Category: আন্তর্জাতিক

  • ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলের ভয়াবহতা নতুন করে ছড়াচ্ছে

    ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলের ভয়াবহতা নতুন করে ছড়াচ্ছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় এখনও কমেনি দাবানলের ভয়াবহতা। এখন দিক পরিবর্তন করে লস অ্যাঞ্জেলসের উত্তর-পূর্বে নতুন এলাকার দিকে ছড়াচ্ছে আগুন।

    এমন অবস্থায় ম্যান্ডেভিলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের। ঘর ছাড়তে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে আরও ১ লাখ ৬৬ হাজার মানুষকে।

    আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। আকাশ থেকে ছিটানো হচ্ছে পানি ও অগ্নি নির্বাপক রাসায়নিক।

    তবে শনিবার থেকে আবার বাড়তে শুরু করেছে বাতাসের তীব্রতা। বুধবার পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।

    সবচেয়ে বড় দাবানলের কবলে থাকা প্যালিসেডে পুড়েছে আরও ১ হাজার একর এলাকা। ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনকে সহায়তায় প্রতিবেশী ৭ রাজ্য, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে পাঠানো হয়েছে বিশেষ টিম।

  • কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে সীমান্তে ‘বাঙ্কার’ নির্মাণ করছে বিএসএফ

    কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে সীমান্তে ‘বাঙ্কার’ নির্মাণ করছে বিএসএফ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা যেন থামার নাম নেই। গত কয়েকদিন ধরে চলমান উত্তেজনায় নতুন করে ঘি ঢেলেছে মালদার শুকদেবপুর সীমান্তে (চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত) বিএসএফের বাঙ্কার নির্মাণ। অন্যদিকে, বিজিবির বাধায় বিএসএফ ব্যর্থ হওয়ার পর কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় গ্রামবাসীরা একদিন নির্মাণ করেছেন দেড় কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া! যে ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে মেখলিগঞ্জ সীমান্ত এলাকায়।

    গত কয়েকদিন ধরেই তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে ভারতের মাহাদিপুর ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকায়। গত সোমবার (৬ জানুয়ারি) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) থ্রি-ফেজের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করতে গেলে শুরু হয় সমস্যার সূত্রপাত। বিতর্কিত ও বিবাদমান জমিতে বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছে এমন অভিযোগে নির্মাণ কাজে বাধা দেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিবাদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়িয়ে গেলে পরিস্থিতি ঘোলাটে আকার ধারণ করে।

    বিতর্কিত স্লোগান পাল্টা স্লোগান হাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হয়ে পড়েন সীমান্তের দুই পাড়ের বাসিন্দারা। বড় বিপত্তি হওয়ার আগেই তাদের নিরস্ত্র করে দুই পারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এরপর একাধিকবার পতাকা বৈঠকের পরেও অধরা সমাধাণসূত্র।

    চলমান এই বিবাদের মধ্যেই শুক্রবার ফের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী সুকদেবপুর এলাকায় থ্রি-ফেজের কাঁটাতার বেড়া দেয়ার কাজ শুরু করে বিএসএফ। তবে উদ্বেগের বিষয়, সীমান্তের এই এলাকায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় গ্রামবাসীদের সহযোগিতা নিয়ে একাধিক বাঙ্কার তৈরি করেছে বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রের খবর, সীমান্তে যেকোনো রকম উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তারা। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ সীমান্তে গ্রামবাসীরা অবস্থান নেয়ায় পাল্টা হিসেবে শতাধিক ভারতীয়রা সুকদেবপুরের এই সীমান্ত এলাকায় লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে রীতিমতো অবস্থান নিয়েছে।

    দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পতাকা বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতভাবে শান্ত মনে হলেও সীমান্তের দুই পাড়ের গ্রামেই রয়েছে এখনও টানটান উত্তেজনা। এরমধ্যেই শুক্রবার বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুকদেবপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিদর্শন করেন বৈষ্ণবনগর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল দলের বিধায়ক চন্দনা সরকার। শাসক দলের এই বিধায়ক দাবি করেন দুই দেশের যৌথ বোঝাপড়ার মাধ্যমেই সীমান্তেই বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছিল। ইচ্ছাকৃতভাবে এমন সমস্যা তৈরি করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক কার্যকলাপ দেখে স্পষ্ট যে বিজিবি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক চায় না।

    এদিকে, মালদা সীমান্তের উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জের কুচলিবাড়ি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায়। ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা তিন বিঘা করিডরের দহগ্রামে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের বাগডোগরা, ফুলতকাডাবরি, দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা এলাকার আন্তর্জাতিক সীমান্তের অরক্ষিত অংশে শুক্রবার সকাল থেকে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার কাজ শুরু করে বিএসএফ। অভিযোগ, তখনই বিজিবি ও বাংলাদেশের নাগরিকরা এসে কাজে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে।

    বিএসএফ বাধা পেয়ে সরে গেলেও সীমান্তবর্তী গ্রামবাসীদের দিয়ে অরক্ষিত অংশে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার কাজ শুরু করে বিএসএফ। অভিযোগ, সেইসময় বিজিবি এবং বাংলাদেশের নাগরিকরা সীমান্তের কাছে চলে আসে। বেড়া দেয়ার কাজে বাধা দিতে থাকে। কিন্তু, আপত্তি উপেক্ষা করে বিএসএফ আধিকারিকরা কাজ চালিয়ে যেতে বলেন। সীমান্তে ঝামেলার খবর পেয়ে প্রচুর সংখ্যায় গ্রামবাসী সেখানে জমায়েত হয়। তারাও কাঁটাতারের বেড়া দিতে সাহায্য করে।

    বিএসএফ সূত্রের খবর, ওই অঞ্চলে অরক্ষিত দেড়কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া লাগানো হয়েছে। এখনও দু’কিলোমিটার অঞ্চলে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া বাকি রয়েছে।

    সূত্র যমুনা টিভি

  • লস অ্যাঞ্জেলসের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল বলা হচ্ছে

    লস অ্যাঞ্জেলসের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল বলা হচ্ছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লস অ্যাঞ্জেলসের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল বলা হচ্ছে একে। দুই দিনের দাবানলে পুড়ে ছাই হয়েছে ২৮ হাজার একর জমি। বাড়ি ছাড়তে হয়েছে প্রায় ২ লাখ বাসিন্দাকে। সক্রিয় দুটি দাবানল নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলে নতুন করে আরও ২ লাখ মানুষকে ছাড়তে হবে ঘর। বাড়ি-ঘর হারিয়ে আর্তনাদ করছেন লস অ্যাঞ্জেলসের বাসিন্দারা।

    সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বার বার উঠে আসে একটি প্রশ্ন, ‘ই ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা কি কোনওভাবে কমানো সম্ভব ছিলো, নাকি জলবায়ু-সম্পর্কিত দুর্যোগের যুগে এটি কেবল নতুন স্বাভাবিক ঘটনা?

    মার্কিন পরিবেশ বিশ্লেষকদের মতে, আকাশ কিংবা স্থল থেকে পানি মেরে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছে বটে, তবে এমন ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পৃথিবীর কোন পানি ব্যবস্থাই নেই।

    লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির কর্মকর্তারা এই দাবানলের আগুনকে একটি “নিখুঁত ঝড়” হিসাবে চিহ্নিত করেছেন যেখানে ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে হারিকেনের মতো ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গিয়েছে। এমন বিরূপ আবহাওয়ায় দাবানলে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব।

    লস অ্যাঞ্জেলসে পানি সরবরাহকারী বিভাগ জানিয়ে দিয়েছে এই ধরণের আগুনের সঙ্গে মোকাবিলা তারা আগে করেননি। ফলে তাদের এই বিষয়ে তেমন কোনও অভিজ্ঞতা নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জল দিলেও যে আগুন নিভছে না তাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হবে তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জোর জল্পনা। শহরের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সেভাবে তৈরি হয়নি যেখান থেকে তারা এই ধরণের একটি ভয়াবহ বিপর্যয়কে মোকাবিলা করবে।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাস ইতোমধ্যে এই দাবানলের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পূর্ণ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চিত থাকুন আমরা অবশ্যই দাবানলের ক্ষয়ক্ষতির সত্যিকার হিসাব বের করতে সক্ষম হবো।’

  • যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হতে চায় কানাডার মানুষ, এটা বুঝেই পদত্যাগ করেছেন ট্রুডো: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হতে চায় কানাডার মানুষ, এটা বুঝেই পদত্যাগ করেছেন ট্রুডো: ট্রাম্প

    অনলাইন ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মত দিয়েছেন, কানাডার জনগণ নিজের দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হিসেবে দেখতে চায়। আর এ বিষয়টি বুঝতে পেরেই পদত্যাগ করেছেন ট্রুডো।

    নভেম্বরের শেষে মার-আ-লাগোয় নৈশভোজে অংশ নেন ট্রুডো ও ট্রাম্প। ট্রুডোকে কানাডার ‘গভর্নর’ বলে সম্বোধন করলেন ট্রাম্প
    আজ মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।

    নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশালে পোস্ট করে মত দেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার একীভূত হয়ে দেশটির ৫১তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত হওয়া উচিত।

    তিনি বলেন, ‘কানাডার অনেক মানুষ মনেপ্রাণে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত হতে চায়। কানাডার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে পর্বতসম বাণিজ্য ঘাটতি ও ভর্তুকি দিতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রকে এই ভার বহন করতে হচ্ছে। জাস্টিন ট্রুডো এ বিষয়গুলো জানতেন এবং এ কারণেই পদত্যাগ করেছেন।’

    ‘কানাডা যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একীভূত হয়, তাহলে কোনো শুল্ক থাকবে না, কর অনেক কমে যাবে এবং তারা (কানাডীয়রা) রুশ ও চীনা জাহাজের কাছ থেকে আসা হুমকি থেকে পুরোপুরি নিরাপদ থাকবে। (কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে) একীভূত হলে এমন একটি মহান রাষ্ট্র জন্ম নেবে (একীভূত যুক্তরাষ্ট্র) যার কোনো নজির নেই’, যোগ করেন ট্রাম্প।

    ট্রুডোর জনপ্রিয়তা তলানিতে পৌঁছে যাওয়া ও পরিশেষে, পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পেছনে ট্রাম্পের বড় অবদান রয়েছে বলে ধারণা করেন বিশ্লেষকরা।

    আগামী ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণ করবেন ট্রাম্প। ইতোমধ্যে তিনি জানিয়েছেন, ক্ষমতায় বসেই প্রথম যে কয়েকটি নির্বাহী আদেশে সাক্ষর করবেন তার মধ্যে আছে কানাডা থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর বর্তমানে প্রযোজ্য শুল্কের সঙ্গে বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ।

    এই ঘোষণার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের বিলাসবহুল বাসভবন মার আ লাগোয় উপস্থিত হন ট্রুডো। বৈঠক ও নৈশভোজে অংশ নেন ট্রুডো ও তার মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা। কিন্তু সেখানেও থামেনি ট্রাম্পের বিদ্রুপ।

    নৈশভোজের এক পর্যায়ে ট্রাম্প ট্রুডোকে কানাডার গভর্নর বলে অভিহিত করেন।

    মার-আ-লাগোয় ট্রাম্প আরও বলেন, কানাডার উচিত যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত হওয়া।

    আজ আবারও সেই একই কথারই পুনরাবৃত্তি করলেন আবাসন ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিবিদ ও দুই বারের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

  • এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণ এবার মালয়েশিয়ায়

    এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণ এবার মালয়েশিয়ায়

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনা মহামারির পর এবার চীনে নতুন এক ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় হাসপাতাল গুলোতে দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে জনসাধারণকে মাস্ক ব্যবহার এবং বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    এদিকে চীনের পর মালয়েশিয়াতেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সচেতনতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনোমিক টাইমস।

    ভাইরাসটিকে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভি নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ভাইরাসের কারণে সাধারণত ঠাণ্ডা জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। শীতের মৌসুমে ভাইরাসটি বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে চীনের বিভিন্ন প্রদেশে এর দ্রুত বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

     

    চীনের স্বাস্থ্য বিভাগ কিছুদিন আগে ফ্লু-জাতীয় রোগের হার বৃদ্ধি নিয়ে সতর্ক করেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেয়ায় অনেকেই তথ্য গোপনের আশঙ্কা করছেন। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে তা আরও বড় সংকট তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

     

    এইচএমপিভি কী এবং কেন এটি চীনে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে?

    সিডিসির তথ্যানুসারে, এইচএমপিভি একটি শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাস, যা ওপরের এবং নীচের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়। এটি সব বয়সের ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে। তবে শিশু, বয়স্ক এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের জন্য ভাইরাসটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

    এইচএমপিভি ২০০১ সালে প্রথম সনাক্ত করা হয়।

    এইচএমপিভির উপসর্গগুলো কী?

    এইচএমপিভির উপসর্গগুলো ফ্লু এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মতোই। সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কাশি, জ্বর, নাক বন্ধ হওয়া এবং শ্বাসকষ্ট। গুরুতর ক্ষেত্রে, ভাইরাস ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

    এইচএমপিভির ইনকিউবেশন পিরিয়ড বা উন্মেষপর্ব সাধারণত তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে হয়। তবে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে লক্ষণগুলো বিভিন্ন সময়কালের জন্য স্থায়ী হয়।

    কীভাবে ছড়ায়?

    এইচএমপিভি অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতোই ছড়ায়। যার মধ্যে রয়েছে-

    ১. কাশি এবং হাঁচি থেকে নিঃসরণ।

    ২. হাত মেলানো বা স্পর্শ করা।

    ৩. সংক্রমিত স্থান স্পর্শ করা এবং তারপর মুখ, নাক বা চোখ হাত দিয়ে স্পর্শ করা।

  • ডাক্তার খালেদ আল-সাইদি ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে পা হারান

    ডাক্তার খালেদ আল-সাইদি ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে পা হারান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ডাক্তার খালেদ আল-সাইদি। গাজার আল আকসা হাসপাতালে কাজ করছেন দীর্ঘ ২০ বছর ধরে। তবে ইসরায়েল  যুদ্ধের কারণে তিনি হারিয়ে ফেলেন শরীরের এক পা। রোববার (৫ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, পেশা হিসেবে রোগীদের সেবা দিয়েছেন খালেদ। তবে ছয় মাস আগে, ইসরায়েলি হামলায় হারিয়েছেন এক পা। ফলে খালেদ নিজেই রোগী হন।

    খালেদ জানান, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)-এর হামলার পর এক পা ক্ষতবিক্ষত হয়। সেই সময়ে আমার শরীরে ডায়বেটিস অনেক বেশি ছিলো। বাধ্য হয়ে পা কেটে ফেলতে হয়।

    ডাক্তার খালেদ আল-সাইদি শিশুদের বিশেষজ্ঞ। ইসরায়েলি হামলার অন্যতম লক্ষ্য গাজার শিশুরা। প্রতিদিনই আল আকসা হাসপাতালে শিশুদের ভিড়। এমন পরিস্থিতিতে বসে থাকবেন কীভাবে এই ডাক্তার। তাই কৃত্রিম হাত-পা সংযোজন করে আবার উপস্থিত হাসপাতালে। লক্ষ্য একটাই! নিজ দেশের অসহায় শিশুদের চিকিৎসা করবেন। সেবা দিয়ে যাবেন মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত।

    উল্লেখ্য,  হামাস-ইসরায়েলের যুদ্ধে সবচেয়ে ক্ষতির শিকার শিশুরা। সম্প্রতি, আল জাজিরা’র এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে ব্যাপক মানুষিক রোগে ভুগছে গাজার শিশুরা। এমন পরিস্থিতিতে হাজারো নির্দোষ শিশুদের ভবিষ্যৎ কি হবে, তা ভেবেই গা শিউরে উঠছে হাজারো ফিলিস্তিনি মা-বাবাদের। ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা থেকে নাকি শীতের তীব্রতা থেকে সন্তানদের বাঁচাবে; তা ভেবেই কান্নায় ভেঙে পড়ছে অনেক অসহায় ফিলিস্তিনি। এছাড়াও অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য নেই পর্যাপ্ত ডাক্তার, চিকিৎসা সরঞ্জাম। সব মিলিয়ে, অনেক ভয়াবহ পরিস্থিত গাজায়। কবে হবে এই যুদ্ধের শেষ, সময় টা বলে দিবে!