Category: আন্তর্জাতিক

  • সুদানের যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে লাশ সামলানোর লড়াই

    সুদানের যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে লাশ সামলানোর লড়াই

    খার্তুমের একটি অস্থায়ী মর্গে বসে প্রকৌশলী থেকে দাফনকর্মী হওয়া আলি গেব্বাই মৃতদের একটি স্প্রেডশিটে তথ্য খুঁজে দেখছিলেন।

    হাজার হাজার নাম। প্রতিটির সঙ্গে ছবি ও কবরস্থানের তথ্য। সুদানের যুদ্ধের এক ভয়াবহ নথি।

    স্বেচ্ছাসেবকদের দল যখনই কোনো লাশ পায়, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে। এরপর ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করে।

    আশায় থাকে, স্বজনরা দেখে এসে পরিচয় নিশ্চিত করবেন।

    খার্তুম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    গেব্বাই এএফপিকে বলেন, ‘আমরা প্রতিটি লাশের ছবি তুলি। পকেটে কিছু আছে কি না দেখি, যাতে পরিচয় শনাক্ত করা যায়। আর কোথায় দাফন করা হয়েছে, সেটিও আমরা চিহ্নিত করি।’

    এপ্রিলের তপ্ত এক দিনে, সুদানের রাজধানীর ছোট একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে মাটিতে পড়ে ছিল এক নারীর লাশ।

    বাদামি ছোপযুক্ত জোব্বা তার মুখ ও শরীর ঢেকে রেখেছে।

    কেউ পরিচয় নিশ্চিত করতে না এলে, দলটি পরিষ্কার সাদা কাফন প্রস্তুত করে। মুসলিম রীতি অনুযায়ী গোসল করিয়ে কাছেই দাফন করে।

    খার্তুমে মর্গ বলতে এখন এটুকুই ভরসা।

    আর সেটিও অধিকাংশ নিহতের ভাগ্যে জোটে না। অনেককে যেখানে নিহত হন, সেখানেই তড়িঘড়ি করে মাটিতে অগভীর কবর দেওয়া হয়।

    সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে চলমান এই সংঘাত এখন চতুর্থ বছরে।
    মৃতের সঠিক সংখ্যা নেই। তবে নিহত অন্তত কয়েক হাজার থেকে শুরু করে সহায়তা কর্মীদের হিসাবে ২ লক্ষাধিক হতে পারে।

    আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির সুদান শাখার উপপ্রধান হোসে লুইস পোসো গিল এএফপিকে বলেন, ‘এতসব অনুমান হতাশাজনক। মানুষ জানেই না যে কী ঘটেছে। এই ট্রমা ও প্রভাব উপেক্ষা করা যায় না।’

    গত এক বছরে সেনাবাহিনী খার্তুম পুনর্দখল করার পর, প্রায় ২৮ হাজার লাশ উত্তোলন করে, পুনরায় দাফন করা হয়েছে বলে জানান দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান হিশাম জেইন আল-আবেদিন।

    তবে এখনো রাজধানীর অর্ধেকের কিছু বেশি এলাকা পরিষ্কার করা গেছে।

    গেব্বাই বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে, তিনি ও তার দল প্রায় ৭ হাজার লাশ দাফন করেছেন।

    অন্যদিকে দারফুরে জাতিগত হত্যাযজ্ঞে একসঙ্গে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে।

    এ বছরই কেবল কর্দোফানে ড্রোন হামলায় অন্তত ৭০০ জন নিহত হয়েছেন।

    -মর্গ ধ্বংস-

    দেশজুড়ে লাশ সংরক্ষণের জায়গা নেই। গণনারও উপায় নেই। সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের সময়, মসজিদ ও বাজারে যখন অগ্নিবোমা আঘাত হানে, উদ্ধারকারীরা  তখন প্রায়ই কাফনের কাপড়ের সংকটে পড়ে যান। মৃতদের সেখানেই দাফন করা হয়। নিজের কাপড় বা প্লাস্টিক ব্যাগে জড়িয়ে।

    অনেক গ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য পাঠানোর মতো মর্গ তো দূরের কথা কোনো ক্লিনিকই নেই।জেইন আল-আবেদিন বলেন, খার্তুমের মর্গগুলো ‘যুদ্ধের আগেই পূর্ণ ছিল।’

    আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির তথ্য অনুযায়ী, খার্তুমের চারটি মর্গই যুদ্ধের কারণে অচল হয়ে পড়ে। তবে ভেতরে লাশ রয়ে যায়।

    জেইন আল-আবেদিন জানান, হামলায় ওমদুরমান মর্গ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। কমপ্রেসর লুট হয়ে যায়। চারদিকে পচতে থাকা লাশ পড়ে ছিল।

    তার দল এক বছর ধরে খার্তুমের লাশ উত্তোলন করছে।

    তাদের লক্ষ্য—অগভীর কবর, জনসমাগমস্থল, নর্দমা ও নীল নদের তীর থেকে লাশ উদ্ধার করা।

    গুলি চলা আর গোলাবর্ষণের মধ্যে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারেনি। পাশের রাস্তায় যাওয়া তো দূরের কথা, কবরস্থানে পৌঁছানোও অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    ফলে মানুষ নিজেদের উঠান, খেলার মাঠ ও রাস্তার মোড়ে স্বজনদের দাফন করে।

    তিন বছরে খার্তুম এক খোলা কবরস্থানে পরিণত হয়েছে।

    জেইন আল-আবেদিন বলেন, ‘এটি সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। মানবিক মর্যাদা নষ্ট করে। মৃত্যু যেন স্বাভাবিক হয়ে যায়।’

    একই চিত্র গোটা সুদানজুড়ে। দারফুরে, স্যাটেলাইট ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেছে আর কর্দোফানে এখনো ড্রোন হামলায় সাধারণ মানুষ নিহত হচ্ছেন।

  • গুলির ঘটনা ইরান যুদ্ধ থেকে আমাকে বিরত রাখতে পারবে না: ট্রাম্প

    গুলির ঘটনা ইরান যুদ্ধ থেকে আমাকে বিরত রাখতে পারবে না: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে গুলির ঘটনা তাকে ইরান যুদ্ধ থেকে বিরত করতে পারবে না।

    তবে ঘটনাটি ওই সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত নয় বলেই তার বিশ^াস।

    হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ঘটনা ইরান যুদ্ধ জয়ে আমাকে নিরুৎসাহিত করতে পারবে না। এটি এর সঙ্গে সম্পর্কিত কি না আমি জানি না। তবে আমরা যা জানি, তাতে আমি তা মনে করি না।’

    ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    এর আগে শনিবার তিনি বলেন, ঘটনাটি ইরান যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা নিয়ে ‘কখনোই নিশ্চিত হওয়া যায় না।’

    তিনি জানান, হামলাকারীর উদ্দেশ্য খুঁজে বের করতে তদন্তকারীরা কাজ করছেন।

    তাকে তিনি ‘একক হামলাকারী’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    এর আগে, শনিবারই ট্রাম্প পাকিস্তানে তার দূতদের সফর বাতিল করেন।

    প্রায় দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর তেহরানের আলোচনার অবস্থান সন্তোষজনক না হওয়ায়, তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
    ওই সফরে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।

  • জাপানে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলকর্মীরা

    জাপানে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলকর্মীরা

    জাপানের উত্তরাঞ্চলের বনাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার শত শত দমকলকর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
    দেশটির কর্তৃপক্ষ ৩ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে তাদের বাড়িঘর থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইওয়াতে অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় তিন দিন আগে শুরু হওয়া দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০০ হেক্টর (১,৭৩০ একর) বনভূমি পুড়ে গেছে।

    ওৎসুচি শহরের কাছে উপত্যকার ওপর দিয়ে ঘন ধোঁয়ার বিশাল স্তম্ভ দেখা গেছে, ৩০ কিলোমিটার দূর থেকেও যার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।
    আগুন নেভাতে হেলিকপ্টার থেকে দাবানলে পানি ছিটানো হচ্ছে।

    এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের  গাড়িগুলো বসতবাড়ির কাছাকাছি বনাঞ্চলে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

    শনিবার আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় ১২টি হেলিকপ্টার, ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি দমকল কর্মী ও জাপান আত্মরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

    এ পর্যন্ত অন্তত ৮টি ভবন পুড়ে গেছে, তবে সব বাসিন্দাকে আগেই নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    স্থানীয় এক কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা আগুন নেভানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং পরে আরও তথ্য জানানো হবে।’

    ওৎসুচির এক বাসিন্দা জাপানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এনএইচকে-কে বলেন, ‘আমি আশা করছি, শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি হবে।’

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে শুষ্কতা বাড়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপানে দাবানলের ঝুঁকি বেড়েছে।

    গত বছর ইওয়াতে অঞ্চলের ওফুনাতো শহরের আগুন ছিল অর্ধশতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।

    বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে, জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন খরা আরও দীর্ঘ ও তীব্র করে তুলছে, যা দাবানলের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে।

  • জান্তা ঘাঁটিসহ মালির বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ

    জান্তা ঘাঁটিসহ মালির বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ

    পশ্চিম আফ্রিকার জান্তা-শাসিত দেশ মালির বিভিন্ন জেলায় আজ শনিবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে এএফপি জানিয়েছে, সামরিক শাসক জেনারেল আসসিমি গোইতার নিজ এলাকা কাটি শহরেও গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের প্রধান শহর গাও ও মধ্যাঞ্চলের সেভারে এলাকাতেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

    গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জঙ্গি সহিংসতায় জর্জরিত রয়েছে মালি। দেশটিতে ২০২০ ও ২০২১ সালে দুই দফা সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে।

  • রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২, আহত ২১

    রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২, আহত ২১

    ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দনিপ্রোতে একটি আবাসিক ভবনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত দুই ব্যক্তি নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছে। এই ঘটনায় আরও পাঁচ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে শনিবার জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেক্সান্দর গানঝা জানান, রাশিয়ার হামলায় দনিপ্রোর একটি ভবন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে দুই জনের লাশ উদ্ধার করেছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, এখনও পাঁচজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারেন।’

    গানঝা জানান, এখন পর্যন্ত ২১ জন আহত হয়েছে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে তার এক বার্তার সাথে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা একটি এক্সকাভেটর দিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরানোর সময়, একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে কালো ব্যাগে ভরা একটি লাশ বের করে আনছেন।

    এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, সারা দেশে রাতভর রুশ হামলায় মোট চার জন নিহত ও প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের প্রতিটি হামলা আমাদের মিত্রদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হওয়া উচিত যে পরিস্থিতির জন্য অবিলম্বে ও কঠোর পদক্ষেপ এবং আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত শক্তিশালী করা প্রয়োজন।’

  • ইসরাইলি হামলায় লেবাননে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস অর্ধ লক্ষাধিক ঘরবাড়ি

    ইসরাইলি হামলায় লেবাননে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস অর্ধ লক্ষাধিক ঘরবাড়ি

    হিজবুল্লাহর সঙ্গে সর্বশেষ যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় লেবাননে অর্ধ লক্ষাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

    বুধবার প্রকাশিত এক সরকারি হিসাবে এ তথ্য জানা গেছে।

    ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর সায়েন্টিফিক রিসার্চ (সিএনআরএস)-এর প্রধান শাদি আবদাল্লাহ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘প্রায় ৪৫ দিনের মধ্যে ১৭ হাজার ৭৫৬টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে ও ৩২ হাজার ৬৬৮টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

    বৈরুত থেকে এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ২ মার্চ দেশটিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যুক্ত করার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় লেবাননে ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লক্ষাধিক মানুষ।

    লেবাননের কর্তৃপক্ষ, প্রত্যক্ষদর্শী ও ইসরাইলি প্রান্ত থেকে এএফপির তোলা ছবি অনুসারে, শুক্রবার শুরু হওয়া ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও দক্ষিণ লেবাননের যে সব শহর ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেখানে ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা ও উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

    আবদাল্লাহ বলেন, যুদ্ধবিরতির প্রথম তিন দিনে ৪২৮টি ঘরবাড়ি ধ্বংস ও ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সিএনআরএস-এর হিসাবে দেখা গেছে।

    লেবাননের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, বৃহস্পতিবার ইসরাইলের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠকে লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ জানাবে।

    এর আগে, ২০২৩ সালে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে এক বছরের বেশি সময় ধরে সংঘর্ষ চলেছে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে তা দুই মাসের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়।

    নভেম্বরের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে তা থামানোর চেষ্টা করা হয়।

    তবে আগের যুদ্ধবিরতির পরও ইসরাইল লেবাননে হামলা চালিয়ে যায় এবং সীমান্তের পাঁচটি স্থানে সেনা অবস্থান বজায় রাখে।

    লেবাননের পরিবেশ মন্ত্রী তামারা জেইন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত এই আগ্রাসন বাস্তবে থামেনি, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ রেখে গেছে।’

    তিনি আরও বলেন, এ সময়ে ‘২ লাখ ২০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়েছে।’

    জেইন বলেন, ইসরাইলি হামলায় আবাসিক এলাকা, বেসামরিক অবকাঠামো ও উপাসনালয়ও রেহাই পায়নি।

    এতে কৃষি জমি ও বনাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।