পাকিস্তানে অনাগরিকদের জন্য নীতিনির্ধারণ করতে বলেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বুধবার তিনি বলেন, অনাগরিকদের বিষয়টি আর উপেক্ষা করতে পারে না পাকিস্তান।কয়েক দশক ধরে পাকিস্তানে বসবাস করছেন, এখানেই জন্ম নিয়েছেন ও বিয়ে করেছেন- এসব নাগরিকের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।দেশটির জাতীয় পরিষদে মঙ্গলবার ইমরান খান বলেন, সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশকে উপেক্ষা করে দেশ ভালো কিছু অর্জন করতে পারে না। করাচিতে একটি ব্রিফিংয়ে আমরা অবগত হয়েছি- রাস্তাঘাটে অপরাধে জড়িতদের একটি বড় অংশ হচ্ছে নাগরিকত্ব ছাড়াই পাকিস্তানে বসবাস করা লোকজন।তিনি বলেন, তাদের নাগরিকত্ব দেয়া না হলে তারা স্কুলে যেতে পারবে না, চাকরি পাবে না, কাজেই অপরাধ ছাড়া তারা আর কি করতে পারে?আর এভাবেই আমরা একটি অবহেলিত শ্রেণি তৈরি করেছি জানিয়ে ইমরান খান বলেন, কাজেই এ ক্ষেত্রে একটি নীতিমালা তৈরি করতে হবে।সাবেক এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেন, কয়েক দশক ধরে তাদের অধিকার দেয়া হচ্ছে না, শোষণ করা হচ্ছে- এমনকি তাদের মজুরিও অর্ধেক করে দেয়া হয়েছে।তিনি এটিকে মানবাধিকারের বিষয় হিসেবে নিয়েছেন জানিয়ে বলেন, আমরা মানুষের সঙ্গে চলাফেরা করি। কাজেই তাদের দেখভালও আমাদের করতে হবে।
ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে শিকার করা পশুর মাথাগুলো কাউন্সিল সদস্যদের বাড়িতে সাজিয়ে রাখার জন্য উৎসাহিত করা হত। যদিও বেশির ভাগ শিকারি তাদের রাইফেল ব্যবহার করে করে না কিন্তু এখনো কিছু কিছু বাড়িতে পশুদের মাথা দেখা যায়, যেগুলো তারা আগে শিকার করেছিল।
তারা যেসব অস্ত্র ব্যবহার করতো সেগুলো পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রেখে দেয়া হত। শিকার করা একই সাথে তাদের দক্ষতার এবং সাহসিকতার পরিচয় বহন করতো।
এই সম্প্রদায়টি লোক সঙ্গীত পছন্দ করে এবং কোন অনুষ্ঠানে বা গ্রামের কাউন্সিলের সামনে গেয়ে থাকে। খোনোমা গ্রামে এখন অনেক ধরণের গাছ রয়েছে। যেগুলোর ৗষুধি গুনাগুণ রয়েছে তেমনি রয়েছে অনেক বন্য গাছ।





