Category: আন্তর্জাতিক

  • আমেরিকার প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন ইরানের বড় সফলতা: রুহানি

    আমেরিকার প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন ইরানের বড় সফলতা: রুহানি

    পরমাণু সমঝোতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গিয়ে আমেরিকা তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার পর যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্রসহ বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোকে পাশে পেয়েছে ইরান। এ কারণে এ ঘটনাকে ইরানের বিরাট সফলতা বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

    শনিবার সন্ধ্যায় ইরানের সুন্নি আলেমদের এক সমাবেশে এ মন্তব্য করেন রুহানি। তিনি বলেন, ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য এখন মার্কিনীদের হাতে কোনো অজুহাত নেই। কারণ, তেহরান তার সব আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। খবর পার্সটুডের।

    ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, তার দেশের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিশ্বের কয়েকটি দেশ ছাড়া আর কেউ আমেরিকাকে সমর্থন দেয়নি। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ বিরোধিতার মুখোমুখি হলো আমেরিকা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৮ মে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে আগের নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনর্বহাল করা হবে।

    অন্যদিকে ২০১৫ সালের পরমাণু সমঝোতায় স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো অর্থাৎ ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, তারা আমেরিকাকে ছাড়াই এ সমঝোতা এগিয়ে নিয়ে যাবে।

  • নিরাপত্তা পরিষদে হামাসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

    নিরাপত্তা পরিষদে হামাসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

    সাম্প্রতিক ইসরায়েলি বর্বরতায় শতাধিক নিরীহ ফিলিস্তিনিকে হত্যার জন্য হামাসকে দায়ী করে ওয়াশিংটনের এক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে। ফলে ফিলিস্তিন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা বলতে গেলে পুরোপুরি একঘরে হয়ে পড়েছে। প্রস্তাবটিতে নিজেদের ভোট ছাড়া আর কোনো ভোট পায়নি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    হামাসকে দায়ী করে মার্কিন প্রস্তাবে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে ১১টি দেশ ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। রাশিয়া ও অন্য দুটি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। শুধু নিজেদের ভোটটি পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    নিজেদের বাইরে অন্য কারো ভোট না পাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আল জাজিরার জাতিসংঘ বিষয়ক প্রতিনিধি জেমস বেইস বলেছেন, ‘সর্বশেষ কবে নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র এমনভাবে একঘরে হয়েছিল তা মনে পড়ছে না। হামাসকে নিয়ে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিজেদের বিরুদ্ধেই গেছে এবং এটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুবই অপমানজনক।’

    গত ৩০ মার্চ থেকে প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েলি সেনাদের হাতে ফিলিস্তিনের বেসামরিক লোকেরা নিহত হচ্ছে। তা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধকে আগ্রাসন বলে অভিহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি হামাসকে দায়ী করে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়ার দাবি জানায়।

    এদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত নিকি হ্যালি বলেছেন, গাজা থেকে যে হামলা চালানো হচ্ছে তার জন্য ফিলিস্তিনের নেতাদের দায়ভার নিতে হবে। তার মতে, ওই অঞ্চলে শান্তির জন্য হামাস একটি বড় বাধা।

    এর আগে ইসরায়েলি বর্বরতা থেকে ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা দেয়ার বিষয়ে কুয়েতের উঠানো এক প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ভেটো দেয় ওয়াশিংটন।

    শুক্রবার কুয়েতের তোলা এই খসড়া নিন্দা প্রস্তাবে রাশিয়া, চীন, ফ্রান্সসহ ৯টি সদস্য দেশ সমর্থন জানালেও ওয়াশিংটনের আপত্তিতে তা কার্যকর করা যায়নি।

    যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড ও ইথিওপিয়া ভোটদানে বিরত ছিল। স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে কেবল যুক্তরাষ্ট্রই কুয়েতের প্রস্তাবটির বিরোধিতা করে।

    দুই ভোটের এই বৈসাদৃশ্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি বলেছেন, একতরফাভাবে কেবল ইসরায়েলের ওপর দোষ চাপাতে গিয়ে জাতিসংঘ হামাসের দায় দেখছেই না। জতিসংঘ যে ইসরায়েলের সঙ্গে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে, এটা এখন পুরোপুরি স্পষ্ট।

    মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে গাজা সীমান্ত বরাবর শুরু হওয়া ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ দমনে তেল আবিবের সহিংস আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে এর আগেও ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ তাদের শক্ত অবস্থানের কথা প্রকাশ করেছিল।

    ১৯৪৮ সালে শরণার্থী হওয়া লাখ লাখ মানুষকে ইসরায়েলের দখলে থাকা এলাকায় ফিরতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে হামাসসহ বেশ কয়েকটি দল ও গোষ্ঠী ৩০ মার্চ থেকে ‘মার্চ অব রিটার্নের’ডাক দিয়েছিল।

    ইসরায়েলে মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার আনুষ্ঠিকতার সময় চলতি মাসের মাঝামাঝি বিক্ষোভ তুঙ্গে ওঠেছিল। এসময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে কেবল ১৪ মে ৬০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। এরপর থেকে সহিংসতার পরিমাণ কমে এলেও বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ চলছেই।

    মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া সীমান্ত বরাবর এ বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ১১৬ ফিলিস্তিনি নিহত ও কয়েক হাজার আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

  • ‘ভয় দেখাতেই দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন’

    ‘ভয় দেখাতেই দক্ষিণ চীন সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন’

    প্রতিবেশি দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ বা ভয় দেখাতেই দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিং ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস।

    শনিবার সিঙ্গাপুরে এক উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ অভিযোগ করেন।

    তিনি বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে রণতরী বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ইলেক্ট্রনিক জ্যামারসহ বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জামাদি মোতায়েন করেছে চীন। এছাড়া কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তারা। এতে নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে প্রতিবেশি দেশ গুলো।

    ম্যাটিস বলেন, বেইজিং এর সাথে সমঝোতা করতে প্রস্তুত ওয়াশিংটন। এছাড়া চীনের আমন্ত্রণে দ্রুতই বেইজিংয়ে সফরের কথাও জানান তিনি। তিনি বলেন, কোরীয় উপদ্বীপকে ‘সম্পূর্ণ যাচাইযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়’পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করতে চাপ অব্যহত রাখবে পেন্টাগন।

  • ভারতীয় কৃষকদের অন্যরকম আন্দোলন

    ভারতীয় কৃষকদের অন্যরকম আন্দোলন

    গ্রামের কৃষকরা যেসব ফসল ফলান তার কিছুই শহরে যাবে না। চাষিরা তাদের চাষ করা ফল, দুধ, তরকারিসহ সবকিছু এক জায়গায় জড়ো করছেন কিন্তু সেগুলো কোনো পাইকারি বাজারে যাচ্ছে না, আবার বিক্রিও করছেন না। ভারতের কৃষকরা এই অন্যরকম আন্দোলনের নাম দিয়েছেন ‘গাঁও বন্‌ধ’।

    দেশটির ১৭২টি কৃষক সংগঠন জোট হয়ে ২২টি রাজ্যে ১০ দিনের এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। শুক্রবার ছিল এর প্রথম দিন। এই দশ দিনে গ্রাম থেকে কোনো কৃষি ও খামারজাত পণ্য শহরে পাঠাবেন না কৃষকরা। খবর আনন্দবাজারের।

    কিছু আনাজ-দুধ পথে ফেলে প্রতীকী প্রতিবাদ করলেও আন্দোলনকারীরা ঠিক করেছেন, কৃষি ও খামারজাত সব পণ্য নষ্ট না করে গ্রামবাসীদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।

    দেশটির মূল শক্তির জায়গা যে গ্রাম। এটাই কৃষকরা শহরের এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে বুঝিয়ে দিতে চান। তারা চাইছেন গ্রামগুলি যদি শহরের পাশে না থাকে তাহলে শহরের কী অবস্থা হয় সেটাই দেখুক উঁচুতলার লোক। গাঁও বন্‌ধের প্রথম দিনেই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র।

    ৬২টি কৃষক গোষ্ঠীকে নিয়ে গড়া কিসান একতা মঞ্চের নেতা রামনদীপ সঙ্ঘ মান জানান, পাঞ্জাবে আজ দুধ সরবরাহ ৪০ শতাংশ ব্যাহত হয়েছে। আগামী নয় দিনে উত্তর ও মধ্য ভারত-সহ গোটা দেশের শহরগুলিতে কৃষিপণ্যের আকাল দেখা দিতে পারে। ডিজেলের আকাশছোঁয়া দামের জন্য এমনিতেই জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে গাঁও বন্‌ধের জেরে ফল-আনাজ-দুধের দাম চড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    এই আন্দোলনের মূল দাবি তিনটি। ১, কৃষকদের সব রকম ঋণ মাফ করতে হবে। ২, সব রকম খরচ ধরে উৎপাদন ব্যয় যা দাঁড়াবে, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য হতে হবে তার চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি। তিন, আয়ের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    গাঁও বন্‌ধের শেষে ১০ জুন ভারত বন্‌ধ ডেকেছে কৃষক সংগঠনগুলি। ব্যবসায়ীদেরও শামিল হওয়ার ডাক দিয়েছেন তারা। রাষ্ট্রীয় কিসান মজদুর মহাসঙ্ঘের সভাপতি শিবকুমার শর্মার (কাকাজি) কথায়, ‘বিগত বছরগুলিতে যে সব কৃষকের প্রাণ গিয়েছে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। ১০ জুন বেলা দু’টো পর্যন্ত ভারত বন্‌ধ হবে। সব ব্যবসায়ীকে এই বন্‌ধে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

    সরাসরি মাঠে না নামলেও কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে কংগ্রেস। গত ৬ জুন বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌরে আন্দোলনরত কৃষকদের উপরে গুলি চালিয়েছিল পুলিশ। ছ’জন কৃষকের মৃত্যু হয় তাতে। ওই ঘটনার বর্ষপূর্তির দিনে রাহুল গান্ধী মন্দসৌরে থাকবেন।

    যদিও বিজেপি বোঝাতে চাইছে, বিষয়টিকে আমলই দিচ্ছে না তারা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহের কথায়, ‘কংগ্রেস সভাপতি ভোটের সময় এ সব করে থাকেন। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান স্পষ্ট বলেছেন, আন্দোলনটা কংগ্রেসের। কৃষকদের নয়।’ পাশাপাশি রাজনাথের কটাক্ষ, ‘উত্তরপ্রদেশের ভাট্টা পারসলের কথা রাহুল ভুলে গিয়েছেন। এখন মন্দসৌরের কথা বলছেন! ৬০ বছর ক্ষমতায় থেকে কৃষকদের কোন উন্নতিটা করেছে কংগ্রেস?’

    এ বছরের ১১ মার্চ রাতে কৃষকদের বিশাল মিছিল মুম্বাইয়ে পৌঁছায়। বিক্ষত পায়ে ৫০ হাজার কৃষক তাদের শক্তির নমুনা দেখিয়েছিল।

  • এবার ভোগের প্রচ্ছদে সৌদি রাজকুমারী

    এবার ভোগের প্রচ্ছদে সৌদি রাজকুমারী

    বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে সৌদি রাজপরিবার। এবার বিখ্যাত ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল বিষয়ক ম্যাগাজিন ভোগের প্রচ্ছদে সৌদি রাজকুমারীর ছবি থাকায় ব্যাপক বিতর্কর সৃষ্টি হয়েছে। জুন মাসের আরব সংস্করণে ভোগের প্রচ্ছদে গাড়ির চালকের আসনে বসে থাকতে দেখা যায় সৌদি রাজকুমারী হায়ফা বিনতে আব্দুল্লাহ আল সৌদকে।

    হাই হিল জুতা পরে হুড খোলা গাড়িতে সৌদি রাজকুমারীর এমন ফটোশ্যুট নিয়ে চলছে সমালোচনা। কারণ, দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালানোর প্রস্তাব পাস হলেও এখনও আইনটি কার্যকর হয়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের ২৪ তারিখের পর থেকেই গাড়ি চালানোর অনুমতি পাবেন সৌদি নারীরা। কিন্তু তার আগেই সৌদি রাজকুমারীর এমন ছবি সমালোচনার মুখে পড়ে।

    সম্প্রতি দেশটিতে গাড়ি চালানোর অধিকার চেয়ে আন্দোলন করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয় ১১ আন্দোলনকারীকে। আর এই পরিস্থিতিতে রাজকুমারীর এই ছবি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ।

    প্রচ্ছদের ব্যাপারে রাজকুমারী বলেছেন, ‘আমাদের দেশে কিছু রক্ষণশীল মানুষ রয়েছেন, যারা বদলকে ভয় পান। রক্ষণশীলতাই তাদের জগৎ। আমি মন থেকে এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানাচ্ছি।’

    ম্যাগাজিনটির সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের পক্ষে কাজ করেছেন জানিয়ে ভোগের প্রধান সম্পাদক ম্যানুয়েল আর্নট বলেছেন, আরব বিশ্বে এখন উল্লেখযোগ্য এবং প্রধান আলোচনার বিষয় নারীত্ব। প্রচ্ছদে রাজকুমারী হায়ফার ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেই বার্তাটিই তুলে ধরা হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘অর্থপূর্ণ বিষয়ে ভালো বিতর্ক আমাদের কাছে অগ্রাধিকার পায় এবং আদর্শিক ও শক্তিশালী অবস্থানে থেকে আমরা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিই।

    সৌদির সামগ্রিক দিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গত বছর রক্ষণশীল থেকে বেরিয়ে বেশকিছু নিয়ম পরিবর্তনের ঘোষণা দেন সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তাতে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি, সিনেমা হল নির্মাণ, পশ্চিমাদের আদলে সমুদ্র সৈকত বিনির্মাণসহ বেশ কিছু ঐতিহাসিক পরিবর্তানের ডাক দেয়া হয়।

    তবে বিশ্বের কাছে যতই সৌদি বদলে যাওয়া ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করুক। এই বদল দেশের অন্দরে আসলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে তা নিয়ে সন্দিহান বিশেষজ্ঞরা।

  • কিমের চিঠি পেয়ে ট্রাম্প জানালেন ‘বৈঠক হবেই’’

    কিমের চিঠি পেয়ে ট্রাম্প জানালেন ‘বৈঠক হবেই’’

    যুক্তরাষ্ট্র সফররত উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের প্রতিনিধি কিম ইয়ং সোল এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় কিমের লেখা একটি চিঠি ট্রাম্পের কাছে হস্তান্তর করেন উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী এ কর্মকর্তা।

    কিমের চিঠি পড়ে ‘বৈঠক হবেই’ বলে নিশ্চয়তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ১২ জুনের বৈঠক কোরিয়া উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রকীরনের প্রথম পদক্ষেপ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। খবর আল জাজিরার।

    ১২ জুন সিঙ্গাপুরে দুই নেতার বৈঠকের প্রস্তুতি এবং আলোচ্যসূচি নির্ধারণ করতে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন উত্তর কোরিয়ার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ও প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিম ইয়ং সোল।

    এর আগে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। সোলের সঙ্গে বৈঠকের পর পম্পেও ‘ভালো উন্নতি’ বলে মন্তব্য করেন।

    কিম ইয়ং সোল হলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন। দীর্ঘ ১৮ বছর পর উত্তর কোরিয়ার এমন একজন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন।

    চলতি বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় উত্তর কোরিয়া। এর ধারাবাহিকতায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেন কিম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তা গ্রহণ করেন। তবে তার জন্য উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের শর্ত দেয়া হয়। আর উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে তাদের প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্রটি ধ্বংস করে।

    দুই নেতার বৈঠক যখন নিশ্চিতের দিকে যায় ঠিক তখনই এ বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তবে উত্তর কোরিয়ার আগ্রহ এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি মার্কন মিত্র দেশ এর প্রতিবাদ জানালে একদিন পরই বৈঠক হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তারপর থেকেই দুই নেতার বৈঠকের পূর্ণ প্রস্তুতি শুরু করেছে দুই দেশ।

    এ বৈঠক উপলক্ষে এবং কোরিয়ান উপদ্বীপে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ইতোমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দুই বার বৈঠক করেছেন উত্তর কোরীয় নেতা কিম। এছাড়া দুইবার চীন সফরও করে ফেলেছেন তিনি। আর সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া সফর করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।