রাজশাহী মোহনপুর উপজেলার অধ্যক্ষ মোঃ মফিজ উদ্দিন কবিরাজ মিথ্যাচারের শিকার ।

মোঃ নাসির উদ্দিন : রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার অধ্যক্ষ মোঃ মফিজ উদ্দিন কবিরাজ ছোট বেলা থেকেই অত্যন্ত পরোপকারী ও সৎ চরিত্রের আধিকারী ছিলেন এবং লেখা পড়াতেও ছিলেন খুব মেধাবী। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হইতে তিনি ১৯৯০ সালে রসায়ন শাস্ত্রে এম, এস, সি পাস করে ০১/০১/১৯৯১ সালে মোহনপুর ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। উনার স্ত্রী মোহনপুর উপজেলার আমরাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনিও ১৯৯০ সাল থেকে চাকুরীরত আছেন। জনাব মোঃ মাফিজ উদ্দিন কবিরাজ বিভিন্ন সমাজ সেবা মূলক কর্মকান্ডে জড়িত আছেন। তিনি একই উপজেলার আতানারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তার কলেজ ২০১৮ সালে ৮ই আগষ্ট জাতীয়করণ হলেও অদ্যবধি চাকুরী আত্তীকরন না হওয়ায় তিনি এখনও মোহনপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দীর্ঘদিন নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেলেও তার বিরুদ্ধে সাধারন মানুষের কোন আভিযোগ নেই। কিন্তু গত ১৫/০১/২০২০ খ্রিঃ তারিখে প্রকাশিত ”দৈনিক গনমুক্তি” প্রত্রিকায় প্রকাশিত খবরে র্ফম পূরনে বানিজ্য ও স্বজন প্রীতির কথা সহ ১০০ বিঘা দুইটি পুকুর এবং টাইলস সজ্জিত বাড়ীর কথা বলা হয়েছে। উক্ত বিষয়ে এলাকার সর্ব স্তরের মানুষ সাক্ষাতকারে মিডিয়াকে বলেন মফিজ উদ্দিন কবিরাজ সর্ব মহলে একজন ক্লিন ইমেজের লোক হিসেবে পরিচিত। কলেজে দল মত নির্বিশেষে তিনি অত্র মোহনপুর সরকারি কলেজটি পরিচালিত করেন। তিনি অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করার পর কলেজের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার। অন্যায়কে তিনি কখনও প্রশ্রয় দেন না। সকল কাজে তার স্বচ্ছতা থাকে। তিনি সব সময় স্বচ্ছতার সাথে নিজ কর্ম পরিচালিত করেন কখনও স্বজন প্রীতির আশ্রয় গ্রহণ করেন না বলেই উল্লেখিত ছাত্রী বিভিন্ন হুমকী ধামকী ও চাপের মুখে উক্ত ছাত্রীর ফর্ম পূরনের অনুমতি প্রদান করেন নাই। কারন উক্ত ছাত্রী ১ম সাময়িক পরিক্ষায় ০৩ বিষয়ে, বার্ষিক পরিক্ষায় ০৩ বিষয়ে ও নির্বাচনী পরীক্ষায় ০৩ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। এছাড়াও উনার বাড়ী এবং পুকুর বিষয়ে যে তথ্য প্রদান করেছে তাও সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন কারন তার ১টি পুকুর আছে কিন্তু তা ১০০ বিঘার নয়। তার বাড়ী আছে কিন্তু তা সৎউপার্জনে তৈরী। প্রকৃত পক্ষে উক্ত সংবাদ প্রচার করা সাংবাদিক অন্য চেতনার লোক হওয়ায় উদ্দেশ্য প্রনিত ভাবে তার ক্লিন ইমেজকে ক্ষুন্ন করার এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হিন উদেশ্যে করেছে। এছাড়াও অত্র কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা বলেন পিতা মাতার পরে আমরা শিক্ষকদেরকে গুরুজন মনে করি। অত্র কলেজের অধ্যক্ষ আমাদেরকে সন্তানের দৃষ্টিতে দেখেন সর্ব সময় আমাদের খোজ খবর রাখেন। এবং ছাত্র সমাজ মাদকের মরণব্যধি নেশার জালে জড়িয়ে না পড়ে সে ব্যপারে সর্বদা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এবং মেয়েরা যেন অল্প বয়সে বিয়ে করে লেখা পড়াথেকে বঞ্চিত না হয় সে ব্যপারেও তিনি ছাত্রীসহ আভিভাবক মহলে বলতেন শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারেনা । তাই তোমাদেরকেই সু-শিক্ষা নিয়ে দেশ ও জাতির হাল ধরতে হবে তাই আমাদের পিত্রিতুল্য শিক্ষকের উপর যারা মিথ্যা আভিযোগ এনেছে এবং ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে এদের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানায়। পরববর্তীতে অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন কবিরাজ সাক্ষাতকারে বলেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশ ব্যাপি দুর্নিতির বিরুদ্ধে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন এই অভিযাানকে আমি স্বাগত জানায়। তথা কথিত নামধারী সাংবাদিক আমার বিরুদ্ধে পত্রিকায় যে খবর প্রকাশ করেছে তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা সমাজে আমার মাথা নিচু করার জন্যই পরিকল্পিত ভাবে উক্ত ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে তার সত্যতা মিললে অবশ্যই আমার শাস্তি হওয়া উচিত বলে মনে করি। কিন্তু সাংবাদিকদের আমি জানাতে চাই যেহুতু সাংবাদিক জাতির বিবেক পত্রিকায় কোন সংবাদ প্রকাশ করলে অব্যশই তাহার সত্যতা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *