Category: আন্তর্জাতিক

  • মালয়েশিয়ায় ভূমিধসে তিন বাংলাদেশিসহ নিহত ৯

    মালয়েশিয়ায় ভূমিধসে তিন বাংলাদেশিসহ নিহত ৯

    মালয়েশিয়ায় ভূমিধসে তিন বাংলাদেশিসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন।

    টুইন হিলস এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের সাইটে নির্মাণস্থলে এ দুর্ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১০ জন।

    শুক্রবার পেনাং রাজ্যের জালান বেরকামবার পায়া টেরাবোং রিলাউর কাছে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত তিন বাংলাদেশি হলেন- যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩০), পানিসারা ইউনিয়নের মোহিনিকাটি গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে রাহাতজান আলী (২৫) এবং ঝিকরগাছা সদর ইউনিয়নের সাগরপুর গ্রামের মোজাহারুল ইসলামের ছেলে আখতারুজ্জামান (৩৫)।

    নিহতরা একে অপরের খালাতো ভাই। একই পরিবারের তিন ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    নিহত অন্যদের মধ্য ইন্দোনেশিয়ার তিনজন পুরুষ ও দুইজন নারী এবং মিয়ানমারের একজন নারী রয়েছেন।

    দেশটির উত্তর-পূর্ব জেলা পুলিশ সহকারী কমিশনার চে জামান জানান, স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের ঘটনায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

    এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১০ জন। তাদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

    নিখোঁজ ব্যক্তিরা মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করছে উদ্ধারকারী দল।

     
  • দ্বিতীয়বার গণভোটের দাবিতে লন্ডনের রাজপথে লাখো মানুষ

    দ্বিতীয়বার গণভোটের দাবিতে লন্ডনের রাজপথে লাখো মানুষ

    ব্রেক্সিটের দ্বিতীয়বার গণভোটের দাবিতে লন্ডনের রাজপথে আন্দোলনে নেমেছিল লাখ লাখ ব্রিটিশ নাগরিক। ব্রেক্সিট নিয়ে এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সমাবেশ বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো।

    শনিবার (২০ অক্টোবর) লন্ডনে আন্দোলনটি অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীদের হাতে ছিলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নীল ও সোনালি পতাকা। ব্যানারগুলোতে লেখা ছিলো আরেকটি গণভোটের দাবির কথা।

    আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো জানায়, এ আন্দোলনের কারণে আবারও চাপের মুখে পড়বেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে ব্রেক্সিট আলোচনায় ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

    জানা যায়, আগামী বছরের মার্চ মাসেই ইইউ ত্যাগ করছে যুক্তরাজ্য। কয়েক মাস আলোচনার পর দেশটির প্রধান দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক বিভেদ দেখা দিয়েছে। কনজারভেটিভরা নিজেদের মধ্যে কোন্দল শুরু করা ছাড়াও কীভাবে ইইউ ছাড়া হবে তা নিয়ে দ্বিধান্বিত হয়ে আছে লেবার পার্টি। তবে দুই দলের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দ্বিতীয়বার গণভোট করার সময় পর্যাপ্ত সময় কি আসলেই আছে?

    মিছিলের আয়োজকদের একজন জেমস ম্যাকগ্ররি বলেন, ভোটারদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া উচিৎ। কারণ এ সিদ্ধান্তে পরবর্তী প্রজন্মের ওপরও প্রভাব ফেলবে। সবাই মনে করছে ব্রেক্সিট আলোচনায় জট পাকিয়ে গেছে। সরকারের ওপর কোনও আস্থা নেই তাদের।

    আয়োজকদের দাবি, মিছিলে সাত লাখ ব্রিটিশ নাগরিক অংশ নেয়। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের বিরোধিতার ঘটনার পর এটাই যুক্তরাজ্যে এটাই সবচেয়ে বড় মিছিল।

    দেশটির মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, যে পরিমাণ লোক ছিল তার সঠিক সংখ্যা জানানো সম্ভব না।

    লন্ডনের মেয়র সাদিক খান, যিনি মূল রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা নিয়ে পার্লামেন্ট স্কয়ার এলাকা থেকে এ সমাবেশের যাত্রা শুরু করেছিলেন। তার সঙ্গে ছিলো জনপ্রিয় বক্তা স্টিভ কোগান, ডেলিয়া স্মিথ এবং দেবোরাহ মেডেন।

    সাদিক খান বলেন, কোনটা আসলে গুরুত্বপূর্ণ যে, ভোটটি আনডেমোক্রেটিক, আনপ্যাট্রিয়োটিক। তবে এটা বোঝা যাচ্ছে সঠিক বিরোধীরাই যা বলছে তা সত্য। তাহলে আরও ডেমোক্রেটিক বিষয়টি কি বা আরো ব্রিটিশ নাগরিকে পরিণত হওয়া মানে কি? এক্ষেত্রে ব্রিটিশ সাধারণ নাগরিকদের বিচার মেনে নিতে হবে।

    হ্যারোগেট এলাকায় প্রো-ব্রেক্সিট এলাকায় যখন সমাবেশ শুরু হয়েছিল তখনই যাত্রাটি শুরু হয়েছিল। যার মূল আয়োজক ছিল ইউকেআইপি’র সাবেক নেতা নিগেল ফারাজ।

    গত জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যের চেকার্সে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্রেক্সিটের জন্য থেরেসা মে যেসব শর্তের খসড়া লিপিবদ্ধ করেছিলেন সেগুলোর বিষয়ে ইইউ নেতারা অস্ট্রিয়ার সালজবার্গে বৈঠকে বসেছিলেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর সেখানে থেরাসে মের অনুপস্থিতিতেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তার পরিকল্পনা সফল হবে না।

    মূল সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে ইইউ সদস্য রাষ্ট্র আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড অংশের মধ্যে বাণিজ্যের শর্ত নির্ধারণ নিয়ে। আইরিশ সীমান্তের বিষয়ে ইইউয়ের পরামর্শ হচ্ছে- নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ইউরোপীয় বাজারের অংশ হিসেবে থাকবে। আর বাকি যুক্তরাজ্য ইইউ থেকে আলাদা হয়ে যাবে। কিন্তু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত অর্থনৈতিকভাবে এবং সাংবিধানিকভাবে যুক্তরাজ্যকে বিভক্ত করে ফেলবে।

  • নাইজেরিয়ায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় নিহত ৫৫

    নাইজেরিয়ায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় নিহত ৫৫

    নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় কাদুনা রাজ্যের একটি বাজারে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ৫৫ জন নিহত হয়েছেন।

    শনিবার রাজ্যটির কাসুয়ান মাগানি শহরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারির বরাতে জানিয়েছে বিবিসি।

    শহরটির একটি বাজারে ঠেলাগাড়ি চালকদের মধ্যে ঝগড়ার পরিণতিতে মুসলিম ও খ্রিস্টান তরুণরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে।

    এ ঘটনায় ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাদুনা রাজ্য পুলিশের কমিশনার। ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ শহরজুড়ে কারফিউ জারি করেছে।

    প্রেসিডেন্ট বুহারির দাপ্তরিক মুখপাত্র গার্বা শেহু এক টুইটে জানিয়েছেন, এ ধরনের বিরোধের ঘটনায় ঘন ঘন সহিংসতার ব্যবহারে ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন বুহারি।

    বুহারি বলেছেন, “জীবনের পবিত্রতার প্রতি এই উপেক্ষা কোনো সংস্কৃতি ও ধর্মই সমর্থন করে না। যে কোনো সমাজের কল্যাণ ও অগ্রগতির জন্য শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান জরুরি।

    “বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সুসম্পর্ক ছাড়া আমাদের দৈনন্দিন উদ্দেশ্য সাধনও অসম্ভব হবে।”

    তিনি সহনশীলতাকে উৎসাহিত করতে এবং এ ধরনের মতভেদ সহিংসতায় পর্যবসিত হওয়ার আগেই থামানোর জন্য সমাজের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা

  • আজ ৬৬টি মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    আজ ৬৬টি মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ রবিবার ৬৬টি মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন যুগের সূচনা করবে।

    এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) সূত্র জানায়, আজ রবিবার সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের নামে নামকরণকৃত ৬৬টি মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করবেন।

    সূত্র আরো জানায়, প্রধানমন্ত্রী একই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কমপ্লেক্সে একটি মাল্টিস্পোর্টস ইনডোর কমপ্লেক্স এবং ৬ জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও উদ্বোধন করবেন।

    মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার অনুযায়ী এই প্রকল্পের প্রথম ধাপে ১৩১টি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পটি ২০১৫ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন লাভ করে।

    সূত্র আরে জানায়, দেশের খেলাধুলার উত্তরোত্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার প্রতিটি উপজেলায় ১২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

  • রাশিয়ার সঙ্গে পরমাণু অস্ত্র চুক্তি বাতিলের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের

    রাশিয়ার সঙ্গে পরমাণু অস্ত্র চুক্তি বাতিলের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের

    রাশিয়ার সঙ্গে করা পরমাণু অস্ত্র চুক্তি থেকে সরে আসবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্স (আইএনএফ) চুক্তি লঙ্ঘন করেছে রাশিয়া। সেজন্যই তারা চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন।

    ওই চুক্তি অনুযায়ী, স্থল থেকে উৎক্ষেপিত মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরে আঘাত আনা সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ওই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে রাশিয়া। আর যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে এমন অস্ত্র ব্যবহার করতে দেবে না, যার অনুমতি তাদের নেই।

    ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি না প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কেন এটা নিয়ে আলোচনা করেননি বা সরে আসেননি। রাশিয়া অনকেদিন ধরেই এই চুক্তির লঙ্ঘন করে আসছে।’

    ২০১৪ সালে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা একবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে আইএনএফ চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, নোভাটের-৯এম৭২৯ নামে মধ্যপাল্লার একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি তৈরি করেছে রাশিয়া। এর মাধ্যমে খুব সহজেই ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর ওপর আক্রমণ চালাতে পারবে তারা।

    অবশ্য শুক্রবার নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের সামরিক আগ্রাসন থামাতেই যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ওই চুক্তি থেকে বের করে আনতে চাইছে।

    স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন এসএস-২০ ব্যবস্থা গ্রহণ করায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল। মার্কিন মিত্ররা তখন যুক্তরাষ্ট্রের পারসিং ও ক্রুজ মিসাইল নেওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল। এই ঘটনায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়। পরে আইএনএফ চুক্তির মাধ্যমেই পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকবার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনলেও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কখনোই এই চুক্তি থেকে সরে আসতে চাননি। তিনি মনে করতেন, যুক্তরাষ্ট্র সরে আসলে আবারও বিশ্বে অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যেতে পারে।

  • আমেরিকার নির্বাচনে ইরানের হস্তক্ষেপ!

    আমেরিকার নির্বাচনে ইরানের হস্তক্ষেপ!

    ইরান আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে বলে ওয়াশিংটন যে অভিযোগ করেছে তাকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, অলীক কল্পনা থেকে আমেরিকা এ ধরনের অভিযোগ করেছে।

    তিনি আরো বলেন, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা ইরানের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

    বাহরাম কাসেমি বলেন, মার্কিন সরকার আমেরিকার অভ্যন্তরীণ সংকট থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছে এবং প্রতিদিনই নতুন নতুন দেশকে নিজের শত্রুতে পরিণত করছে।

    ইরানের এই মুখপাত্র বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই দাবি করেছেন তিনি ক্ষমতায় আসার পর ইরান নিজেকে নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যে, আঞ্চলিক বিষয়ের দিকেও আর নজর দিতে পারছে না। তাহলে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকা ইরান কীভাবে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আমেরিকার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

    আমেরিকার জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়, বিচার মন্ত্রণালয় ও ফেডারেল পুলিশ বাহিনী- এফবিআই গত শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে কোনো ধরনের দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই দাবি করে, ইরান, রাশিয়া ও চীন আমেরিকার আসন্ন মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে।

    নির্বাচনের আগে চালানো জরিপের ফলাফলগুলোতে দেখা যাচ্ছে, এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দল মারাত্মক ভরাডুবির শিকার হবে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, জনগণের সহানুভূতি আদায় করে আসন্ন নির্বাচনের অবশ্যম্ভাবী এ পরাজয় রোধ করার লক্ষ্যে তেহরান, বেইজিং ও মস্কোর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছে ওয়াশিংটন।