Category: আন্তর্জাতিক

  • গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা থেকে সরে দাঁড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

    গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা থেকে সরে দাঁড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা থেকে সরে দাঁড়ালো যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি স্টিফ উইটকফ।

    শুক্রবার (২৫ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

    উইটকফের অভিযোগ, হামাসের যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর কোনো আগ্রহ নেই। এ সময় তিনি বিকল্প উপায়ে ইসরায়েলি জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার হুঁশিয়ারিও দেন।

    এর আগে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও তার প্রতিনিধিদের কাতার থেকে নিজ দেশে ফিরিয়ে আনেন। ফলে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্য নিয়ে আবারও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

    এদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হওয়ার পেছনে ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। তাদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধে আগ্রহী নন।

  • ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের ‘গণহত্যা’ মামলায় যোগ দিচ্ছে ব্রাজিল

    ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের ‘গণহত্যা’ মামলায় যোগ দিচ্ছে ব্রাজিল

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    সাউথ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল ঘোষণা করেছে যে তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় ‘গণহত্যা’ চলার অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকা আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে) যে মামলা দায়ের করেছে, তাতে হস্তক্ষেপ করতে যাচ্ছে। পশ্চিমা নয়—এমন দেশগুলোর চাপ বৃদ্ধির দাবি জোরালো হওয়ার মধ্যেই ব্রাজিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ জুলাই) জানিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তক্ষেপের প্রক্রিয়া তারা ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ নিয়ে গেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চলমান নৃশংসতার মুখে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে না। ব্রাজিলের বিশ্বাস, নৈতিক দ্বিধা বা রাজনৈতিক গাফিলতির আর কোনো স্থান নেই। দায়মুক্তি আন্তর্জাতিক আইনকে দুর্বল করে এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে।’

    ব্রাজিলের এই সিদ্ধান্তের খবর প্রথম প্রকাশ করে ব্রাজিলিয়ান সংবাদপত্র ফোলহা ডি সাও পাওলো। ইসরায়েলের গাজায় সহায়তা প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ এবং গণদুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়ার মতো কর্মকাণ্ড ক্রমবর্ধিত সমালোচনার মুখে রয়েছে।

    ব্রাজিল সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গণহত্যা প্রতিরোধ ও শাস্তি সংক্রান্ত কনভেনশনের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলায় ব্রাজিল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে যাচ্ছে।’

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ফিলিস্তিনের বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে ক্রমাগত সহিংসতার ঘটনায় ব্রাজিল গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছে, যা কেবল গাজা নয়, পশ্চিম তীরেও ছড়িয়ে পড়েছে।’

    যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে খাদ্যাভাব: ব্রাজিলের তীব্র নিন্দা

    লাতিন আমেরিকার দেশটি বলেছে, গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের বেসামরিক জনগণ ‘ক্রমাগত সহিংসতা’ ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছে, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ‘যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে খাদ্যাভাবের ন্যক্কারজনক ব্যবহার’।

    স্পেন, তুরস্ক ও আয়ারল্যান্ডের মতো কয়েকটি দেশও ইতিমধ্যে এই মামলায় হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানিয়ে আইসিজে-কে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের রায় দিতে আহ্বান জানিয়েছে।

    ইসরায়েলের সমালোচনায় ব্রাজিলের কণ্ঠস্বর সম্প্রতি তীব্র হয়েছে। গত ব্রিকস সম্মেলনে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ইসরায়েলের গাজা অভিযানকে ‘গণহত্যা’ বলে নিন্দা জানিয়েছিলেন।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মামলায় হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ‘ফিলিস্তিনিদের গণহত্যা থেকে সুরক্ষার অধিকার অপরিবর্তনীয়ভাবে লঙ্ঘিত হওয়ার যৌক্তিক সম্ভাবনা’-এর ভিত্তিতে।

    ইসরায়েল ও ব্রাজিলিয়ান ইহুদি সংগঠনের প্রতিক্রিয়া

    ব্রাজিলিয়ায় ইসরায়েলের দূতাবাস বলেছে, ব্রাজিলের বিবৃতিতে ‘অতিরঞ্জিত ও বাস্তবতাবিবর্জিত ভাষা’ ব্যবহার করা হয়েছে এবং এতে হামাসের ভূমিকা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। ব্রাজিলের জাতীয় ইহুদি সংগঠন কনিব এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করে বলেছে, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে ব্রাজিলের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব ভেঙে দেয়া একটি ভুল সিদ্ধান্ত, যা আমাদের পররাষ্ট্র নীতির চরমপন্থাকে প্রমাণ করে।’

    আইসিজে-এর সাম্প্রতিক রায় ও পরিস্থিতি

    আইসিজি এখনও গাজায় গণহত্যা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত রায় দেননি। তবে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আদালত ইসরায়েলকে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোসহ গণহত্যা রোধে ব্যবস্থা নেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এই চাপ বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা মিত্র দেশগুলো ইসরায়েলের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছে—যদিও বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো গাজায় ইসরায়েলের ‘ অধিকার লঙ্ঘন’ সম্পর্কে সতর্ক করছে।

    গত মার্চ মাসে, ইসরায়েল গাজায় সম্পূর্ণ অবরোধ জারি করে কয়েক মাস ধরে সব ধরনের সহায়তা বন্ধ রেখেছিল। পরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠী ‘গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন’ (জিএইচএফ)-এর মাধ্যমে সীমিত সহায়তা পুনরায় শুরু করে।

    মে মাস থেকে জিএইচএফ-এর বিতরণ কেন্দ্রে খাদ্যের জন্য অপেক্ষারত ১,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনিকে ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করেছে। এদিকে, গাজায় অনাহারে মৃত্যুর খবরও বাড়ছে।

    জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জিএইচএফ-এর কেন্দ্রগুলিকে ‘মৃত্যুর ফাঁদ’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন এবং এই গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকার করেছেন, যা ইসরায়েলের নির্দেশে পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোকে প্রতিস্থাপন করেছে।

  • থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ: নিহত ২ বেসামরিক নাগরিক

    থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ: নিহত ২ বেসামরিক নাগরিক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে উত্তপ্ত সীমান্ত বিরোধের জেরে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে ভারী অস্ত্রের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে থাইল্যান্ডের অন্তত দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং দুই থাই সেনা সদস্য আহত হয়েছেন।

    সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দু ছিল তাও মোয়ান থম মন্দির সংলগ্ন সীমান্ত অঞ্চল, যা কম্বোডিয়ার ওডার মিনচে প্রদেশ এবং থাইল্যান্ডের সুরিন প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত।

    থাই সেনাবাহিনী জানায়, কম্বোডিয়া প্রথমে একটি ড্রোন প্রেরণ করে এবং পরে ভারী অস্ত্র (আর্টিলারি ও বিএম-২১ রকেট) দিয়ে গোলাবর্ষণ শুরু করে।

    থাইল্যান্ডের সুরিন প্রদেশের একটি জেলার প্রধান সুত্থিরট চারোয়েনথানাসাক জানান, কম্বোডিয়ার গোলাবর্ষণে দুই নাগরিক নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন।

    এই ঘটনার জেরে সীমান্তসংলগ্ন ৮৬টি গ্রামের প্রায় ৪০,০০০ থাই নাগরিককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। থাই সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রিচা সুকসুওয়ানন নিশ্চিত করেছেন যে দুই সেনাসদস্য আহত হয়েছেন।

    তবে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থাইল্যান্ডের ওপর প্রথম আক্রমণের অভিযোগ এনে বলেছে, তাদের সেনারা আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

    কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেন ফেসবুকে পোস্টে দাবি করেন, থাই সেনাবাহিনী ওডার মিনচে ও প্রিয়াহ ভিহার প্রদেশে গোলাবর্ষণ করায় কম্বোডিয়া জবাবি আক্রমণ করতে বাধ্য হয়েছে। তিনি জনগণকে শান্ত থাকার ও আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।

    এরপর থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে এবং নিজেদের রাষ্ট্রদূত ফিরিয়ে নিয়েছে। কম্বোডিয়াও থাইল্যান্ডের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ‘সর্বনিম্ন স্তরে’ নামিয়ে এনেছে এবং সকল কূটনীতিককে প্রত্যাহার করেছে। এছাড়াও থাই দূতাবাস কম্বোডিয়ায় অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের অবিলম্বে দেশ ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে।

    উল্লেখ্য, ১৬ জুলাই একটি মাইন বিস্ফোরণে তিন থাই সেনা আহত হন। থাইল্যান্ড অভিযোগ করে, কম্বোডিয়া সীমান্তে অবৈধভাবে মাইন পুঁতে রেখেছে। কম্বোডিয়া এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলে, গৃহযুদ্ধের সময়কার পুরনো মাইন সক্রিয় হয়েছে।

    এর আগে, মে মাসেও এই সীমান্তে সংঘর্ষে এক কম্বোডিয়ান সেনা নিহত হয়েছিলেন। দুই দেশের মধ্যে ৮১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের একাধিক অংশ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে।

    কম্বোডিয়া ইতিমধ্যে থাইল্যান্ড থেকে জ্বালানি, গ্যাস ও কৃষিপণ্য আমদানি বন্ধ করেছে। কিছু সীমান্ত চেকপয়েন্টও বন্ধ রয়েছে।

  • ইহুদি-বিদ্বেষ মোকাবিলায় ব্যর্থ, ২শ’ মিলিয়ন ডলার জরিমানা কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের

    ইহুদি-বিদ্বেষ মোকাবিলায় ব্যর্থ, ২শ’ মিলিয়ন ডলার জরিমানা কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইহুদি-বিরোধী ঘটনাগুলো ঠেকাতে ব্যর্থতার অভিযোগে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সাথে ২২১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২,৩০০ কোটি টাকা) সমঝোতায় পৌঁছেছে।

    কলাম্বিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ক্লেয়ার শিপম্যান বলেছেন, আদালতে লড়াই করলে অনুদান হারানো, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল বা অ্যাক্রেডিটেশন ঝুঁকি তৈরি হতো। তবে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের ‘কলাম্বিয়া ইহুদি-বিরোধিতায় নিষ্ক্রিয় ছিল’ এই দাবি মানতে রাজি হননি।

    ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এটিকে ‘ঐতিহাসিক বিজয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মন্তব্য, ‘অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরও জবাবদিহি করতে হবে, যারা ফেডারেল তহবিলের অপচয় করেছে এবং ইহুদি-বিরোধিতাকে প্রশ্রয় দিয়েছে।’

    কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি অ্যাপার্টহেইড ডাইভেস্ট (সিইউএডি) নামের প্রো-প্যালেস্টাইন ছাত্র গ্রুপ এই চুক্তিকে ‘ট্রাম্পের কাছে ঘুষ’ বলে নিন্দা করেছে। তাদের বক্তব্য, ‘গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে স্ট্যান্ড নেওয়া শিক্ষার্থীদের শাস্তি দিয়ে ট্রাম্পকে ২২১ মিলিয়ন ডলার দেয়া হলো!’

    ২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে কলাম্বিয়াসহ বহু মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ইহুদি শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে, প্রতিবাদগুলো ইহুদি-বিদ্বেষে রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে, প্রো-প্যালেস্টাইনিরা বলেন, ইসরায়েলের সমালোচনাকে ইহুদি-বিদ্বেষ বলে চালানো হচ্ছে।

    গত মে মাসে কলাম্বিয়ার প্রধান লাইব্রেরি দখল এবং ‘রেভোল্ট ফর রাফাহ’ ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়ায় ৮০ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার বা ১-৩ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    এই সমঝোতা মার্কিন শিক্ষাঙ্গনে মুক্ত বাক্স্বাধীনতা বনাম ইহুদি-বিদ্বেষ বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • তেল আবিব লক্ষ্য করে মিসাইল ছুড়লো হুতি, প্রতিহতের দাবি আইডিএফের

    তেল আবিব লক্ষ্য করে মিসাইল ছুড়লো হুতি, প্রতিহতের দাবি আইডিএফের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব লক্ষ্য করে আবারও মিসাইল ছুড়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। যদিও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সফলভাবে প্রতিহতের দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

    মঙ্গলবার (২২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।

    মঙ্গলবার ভোরে ছোড়া হয় এই ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ফলে তেল আবিবসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় বেজে উঠে সতর্কতা সাইরেন। এরইমধ্যে হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে হুতি যোদ্ধারা। যদিও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সফলভাবে প্রতিহতের দাবি করেছে আইডিএফ।

    এর আগে, গত সোমবার (২১ জুলাই) হোদেইদা বন্দরসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। যার জবাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।

  • গাজার দেইর-আল-বালাহ শহরে বিপুল পরিমাণ ট্যাংক মোতায়েন ইসরায়েলি বাহিনীর

    গাজার দেইর-আল-বালাহ শহরে বিপুল পরিমাণ ট্যাংক মোতায়েন ইসরায়েলি বাহিনীর

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   বিপুল পরিমাণে ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক স্থানীয় সময় সোমবার (২১ জুলাই) গাজা শহরের দেইর-আল-বালাহের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে প্রথমবারের মতো প্রবেশ করেছে। ইসরায়েলি সূত্রে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনী সন্দেহ করছে যে এই এলাকায় জিম্মি হিসেবে আটক ইসরায়েলি নাগরিকদের রাখা হতে পারে।

    এই অঞ্চল গাজায় ২১ মাসেরও বেশি যুদ্ধের সময় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের দ্বারা পরিপূর্ণ। ইসরায়েলি একটি অপসারণ আদেশ জারি করার পর শত শত বেসামরিক নাগরিক পশ্চিম বা দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যায়। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, তারা হামাসের সামরিক অবকাঠামো ও সামর্থ্য ধ্বংস করতে এই অভিযান চালাচ্ছে।

    জিম্মি পরিবারগুলি তাদের প্রিয়জনদের ভাগ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যুদ্ধের সময় গাজায় মানবিক সংকট আরও তীব্র হচ্ছে, এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার দাবি জোরালো হচ্ছে।