Category: আন্তর্জাতিক

  • ইরানের হামাদান প্রদেশের কাবুদারাহাং শহরে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত

    ইরানের হামাদান প্রদেশের কাবুদারাহাং শহরে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের হামাদান প্রদেশের কাবুদারাহাং শহরে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ’র বরাত দিয়ে এমনটা জানিয়েছে রয়টার্স।

    ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটি স্থানীয় সময় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘটেছে।

    হামাদানের গভর্নরের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপ-প্রশাসক এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সৌভাগ্যক্রমে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার আগে দুই পাইলটই নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হন।

    তথ্য সূত্রে জানা গেছে, দুজন পাইলট সামান্য আহত হয়েছেন এবং চিকিৎসার জন্য তাদের মেডিকেল সেন্টারে নেয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কাবুদারাহাং শহরটি হামাদান প্রদেশের কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ইলন মাস্ক

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ইলন মাস্ক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও টেক বিলিওনিয়ার ইলন মাস্ক। সোমবার (২০ জানুয়ারি) এমনটা জানিয়েছে গণমাধ্যম স্কাই নিউজ।

    ক্যাপিটাল ওয়ালে জমকালো আয়োজনে ছেলে ‘এক্স’কে নিয়ে উপস্থিত হয়ে সবাইকে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন বিশ্বের সর্বোচ্চ ধনী এই ব্যক্তি। ছেলেকে সঙ্গে নিয়েই মঞ্চে ওঠেন তিনি।

    দৌঁড়ে গিয়ে বাবার সঙ্গে পোডিয়ামের কাছে দাঁড়ায় মাস্কের ছেলে। তার মাথায় হাত বুলিয়ে আদরও করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় বেশ খুশি দেখা যায় মাস্কপুত্রকে। লাফিয়ে লাফিয়ে হাত নাড়িয়ে উপস্থিত জনতার সামনে প্রকাশ করে সেই অভিব্যক্তিও।

    হাসতে হাসতে ট্রাম্পের একজন উদ্যমী সমর্থক বলে ছেলেকে পরিচয় করিয়ে দেন বাবা ইলন মাস্ক।

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ শপথ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে শপথ নেবেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্প যুগ শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই শুরু হচ্ছে না, পরাশক্তি দেশ হিসেবে তার প্রভাব পড়বে বিশ্বজুড়েই। তার এই ফেরা বৈশ্বিক রাজনীতি ও নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ এজেন্ডা আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নতুন রূপ দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ইউক্রেন: ট্রাম্প বলেছেন, তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ একদিনেই শেষ করতে পারবেন, তবে তিনি কীভাবে সেটা করবেন, তা বিস্তারিত বলেননি। তিনি ইউক্রেনকে বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দেওয়ার সমালোচনা করেছেন। এতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, ট্রাম্প হয়ত ইউক্রেনকে আঞ্চলিক সমঝোতা করতে চাপ দিতে পারেন।

    ট্রাম্পের মনোনীত বিশেষ দূত, কিথ কেলগ, ১০০ দিনের মধ্যে এ সংকট সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছেন সেইসাথে ইউক্রেনকে শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার শর্তে সহায়তা দেওয়ার কথা বলেছেন।

    ন্যাটো: ট্রাম্প ন্যাটো নিয়ে সমালোচনা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি ইউরোপীয় সদস্যদের প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার দাবি জানিয়েছেন। যদিও তিনি ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের কথা স্পষ্ট করেননি। তবে ইউরোপে মার্কিন সেনাদের সংখ্যা কমিয়ে ন্যাটোকে দুর্বল করে দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    মধ্যপ্রাচ্য: মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্প ইসরায়েলপন্থী অবস্থান ধরে রাখবেন। তিনি আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের ভিত্তিতে সৌদি আর ও ইসরায়েলের মধ্যে চুক্তি করার চেষ্টা করতে পারেন। ইরানের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক প্রতিরোধ জারি করতে পারেন। গাজার যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জও তার নেতৃত্বের পরীক্ষা নেবে।

    চীন: চীনের প্রতি ট্রাম্পের কঠোর মনোভাব আরও তীব্র হতে পারে। তিনি চীনা পণ্যের ওপর ৬০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন। তার প্রশাসন চীনকে একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখে, বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে। ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করলেও তাইওয়ানের প্রতি চীনের যেকোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছেন।

    জলবায়ু পরিবর্তন: জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে, ট্রাম্প আবার প্যারিস চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিতে পারেন সেইসাথে জীবাশ্ম জ্বালানির উৎপাদন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে পারেন। তিনি সবুজ শক্তির জন্য আর্থিক প্রণোদনা কমানো এবং তেল ও গ্যাস ড্রিলিং বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এটি বৈশ্বিক জলবায়ু প্রচেষ্টাকে ধীর করতে পারে, তবুও নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে বিশ্বের ধাবমান প্রবণতা থামবে না।

    অভিবাসন: অভিবাসন নিয়ে, ট্রাম্প লাখ লাখ অনথিভুক্ত বা অবৈধ অভিবাসীকে বিতাড়িত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের পরিকল্পনা করেছেন। তার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বিতর্কিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা কঠোর করা।

    তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তার এই পরিকল্পনাগুলো আইনি, লজিস্টিক এবং আর্থিক দিক থেকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

    গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল: ট্রাম্প কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা উল্লেখ করে গ্রিনল্যান্ড কেনার এবং পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ব্যাপারে তার বিতর্কিত ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন।

    যদিও এই পদক্ষেপগুলো সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে এটি বিশ্বব্যাপী মার্কিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি প্রকাশ করে।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে প্রথমবার মার্কিন মসনদে বসেন ট্রাম্প। পরের নির্বাচনে জো বাইডেনের কাছে হেরে যান তিনি। আগামী চার বছর যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নানা ইস্যুর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পররাষ্ট্রনীতিতে কতটা ইতিবাচক আবহ তৈরি করতে পারেন ট্রাম্প সেটি সময়ই বলে দেবে। পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৮ সালে। ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত হোয়াইট হাউজসহ মার্কিন ক্যাপ্টেন এখন ট্রাম্প।

  • যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকরের আগেই নানা হুমকি ধামকি জারি রেখেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

    যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকরের আগেই নানা হুমকি ধামকি জারি রেখেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকরের আগেই নানা হুমকি ধামকি জারি রেখেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে তিনি দাবি করেন, চুক্তির প্রথম ধাপ অনুযায়ী কেবল অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হবে। দ্বিতীয় ধাপে পরিকল্পনা মতো না এগুলে আবার যুদ্ধ শুরু হবে গাজায়। এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও নবনির্বাচিত দুই প্রেসিডেন্টেরই সমর্থন রয়েছে বলেও জানান। হামাসকে নিঃসঙ্গ করে দেয়ার দাবিও করেন নেতানিয়াহু।

    ভাষণের সার্বিক প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে তেলআবিবের বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করেন তিনি। দাবি করেন, প্রথম ধাপে খসড়া প্রস্তাবে উল্লেখিত সংখ্যার দ্বিগুনের বেশি জিম্মিকে মুক্তি দিতে বাধ্য করা হচ্ছে হামাসকে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বলয়কে কাবু করার দাবিও করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

    নেতানিয়াহু বলেন, চুক্তির প্রথম ধাপ অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি। দ্বিতীয় ধাপে আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে আবার যুদ্ধ শুরু করবে ইসরায়েল। আর তা হবে আরও বড় পরিসরে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প দু’জনই ইসরায়েলের অভিযানের পক্ষে।

    তিনি আরও বলেন, পুরো ইরানি বলয়কে আমরা ব্যাপকভাবে দুর্বল করে দিয়েছি। আরও কিছুটা বাকি। মধ্যপ্রাচ্যের চেহারাই বদলে দিয়েছি আমরা।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজায় লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েই হুমকি-ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু। রাজনৈতিক ক্যারিয়ার টিকিয়ে রাখার স্বার্থেই এমন কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে।

  • ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় গঙ্গা নদীতে ডুবে গেছে একটি বাংলাদেশি কার্গো জাহাজ

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় গঙ্গা নদীতে ডুবে গেছে একটি বাংলাদেশি কার্গো জাহাজ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় গঙ্গা নদীতে ডুবে গেছে একটি বাংলাদেশি কার্গো জাহাজ। বিকট শব্দের পর ডুবে যাওয়া জাহাজটির নাম এডি বছিরউদ্দিন কাজি।

    জানা গেছে, দিন কয়েক আগে ব্যান্ডেল থার্মাল পাওয়ার স্টেশনের ছাইগাদা থেকে ছাই নিতে গিয়েছিল ওই কার্গো জাহাজটি। ছাই সংগ্রহ করে দেশে ফেরার জন্য় প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা। ঠিক সেই সময়ই ঘটে এই ঘটনা। জাহাজে থাকা কর্মীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই জাহাজের তলায় একটি শব্দ হয়। এরপর পানি উঠতে শুরু করে।

    বিপদ বুঝে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন জাহাজের কর্মীরা। এরপর পানি কমায় কিছুটা অংশ জেগে ওঠে। তারপর ছাই খালি করে জাহাজের ওজন কমানোর চেষ্টা করা হয়। এরপর শ্রমিক এনে চলে কাজ।

    জানা গেছে, সপ্তাহ খানেক লাগতে পারে সব ছাই খালি করতে। তারপর জাহাজ মেরামত করে বাংলাদেশ ফিরতে পারে ওই জাহাজটি।

  • ট্রাম্পের শপথের আগেই বার্নিকাটসহ তিন কূটনীতিককে পদত্যাগের নির্দেশ

    ট্রাম্পের শপথের আগেই বার্নিকাটসহ তিন কূটনীতিককে পদত্যাগের নির্দেশ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের আগেই পররাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীন দপ্তরের তিন মার্কিন কূটনীতিককে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

    মার্কিন পররাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ দপ্তরের নতুন প্রশাসন গঠনের তত্বাবধানে ছিলেন ডেরেক হোগান, মার্সিয়া বার্নিকাট এবং এলাইনা টেপলিটজক। বহু বছর ধরে কাজ করেছেন ডেমোক্রেট ও রিপাবলিক, দুই দলের সঙ্গে। পালন করেছেন রাষ্ট্রদূতের ভূমিকাও।

    ক্ষমতায় আসার পর এ তিন কূটনৈতিককে নিজ নিজ পদ থেকে সরে দাড়াতে বলেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি এ তিন কূটনৈতিক। অনেকেই বলছেন যুক্তরাষ্ট্রে কূটনৈতিক বিভাগে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের এমন সিদ্ধান্ত।