Category: আন্তর্জাতিক

  • ইয়েমেনে কে জিতবে : সৌদি আরব না ইরান

    ইয়েমেনে কে জিতবে : সৌদি আরব না ইরান

    ইয়েমেন সঙ্কটের রাজনৈতিক সমাধান কোন পথে

    উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) সম্প্রতি ইয়েমেনের যুদ্ধ ও সঙ্ঘাত অবসানে রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার জন্য নিউ ইয়র্কে একটি সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। কিন্তু উভয় পক্ষ একটি চুক্তি বা সমাঝোতায় না পৌঁছার কারণে সম্মেলনটি সফল হয়নি। সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ার জন্য হুতি বিদ্রোহীদের অনমনীয়তাকে দায়ী করা হচ্ছে। কিন্তু একটি পক্ষের ওপর দায় চাপালেই কি চলবে? যুদ্ধ ও বিরোধ নিরসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আশা ভরসারস্থল জাতিসঙ্ঘ কী এ ক্ষেত্রে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছে?

    হুতি বিদ্রোহীরা তাদের ঘানা দখলের চতুর্থবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে উচ্চপর্যায়ের এক সমাবেশের আয়োজন করে ২০১৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। তারা সেখানে সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো কিভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যায়, সে ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে। তাদের এই উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে সেখানে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

    ইয়েমেনে যে অস্বাভাবিক যুদ্ধ চলছে- প্রকৃতপক্ষে এই যুদ্ধের একটি রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ব্যাপারে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি মতৈক্য রয়েছে। ২০১১ সালে জিসিসি যে উদ্যোগ নিয়েছিল সে ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে মতৈক্য তৈরি হয়েছিল। ২০১৩-২০১৪ সালে ইয়েমেনের জাতীয় সংলাপ সম্মেলন এবং ২০১৫ সালের জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২১৬ নম্বর প্রস্তাবের ফলাফল কী? ওই সমঝোতা বা মতানৈক্য সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছা সম্ভব হয়নি কেন?

    দুই কোটি ৭৫ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত দেশ ইয়মেনের প্রাচীন শিকড় আফ্রিকা মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার সংযোগস্থলে হলেও আধুনিক ইয়মেন প্রজাতন্ত্র একটি নতুন রাষ্ট্র। কয়েক বছরের বিরোধ ও দ্বন্দ্বের পর ১৯৯০ সালে কমিউনিস্ট দক্ষিণ ইয়েমেন এবং ঐতিহ্যবাহী উত্তর ইয়মেন একীভূত হয়। কিন্তু উত্তর ও দক্ষিণ ইয়মেনের মধ্যে উত্তেজনা বজায় থাকে। ১৯৯৪ সালে স্বল্প সময় স্থায়ী এক গৃহযুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে পরাজিত করা হয়। ২০০৯ সালে সরকারি সৈন্য এবং হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে দেশটির উত্তরাঞ্চলে সঙ্ঘাত শুরু হলে ইয়েমেনে আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শত শত লোক নিহত এবং ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ স্থানচ্যুত হয়ে পড়ে।

    তিউনিসিয়া ও মিসরে আরব বসন্ত শুরু হলে তার প্রভাব পড়ে ইয়েমেনে। ফলে ২০১১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এক সময়ে ইয়েমেনে আলকায়েদা এবং আইএসের মতো উগ্রপন্থীদের তৎপরতাও বেড়ে যায় এবং দেশে অস্থিরতা দেখা দেয়। এরপর ২০১৪ সালে দেশটিতে সর্পিল গতিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। শান্তি উদ্যোগ সত্ত্বেও দেশটিতে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, হুতি বিদ্রোহীরা প্রধানত শিয়া এবং ইরান তাদেরকে অস্ত্র সরবরাহ করাসহ নানাভাবে সহযোগিতা ও উসকানি দিয়ে আসছে। আলী আবদুল্লাহ সালেহকে পদত্যাগে বাধ্য করার পর ২০১২ সালে মনসুর হাদী ক্ষমতায় আসেন। কিন্তু হুতিরা রাজধানী সানা দখল করার পর তিনি ২০১৫ সালে সৌদি আরবে পালিয়ে যান। পরবর্তীকালে তিনি এডেন শহরে অস্থায়ী রাজধানী গঠন করেন। সৌদি আরব তাকে সহায়তা দিয়ে আসছে। জাতিসঙ্ঘ, যুক্তরাষ্ট্র এবং জিসিসি হুতিদের বিরুদ্ধে হাদি সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যকার যুদ্ধে দেশটিতে বহু লোক নিহত হয়েছে। সৌদি সামরিক জোটের হামলায় অনেক বেসামরিক লোকও নিহত হয়েছে। যুদ্ধের কারণে দেশটিতে দুর্ভিক্ষসহ নানা রোগব্যাধি দেখা দিয়েছে।

    ২০১৬ সালের আগস্টে হুতি এবং সরকারি আলোচকেরা একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছার জন্য বিস্তারিত একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছিলেন। জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে কুয়েতে পাঁচ মাস আলাপ-আলোচনার পর রাজনৈতিক সমাধানের ওই উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে হুতি নেতৃত্ব এই সমঝোতা উদ্যোগকে প্রত্যাখ্যান করে। এরপর আলাপ-আলোচনার অচলাবস্থা সৃষ্টি হয় এবং জাতিসঙ্ঘও সঙ্কট সমাধানে সফল হতে পারেনি। জাতিসঙ্ঘের তিনজন বিশেষ দূত চেষ্টা চালানোর পরও ইয়েমেনে রাজনৈতিক সমাধান সফল না হওয়ার কারণ কী?

    দুইপক্ষের রাজনৈতিক নিষ্পত্তিতে পৌঁছতে না পারার বড় কারণ হলো ইরান। ইরান মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রভাব বৃদ্ধির জন্য হুতিদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ইরান হিজবুল্লাহর মতো হুতিদেরও শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চায়। হুতি মিলিশিয়াদের প্রতি ইরান সমর্থন বৃদ্ধি করেছে এবং সমঝোতায় না পৌঁছার জন্য হুতিদের উৎসাহিত করছে। জাতিসঙ্ঘও হুতিদের ব্যাপারে সন্দেহপ্রবণ। কারণ, কুয়েত আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছার ব্যাপারে একটি সম্মত কাঠামোয় পৌঁছার পর হুতিরা তা থেকে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই সরে গেছে। কুয়েতে আলোচনার পর হুতিরা জাতিসঙ্ঘ প্রস্তাবিত কাঠামো মেনে নিয়েছিল। হুতিরা ওই কাঠামো প্রত্যাখ্যান করার পর জাতিসঙ্ঘ তাদের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে পারছে না। হুতিরা একটি ডি-এসকেলেশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (ডিসিসি) গঠনের ব্যাপারে প্রথমে সম্মত হয় এবং সাতটি আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, কিন্তু পরে তারা ওই চুক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়।

    শিগগির বা যেকোনো সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সফল না হওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে- যেসব হুতি যুবকের হাতে এখন অস্ত্র আছে, তারা কোনো সঙ্কটে নেই। আর্থিক দৈন্যতায় নেই। তারা মনে করছে- গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে তারা আরো লাভবান হবে। যুদ্ধ নয়, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে যে তারা আরো লাভবান হবে- এটি তাদের উপলব্ধিতে আসতে হবে। তাই তাদের মানসিকতা পরিবর্তনের জন্যও কাজ করতে হবে।

    মানবিক পরিস্থিতি অবশ্য গত বছরের চেয়ে ভালো। তবে স্থিতিশীলতা ও পুনর্গঠন কাজ চলছে খুব ধীরে। যেসব এলাকা থেকে মিলিশিয়াদের বের করে দেয়া হয়েছে- যেখানেও ধীরগতিতে পুনর্গঠন কাজ চলছে। জিসিসি দেশগুলো ইয়েমেনের জন্য ২২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অন্য দিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও ইয়েমেনের সহায়তা ও পুনর্গঠনে এগিয়ে আসছে না। ইয়েমেনে হুতিদের গোষ্ঠীগত ভিশন কী সে সম্পর্কে পশ্চিমারা জনে না। তাই কিছু কিছু পশ্চিমা গ্রুপও হুতি বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে কিছু পশ্চিমা গ্রুপের এ অবস্থান অনাকাক্সিক্ষত।

    প্রকৃতপক্ষে হুতি প্রকল্প হচ্ছে ইয়েমেনকে ধ্বংস করার প্রয়াস। তারা যে শুধু জাতিসঙ্ঘ নীতির বিরোধিতা করছে তা নয়, বরং তারা দেশটির সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ধ্বংস করে দিয়ে থিওক্রেসি-ভিত্তিক জাতিপ্রথা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ইয়েমেনে শত শত বছর ধরে যে ব্যবস্থা চালু ছিল- হুতিরা তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায়। তারা একটি ছোট জাতিসত্তার পারিবারিক শাসন পুরো জাতির ওপর চাপিয়ে দিতে চায়, অথচ ইয়েমেনিরা ১৯৬২ সালেই ওই ব্যবস্থাকে চিরতরে কবর দিয়েছিল।

  • ইসরাইলি সেনাদের মুহুর্মূহু গুলি : ১৩০ ফিলিস্তিনি আহত

    ইসরাইলি সেনাদের মুহুর্মূহু গুলি : ১৩০ ফিলিস্তিনি আহত

    ইসরাইলের দখলদারিত্বের প্রতিবাদে শুক্রবার ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা সীমান্তে আয়োজিত সমাবেশের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এতে অন্তত ১৩০ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ২৫টি শিশু রয়েছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ কিদরা জানিয়েছেন, ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে চারজন ডাক্তার ও সাংবাদিকও আহত হয়েছেন। এর আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে ইসরাইলের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির নিন্দা জানিয়ে বলেছিল, তেল আবিবের এ অবস্থানের কারণে আরো বহু ফিলিস্তিনির মৃত্যু হতে পারে। সংস্থাটি বলেছে, ইসরাইলের জিরো টলারেন্স নীতির কারণে মারাত্মকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করা হবে যার ফলে অবৈধ হত্যা ও রক্তপাত বেড়ে যাবে।

    ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইল অপ্রয়োজনীয় ও বাড়াবাড়ি রকমের প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করছে যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লজ্জানক লঙ্ঘন বলেও উল্লেখ করেছে অ্যামনেস্টি।

    গত ৩০ মার্চ থেকে গাজাবাসী ইসরাইলের দখলদারিত্ব অবসানের বিরুদ্ধে প্রতি শুক্রবার বিক্ষোভ-সমাবেশ করে আসছে। এসব বিক্ষোভ-সমাবেশে অংশ নেয়া নিরস্ত্র লোকজনের বিরুদ্ধে ইসরাইল তাদের সেনা লেলিয়ে দিচ্ছে। এ পর্যন্ত ইসরাইলের বর্বরতায় অন্তত ১৯০ জন ফিলিস্তিনি শহীদ ও ২০ হাজার আহত হয়েছেন।
    পার্স টুডে

  • মালয়েশিয়ায় কর্মী যাবে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়!

    মালয়েশিয়ায় কর্মী যাবে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়!

    বায়ো রিক্রুটমেন্ট’ পদ্ধতিতে বিদেশে শ্রমিক পাঠাতে বায়রার দেয়া প্রস্তাব বিবেচনা এবং দ্রুততম সময়ে কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, ওই বিষয়ে গঠিত কমিটিকে পদক্ষেপ নিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রৌনক জাহান সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন। নতুন পদ্ধতিতে চালু হতে যাওয়া মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সর্বোচ্চ অভিবাসন ব্যয় এক লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা যেতে পারে বলেও বায়রার প্রস্তাবে বলা হয়েছে।

    শুধু মালয়েশিয়া নয়, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, আবুধাবি, ওমান, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, ইরাক, মরিশাসসহ শ্রমবান্ধব দেশভেদে সর্বোচ্চ কত টাকায় একজন কর্মী যেতে পারবেন তারও একটি পরিসংখ্যান প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে। বায়রার পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের দেয়া প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে বিদেশে কর্মী পাঠাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে দীর্ঘ দিন ধরে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক, বিদেশগামী শ্রমিক ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যে যন্ত্রণা পোহাচ্ছেন, তা আস্তে আস্তে দূর হবে।

    প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ৮ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব রৌনক জাহানের নেতৃত্বে ‘বিদেশে শ্রমিক প্রেরণে অভিবাসন ব্যয় কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়’ শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেনÑ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক সেলিম রেজা, বায়রার সভাপতি বেনজির আহমেদ, মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমানসহ বায়রার অন্য নেতারা।

    ওই বৈঠকে বায়রার পক্ষ থেকে ৮ মাস আগে দেয়া ‘বায়ো রিক্রুটমেন্ট’ পদ্ধতির প্রস্তাব ছাড়াও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে সৌদি আরবে শ্রমিক পাঠাতে ঢাকার দূতাবাসে পাসপোর্ট, ভিসা জমা দেয়া এবং ওঠাতে ‘ড্রপবক্স’ পদ্ধতি চালুর ব্যাপারে কোনো আলোচনাই হয়নি বলে মন্ত্রণালয় ও বায়রা সূত্রে জানা গেছে। তবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারিতে নতুন পদ্ধতিতে চালু হলে তখন যাতে কম টাকায় এবং বিশৃঙ্খলা ছাড়া শ্রমিকরা যেতে পারেন, সে জন্য গঠিত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের সচিব জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর ডিজিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কিভাবে কোন পদ্ধতিতে খোলা যেতে পারে, তা নির্ধারণে ২৬ অক্টোবর কুয়ালালামপুর থেকে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরের কথা রয়েছে বলেও জানা গেছে।

    অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান ৮ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিএমইটির ডিজি ও বায়রা নেতাদের উপস্থিতিতে যৌথসভার আলোচনা প্রসঙ্গে নয়া দিগন্তকে বলেন, আমরা বিদেশে শ্রমিক পাঠাতে ‘বায়ো রিক্রুটমেন্ট’ পদ্ধতি কিভাবে হবে তা সাবমিট করেছি। মন্ত্রণালয় আমাদের প্রস্তাব দেখার জন্য জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর ডিজিকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছে। কমিটিতে মন্ত্রণালয়, বিএমইটি ও বায়রার দুইজন সদস্য থাকবেন। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী মহোদয়ও তাদের দেয়া প্রস্তাবটি যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

    বৈঠকে বায়রা নেতাদের মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এত দিন তারা যে ধরনের চিন্তা করছিলেন তার সাথে বায়রার দেয়া প্রস্তাবটির ৯৫ শতাংশ মিল রয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে অথবা তারও আগে মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশের জন্য একই পদ্ধতিতে অভিবাসন ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গঠিত কমিটিকে বলা হয়েছে।

    মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে কত টাকা অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে, জানতে চাইলে বায়রা মহাসচিব নয়া দিগন্তকে বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এক লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যেই একজন শ্রমিককে পাঠাতে পারব বলে উল্লেখ করেছি। এ টাকায় কর্মী যাওয়ার পরও সব খরচ বাদ দিয়ে আমাদের ১৫-২০ হাজার টাকা লাভ থাকবে। তা ছাড়া প্রস্তাব মোতাবেক যদি ‘বায়ো রিক্রুটমেন্ট’ পদ্ধতিতে কর্মী পাঠানো হয় তাহলে কর্মীরা যেমন কম টাকায় বিদেশ যেতে পারবেন, তেমনি দালালদের উৎপাতও কমে আসবে। এসব শুনে কমিটি বায়ো রিক্রুটমেন্ট নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় কোন পদ্ধতিতে কর্মী যাবে; তা নির্ধারণ করতে চলতি মাসের শেষের দিকে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলের ঢাকা আসার কথা রয়েছে। দুই দেশের মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের পরই বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি দূতাবাসে ভিসা কাগজপত্র জমা ও উত্তোলনসংক্রান্ত কোনো এজেন্ডাই ছিল না জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আগেই বলেছি, ড্রপবক্স নামে যদি নতুন সিস্টেম চালু করতে হয়, তাহলে বায়রার মাধ্যমে করতে হবে। এমন প্রস্তাব আমরা বায়রা নেতারা তিনবার ঢাকার সৌদি দূতাবাসের কাউন্সিলর ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে অনুরোধ জানিয়ে এসেছি। প্রবাসী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

    বোয়ো রিক্রুটমেন্ট পদ্ধতি হচ্ছে, একজন বিদেশগামী কর্মী জেলা জনশক্তি অফিসে অনলাইন পদ্ধতিতে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করবেন। তিনি যে দেশে যেতে ইচ্ছুক ওই দেশের অভিবাসন ব্যয় কত আছে, তা তিনি নিজেই স্ক্রিনে দেখতে পাবেন। সেই মোতাবেক নিজে তার টাকা তিনি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে জমা করতে পারবেন। এরপর ফিঙ্গারপ্রিন্ট, মেডিক্যাল, ভিসাসহ অন্যান্য প্রসেসিং শেষ হলেই গন্তব্যর উদ্দেশ পাড়ি জমাবেন। মোট কথা দালাল ছাড়াই কর্মীর বিদেশ যেতে কোনো বাধা থাকছে না।

  • কেরালায় বিক্ষোভের মুখে মন্দিরে ঢুকতে পারেননি দুই নারী

    কেরালায় বিক্ষোভের মুখে মন্দিরে ঢুকতে পারেননি দুই নারী

    পাহাড়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ বেয়ে উঠেছিলেন তাঁরা। সোনার তৈরি ধাপটিতে পৌঁছাতে সিঁড়ির আর মাত্র ১৮টি ধাপ বাকি ছিল। দূরত্ব মাত্র ৫০০ মিটার। এই সোনালি ধাপটুকু পেরোতে পারলেই তাঁরা পৌঁছে যেতেন পবিত্র মন্দিরটিতে। গড়তে পারতেন ধর্মীয় গোঁড়ামি ভঙ্গের ইতিহাস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধর্মীয় উন্মাদনার কাছে হার মানতেই হলো তাঁদের। আইনও তাঁদের এই পবর্তসম ধর্মান্ধতাকে চিরে আলো পৌঁছানোর পথ তৈরি করে দিতে পারল না।

    ভারতের কেরালা রাজ্যে সাবারিমালায় পাহাড়ের ওপর আয়াপ্পা দেবতার মন্দিরে দুই নারীকে প্রবেশ থেকে বিরত রাখতে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন পুরোহিতেরা। নারীদের মাসিকের সময় বিবেচনায় ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। শত শত বছর ধরে চলে আসছে এই রীতি।

    পুরোহিতদের এই বাধার মধ্য দিয়ে যেন আরেকবার প্রমাণ হলো, পুরুষেরাই ধর্মীয় ব্যাপারে নেতৃত্বের অবস্থানে থাকবেন। নারীরা শুধুই পালন করে যাবেন। তা–ও পালন করতে হবে পুরুষের বেঁধে দেওয়া নিয়মের বেষ্টনীর মধ্যে থেকে। ধর্ম নিয়ে নারীরও যে আবেগ প্রকাশের অধিকার আছে, তা যেন উপেক্ষিতই থেকে যাবে। ধর্মপ্রাণ নারীদের যেন তা–ই করতে হবে, যা পুরুষ চায়।
    যে দুই নারী রীতি ভাঙার সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, মন্দিরে পৌঁছানোর আইনি প্রবেশাধিকার তাঁরা সঙ্গে নিয়েই গিয়েছিলেন। কিন্তু আইন তাঁদের রক্ষাকবচ হতে পারেনি।

    এনডিটিভি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, শুক্রবার পুলিশি পাহারায় একজন সাংবাদিকসহ দুজন নারী লক্ষ্যে পৌঁছানোর সময় শেষ ধাপে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মন্দিরের পুরোহিতরা। নারী দুজন শেষ আধা কিলোমিটারের সোনালি ধাপ পেরোতে চাইলে প্রতিহত করার হুমকি দিয়েছিলেন তাঁরা। সব ধরনের ধর্মীয় প্রথা ও প্রার্থনা বন্ধ করে মন্দির বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।
    সাবারিমালা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কানদারারু রাজিভারু বলেন, ‘আমরা মন্দির বন্ধ করে চাবি হস্তান্তর করে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি ভক্তদের পাশে আছি। আমার কাছে আর কোনো উপায় নেই।’আয়াপ্পা দেবতার মন্দিরে নারীদের প্রবেশে বাধা দিতে পথ অবরোধ করে রেখেছেন ভক্তরা। ছবি: এএফপি পুলিশ দুই নারীকে এই বার্তা জানানোর পর তাঁরা ফিরে আসতে রাজি হন। ঘটনাস্থলে পুলিশের দলের নেতৃত্বে থাকা মহাপরিদর্শক (আইজি) এস শ্রিজাত বলেন, ‘আমরা নারীভক্তদের পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেছি, তাঁরা ফিরে যেতে রাজি হয়েছেন। তাই আমরা ফিরে যাচ্ছি। তাঁরা আবার ফিরে আসার কথা জানিয়েছেন।’

    সকালে বিক্ষোভরত ভক্তদের উদ্দেশে শ্রিজাত বলেন, ‘আমিও একজন আয়াপ্পাভক্ত। এখানে এসেছি সুপ্রিম কোর্টের আদেশ পালনে। আমি মনে করি, নারীদের মন্দিরের ভেতর প্রবেশের অধিকার রয়েছে।’
    কিন্তু বিক্ষোভকারীরা তাঁর আহ্বানে সাড়া দেননি। তাঁরা দুই নারীর মন্দিরে প্রবেশের মুখে বাধা দেন।

    গত মাসে দেবতা আয়াপ্পার মন্দিরে নারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আদেশ দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এই ঐতিহাসিক নির্দেশের পর তিন দিন আগে মন্দিরটির খোলা হয়। অন্য ভক্তদের মতে, আদালত সে ক্ষেত্রে আবেগ ও ঐতিহ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নেননি। তাঁদের ভাষায়, আয়াপ্পা একজন কুমার দেবতা এবং নারীদের ঋতুকালীন বয়স ‘বিশুদ্ধ নয়’।

    মন্দিরটি পরিচালনায় থাকা দেবাসম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী কাদাকামপালি সুরেনদ্রান এনডিটিভিকে বলেছেন, যে দুজন নারী মন্দিরে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন, তাঁরা ভক্ত নন, অধিকারকর্মী। সত্যিকারের কোনো ভক্ত সেখানে যেতে চাইলে সুরক্ষা দেওয়া হবে। কিন্তু কোনো অধিকারকর্মীকে সাবারিমালাকে তাঁদের জায়গা হিসেবে প্রমাণের সুযোগ দেওয়া হবে না।

    হায়দরাবাদের মোজো টিভির সাংবাদিক কবিতা জাক্কাল হলুদ হেলমেট মাথায় বিক্ষোভের মধ্যে মন্দিরে যাচ্ছিলেন। তাঁকে ঘেরাও করে রেখেছিল পুলিশ। ৩০০ পুলিশ ঘেরাও করে নিয়ে যাচ্ছিল তাঁকে। আরেক নারী কালো শাড়ি পরে, দেবতা আয়াপ্পার জন্য রীতি অনুসারে প্রার্থনার সরঞ্জাম মাথায় নিয়ে আলাদাভাবে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ৪৬ বছর বয়সী নারী ম্যারি সুইটি ফিরে আসতে রাজি ছিলেন না। তিনি জানান, তিনি গির্জা, মসজিদ, মন্দিরে গেছেন, আয়াপ্পাও দেখতে চান। সে সময় পুলিশ তাঁকে নিজ দায়িত্বে যেতে বলেন। পাম্বা থেকে তাঁরা ৪ দশমিক ৬ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ বেয়ে উঠেছিলেন।
    বিক্ষোভকারী ভক্তদের দুই দিন ধরে মন্দিরে নারীদের প্রবেশে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিলাক্কাল ও পাম্বা বেজ ক্যাম্পে সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে । সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তাঁদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ক্রমাগত হুমকির মুখে নারীরা ফিরে আসতে বাধ্য হন।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সকালেও দুজন সাংবাদিক যাঁর একজন ‘নিউইয়র্ক টাইমস’–এর ভারতীয় সাংবাদিক মন্দিরের ভেতর প্রবেশের চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীদের বাধার মুখে ফিরে আসেন।

  • দুর্গাপূজায় পশুবলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীর অবস্থান

    দুর্গাপূজায় পশুবলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীর অবস্থান

    দুর্গাপূজায় পশুবলির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন আসামের কাছাড় জেলার শিলচরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এনআইটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র কল্পনার্ব শর্মা। সপ্তমী পূজার দিন ব্যানার টাঙিয়ে কাছার জেলার কাঁচাকান্তি মন্দিরের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেন তিনি।

    ভারতে সপ্তমী পূজার দিন বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত তিনি ওই মন্দিরের সামনে অবস্থানে বসেন। অষ্টমীর পর নবমীর দিন শিলচর শহরের শ্যামানন্দ আশ্রমের পূজামণ্ডপের কাছে অবস্থান ধর্মঘট করেন। সেখানে তখন পশুবলি চলছিল।

    আশ্রম কর্তৃপক্ষ এনআইটির ওই ছাত্রের অবস্থান কর্মসূচি দেখে এগিয়ে আসে। তারা জানায়, এই আশ্রমের দেয়াল ঘেঁষে বসা চলবে না। এরপর কল্পনার্ব ব্যানার নিয়ে বসে পড়েন আশ্রমের মন্দিরের কাছে এক বাড়ির সামনে।

    সেখানে পশুর রক্তে ভেজা পোশাক পরা কয়েকজন গিয়ে ওই ছাত্রকে হুমকি দেন। এরপর ব্যানার গুটিয়ে কল্পনার্ব ওই এলাকা ছেড়ে চলে যান।

    কল্পনার্ব বলেন, পশুবলির বিরুদ্ধে তাঁর আন্দোলন চলবে। পশুবলি অমানবিক প্রথা। ধর্মের নাম দিয়ে হত্যাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়। মন্দিরে বলি দেওয়ায় শিশুমনে প্রভাব পড়ে।

  • ভারতে ট্রেনচাপায় নিহত অন্তত ৬০

    ভারতে ট্রেনচাপায় নিহত অন্তত ৬০

    ভারতের অমৃতসরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপনের সময় ট্রেনে চাপা পড়ে অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ জন। শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঞ্জাব রাজ্যের দোবি ঘাট এলাকায় রাবণের কুশপুত্তলিকা দাহের অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছিল। স্থানটি জুরা পাটক রেললাইন–সংলগ্ন। কুশপুত্তলিকা দাহের সময় আতশবাজি ফোটানো হচ্ছিল। এ কারণে দর্শনার্থীরা ট্রেনের আওয়াজ শুনতে পাননি।

    এনডিটিভির খবরে বলা হয়, সেখানে ৭০০ জনের মতো দর্শনার্থী ছিলেন। আতশবাজির স্ফুলিঙ্গ থেকে বাঁচার জন্য কিছু মানুষ রেললাইনের ওপর উঠে পড়ে। আর সে সময়ই ওই ট্রেন চলে আসে। স্থানীয় পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাখবির সিংহ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, অনুষ্ঠানস্থলে কোনো বেষ্টনী দেওয়া ছিল না। এটি রেললাইন থেকে মাত্র ২০০ ফুট দূরে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং হতাহতের বিষয়ে শোক জানিয়েছেন।

    পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং উদ্ধার দ্রুত তৎপরতা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।