক ডজন জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে।

    রেভল্যুশনারি গার্ডস এক বিবৃতিতে জানায়, ’ইরানের প্রণালী ব্যবস্থাপনা প্রটোকল’ নিয়ে সমঝোতার পর, এসব জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান বারবার বলছে, এই প্রণালীতে নৌ চলাচল আর ‘যুদ্ধপূর্ব অবস্থায়’ ফিরবে না।

    গত মাসে তেহরান জানায়, জলপথ ব্যবহারের জন্য আরোপ করা টোল থেকে তারা প্রথমবারের মতো আয় করেছে।

    শনিবার ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেন, হরমুজ প্রণালীতে চলাচল নিয়ন্ত্রণে ইরান ‘পেশাদার ব্যবস্থা’ প্রস্তুত করেছে।

    তিনি বলেন, এটি খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

    আজিজি আরও বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় শুধু বাণিজ্যিক জাহাজ ও ইরানের সঙ্গে সহযোগিতাকারীরাই সুবিধা পাবে।’
    তিনি জানান, বিশেষায়িত সেবার জন্য প্রয়োজনীয় ফিও নেওয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘তথাকথিত ‘ফ্রিডম প্রজেক্ট’-এর পরিচালকদের জন্য এই পথ বন্ধই থাকবে।’

    এতে তিনি হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক সামরিক অভিযানের কথা উল্লেখ করেন।

  • কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব : ৮০ জনেরও বেশি মৃত্যু

    কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব : ৮০ জনেরও বেশি মৃত্যু

    ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাবে ৮০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

    পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি আফ্রিকা) শনিবার জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অত্যন্ত সংক্রামক এই রক্তক্ষরণজনিত জ্বরে ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ও ৩৩৬টি সন্দেহজনক সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত  করা হয়েছে।

    জেনেভাভিত্তিক ডব্লিউএইচও রোববার ভোরে এক বিবৃতিতে জানায়, এই প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার বুন্ডিবুগিও ধরনের কারণে ঘটছে এবং এটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধিমালার অধীনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা স্তরের জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    তবে সংস্থাটি এটিকে মহামারী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেনি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা ও সংক্রমণের বিস্তার এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে সংস্থাটি ২০২৪ সালে চালু হওয়া সর্বোচ্চ সতর্কতা ‘মহামারি অবস্থা’ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

    আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহায়তা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) জানিয়েছে, তারা বড় পরিসরে জরুরি সাড়া দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
    সংস্থাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই প্রাদুর্ভাবকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছে।

    ডিআর কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যামুয়েল-রজার কাম্বা বলেছেন, ‘এই ভাইরাসের কোনো টিকা নেই এবং নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসাও নেই। এই ধরনের ভাইরাসে মৃত্যুহার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।’

    ২০০৭ সালে প্রথম শনাক্ত হওয়া এই ধরনের ইবোলায় প্রতিবেশী উগান্ডাতেও একজন কঙ্গোলিজ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে শনিবার কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

    বর্তমানে শুধু ‘জাইর’ ধরনের ইবোলার টিকা রয়েছে। ১৯৭৬ সালে শনাক্ত হওয়া এই ধরনটির মৃত্যুহার ৬০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত।

    সিডিসি আফ্রিকার তথ্য অনুযায়ী, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা শুক্রবার উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী উত্তর-পূর্ব ডিআরসি’র ইতুরি প্রদেশে সর্বশেষ প্রাদুর্ভাবের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    স্থানীয় নাগরিক প্রতিনিধি আইজ্যাক নিয়াকুলিন্দা এএফপিকে ফোনে বলেন, ‘গত দুই সপ্তাহ ধরে মানুষকে মরতে দেখছি।’

    তিনি বলেন, আক্রান্তদের আলাদা করে রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই। তারা বাড়িতেই মারা যাচ্ছে আর পরিবারের সদস্যরাই লাশ স্পর্শ করছেন।’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাম্বা জানান, প্রথম শনাক্ত রোগী ছিলেন একজন নার্স। তিনি গত ২৪ এপ্রিল ইতুরি প্রদেশের রাজধানী বুনিয়ার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইবোলাসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আসেন।

    ইবোলার উপসর্গের মধ্যে রয়েছে জ্বর, রক্তক্ষরণ ও বমি।

    সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

    এটি ডিআর কঙ্গোতে ১৭তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব। কর্মকর্তারা বলছেন, সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।

    ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা ও ভৌগোলিক বিস্তার নিয়ে এখনো উল্লেখযোগ্য অনিশ্চয়তা রয়েছে।

    তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, প্রাথমিক নমুনায় উচ্চ সংক্রমণ হার, দুই দেশে সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া ও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সব মিলিয়ে বর্তমানে শনাক্ত সংখ্যার চেয়ে প্রকৃত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    টিকা ও চিকিৎসার উন্নতির পরও গত ৫০ বছরে আফ্রিকায় ইবোলার কারণে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ গত আগস্টে দেশটির মধ্যাঞ্চলে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।

    ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ডিআর কঙ্গোর সবচেয়ে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাবে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

    বাদুড় থেকে উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা ইবোলা ভাইরাসে তীব্র রক্তক্ষরণ ও অঙ্গ বিকল হতে পারে।

    ডব্লিউএইচও’র তথ্য অনুযায়ী, গত অর্ধশতকে বিভিন্ন প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তদের মৃত্যুহার ছিল ২৫ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে।

    সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থ বা রক্তের সংস্পর্শে এ ভাইরাস ছড়ায়।
    উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যকে সংক্রমিত করতে পারেন। ভাইরাসটির সুপ্তিকাল সর্বোচ্চ ২১ দিন পর্যন্ত হতে পারে।

  • নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছেন : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছেন : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। জেলার নান্দাইলের চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চরভেলামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গতকাল তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘স্বল্প আয়ের পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া ছিল বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। তিনি সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।  ময়মনসিংহের নান্দাইলে আয়োজিত এ কর্মসূচি তারই অংশ।’

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারী প্রধান পরিবারগুলোকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচি চালু করেছেন। নারীর ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে আজ নান্দাইলে ফ্যামিলি কার্ড চালু হলো। প্রতি মাসে এই কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পাবেন। এ উদ্যোগ পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

    তিনি বলেন, এসব ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বিশ্বাস,ধর্ম বা বর্ণ বিবেচনা করা হয়নি। সরকারের তরফ থেকে প্রথমে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব ইউনিয়নে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত, সহকারী কমিশনার (ভূমি)সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আজহারুল ইসলাম, স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল ও তার সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

    সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় অংশ নিয়েছেন।

    আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।

    দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড অ্যান্ড গ্রুপ’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মিজানুর রহমান সিনহা।

    তাঁর জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র পেশ ইমাম আবু রায়হান।

    এতে আরো অংশ নেন  জাতীয় সংসদের স্পিকার অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অন্যান্য সদস্য।

    জানাজা শেষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । এরপর একে একে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীসহ অন্যরাও সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

    মিজানুর রহমান সিনহা মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হন।

    সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান সিনহা। এছাড়া কেন্দ্রীয় বিএনপির কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। সর্বশেষ ঘোষিত মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটিতে তাকে আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

  • ২৭৮ রানে অলআউট বাংলাদেশ

    ২৭৮ রানে অলআউট বাংলাদেশ

    পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দলের হয়ে ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন লিটন দাস।

    সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ১০৬ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর ক্রিজে আসেন লিটন।

    সপ্তম উইকেটে তাইজুল ইসলামের সাথে ৬০ এবং নবম উইকেটে শরিফুল ইসলামকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের রান আড়াইশ পার করেন লিটন।

    নবম উইকেট জুটিতে টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। শেষ পর্যন্ত ১৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ১২৬ রানে থামেন লিটন।

    এছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৯, তানজিদ হাসান ২৬ ও মুশফিকুর রহিম ২৩ রান করেন।

    পাকিস্তানের খুররম শাহজাদ ৪টি, মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি ও হাসান আলি ২টি উইকেট নেন।