আগামী মাসের গোড়ায় ভারত সফরে আসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মস্কোর সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে ওই সফরে। তার আগে শনিবার ওয়াশিংটনের পৌঁছালেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।এ সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি।ভারতের কূটনৈতিক সূত্র বলছে, দোভালের এই সফর রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির দিকে লক্ষ্য রেখেই। সদ্য শেষ হয়েছে আমেরিকার সঙ্গে টু প্লাস টু বৈঠক। সেখানেও এই চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।-খবর আনন্দবাজারপত্রিকা অনলাইনের।ভারত আশাবাদী যে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার বিষয়টি নিয়ে আমেরিকার কাছে থেকে ছাড় আদায় করা সম্ভব হবে।ওয়াশিংটনকে দোভাল বোঝাতে চেষ্টা করবেন যে রাশিয়ার সঙ্গে এই চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন আগেই কথা শুরু হয়েছিল। তখন আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার প্রশ্নই ওঠেনি। তা ছাড়া এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পাকিস্তানের কাছেও আছে।তাই দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য নয়াদিল্লির পক্ষে তার নাগাল পাওয়াটা খুবই জরুরি। এর সঙ্গে আফগানিস্তানের নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িয়ে রয়েছে। রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র চীনকেও বিক্রি করেছে বলে হোয়াইট হাউসকে জানাবে নয়াদিল্লি।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর আমেরিকার সমরাস্ত্র শিল্প সংস্থাগুলোরও প্রবল চাপ রয়েছে ভারতকে নিষিদ্ধ তালিকায় না আনার জন্য। লকহিড মার্টিন, বোয়িং অথবা রেথিয়নের মতো সংস্থাগুলো ভারতকে নিয়মিত যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ করে।ভারতকে নিষিদ্ধ তালিকায় আনা হলে বিপুল অংকের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়তে হবে সংস্থাগুলোকে।দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এখন রাশিয়ায়। এই নিয়ে গত ১১ মাসে তিন বার রাশিয়া গেলেন সুষমা। রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী ইউরি বোরিসোভের সঙ্গে বৈঠক করেন সুষমা। পরে বলেন, মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ককে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেয় দিল্লি।
Category: আন্তর্জাতিক
-

রাখাইন পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে সামলানো যেত: সু চি
রাখাইনের পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে সামাল দেয়া যেত বলে মন্তব্য করেছেন মিয়ানমারের বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি। দেশটির সেনাবাহিনীর জাতিগত নিপীড়নের এক বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে বৃহস্পতিবার আসিয়ান নিয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে সু চি বলেন, এখন ভাবলে মনে হয়, কিছু উপায় অবশ্যই ছিল, যার মাধ্যমে পরিস্থিতিটা আরও ভালোভাবে সামাল দেয়া সম্ভব ছিল।
তবে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের খবর প্রকাশ করায় বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই প্রতিবেদকের কারাদণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, তাদের প্রতি ন্যায়সঙ্গত আচরণই করা হয়েছে।
স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের লাগাম টেনে ধরার অভিযোগে যখন বিশ্বব্যাপী মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠছে, তখন এই শান্তিতে নোবেলজয়ী বলেন, সাংবাদিক বলেই তাদের কারাদণ্ড দেয়া হয়নি। আদালত মনে করেছেন, তারা দেশের গোপনীয়তার আইন লঙ্ঘন করেছেন।
তিনি বলেন, তাদের কারাদণ্ডের সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই। উন্মুক্ত আদালতেই তাদের বিচার করা হয়েছে। আমি মনে করছি না, যে কেউ বিচারের ওই রায়ের সংক্ষিপ্তসার পড়লে বিরক্তবোধ করবেন। এর সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই।
নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েক ডজন স্থাপনায় একযোগে হামলার পর গত বছর ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে সেনাবাহিনীর ওই দমন অভিযান শুরু হয়। সেই সঙ্গে শুরু হয় এশিয়ার এ অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকট।
গত এক বছরে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও এখনও প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি।
পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কথায় উঠে এসেছে রাখাইনে তাদের গ্রামে গ্রামে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ।
জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তথ্যানুসন্ধান মিশনের প্রতিবেদনে সম্প্রতি বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গণহত্যার অভিপ্রায় থেকেই রাখাইনের অভিযানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটিয়েছে।
ওই প্রতিবেদন আসার পর জাতিসংঘের বিদায়ী মানবাধিকার হাইকমিশনার জাইদ রা’দ আল হুসেইন বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নৃশংস দমন অভিযানের ঘটনায় মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির পদত্যাগ করা উচিত ছিল।
অবশ্য মিয়ানমার বরাবরই সেসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলে আসছে, তাদের অভিযান ছিল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে, যারা গত বছর ২৫ আগস্ট নিরাপত্তা বাহিনীর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।
হ্যানয়ের সম্মেলনে সু চি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, আমরা যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা চাই, আমাদের হতে হবে পক্ষপাতহীন। কেবল নির্দিষ্ট কোনো পক্ষকে আইনের শাসনে সুরক্ষা দেয়ার কথা আমরা বলতে পারি না।
-

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৫২
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে পাহাড়ি রাস্তা থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। নিহতদের মধ্যে ছয় শিশুও রয়েছে।গত মঙ্গলবার ভারতের রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার যাত্রীবাহী বাসটি জাগতিয়াল জেলার একটি পাহাড়ি রাস্তা থেকে গড়িয়ে ৩০ ফুট নিচে পড়ে গেলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের।
হনুমান মন্দির পরিদর্শন শেষে ৬০ জনেরও বেশি তীর্থযাত্রী বাড়ি ফিরছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আরেকটি বাসকে সাইড দিতে গিয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলেই ৪৫ জন নিহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর গুরুতর আহতদের মধ্য থেকে আরও সাতজন মারা যান।
তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারকে ৫ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
-

মানব হত্যাকারী বাঘিনীকে রক্ষায় আপিল খারিজ
ভারতে মানুষ মারা একটি বাঘিনীকে যেন গুলি করে হত্যা না করা হয়, এ মর্মে করা এক আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট।কর্মকর্তারা বলছেন, মহারাষ্ট্র রাজ্যে বনভূমির কাছে গরু-ছাগল চরানোর সময় পাঁচ গ্রামবাসী নিহত হয়েছে ওই বাঘিনীটির হাতে।আদালত বলেন, বনরক্ষীরা যদি বাঘটিকে ধরতে ব্যর্থ হয় এবং গুলি করে হত্যা করতে বাধ্য হয়, তা হলে আদালত এতে হস্তক্ষেপ করবে না।-খবর বিবিসি বাংলা।বনরক্ষীরা বাঘটিকে ধরার পরিকল্পনা করার পর বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা আদালতে আপিল করেন যে, বাঘিনীটির প্রতি দয়া দেখানো হোক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে একে প্রাণভিক্ষার আবেদন বলে অভিহিত করা হয়।সংরক্ষণ কর্মীরা বলেন, বন বিভাগ এটি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে যে, গ্রামবাসীদের মৃত্যুর জন্য বাঘিনীটিই দায়ী। ভারতে কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, বাঘিনীটির হাতে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, একটি মাত্র বাঘের হাতে এত লোক আক্রান্ত হওয়া খুবই অস্বাভাবিক।
ভারতে প্রাণী সংরক্ষণ নীতির ফলে বাঘের সংখ্যা এখন বাড়ছে, কিন্তু বনভূমির পরিমাণ কমে আসায় তাদের সঙ্গে মানুষের সংঘাতও বাড়ছে।
-

ভার্সিটিতে পড়তে যাবে মেয়ে, সঙ্গে চাই ১৩ কর্মী
কয়েক মাস আগেই বেরিয়েছিল বিজ্ঞাপনটি— মালিককে ঘুম থেকে তোলার জন্য কর্মী চাই!
কিন্তু কার জন্য এমন বিজ্ঞাপন, সে প্রশ্নেই সরগরম ছিল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। তবে উত্তরটি মিলেছে সম্প্রতিই। জানা গেছে, এক ভারতীয় কোটিপতির কিশোরী কন্যা সবে ভর্তি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার যাতে কোনো রকম অসুবিধা না হয়, তার জন্যই এত আয়োজন!
স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রেখেছে ওই মেয়েটি। তার মধ্যেই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে সে। জুটে গেছে সবচেয়ে অভিজাতের তকমাও।-খবর আনন্দবাজারপত্রিকা অনলাইনের।
একসময় এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই বিখ্যাত প্রাক্তন ছাত্রী ছিলেন ডিউক ও ডাচেস অব কেমব্রিজ উইলিয়াম ও কেট। কিন্তু সেই সময় উইলিয়ামও আর পাঁচজন পড়ুয়ার মতো খুব সাধারণভাবেই থাকতেন। তাই ভারতীয় কোটিপতি-কন্যার জন্য এমন আয়োজনে হতভম্ব অনেকেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রী বরাবরই বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য কি সেসব ছাড়তে হবে তাকে? এটি তো আর কয়েক মাসের ব্যাপার নয়! পুরো চার বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটাতে হবে। কিন্তু এতদিন থাকতে গেলে সহপাঠীদের সঙ্গে তো ঘর শেয়ার করতে হবে! এমনকি নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে!
মেয়ের এহেন অসুবিধায় এগিয়ে আসে পরিবারই। বাড়ির আদরের মেয়ের যাতে কষ্ট না হয়, তার জন্যই বিলাস-ব্যসনের এলাহি আয়োজন। প্রথমেই সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি একটি বিশাল বাড়ি কিনে ফেলেছে পরিবারটি। মাঝেমধ্যে সেখানে গিয়ে মেয়েকে সঙ্গ দেবেন তার বাবা-মা ও ভাই।
কিন্তু মেয়ের কাজ কে করবে? তার জন্যই তো নিয়োগ করা হয়েছে ১৩ কর্মীকে। আর এ কর্মী নিয়োগ করার জন্যই যোগাযোগ করা হয়েছিল এক অভিজাত নিয়োগকারী সংস্থা সিলভার সোয়ানের সঙ্গে। তারা একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, শহরতলিতে ঘরের কাজের জন্য ১৩ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মী চাই। মাইনে— বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড।
এখানেই শেষ নয়, বিজ্ঞাপনে এ-ও বলা ছিল যে, ঘরের কাজের মহিলা কর্মীকে কর্মশক্তিতে ভরপুর, উচ্ছল হতে হবে। ওই মহিলা কর্মীর কাজ হল— রুটিন অনুযায়ী অন্য কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা, ওয়্যারড্রব গ্রুমিং ও মেয়েটির ব্যক্তিগত শপিংয়ে সাহায্য করা। শুধু তা-ই নয়, মেয়েটির ঘুম থেকে উঠে ক্লাসে যেতে দেরি না হয়ে যায়, সে কারণে মেয়েটিকে ঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠিয়ে দেয়াটাও মহিলা কর্মীর কাজের মধ্যে পড়বে।
আর খাওয়া-দাওয়া? সে বিষয়েও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শেফ খুঁজেছে পরিবারটি। বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ওই ছাত্রীর জন্য রান্না করতে যারা ইন্টারভিউ দেবেন, তাদের ভারতীয় খাবার বানানো জানতে হবে।
বিশেষ করে, দক্ষিণ ভারতীয় খাবার। এ ছাড়া চাইনিজ ও ইতালীয় খাবারদাবার বানানোয়ও দক্ষ হতে হবে শেফকে। এ ছাড়া সাহায্যকারী কর্মীদের দলে থাকছেন একজন মালি, একজন গাড়ির চালক ও এক বাটলার।
কে সেই কোটিপতি কন্যা, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও। কারণ কোনো সংবাদমাধ্যমেই এখনও মেয়েটি বা তার কোটিপতি বাবার নাম প্রকাশিত হয়নি।
-

প্যারিসে ছুরি হামলায় দুই ব্রিটিশ পর্যটকসহ আহত ৭
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ছুরি নিয়ে পথচারীদের উপর এক দুর্বৃত্তের হামলায় দুই ব্রিটিশ পর্যটকসহ ৭জন আহত হয়েছেন।এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ এক আফগান যুবককে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে। খবর গার্ডিয়ানের।
সোমবার সকাল ৮টায় (স্থানীয় সময় রোববার রাত ১১টায়) প্যারিসের ব্যাস্ততম পর্যটন এলাকায় লেকের পাশে এ ছুরি হামলার ঘটনা ঘটে।
ব্রিটিশ দুই পর্যটকের বুকে এবং অন্যদের মাথায় ছুরিকাঘাত করে হামলাকারী। এ ঘটনায় আহত সাতজনের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
তবে আটক আফগান যুবকের নাম বা তার ব্যাপারে বিস্তারিত আর কোন তথ্য প্রকাশ করেনি পুলিশ।
