Category: আন্তর্জাতিক

  • শিশুদের রক্তভেজা স্মৃতি নিয়ে ইসলামাবাদে ইরানি প্রতিনিধিদল

    শিশুদের রক্তভেজা স্মৃতি নিয়ে ইসলামাবাদে ইরানি প্রতিনিধিদল

    পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিতেই এখানে পৌঁছায় ইরানের প্রতিনিধিরা। সফরে ইরানি প্রতিনিধিদলকে বহনকারী বিশেষ উড়োজাহাজটি নামকরণ করা হয়েছে ‘মিনাব ১৬৮’।

    সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আসা ইরানি প্রতিনিধিদলের বিমানের ভেতরের ছবিতে দেখা গেছে, আসনগুলোতে মিনাব স্কুল হামলায় নিহতদের ছবি, রক্তাক্ত স্কুলব্যাগ, জুতা, সাদাফুল ও তাদের জিনিসপত্র রাখা হয়েছে। যুদ্ধের এসব স্মৃতিচিহ্ন বিমানটির সামনের সারিতে রাখা ছিল, যা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মানবিক ক্ষতির বাস্তবতাকে সামনে তুলে ধরে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘মিনাব ১৬৮’ নামের এ বিমানটি মূলত ওই হামলায় নিহত ১৬৮ জনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাজানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল শিশু।

    ইরানি প্রতিনিধিদলকে বহনকারী বিশেষ বিমানটির ভেতরের একটি ছবি শেয়ার করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। এক্স প্ল্যাটফর্মে ছবিটি শেয়ার করে লেখেন, ‘এই ফ্লাইটে আমার সঙ্গীরা, মিনাব ১৬৮।’ এটি ছিল মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় নিহত শিশু ও কর্মীদের প্রতি স্পিকারের শ্রদ্ধা নিবেদন।

    সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মিনাব শহরের ‘শাজারে তাইয়্যেবা’ নামের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। সেই ভয়াবহ হামলায় ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সি ১৬৮ জন শিক্ষার্থী প্রাণ হারায়।

    শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

    শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ইরানের সদিচ্ছা থাকার পরও এক বছরের কম সময়ের মধ্যে আলোচনার মাঝপথে দুইবার তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে এবং অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ করেছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু (আমেরিকানদের ওপর) আমাদের আস্থা নেই।’ ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক উল্লেখ করেন, যদি আমেরিকান পক্ষ একটি প্রকৃত চুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকে এবং ইরানি জাতির অধিকার মেনে নিতে রাজি হয়, তবে তারা ইরানের পক্ষ থেকেও একটি চুক্তির জন্য প্রস্তুতি দেখতে পাবে।

    অন্যদিকে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে আরও বিধ্বংসী হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

  • হরমুজ প্রণালিতে ‘জাহাজ চলাচল বাড়াতে’ সাহায্য করবে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

    হরমুজ প্রণালিতে ‘জাহাজ চলাচল বাড়াতে’ সাহায্য করবে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

    ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে যান চলাচল বাড়াতে সাহায্য করবে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    ইরানকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য ট্রাম্পের দেওয়া হুমকি বুধবারের সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক এক ঘণ্টা আগে দেশ দুটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

    পরে তেহরান জানায়, তারা হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছে। এটি তেলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, যা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে কার্যত অচল হয়ে আছে। যার ফলে বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেল এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বেড়ে গেছে।

    ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে যান চলাচল বাড়াতে সাহায্য করবে।’

    তিনি বলেন, ‘অনেক ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হবে! প্রচুর অর্থ উপার্জন করা হবে। ইরান পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে।’

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি কয়েক ঘণ্টা আগে বলেছেন, ‘ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা যথাযথভাবে বিবেচনা করে’ প্রণালিটি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত সম্ভব হবে।’

    ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ‘সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে প্রস্তুত থাকবে এবং সবকিছু যাতে ঠিকঠাকভাবে চলে তা নিশ্চিত করার জন্য ‘আশেপাশেই অবস্থান করবে’। আমি আত্মবিশ্বাসী যে তাই হবে।’

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সুরটি গত সপ্তাহে ইরানকে বোমা মেরে ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়ার’ হুমকির সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত।

    ট্রাম্প বুধবার লিখেছেন, ‘ঠিক যেমনটা আমরা যুক্তরাষ্ট্রে দেখছি, এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বর্ণযুগ হতে পারে।’

  • পারমাণবিক জ্বালানিতে স্বনির্ভরতার পথে ভারত

    পারমাণবিক জ্বালানিতে স্বনির্ভরতার পথে ভারত

    নিজস্ব পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়েছে ভারত। দেশটির নকশায় তৈরি একটি রিয়্যাক্টরে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

    জ্বালানি-চাহিদা বেড়ে চলা ভারত পারমাণবিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা বাড়ানোর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

    বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত তৃতীয় বৃহত্তম গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী।

    দেশটি বর্তমানে আট গিগাওয়াট ক্ষমতা থেকে ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

    নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, কালপাক্কামের প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিয়্যাক্টর (পিএফবিআর) ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। এই পর্যায়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন বিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আজ ভারত তার বেসামরিক পারমাণবিক অভিযাত্রায় একটি নির্ধারক পদক্ষেপ নিল। এতে আমাদের পারমাণবিক কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ এগিয়ে গেল।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এই উন্নত রিয়্যাক্টরটি যত জ্বালানি ব্যবহার করে, তার চেয়েও বেশি উৎপাদন করতে সক্ষম। এটি আমাদের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার গভীরতা ও প্রকৌশল দক্ষতার শক্তির প্রতিফলন।’

    মোদি একে ‘আমাদের বিশাল থোরিয়াম মজুত ব্যবহারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে উল্লেখ করেন।

    থোরিয়াম হচ্ছে পারমাণবিক রিয়্যাক্টরের সম্ভাব্য জ্বালানি।

    তবে রিয়্যাক্টরটি এখনো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেনি। পূর্ণ ক্ষমতায় চালুর পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।

    এ উন্নয়ন এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ বৈশ্বিক জ্বালানি অনিশ্চয়তা জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

    ভারত এখনও ব্যাপকভাবে কয়লার ওপর নির্ভরশীল। তবে দেশটি ২০৭০ সালের মধ্যে নিট-শূন্য কার্বন নিঃসরণ অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

  • ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় নিহত ৩

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় নিহত ৩

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ভøাদিমির অঞ্চলের বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন

    আঘাত হানায় তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আঞ্চলিক গভর্নর মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    ভøাদিমির অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার আভদেয়েভ টেলিগ্রামে বলেন, ‘শত্রু ড্রোন আমাদের অঞ্চলের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।

    তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং তাদের সাত বছর বয়সী এক কিশোর রয়েছে। এছাড়া পাঁচ বছর বয়সী এক মেয়ে শিশু দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এয়ার এশিয়া এক্স বাড়াচ্ছে ভাড়া, কমাচ্ছে ফ্লাইট

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এয়ার এশিয়া এক্স বাড়াচ্ছে ভাড়া, কমাচ্ছে ফ্লাইট

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার  স্বল্প-খরচের বিমান সংস্থা এয়ারএশিয়া এক্স সোমবার জানিয়েছে, ইরানের ওপর যুদ্ধের প্রভাব কমাতে তারা টিকিটের দাম বাড়াচ্ছে এবং রুট কমাচ্ছে।

    তবে কোম্পানিটি জোর দিয়েছে যে ফ্লাইটের চাহিদা এখনও বেশি রয়েছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    মালয়েশিয়া-ভিত্তিক এই স্বল্প-খরচের বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের মোট ফ্লাইটের প্রায় ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রথম হাব বাহরাইনে পরিকল্পিত পরিষেবা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাইরে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পদক্ষেপ জুনে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

    এয়ার এশিয়া এক্স-এর প্রতিষ্ঠাতা টনি ফার্নান্দেজ বলেছেন, দাম বৃদ্ধি ‘অনিবার্য’ এবং সেই সব রুটে ফ্লাইট সংখ্যা কমানো হবে ‘যেখানে আমরা জ্বালানির খরচ মেটাতে পারব বলে মনে করি না।’

    গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মার্কিন ও ইসরাইলি হামলায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে অনেক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা জ্বালানি সারচার্জ বাড়িয়েছে।

    এর জবাবে তেহরান বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।

    এয়ার এশিয়া এক্স-এর প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আমান্ডা উ বলেছেন, মালয়েশিয়া-ভিত্তিক এই বিমান সংস্থাটি ২৫টি দেশের ১৫০টিরও বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করে, এমন সব রুটে তাদের কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে, ‘যেখানে আমরা উচ্চ জ্বালানি সারচার্জ পুষিয়ে নিতে পারব।’

    ভাড়া বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য এয়ারলাইনটি কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যেমন ব্যাগেজ ফি কমানো।

    কোভিড-১৯ মহামারির ফলে মারাত্মক ক্ষতির পর এয়ারএশিয়া ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার করেছে। গত বছর তারা ১ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত (প্রায় ৪৮৬ মিলিয়ন ডলার) লাভ করেছে।

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ২০২৬ সালের বাকি সময়ের জন্য মুনাফাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, এমন এক প্রশ্নের জবাবে এয়ারএশিয়া এক্স-এর কর্মকর্তারা বলেন, পরিস্থিতি ‘নিয়ন্ত্রণযোগ্য’ রয়েছে, তবে যুদ্ধ কতদিন চলবে তার ওপর এটি নির্ভর করবে।’

  • বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হলে ‘আরও ভয়াবহ’ প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানের

    বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হলে ‘আরও ভয়াবহ’ প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানের

    ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড আজ সোমবার সতর্ক করে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হলে তারা ‘আরও অনেক বেশি বিধ্বংসী’ পাল্টা প্রতিশোধ নেবে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির টেলিগ্রাম বার্তায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে খাতাম আল-আমবিয়া  কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আবারও যদি বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করা হয়, তাহলে আমাদের পরবর্তী আক্রমণ ও প্রতিশোধমূলক অভিযান হবে আরও বেশি বিধ্বংসী এবং ব্যাপক।’

    এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। তিনি হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে তার দাবি মেনে নিয়ে একটি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার আহ্বান জানান। এই হুমকির পর ইরানও পাল্টা সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।