Category: আন্তর্জাতিক

  • জাতিসংঘের গাজা প্রস্তাব ফিলিস্তিনিদের অধিকার পূরণে ব্যর্থ: হামাস

    জাতিসংঘের গাজা প্রস্তাব ফিলিস্তিনিদের অধিকার পূরণে ব্যর্থ: হামাস

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনাকে অনুমোদন দিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। কিন্তু এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের গোষ্ঠী হামাস। গাজায় একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের আহ্বান জানানো হয়েছে ওই প্রস্তাবে। হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, এই প্রস্তাবে ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং দাবি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    হামাস বিবৃতিতে আরও বলেছে, ‘গাজা উপত্যকার অভ্যন্তরে আন্তর্জাতিক বাহিনীকে বিভিন্ন দায়িত্ব ও ভূমিকা দিয়ে, যার মধ্যে হামাসকে নিরস্ত্র করাও অন্তর্ভুক্ত, তাদের নিরপেক্ষতা কেড়ে নেয়া এবং দখলদারিত্বের পক্ষে সংঘাতের একটি পক্ষ হিসেবে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।’গতকাল সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনাকে শক্তিশালী করার জন্য মার্কিন-খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট হয়েছে।

    প্রস্তাবে ফিলিস্তিনি উপত্যকার জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীল বাহিনী গঠনের অনুমোদন দেয়া হয় এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সম্ভাব্য পথ তৈরির কথা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।এই প্রস্তাবের পক্ষে ১৩ ভোট পড়ে। ওয়াশিংটন ভোটের পর একে ‘ঐতিহাসিক এবং গঠনমূলক’ বলে ঘোষণা করেছে। কোনও দেশ এর বিপক্ষে ভোট দেয়নি। রাশিয়া ও চীন ভোটদানে বিরত ছিল।

  • ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন

    ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গতকাল সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনাকে শক্তিশালী করে মার্কিন-খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এতে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং ভবিষ্যতের ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ তৈরির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    প্রস্তাবটির পক্ষে ১৩টি ভোট পড়ে। শুধুমাত্র রাশিয়া এবং চীন ভোটদানে বিরত ছিল। তবে, কোনও ভেটো দেয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ‘সারা বিশ্বে আরও শান্তি’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন। ওই পোস্টে তিনি দাবি করেছেন যে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় শান্তি বোর্ডের অনুমোদন জাতিসংঘের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম অনুমোদন হবে এবং এটি বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করবে।

    জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ভোটের পর বলেন, ‘আজকের প্রস্তাবটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে যা গাজাকে সমৃদ্ধ করতে সক্ষম করবে এবং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করবে যা ইসরাইলকে নিরাপদে বসবাসের সুযোগ করে দেবে।’

    কিন্তু হামাস, যাকে প্রস্তাবে গাজায় যেকোনো শাসনকার্যের ভূমিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তারা বলেছে যে এই প্রস্তাব ফিলিস্তিনিদের ‘রাজনৈতিক ও মানবিক দাবি এবং অধিকার’ পূরণ করে না।

    এই প্রস্তাবের ওপর উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা ও সমঝোতার ফলে একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে এবং এই পরিকল্পনাটি ‘সমর্থন’ পেয়েছে। যার ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ১০ অক্টোবর থেকে ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

    গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামাসের আক্রমণের ফলে দুই বছরের লড়াইয়ের পর গাজা উপত্যকা মূলত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

    শান্তি পরিকল্পনায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ইসরাইল ও মিশরসহ নতুন প্রশিক্ষিত ফিলিস্তিনি পুলিশের সাথে সীমান্ত এলাকা সুরক্ষিত করতে এবং গাজা উপত্যকাকে নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করতে কাজ করবে।

    কাতার, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, জর্ডান এবং তুরস্কের স্বাক্ষরিত এই প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি আরব এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সমর্থন অর্জন করেছে।

  • ট্রাম্পের মোতায়েন করা ন্যাশনাল গার্ড শিকাগোর পোর্টল্যান্ড থেকে প্রত্যাহার : মার্কিন গণমাধ্যম

    ট্রাম্পের মোতায়েন করা ন্যাশনাল গার্ড শিকাগোর পোর্টল্যান্ড থেকে প্রত্যাহার : মার্কিন গণমাধ্যম

    অনলাইন ডেস্ক:     মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মোতায়েন করা সেনা শিকাগো এবং পোর্টল্যান্ড থেকে শত শত ন্যাশনাল গার্ড সেনা রোববার প্রত্যাহার শুরু করেছে।  মার্কিন গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে তার কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে অক্টোবরের গোড়ার দিকে টেক্সাস এবং ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ডেমোক্র্যাট-শাসিত দুটি শহরে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেন ট্রাম্প। স্থানীয় নেতারা এই পদক্ষেপকে কর্তৃত্ববাদী সীমালঙ্ঘন বলে নিন্দা করেছেন।

    নিউ ইয়র্ক টাইমস নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, রাজ্যের বাইরে থেকে প্রতিটি শহরে পাঠানো ২০০ জন সেনা, যারা আদালতের লড়াইয়ের কারণে কখনও রাস্তায় নামেনি, তারা রোববার থেকে তাদের প্রত্যাহার শুরু করেছে।

    উত্তর আমেরিকায় সামরিক অভিযান তত্ত্বাবধানকারী মার্কিন নর্দার্ন কমান্ড শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা পোর্টল্যান্ড, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং শিকাগোতে তার ন্যাশনাল গার্ডের অবস্থান স্থানান্তর অথবা সামঞ্জস্য করা হতে পারে। তবে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।ন্যাশনাল গার্ড সাধারণত রাজ্যের গভর্নরদের অধীনে থাকে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে রাজ্যের কাজে মোতায়েন করা হয়।

    লস অ্যাঞ্জেলেস, ওয়াশিংটন এবং মেমফিসে সেনা মোতায়েনের পর ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানের সর্বশেষ উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে পোর্টল্যান্ড এবং শিকাগো।এই মাসের শুরুতে একজন ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের পোর্টল্যান্ড সেনা মোতায়েনকে ‘বেআইনি’ বলে রায় দেন এবং এই পদক্ষেপের ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। বিচারক বলেন যে মার্কিন সংবিধান ফেডারেল সরকারকে এই ধরনের ক্ষমতা দেয়নি।

  • জোহরান মামদানির ট্রানজিশন টিমের সহ-সভাপতি হিসাবে লিনা খান মনোনীত

    জোহরান মামদানির ট্রানজিশন টিমের সহ-সভাপতি হিসাবে লিনা খান মনোনীত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি কয়েক দিন আগে তার ট্রানজিশন টিমের সহ-সভাপতি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) সাবেক চেয়ারম্যান লিনা খানকে মনোনীত করেছেন। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া এই ডেমোক্র্যাট পারদর্শিতা ও কঠোর অ্যান্টিট্রাস্ট অবস্থানের কারণে বহু কোম্পানি ও করপোরেট মহলের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। জানা যায়, তিনি যুক্তরাজ্যে জন্ম নিলেও ১১ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন।

    লিনা খান কে?

    লিনা খান ২০২১ সালের ১৫ জুন থেকে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত এফটিসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনি মার্কিন অ্যান্টিট্রাস্ট ও ভোক্তা সুরক্ষা সংস্থাটির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান হয়ে দায়িত্ব নেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে।

    এফটিসির তথ্য অনুযায়ী, ক্যারিয়ারের শুরুতেই তিনি বাজারে করপোরেট একীভবন ও আধিপত্য নিয়ে বিশেষ গবেষণা ও রিপোর্টিং করেন। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার নীতিগত লক্ষ্য ছিল অ্যান্টিট্রাস্ট আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ, নন-কমপিট চুক্তি সীমিতকরণ, সংবেদনশীল ডেটা সুরক্ষা এবং সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবাকে প্রভাবিত করে এমন অবৈধ কার্যচর্চা মোকাবিলা করা।এফটিসিতে যোগদানের আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির অ্যান্টিট্রাস্ট সাবকমিটির কাউন্সেল এবং কলম্বিয়া ল’ স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন। তার উচ্চশিক্ষা উইলিয়ামস কলেজ এবং ইয়েল ল’ স্কুল থেকে সম্পন্ন।

    মামদানি’র টিমে লিনা খানের ভূমিকা

    ‘পড সেভ আমেরিকা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিনা খান জানান, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি মামদানি দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি মেয়রের ক্ষমতার বিস্তৃতি ও প্রয়োগ নিয়ে পর্যালোচনা করছেন। পাশাপাশি তিনি অর্থনৈতিক নীতি, জনবল নিয়োগ এবং শহরকে আরও সাশ্রয়ী করতে নতুন প্রশাসনের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিশ্চিত করার কাজ করছেন।

    কেন লিনা খান ছিলেন প্রযুক্তি জায়ান্টদের বিরোধিতার মুখে?

    বাইডেন আমলে এফটিসির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি অ্যামাজন, মেটা, মাইক্রোসফটসহ বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য মামলা করেছিলেন—যার কিছু সফল হলেও কিছু ব্যর্থ হয়েছে। মাইক্রোসফটের অ্যাকটিভিশন-ব্লিজার্ড অধিগ্রহণ ঠেকাতে তিনি ব্যর্থ হন।

    তিনি ক্রোগার-অ্যালবার্টসন্সের মধ্যে প্রস্তাবিত একীভবন বাতিল করেন এবং শ্রমিকদের চাকরি পরিবর্তনে বাধা দেওয়া নন-কমপিট চুক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন—যা পরে আদালতে স্থগিত হয়।ব্লুমবার্গ জানায়, তার কড়া অবস্থান ও কার্যক্রম ওয়াল স্ট্রিট, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ক্ষুব্ধ করে। লিঙ্কডইন সহ-প্রতিষ্ঠাতা রিড হফম্যান, আইএসি চেয়ারম্যান ব্যারি ডিলার, ভিনোদ খোসলা, পিটার থিয়েলসহ অনেকে অভিযোগ তোলেন—তিনি ‘ব্যবসার বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছেন।

    ইয়েল ল’ স্কুলে অধ্যয়নকালে তার লেখা বিখ্যাত প্রবন্ধ Amazon’s Antitrust Paradox—এ তিনি দাবি করেন, অ্যামাজন শিকারমূলক মূল্যনীতির মাধ্যমে প্রতিযোগিতা ব্যাহত করছে এবং ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ায় তারা সরকারের নজরদারি এড়িয়ে যাচ্ছে।

    নিউইয়র্কের বড় কোম্পানিগুলোর জন্য বার্তা কী?

    যদিও সিটি পর্যায়ে লিনা খানের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেই, তবে গুগল, মেটা, অ্যামাজনসহ প্রযুক্তি জায়ান্টদের নিউইয়র্কে বড় কার্যক্রম রয়েছে।

    টাস্ক স্ট্র্যাটেজিজের উন্নত প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান এরিক সুফার নিউইয়র্ক পোস্ট–কে বলেন, মামদানি লিনা খানকে দলে নেওয়ায় এই প্রতিষ্ঠানগুলো এটিকে সতর্কবার্তা হিসাবে দেখতে পারে। তার মতে, অনেকেই প্রথম দিকে অস্থিরতায় ভুগতে পারেন, যতক্ষণ না লিনা খান ও ট্রানজিশন টিম তাদের পরিকল্পনা পরিষ্কার করেন।

  • লিবিয়া উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিসহ নৌকাডুবি, ৪ জনের মৃত্যু

    লিবিয়া উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিসহ নৌকাডুবি, ৪ জনের মৃত্যু

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিসহ একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এখন তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

    এছাড়া একই উপকূলে অর্ধশতাধিক সুদানিসহ পৃথক আরেকটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। তবে দ্বিতীয় ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-খোমস উপকূলে এই ঘটনা ঘটে।

    এক প্রতিবেদনে রোববার (১৬ নভেম্বর)  এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

    সংবাদমাধ্যমটি বলছে, উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-খোমস উপকূলে প্রায় ১০০ জনকে বহনকারী দুটি অভিবাসী নৌকাডুবির ঘটনায় কমপক্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে আল-খোমসের তীরের কাছে উল্টে যাওয়া দুটি নৌকার খবর তারা পায়। প্রথম নৌকাটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ নাগরিক। তাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    আর দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন মোট ৬৯ জন। এর মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং বাকি ৬৭ জন সুদানি নাগরিক। তাদের মধ্যে আটজন শিশু।রেড ক্রিসেন্ট জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জীবিতদের উদ্ধার। এছাড়া মৃতদের মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি সবাইকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার কাজও তারা করে।

    মূলত অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপ যাওয়ার জন্য বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় রুট হচ্ছে লিবিয়া। ২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশটি ইউরোপগামী অভিবাসীদের ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়। বর্তমানে সাড়ে ৮ লাখেরও বেশি অভিবাসী লিবিয়ায় অবস্থান করছে। গাদ্দাফির শাসনামলে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা তেলসমৃদ্ধ লিবিয়ায় কাজ পেত, কিন্তু তার পতনের পর থেকে দেশটি প্রতিদ্বন্দ্বী মিলিশিয়াদের সংঘাতে জর্জরিত হয়ে পড়েছে।

    অধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘ সংস্থাগুলো বলছে, লিবিয়ায় শরণার্থী ও অভিবাসীরা নিয়মিতভাবে নির্যাতন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়ে থাকে।

  • নতুন করে সংঘর্ষের পর থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়াকে ট্রাম্পের ফোন

    নতুন করে সংঘর্ষের পর থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়াকে ট্রাম্পের ফোন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প  শুক্রবার থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার নেতাদের সঙ্গে  ফোনে কথা বলেছেন। মধ্যস্থতা করা শান্তিচুক্তি জোরদার করার জন্য দুই দেশের  প্রতি আহবান জানান ট্রাম্প।

    খবর বার্তাথাইল্যান্ড সোমবার একটি স্থলমাইন বিস্ফোরণের অভিযোগের পর চুক্তিটি স্থগিত করে। এরপর বুধবার উভয় পক্ষ নতুন সংঘর্ষের অভিযোগ তুলেছে।  নমপেন (কম্বোডিয়া) জানিয়েছে  একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

    ফ্লোরিডা যাওয়ার সময় এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, তিনি উভয় দেশের নেতাদের সাথে কথা বলেছেন। এক সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করেন যে তিনি থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার নেতাদের সাথে কথা বলছেন কিনা, তখন ট্রাম্প বলেন, ‘শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে, আজই আমি একটি যুদ্ধ থামিয়ে দিলাম।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ওরা দারুন করছে। আমার মনে হয় ওরা ঠিক হয়ে যাবে।’ হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তিনি মালয়েশিয়ার সাথেও যোগাযোগ করেছেন। মালয়েশিয়ার সংঘাতের অবসানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

    এই গ্রীষ্মে থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে পাঁচ দিনের যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে ৪৩ জন নিহত এবং প্রায় ৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত নিয়ে শতাব্দী প্রাচীন এক বিরোধ রয়েছে, যা ফ্রান্সের উপনিবেশিক শাসনের সময়ের মানচিত্রের ওপর ভিত্তি করে। দুই দেশই কিছু সীমান্ত মন্দিরের মালিকানা দাবি করে আসছে।