Category: আন্তর্জাতিক

  • ইরানের ওপর ফের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের ওপর ফের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:      ইরানের ওপর ফের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা মেহের।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মানববিহীন বিমান (ইউএভি) উৎপাদনকে সহায়তা দেওয়া একাধিক ক্রয় নেটওয়ার্কে জড়িত ৩২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

    এই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, চীন, হংকং, ভারত, জার্মানি ও ইউক্রেনে অবস্থিত বলে মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।

    ওয়াশিংটনের এই অভিযোগের জবাবে ইরান বহুবার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ প্রকৃতির।

  • কপ ৩০ সম্মেলনে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আদিবাসী বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ

    কপ ৩০ সম্মেলনে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আদিবাসী বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলে চলমান কপ৩০ জলবায়ু সম্মেলনে মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান ডজনখানেক আদিবাসী বিক্ষোভকারী। জাতিসংঘের এই জলবায়ু সম্মেলনে সহিংসতার এমন ঘটনা বিরল। এতে দুই নিরাপত্তাকর্মী আহত হন।

    ব্রাজিলের বেলেম থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

    গতকাল সন্ধ্যায় বেলেমের সম্মেলনস্থলের মূল ফটকের নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে আদিবাসী বিক্ষোভকারী ও তাদের সমর্থকেরা ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন । এ সময় তাদের সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়।

    জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন দফতরের এক মুখপাত্র জানান, ‘ঘটনায় দুই নিরাপত্তাকর্মী সামান্য আহত হয়েছেন এবং সম্মেলনস্থলের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ব্রাজিল ও জাতিসংঘের নিরাপত্তাকর্মীরা নির্ধারিত প্রটোকল অনুসরণ করে সম্মেলনস্থল সুরক্ষিত করেছেন।’

    ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। নিরাপত্তাকর্মীরা সম্মেলনের কেন্দ্রে থাকা উচ্চপর্যায়ের ‘ব্লু জোন’-এর প্রবেশপথ টেবিল ও চেয়ার দিয়ে ব্যারিকেড করে দেন।

    এএফপির এক সাংবাদিক একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে হুইলচেয়ারে করে সরিয়ে নিতে দেখেছেন।

    কপ৩০ সম্মেলনস্থলের ভেতরের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে জাতিসংঘ। আর বাইরের নিরাপত্তা দেখভাল করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

    এ ঘটনার পর জাতিসংঘের পুলিশ সদস্যরা সম্মেলনস্থলে থাকা লোকজনকে বিশাল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তাঁবু এলাকা খালি করতে বলেন।

    পারা ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোয়াও সান্তিয়াগো বলেন, ‘আদিবাসী আন্দোলনের কর্মীরা ব্লু জোনে ঢুকে তাদের দাবি জানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।’

    বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ‘রেডে সাসটেন্টাবিলিদাদে বাহিয়া অ্যাসোসিয়েশন’-এর মারিয়া ক্লারা বলেন, তিনি আদিবাসীদের দুর্দশার দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করতে চেয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘এই কণ্ঠগুলো উপেক্ষিত। কপ৩০ শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু ধ্বংস চলতেই থাকবে। তাই এই প্রতিবাদ জানাতেই তারা ভেতরে ঢুকেছিলেন।’

    বিক্ষোভের আয়োজক সংগঠন ‘মার্চ ফর হেলথ অ্যান্ড ক্লাইমেট’ এ ঘটনায় নিজেদের দূরে সরিয়ে নেয়।

    এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ‘সম্মেলনস্থলের বাইরে শেষ হওয়া এই মিছিলটি ছিল শান্তিপূর্ণ, সংগঠিত ও দায়িত্বশীল এক গণপ্রতিবাদ, যা গড়ে উঠেছিল সংলাপ ও সম্মিলিত প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে।’

    জাতিসংঘের মুখপাত্র জানান, ‘সম্মেলনস্থল এখন পুরোপুরি সুরক্ষিত। কপ৩০ আলোচনা চলমান রয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ব্রাজিলীয় ও জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করছে।

    এদিকে, গত সপ্তাহে ব্রাজিলের আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী সোনিয়া গুজাজারা বলেছিলেন, ‘আদিবাসী অংশগ্রহণের দিক থেকে এটি হবে সেরা কপ সম্মেলন।’

  • ইসরাইলি পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ডের বিল অনুমোদন

    ইসরাইলি পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ডের বিল অনুমোদন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     ইসরাইলি পার্লামেন্ট (নেসেট) ফার্স্ট রিডিংয়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি সংক্রান্ত একটি বিল অনুমোদন করেছে। ইসরাইলি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ (কেএএন) এ তথ্য জানিয়েছে।

    কেএএন আরও জনিয়েছে,সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত ওই ভোটে ১২০ সদস্যের মধ্যে ৩৯ জন পক্ষে এবং ১৬ জন বিপক্ষে ভোট দেন।অধিবেশনের সময় আরব আইনপ্রণেতা আয়মান ওদেহ ও কট্টর-ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের মধ্যে তীব্র বাক-বিতণ্ডা হয়, যা প্রায় হাতাহাতিতে রূপ নিতে নিতে থেমে যায়। বেন-গভিরের নেতৃত্বাধীন কট্টর-ডানপন্থি ‘জিউইশ পাওয়ার” পার্টি এই আইনটি প্রস্তাব করে। ভোটে আনার আগে বিলটি নেসেটের বিভিন্ন কমিটিতে পাঠানো হয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠের প্রস্তুতির জন্য।

    খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা বেপরোয়া আচরণের মাধ্যমে ইসরাইলি নাগরিককে হত্যা করে— যদি তা বর্ণবিদ্বেষ, ঘৃণা বা ইসরাইলকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্য থেকে হয়ে থাকে— তাহলে তার শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।’  আর একবার শাস্তি ঘোষিত হলে তা হ্রাস করার কোনো সুযোগ থাকবে না।বেন-গভির ভোটের পর মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আনন্দ প্রকাশ করে লেখেন, ‘জিউইশ পাওয়ার ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং তা পূরণ করেছি। সন্ত্রাসীদের মৃত্যুদণ্ডের আইন ফার্স্ট রিডিংয়ে পাশ হয়েছে।’

    মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে বেন-গভিরের এই উদ্যোগের নিন্দা জানিয়ে আসছে। তাদের মতে, এই আইনটি মূলত ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে তৈরি এবং এটি ইসরাইলি শাসনব্যবস্থার বৈষম্যকে আরও গভীর করবে।

    ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নারী ও শিশুসহ ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি ইসরাইলি কারাগারে বন্দী আছেন। বন্দিরা সেখানে নির্যাতন, অনাহার ও চিকিৎসা-অবহেলার শিকার হচ্ছেন, যার ফলে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন।

  • রাশিয়া থেকে বিনামূল্যের ৩০ হাজার টন পটাশ সার দেশে আসছে

    রাশিয়া থেকে বিনামূল্যের ৩০ হাজার টন পটাশ সার দেশে আসছে

    অনলাইন ডেস্ক:     রাশিয়া থেকে বিনামূল্যের ৩০ হাজার টন পটাশ সার দেশে আসতে যাচ্ছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় বন্ধুত্ব ও গভীর আন্তরিকতার নিদর্শন হিসেবে এ সার দিচ্ছে দেশটি। গত ৬ নভেম্বর দেশটির সবচেয়ে বড় সার উৎপাদনকারী কোম্পানিটি উরাচেম গ্রুপের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। কোম্পানিটি রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও বাড়াতে এর আগে বিনামূল্যের এ সার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

    বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক (ক্রয়) আহমেদ হাসান আল মাহমুদ সার আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিষয়টি মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে বলেও তিনি জানান।এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বর কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী দিমিত্রি কনিয়েভ কৃষি মন্ত্রণালয়কে এ সার দেওয়ার আগ্রহ জানিয়ে চিঠি দেন। যা পরবর্তীতে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়।

    পরবর্তীতে বিনামূল্যের এ সার সরবরাহ নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি এবং রাশিয়া ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি-বাংলাদেশের চেয়ারম্যান জনাব মিয়া সাত্তার বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্র ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    রাশিয়ার এ উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সার সরবরাহ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার আহ্বান জানান উপদেষ্টা।এক বার্তায় বাংলাদেশ-রাশিয়া ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির চেয়ারম্যান মিয়া সাত্তার বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। দীর্ঘ বছরের পথচলাতে তা আরও শক্ত হয়েছে। আশা করি, এ সার পেয়ে দেশের কৃষক উপকৃত হবে।

    দ্রুততম সময়ে রাশিয়ার প্রতিশ্রুত এ সার সরবরাহ নিয়ে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।গত বছরের ২৯ আগস্ট কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি প্রথম সার দেওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন।

    উল্লেখ্য, উরাচেম গ্রুপ বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান পিজেএসসি ইউরালকালি বিশ্বের মধ্যে অন্যতম পটাশ সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। ২০১৩ সাল থেকে পিজেএসসি ইউরালকালি জিটুজি ভিত্তিতে জেএসসি বৈদেশিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এক মিলিয়ন টনের বেশি এমওপি সার সরবরাহ করেছে।

  • ডলারের মন্দায় বাড়ল স্বর্ণের দাম

    ডলারের মন্দায় বাড়ল স্বর্ণের দাম

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:           মার্কিন অর্থনীতিতে ক্রমশ প্রকট হচ্ছে দুর্বলতা। বিশ্ব বাজারেও এর প্রভাব বাড়ছে। ডিসেম্বরে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা জেনে বিনিয়োগকারীরা আবারও স্বর্ণে মুনাফা ঢালছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স সোমবার (১০ নভেম্বর) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ওই কারণে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

    সোমাবর ভারতের শীর্ষস্থানীয় পণ্য এক্সচেঞ্জ বা বাণিজ্যিক বাজার এমসিএক্স জানায়, স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি এবং রুপার দাম ২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এই বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ইতিবাচক বৈশ্বিক সংকেত ও আগামী মাসে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য সুদের হার কমানোর প্রত্যাশাকে দায়ী করা হচ্ছে।

    অক্টোবরে স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর এ মাসের শুরুর দিকে তা কমছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন অর্থনীতির দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিসেম্বরে ফেডারেল রিজার্ভের আরও একটি সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির বাজার এবং ভোক্তা আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কারণ ফেডারেল সরকারের অচলাবস্থা রোববার ৪০ দিনে গিয়ে পৌঁছেছে। যা মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার ও খুচরা বিক্রয় খাতে চাকরি হ্রাসের পাশাপাশি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যয় কমাতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি গ্রহণের ফলে ছাঁটাই বেড়েছে। নভেম্বরের শুরুতে মার্কিন ভোক্তা আস্থা প্রায় সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

    সিএমই ফেডওয়াচ টুলের অনুসারে, মার্কিন চাকরির বাজারের অচলবস্থায় ব্যবসায়ীদের প্রায় ৬৭ শতাংশ জন বিশ্বাস করছেন, ডিসেম্বর মাসে ফেড সুদের হার কমাবে। মার্কিন সরকারের অচলাবস্থায় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে আবারও সোনার দিকে ঝুঁকছেন। একই সঙ্গে ডলার সূচক দুর্বল হয়েছে, যা বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।

    সোমবার মার্কিন স্থানীয় বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যার প্রভাব অবশ্য এখনও বাংলাদেশে পড়েনি। গত ১ নভেম্বর ১ হাজার ৬৮০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সমন্বিত ওই দামেই সোমবারও (১০ নভেম্বর) বিক্রি হয় স্বর্ণ। তবে এই ধাক্কা ভারতের বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে। এমসিএক্স ডিসেম্বর ফিউচার মার্কেটে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,২২,৭০০ রুপি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে।

  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় চলছে ইসরাইলি হামলা, নিহত ৭

    যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় চলছে ইসরাইলি হামলা, নিহত ৭

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। গত ২৪ ঘণ্টায় উপত্যকাটিতে দখলদার বাহিনীর চালানো হামলায় আরও সাতজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি গণমাধ্যমের বরাতে সোমবার (১০ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা মেহের।

    গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সাতজনের লাশ গাজা বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এখনো বহু লাশ ধ্বংসস্তূপের নিচে ও রাস্তায় পড়ে আছে কিন্তু অব্যাহত বোমাবর্ষণ ও উদ্ধার সরঞ্জামের  অভাবে উদ্ধারকর্মীরা গুরুতর সমস্যার মুখে পড়ছেন।

    গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর একাধিকবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং তার অস্বীকার করেছে ইসরাইল। যার ফলে এখন পর্যন্ত ২৪১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৬১৯ জন আহত হয়েছেন।

    এদিকে, ফিলিস্তিনি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী গাজা উপত্যকার পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক বিমান ও গোলাবর্ষণ চালিয়েছে। দখলদার সেনারা খান ইউনুসের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের  আল-জান্নাহ এলাকায়ও গোলাবর্ষণ করেছে।

    অন্যদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে আল-মায়াদিন-এর এক সংবাদিক জানান, অধিকৃত আল-কুদসের উত্তরের আল-রাম শহরে ইসরাইলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনি তরুণদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সেখানে ইসরাইলি সেনারা ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে।