Category: আন্তর্জাতিক

  • গাজায় রক্ষা পাচ্ছে না মসজিদও, ৩টি ধ্বংস ক্ষতিগ্রস্ত ৪০

    গাজায় রক্ষা পাচ্ছে না মসজিদও, ৩টি ধ্বংস ক্ষতিগ্রস্ত ৪০

    নিউজ ডেস্ক  ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের ব্যাপক সহিংসতায় এখন পর্যন্ত তিনটি মসজিদ ধ্বংস করেছে দখলদাররা। গাজার ওয়াকফ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ফিলিস্তিনি গণমাধ্যম ‘ফিলিস্তিন আল ইয়াউম’ জানিয়েছে, গাজার বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক দিনের হামলায় তিনটি মসজিদ ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া আরও ৪০টি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    হামলার আশঙ্কায় আরও ৪২টি মসজিদ বন্ধ রাখা হয়েছে বলেও ওয়াকফ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

    এ ছাড়া দশম দিনে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ২১৯ জন নিরীহ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে প্রায় ৬৩ জন শিশু। এমন ভয়াবহ প্রাণঘাতী সহিংসতা থামাতে যুদ্ধবিরতির জন্য আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ছে। এদিকে এত প্রাণহানির পরেও ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

    জাতিসংঘ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত হামলায় ৫২ হাজার মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছেন।

    এদিকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব পাসের চেষ্টা আবারও আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকরে আহ্বান জানিয়েছেন ২৮ মার্কিন সিনেটর।

  • অর্ধশতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা, ৩৩ বাংলাদেশি উদ্ধার

    অর্ধশতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা, ৩৩ বাংলাদেশি উদ্ধার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাবার পথে অভিবাসন প্রত্যাশী একটি নৌকা ডুবে অর্ধশতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এসময় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৩৩ বাংলাদেশিকে। মঙ্গলবার নৌকাডুবে নিখোঁজের ঘটনা ঘটে বলে জানায় তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, নৌকাটি লিবিয়ার জাওয়ারা থেকে রবিবার রওনা দেয়। তিউনিসিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহামেদ জিকরি জানান, উদ্ধারকৃতদের তিউনিসিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলের একটি তেলক্ষেত্রে তাদের রাখা হয়েছে। দেশটির নৌবাহিনী জানায়, প্রায় ডুবে যাওয়া একটি নৌকা থেকে শতাধিকের বেশি অভিবাসী উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগ বাংলাদেশি ও সুদানের। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার এক মুখপাত্র জানান, বেঁচে যাওয়া ৩৩ জন বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। এছাড়া অন্তত ৫০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

  • ফিলিস্তিনে সেনাবাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত মালয়েশিয়া

    ফিলিস্তিনে সেনাবাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত মালয়েশিয়া

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের বর্বোরোচিত হামলায় এখন পর্যন্ত ২১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৬১টি শিশু রয়েছে। এত মৃত্যুর পরেও থামছে না ইসরায়েলের হামলা। বরং গাজায় হামলা অব্যাহত থাকবে বলে আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন ইসরায়েলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। 

    এমন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনে শান্তি রক্ষায় সেনা পাঠানোর জন্য নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে মালয়েশিয়া। সোমবার (১৭ মে) দেশটি জানায়, তাদের সেনাবাহিনী প্রস্তুত। মালয়েশিয়ার গণমাধ্যম স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, জাতিসংঘ চাইলে তারা শিগগিরই ফিলিস্তিনে সেনা পাঠানো হবে বলে মালয়েশিয়া নিশ্চিত করেছে ।

    এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব জানান, যদি জাতিসংঘ অনুরোধ জানায় তাহলে গাজায় শান্তিরক্ষী পাঠাতে প্রস্তুত আছে তার দেশ। যেহেতু এখানে আন্তর্জাতিক আইনের বিষয় আছে তাই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিরক্ষী টিম পাঠানোর ব্যাপারে মালয়েশিয়া একক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না বলেও জানান তিনি ।

    তিনি বলেন, জাতিসংঘ যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, আমাদের সেনা সেখানে যাবে তাহলে আমরা দ্রুত তাদের সেখানে পাঠাতে পারব ইনশাল্লাহ।

    এদিকে ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষা এবং মঙ্গল কামনায় সোমবার (১৭ মে) বাদ মাগরিব মালয়েশিয়ার জাতীয় মসজিদ ‘মসজিদ নেগারা’সহ দেশের প্রতিটি মসজিদ ও সুরাউতে সালাতুল হাজতের নামাজ আদায় শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    মালয়েশিয়ার গণমাধ্যমগুলো আরও জানান, মালয়েশিয়ার রাজা ইয়াং ডি-পারতুয়ান আগোং আল-সুলতান আবদুল্লাহ রি’আয়াতুদ্দিন আল-মুস্তফা বিল্লাহ শাহ ও স্ত্রী রাজ দরবার মসজিদে ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষার জন্য সালাতুল হাজতের নামাজ আদায় করেন।

    সূত্র: সময় নিউজ

  • ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে বাইডেনের সমর্থন

    ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে বাইডেনের সমর্থন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর অব্যাহত চাপের মুখে গাজায় সহিংসতা বন্ধে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    সোমবার (১৮ মে) এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে অস্ত্রবিরতিতে সমর্থন ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত বন্ধে মিসরসহ অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর আলজাজিরার।

    যুদ্ধবিরতির পক্ষে বাইডেন এখন তার সমর্থন ব্যক্ত করলেও রোববার (১৬ মে) ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘাত বন্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আহ্বান সংবলিত বিবৃতি আটকে দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

    ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির কারণে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক থেকে কোনো ফল আসেনি। এতে হামাস-ইসরায়েল সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তা বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

    গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ২১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৬১টি শিশু রয়েছে।

    হোয়াইট হাউসের বিবৃতি জানায়, হামাসের নির্বিচার রকেট হামলার বিপরীতে ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাইডেন। যদিও ইসরায়েলের সহিসংতার প্রতি বাইডেনের একতরফা সমর্থনে তার ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে ক্ষোভ রয়েছে।

    এর আগে ইসরায়েলি অন্তবর্তী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা ‘পুরোদমে’ চলবে।

    ইসরায়েলি বোমায় এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। গত ১০ মে গাজা থেকে রকেট হামলার পর বিমান হামলা শুরু করে দখলদার দেশটি।

    হামাস বলছে, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জাররাহ পাড়া থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও আল-আকসায় নামাজরত মুসল্লিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর সহিংসতার প্রতিশোধ নিতে রকেট হামলা করা হয়েছে।

  • গাজায় রাতভর বিমান হামলা

    গাজায় রাতভর বিমান হামলা

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গত সোমবার (১০ মে) থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের দ্বিতীয় সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির আন্তর্জাতিক আহ্বান উপেক্ষা করেই স্থানীয় সময় সোমবার (১৭ মে) গাজায় কয়েক ডজন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। অন্যদিকে, হামাসও পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েলের শহরগুলোতে রকেট হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

    কিন্তু ইসরায়েল ও ২০ লাখ জনসংখ্যার ঘনবসতিপূর্ণ গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসের মধ্যে ভয়ংকর শত্রুতার অবসানের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, অন্যান্য দিনের মতো রোববার (১৬ মে) রাতভর গাজার রাস্তা, নিরাপত্তা ভবন, হামাসের ট্রেনিং ক্যাম্প এবং আবাসিক ভবনগুলোতে বোমা বর্ষণ করেছে ইসরায়েল। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, গাজার বিভিন্ন অঞ্চলে রাতভর বোমা হামলার শব্দ শোনা গেছে।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, গাজা থেকে বীরসেবা ও অ্যাশকেলন শহরে রকেট হামলার পর তাদের যুদ্ধবিমানগুলো উচ্চপদস্থ হামাসের ৯ জন নেতার বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িগুলো অস্ত্রের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

    তবে এসব হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

    এদিকে, গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার দিনব্যাপী হামলায় গাজায় ১০ শিশুসহ ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, হামাসও পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে নিরবচ্ছিন্ন রকেট হামলা চালিয়েছে।

    এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এক টুইটে চলমান উত্তেজনা নিরসনে উভয়পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘দুপক্ষকেই উত্তেজনা হ্রাস করতে হবে – এই সহিংসতা অবিলম্বে শেষ হওয়া উচিত।’

    গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে চলমান সংঘাতের বিষয়ে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের পরই ব্লিঙ্কেন এই টুইট করেন।

    গত রোববার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা ইসরায়েল, ফিলিস্তিনি ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের কাছে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, ‘পক্ষগুলো যদি যুদ্ধবিরতি কামনা করে তবে সমর্থন দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে।’

    এদিকে, যত দিন প্রয়োজন গাজায় হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

    অন্যদিকে, হামাসও তাদের প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছে।

    আল জাজিরার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯২ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে ৫৮টি শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন এক হাজার ২০০ জনের বেশি।

    অন্যদিকে ইসরায়েলের হামলার জবাবে হামাস প্রায় ৩ হাজার রকেট ছুড়েছে। এতে ইসরায়েলে এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    ২০১৪ সালের পর থেকে গত কয়েক বছরের মধ্যে এটিই ইসরায়েল ও গাজার মধ্যে চলা সবচেয়ে ভয়াবহ লড়াই।

  • গাজায় হামাসপ্রধানের বাড়িতে ইসরায়েলের বোমা হামলা

    গাজায় হামাসপ্রধানের বাড়িতে ইসরায়েলের বোমা হামলা

    আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: গাজায় হামাসপ্রধান ইয়াহইয়া আল সিনওয়ারের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় সময় রোববার (১৬ মে) ইসরায়েলি বিমান থেকে বাড়িটি লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, হামাসের আল-আকসা টেলিভিশন এক খবরে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে হামাসপ্রধান আহত কিংবা নিহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

    ইয়াহইয়া আল সিনওয়ার ২০১৭ সাল থেকে গাজায় হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক শাখার নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

    আল-আকসা টেলিভিশন জানায়, ওই হামলার জবাবে সকালেই তেল আবিব ও ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের শহরগুলোয় রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস।

    এদিকে, রোববার (১৬ মে) সকালেও ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও ৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২ জন। এ ছাড়া সকালের হামলায় দুটি ভবন ধসে পড়েছে।