Blog

  • গরমে সুস্থ থাকতে জেনে নিন শসা খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি

    গরমে সুস্থ থাকতে জেনে নিন শসা খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি

    গ্রীষ্মের তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখতে শসা একটি উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। ভাত, রুটি বা মুড়ির সঙ্গে কয়েক টুকরো শসা বাঙালির খাদ্যতালিকায় প্রায় অপরিহার্য। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, সঠিক উপায়ে শসা না খেলে এর পূর্ণ উপকার পাওয়া যায় না।

    শসায় প্রায় ৯৫-৯৬ শতাংশ পানি থাকে, যা গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখে এবং ভিটামিন সি ও বিটা-ক্যারোটিনের মতো উপাদান সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া শসায় থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং কম ক্যালোরির কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকেই শসা খাওয়ার সময় এর খোসা ছাড়িয়ে ফেলেন, যা একটি বড় ভুল। শসার খোসাতেই রয়েছে সবচেয়ে বেশি ফাইবার, সিলিকা, ভিটামিন কে ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।  খোসা ছাড়ালে শসার পুষ্টিগুণের বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়।

  • সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ শনিবার (২মে) প্রথমবারের মত সিলেট যাচ্ছেন তারেক রহমান।

    শনিবার সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

    সফরসূচি অনুযায়ী, সিলেটে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সুফিসাধক হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। পরে বেলা ১১টার দিকে সিলেট সার্কিট হাউস–সংলগ্ন সুরমা নদীর পাড়ের চাঁদনিঘাট এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশনের একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে বাংলাদেশ ওভারসিজ সেন্টার সিলেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

    একই দিন দুপুর ১২টায় সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করার কথা আছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর বিকাল ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু ও কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিকাল ৫টায় দলীয় এক সভায় যোগ দিয়ে তিনি ঢাকায় ফিরবেন।

  • বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ

    রাজধানী ডেমরা স্টাফ কোয়াটার বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন (রেজি নং-বি-২২০৯) ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মহান মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়শুক্রবার(১ মে) সকাল ৯: টায় আলেপ খান ফাউন্ডেশন মার্কেট হইতে সারুলিয়া, রাণীমহল, মাদরাসা রোড, ব্যাংক কলোনি হয়ে তায়েব আলী রোড হয়ে আমতলা বড় ভাংঙ্গা, হাজীনগর, বামৈল, স্টাফ কোয়াটার গিয়ে শেষ হয়।

    পরে বেলা ১১ টার সময় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়,আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, ডেমরা থানা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনিসুজ্জামান (জামান) সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির সভাপতি মোঃ ইউনুস হাওলাদার। উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাইয়ুম হাওলাদার।
    বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির সভাপতি মোঃ ইউনুস হাওলাদার তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২০১৬ সাল পর্যন্ত আমরা নির্মাণ শ্রমিক অধিকার আদায় নিয়ে কাজ করেছি এবং আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ১২ দফা দাবি করি। আমরা বাংলাদেশের নির্মাণ কাজ করি। বহুতল ভবন, অফিস-আদালত, বাসস্থান, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ ইত্যাদি রং, গ্রীল, টাইলস, সেনেটারী, দরজা-জানালা, থাইসহ বিভিন্ন প্রকার নির্মাণ কাজ করে থাকি এবং এসব কাজের সাথে জড়িত। আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। কাগজে-কলমে আমরা ৩৫ লক্ষ পরিবার। সরকারি ভাবে আমরা কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা পাই না। তাই আমাদের নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ১২ দফা দাবি। নিম্নে পেশ করা হলো: (১) সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালের শ্রমিক আইন অনুযায়ী কোনো শ্রমিক কর্মস্থলে আহত বা নিহত হলে, ২ লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য ছিলো। এখন কোনো শ্রমিক কর্মস্থলে আহত বা নিহত হলে, তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ। হিসাবে ১০-১৫ লক্ষ টাকা ধার্য করতে হবে। (২)বাসস্থানের নিশ্চয়তা দিতে হবে (৩) নদী ভাঙ্গা দূর্যোগে শ্রমিকদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে (৪)প্রত্যেক শ্রমিকদের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে হবে। (৫)রেশন ব্যবস্থায় প্রতি শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।(৬)শতকরা ৩০% কাজের মজুরী বাড়াতে হবে। (৭) সরকারি শ্রমিকদের সাধারন ছুটি ১৬৫ দিন, প্রাইভেট কোম্পানির শ্রমিকের সাধারন ছুটি ১০৪ দিন। এখানে সরকারি ও বেসরকারি দুই শ্রমিকই বছরে ২টি বোনাস পায়। আমরা নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কোনো সাধারন ছুটি পাইনা। তাই আমাদের বছরে ৫২ দিনের সাধারন ছুটির ব্যবস্থা করা হোক(৮)নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে প্রায় সময় আমাদের রড, সিমেন্ট, রং সহ রাসায়নিক পদার্থ যুক্ত পণ্য দিয়ে কাজ করে দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়। তখন আমরা সরকারি কোনো সহযোগিতা পাইনা। তাই আমাদের ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। (৯)প্রতি শ্রমিকের নির্মাণ কর্মস্থলে সেফটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। (১০) প্রবাসী নির্মাণ শ্রমিকদের বিদেশে যাতায়াত ব্যবস্থায় স্বল্প পরিমান খরচ নির্ধারন করতে হবে।
    (১১)প্রবাসী শ্রমিক যারা কর্মস্থলে নির্যাতিত হচ্ছে তাদের সহযোগিতা দিয়ে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করতে
    হবে(১২) প্রতি খাতের শ্রমিকদের মতো, নির্মাণ শ্রমিকদের জন্যও বাজেট তৈরি করে শিল্প খাতে বাংলাদেশে নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশেরে নাম যুক্ত করতে হবে। বর্তমান যোগ্য মূল্য বাজার হিসাবে সাধারণ একজন শ্রমিকের নূন্যতম ১০০০ (এক হাজার) টাকা এবং একজন লেবার পারিশ্রমিক হওয়া উচিত নূন্যতম ৮০০ (আটশত) টাকা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির নেতা সদস্য শ্রমিকসহ প্রমুখ।

  • তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ইতোমধ্যে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত করেছে।

    আজ জাতীয় সংসদে গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজেদুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।

    সুন্দরগঞ্জের তিস্তা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নদী খননের পরিকল্পনা  আছে কি না এবং থাকলে কবে নাগাদ শুরু হবে মাজেদুর রহমানের এ প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা নদী দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভূ-প্রকৃতিগতভাবে তিস্তা একটি খরস্রোতা নদী। বর্ষা মৌসুমের অতিবৃষ্টিতে এ অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও নদী ভাঙনের ঘটনা ঘটে। পক্ষান্তরে, শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে গিয়ে অনেক স্থানে প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির সাথে ব্যাপক মাত্রায় পলি প্রবাহের কারণে তিস্তা নদী ভরাট হয় এবং একাধিক চ্যানেলে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

    তিনি বলেন, এ প্রেক্ষিতে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ইতোমধ্যে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত করেছে। ওই সমীক্ষা প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং কাজ বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। যার মধ্যে গাইবান্ধা-১ নির্বাচনী এলাকার তিস্তা নদীর অংশও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    দাখিলকৃত সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক বিষয়সমূহ বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষাধীন রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রম সমাপ্ত এবং কারিগরি দিক থেকে বিষয়টি ইতিবাচক হলে কাজটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।’

    উল্লেখ্য, এর আগে সকাল ১১ টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

  • দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

    দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

    আজ সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য ১ (এক) নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    আবহাওয়ার বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ (এক) নম্বর (পুনঃ) ১ (এক) নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।’

  • এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

    এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

    পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকার নবায়ন এবং সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

    মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক অতিক্রান্ত হলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। অব্যাহত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

    নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে রয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় অ-পরমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে।

    তিনি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে এনপিটি-এর অনুচ্ছেদ-৬ অনুযায়ী তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের আহ্বান জানান এবং নিরস্ত্রীকরণসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির সার্বজনীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, গঠনমূলক সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগের মাধ্যমে পারমাণবিক হুমকি থেকে মুক্ত একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও নিরাপদ বিশ্ব নিশ্চিত করা যায়।