Blog

  • যুদ্ধ-পূর্ববর্তী বিক্ষোভে ইসরাইলের পক্ষে কাজ করায় ২ জনকে ফাঁসি দিল ইরান

    যুদ্ধ-পূর্ববর্তী বিক্ষোভে ইসরাইলের পক্ষে কাজ করায় ২ জনকে ফাঁসি দিল ইরান

    চলতি বছরের শুরুতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত দুই ব্যক্তিকে আজ রোববার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    বিচার বিভাগের মিজান অনলাইন ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘মামলাটি পর্যালোচনা এবং সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক চূড়ান্ত রায় নিশ্চিত হওয়ার পর মোহাম্মদ-আমিন বিগলারি এবং শাহিন ভাহেদপারস্তকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’

    এতে আরও বলা হয়, এই দুই ব্যক্তি গত জানুয়ারিতে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে জড়িত ছিলেন।

    জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে ডিসেম্বরের শেষের দিকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়, যা পরে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং সরকার বিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। গত ৮ ও ৯ জানুয়ারি বিক্ষোভ-প্রতিবাদ চরমে পৌঁছায়।

    ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমাবেশগুলো শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও পরে হত্যা ও ভাঙচুরের মতো ‘বিদেশি উস্কানিতে সৃষ্ট দাঙ্গায়’ পরিণত হয়।

    ইরান সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিক্ষোভ বা বিরোধী দলগুলোর সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের, নিষিদ্ধ ঘোষিত পিপলস মুজাহিদিন (এমইকে)-এর সদস্যদেরসহ, একাধিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।

    ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই মৃত্যুদণ্ডগুলো কার্যকর করা হয়েছে, যা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল।

    শনিবার ইরান এমইকে-এর দুই সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে এই গোষ্ঠীর আরও চারজন সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

    বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ চলাকালীন ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করার দায়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এর আগে গত মাসে আরও তিনজনের একই ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।

    তেহরান বলেছে, এই অস্থিরতার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষসহ ৩,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং এই সহিংসতার জন্য তারা ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’কে দায়ী করেছে।

    তবে, যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, তারা ৭,০০০ জনেরও বেশি মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত করেছে, যাদের অধিকাংশই বিক্ষোভকারী। সংস্থাটি আরও বলেছে যে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

  • হামলার ধ্বংসাবশেষ থেকে আবুধাবিতে পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আগুন

    হামলার ধ্বংসাবশেষ থেকে আবুধাবিতে পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আগুন

    ইরান উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে আকাশ পথে হামলা অব্যাহত রেখেছে।

    আবুধাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের একটি হামলা প্রতিহত করার পর, নিচে পড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আগুন লেগেছে। এখন আগুন নেভানোর কাজ চলছে।

    আবুধাবি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    গালফ এমিরেটেরস্ মিডিয়া অফিস জানায়, ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে হামলা প্রতিহত করার পর, ভূমিতে পড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ থেকে বোরুজ পেট্রোকেমিক্যালস কারখানায় একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ সে সব নেভাতে কাজ করছে।’

    মিডিয়া অফিস থেকে আরও জানানো হয়, ‘ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন নিরুপনে কারখানার কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’

    এর আগে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলার কথা জানায়েছিল।

  • হামলার ধ্বংসাবশেষ থেকে আবুধাবিতে পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আগুন

    হামলার ধ্বংসাবশেষ থেকে আবুধাবিতে পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আগুন

    ইরান উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে আকাশ পথে হামলা অব্যাহত রেখেছে।

    আবুধাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের একটি হামলা প্রতিহত করার পর, নিচে পড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আগুন লেগেছে। এখন আগুন নেভানোর কাজ চলছে।

    আবুধাবি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    গালফ এমিরেটেরস্ মিডিয়া অফিস জানায়, ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে হামলা প্রতিহত করার পর, ভূমিতে পড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ থেকে বোরুজ পেট্রোকেমিক্যালস কারখানায় একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ সে সব নেভাতে কাজ করছে।’

    মিডিয়া অফিস থেকে আরও জানানো হয়, ‘ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন নিরুপনে কারখানার কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’

    এর আগে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলার কথা জানায়েছিল।

  • গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪: সিভিল ডিফেন্স ও হাসপাতাল

    গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪: সিভিল ডিফেন্স ও হাসপাতাল

    গাজায় ইসরাইলি হামলায় চার জন নিহত হয়েছেন ও আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা ও একটি হাসপাতাল রোববার এ তথ্য জানিয়েছে ।

    সংস্থাটি আরও জানায়, ভোরের আগে গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলের একটি এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। গাজা ভূখণ্ডের সবচেয়ে বড় শহর এটি।

    সংস্থাটি হামাসের অধীনে উদ্ধারকারী বাহিনী হিসেবে কাজ করে। গাজা সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    সিভিল ডিফেন্স জানায়, ‘ভোরের আগে ইসরাইলি বিমান হামলায় চার জন নিহত ও আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।’
    গাজার আল-শিফা হাসপাতালও একই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    হাসপাতালটি জানায়, একটি ইসরাইলি ড্রোন থেকে এই হামলা চালানো হয়।

    হাসপাতালের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘একটি ইসরাইলি ড্রোন বেসামরিক মানুষের একটি দলের ওপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। এতে চার জন শহীদ ও পাঁচ জন আহত হয়েছেন। আজ সকালে তাদেরকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।’

    এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, তারা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

    গাজার হামাসের অধীনে পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ বিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, গাজা জুড়ে ইসরাইল তাদের হামলা অব্যাহত রেখেছে। ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে এ সব হামলায় অন্তত ৭১৫ জন নিহত হয়েছেন।

    জাতিসংঘ এই মন্ত্রণালয়ের তথ্যকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।

    ইসরাইল বলেছে, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে তাদের পাঁচ জন সেনা নিহত হয়েছেন।

    গাজায় গণমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধ ও সীমিত প্রবেশাধিকার থাকায় হতাহতের সংখ্যা বা যুদ্ধের পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এএফপি।
    দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধ মূলত যুদ্ধবিরতিতে থেমে গেলেও, ইসরাইল ও হামাস একে অপরের বিরুদ্ধে তা লঙ্ঘনের অভিযোগ করে যাচ্ছে।

  • আগামী ৩ মে থেকে সারাদেশে হামের টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    আগামী ৩ মে থেকে সারাদেশে হামের টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সারাদেশের সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে আগামী ৩ মে থেকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

    আজ (রোববার) ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে
    আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ৩ মে থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। এছাড়া আগামী ১২ এপ্রিল  থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল  জেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। পরবর্তী সময়ে তা পর্যায়ক্রমে সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে হামের যে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, তা কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। হাম এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা করোনার মহামারির চেয়ে কম উদ্বেগজনক নয়।

    অতীতের সরকারগুলোর ভুল ব্যবস্থাপনার কারণে এবার হামের প্রাদুর্ভাব হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৮২ শতাংশ রোগী ৫ বছরের কম বয়সী হওয়ায় তাদের আাগে টিকা দেওয়া হচ্ছে। বাকিদের পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।

    এদিকে সকাল থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির ৩০ উপজেলাগুলো হল-রাজশাহীর গোদাগাড়ী; ঢাকার নবাবগঞ্জ; মুন্সিগঞ্জের লৌহজং; সদর ও শ্রীনগর; ঝালকাঠির নলছিটি; ময়মনসিংহের ত্রিশাল; সদর ও ফুলপুর; চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর; বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ; পাবনার ঈশ্বরদী সদর; আটঘরিয়া ও বেড়া; নওগাঁর পোরশা; গাজীপুর সদর; নেত্রকোনার আটপাড়া; শরীয়তপুরের জাজিরা; বরগুনা সদর; মাদারীপুর সদর; কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু; চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট; নাটোর সদর এবং যশোর সদর।

  • রাজনৈতিক কারণে ধর্ম নিয়ে বিভাজনের সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল

    রাজনৈতিক কারণে ধর্ম নিয়ে বিভাজনের সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘রাজনৈতিক কারণে ধর্ম নিয়ে বিভাজনের সুযোগ নেই।’

    তিনি বলেন, ‘সব ধরনের বিভেদ বা হিংসার ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’

    আজ (রোববার) সকালে রাজধানীর ভাটারায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

    কিছু রাজনৈতিক শক্তি ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায় উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও অস্বীকার করে। আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে বিদায় দিতে হবে। এর পরিবর্তে মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হোক আমাদের আগামীর পথ চলার শক্তি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ একদিকে যেমন ইসলাম ধর্মকে ধারণ করেছে, তেমনি সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও এখানে মিশে আছে। আবার খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরাও এ মাটির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

    এলজিআরডি মন্ত্রী খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমরা আগামীতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করতে চাই। আমরা মনে করি সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    দেশে চলমান জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকটের মধ্যেও সরকার গুরুত্ব দিয়ে বাইরে থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বারবার বলছেন পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত আছে। এরপরও দেখা যাচ্ছে কিছু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বাইক নিয়ে বারবার তেল নিচ্ছে।

    বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে আপনাদের সহায়তায় সরকার গঠন করেছে, এজন্য আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। সত্যকে সামনে রেখেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব।