Category: আন্তর্জাতিক

  • থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৭

    থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৭

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে গত মাসের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৭ জনে পৌঁছেছে।  আজ বুধবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এ তথ্য জানান।

    ব্যাংকক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইকাচাই পিয়েনশ্রীওয়াচারা বলেন, গত নভেম্বর মাসের শেষের দিকে ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যায় থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চল প্লাবিত হয়। ২২ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে দেশটির আটটি প্রদেশে ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কমপক্ষে ২৬৭ জন মারা গেছে।

    এদের মধ্যে ১৪২ জনই পর্যটন সমৃদ্ধ হাত ইয়াই জেলার।

  • সিউলের মেয়রের বিরুদ্ধে অবৈধ ভোটদানের অর্থ প্রদানের অভিযোগ

    সিউলের মেয়রের বিরুদ্ধে অবৈধ ভোটদানের অর্থ প্রদানের অভিযোগ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসিকিউটররা সোমবার সিউলের মেয়রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক তহবিল আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    রক্ষণশীল পিপল পাওয়ার পার্টির ওহ সে-হুন এখন দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানীর মেয়র হিসেবে চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরেই তাকে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট  প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    প্রসিকিউটররা তাকে অভিযুক্ত করেছেন যে তিনি একজন সমর্থককে ২০২১ সালের উপ-নির্বাচনের আগে মতামত জরিপের খরচ জোগানোর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    প্রসিকিউটররা জানান, ৬৪ বছর বয়সী মেয়র রাজনৈতিক তহবিল আইন লঙ্ঘন করে পাঁচবার নির্বাচনের তহবিলের জন্য একজন ব্যবসায়ীকে ৩৩ মিলিয়ন ওন (২২ হাজার ৪০০ মার্কিন ডলার) দিতে বাধ্য করেছেন।

    ২০০৬ সালে প্রথম নির্বাচিত সিউল মেয়র, ওহ ২০২১ সালে তার উত্তরসূরী পার্ক ওন-সুন-এর আত্মহত্যার পর আবারও দায়িত্ব পালন করেন।

    আগামী বছরের স্থানীয় নির্বাচনের জন্য সাম্প্রতিক মতামত জরিপে তিনি ধারাবাহিকভাবে শীর্ষে রয়েছেন।

    এই নির্বাচনকে তিনি যদি আরেকটি মেয়াদ নিশ্চিত করেন, তবে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার নির্বাচনী আইন অনুসারে, দশ লাখ ওন বা তার বেশি জরিমানা সাপেক্ষে দোষী সাব্যস্ত হলে, তিনি পরের বছর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতা হারাবেন।

  • পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান কারাগার থেকেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিবেন : রানা সানাউল্লাহ

    পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান কারাগার থেকেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিবেন : রানা সানাউল্লাহ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ বলেছেন,  পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান কারাগার থেকেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে চান।শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সামা টিভির অনুষ্ঠান ‘মেরে সওয়াল উইথ আবসার আলম (আবসার আলমের সঙ্গে আমার প্রশ্ন)’- তে সানাউল্লাহ বলেন, ‘পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা সবসময়ই লং মার্চ এবং অস্থিরতা বাড়ানোর ডাক দিয়ে এসেছেন।’

    ইমরান খানকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, ‘তিনি চার বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তখন কোনো সংলাপে যেতে চাননি। এখনো তিনি বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আছেন।’সানাউল্লাহ জানান, কারা কর্তৃপক্ষ বলেছে, পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো।

    পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ) বেসরকারিকরণ ইস্যুতে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার পিআইএ বেসরকারিকরণে মনোযোগী। প্রধানমন্ত্রী কঠোর পরিশ্রম করছেন। পাকিস্তান অর্থনৈতিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসবে।’

    এদিকে, ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ইমরান খানকে আদিয়ালা কারাগারে নির্যাতন করা হচ্ছে এবং প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছে।তারা দাবি করেছে, তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়েছে এবং কঠোরভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে।  পরিবারের সদস্য বা আইনজীবীদের সাথে তার কোনো অর্থবহ যোগাযোগ নেই বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

  • শ্রীলঙ্কায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ অনেকে

    শ্রীলঙ্কায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ অনেকে

    অনলাইন ডেস্ক:     টানা প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে এ সপ্তাহে শ্রীলঙ্কায় কমপক্ষে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও ১৪ জন। আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি)।এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে অ্যাসোসিয়েট প্রেস।

    এএফপির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৭ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণ ও টানা ভূমিধসে দেশটিতে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটেছে পাহাড়ি জেলা বাদুল্লায়। সেখানে পাহাড় ধসে চাপা পড়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশের জেলা নুয়ারা এলিয়াতে একইভাবে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে।এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ বাড়িঘর পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে। ১৭টি জেলার ৪ হাজারের বেশি মানুষ এ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১ হাজার ১০০-এর বেশি পরিবারকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশজুড়ে নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় সরে যেতে বলা হয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে সারা দেশে চলমান বার্ষিক পরীক্ষা দুই দিনের জন্য স্থগিত করেছে সরকার।আটটি পাহাড়ি জেলায় রেড অ্যালার্ট ভূমিধস সতর্কবার্তা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। এসব এলাকায় খাঁড়া ঢাল, পাহাড়ি বসতি ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে বড় বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানায়, বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় উত্তর–পূর্ব মৌসুমি বৃষ্টি চলছে, তবে দ্বীপের পূর্ব দিকে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ায় বর্ষণ আরও তীব্র হয়েছে।

    আজ দেশব্যাপী ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র। উত্তর–পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় ২৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত অতিবৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এরই মধ্যে বাত্তিকালোয়া জেলায় ৩০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।গত বছরের জুনের পর এই সপ্তাহে এশিয়ার দেশটিতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। সে সময় ভারী বর্ষণে ২৬ জন নিহত হয়েছিল। গত ডিসেম্বরেও বন্যা ও ভূমিধসে ১৭ জনের মৃত্যু হয়।জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশটিতে বন্যা ও আকস্মিক দুর্যোগের হার বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • হংকংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নিহত ৪৪, নিখোঁজ শতাধিক

    হংকংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নিহত ৪৪, নিখোঁজ শতাধিক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হংকংয়ের একটি আবাসিক কমপ্লেক্সের একাধিক বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি নিখোঁজের সংখ্যাও কম নয়। পাওয়া তথ্য অনুযায়, ২৭৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

    গতকাল বুধবার এই ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

    ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “চীনের বাণিজ্যিক কেন্দ্র হংকংয়ের উত্তরাঞ্চলের তাই পো জেলার ওয়াং ফুক কোর্ট কমপ্লেক্সের অন্তত তিনটি আবাসিক ভবনের বাঁশের মাচায় প্রথমে আগুন ধরে যায়। এরপর তা ভবনের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। আটটি ব্লক নিয়ে গঠিত ওই কমপ্লেক্সে প্রায় ২ হাজার ফ্ল্যাট রয়েছে।”

    সংবাদমাধ্যম বিবিসি আজ বৃহস্পতিবার সকালে জানিয়েছে, “ফায়ার সার্ভিস ৪৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে। এরমধ্যে ৪০ জন ঘটনাস্থলে এবং চারজন হাসপাতালে মারা গেছেন। এছাড়া গুরুতর অবস্থায় আছেন আরও ৪৫ জন। আগুনের মাত্রা এত ভয়াবহ যে কমপ্লেক্সটিতে ১৫ ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলছে।”

    এর আগের আপডেটে ৩৬ জনের মৃত্যু এবং ২৭৯ জন নিখোঁজ ছিলেন। এতে আশঙ্কা করা হচ্ছে, হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বাড়বে।অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানির কর্মকর্তা। এরমধ্যে দুজন কোম্পানিটির পরিচালক। অন্যজন পরামর্শক।

  • ভারতের ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    ভারতের ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করল পাকিস্তান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    ভারতে বাড়তে থাকা ইসলামোফোবিয়া ও ঐতিহ্য ধ্বংসের বিষয়ে বিশ্বকে সতর্ক করল পাকিস্তান। একই সঙ্গে ভারতের অযোধ্যায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদের জায়গায় নির্মিত রাম মন্দিরে পতাকা উত্তোলন নিয়ে পাকিস্তান গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছ। খবর- পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ডন নিউজের।

    বিবৃতিতে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির হুসেইন আন্দ্রাবি বলেন, এটি ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর চাপ সৃষ্টির বিস্তৃত প্রবণতা এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শের প্রভাবে মুসলিম ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংসের ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টার প্রতিফলন। তিনি বলেন, নানা ঐতিহাসিক মসজিদ এখন অপবিত্র করা বা ভেঙে ফেলার হুমকির মুখে রয়েছে। আর ভারতীয় মুসলিমরা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্রমবর্ধমান প্রান্তিকায়নের শিকার হচ্ছেন।

    মুখপাত্র আরও বলেন, পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ভারতের বাড়তে থাকা ইসলামোফোবিয়া, ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং ঘৃণাপ্রসূত হামলার বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানায়।

    জাতিসংঘ এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামী ঐতিহ্য সুরক্ষায় এবং সকল সংখ্যালঘুর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকারের নিরাপত্তায় তাদের গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান ভারতের সরকারকে আহ্বান জানায় যে, তারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতার আলোকে মুসলিমসহ সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং তাদের উপাসনালয়গুলো রক্ষা করবে।

    বাবরি মসজিদ শতাব্দী প্রাচীন উপাসনালয়। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর এই মসজিদ ধ্বংস করে উগ্রবাদী জনতা। ভারতের পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় দায়ীদের খালাস দেওয়া হয়। ভাঙা মসজিদের স্থানে মন্দির নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়। এই অবস্থান ভারতের রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের পরিচায়ক বলে পাকিস্তান মন্তব্য করেছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘পবিত্র অনুষ্ঠানে’ ওই ‘মন্দিরের’ শীর্ষে একটি গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেছেন, যা এর নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার সংকেত বহন করে।