Category: আন্তর্জাতিক

  • আলাস্কায় ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

    আলাস্কায় ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

    অনলাইন ডেস্ক:     যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের উপকূলে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

    বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। খবর এএফপির।

    ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল আলাস্কার পপোফ দ্বীপের কাছে স্যান্ড পয়েন্ট শহরে। কম্পনের তীব্রতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাইরেন বাজিয়ে সতর্ক করা হয় সবাইকে।

    তাৎক্ষণিকভাবে সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরবর্তীতে তা তুলে নেয় আবহাওয়া বিভাগ। তবে এখনো স্থানীয় বাসিন্দাদের নিম্নাঞ্চল থেকে উঁচু স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    ভূমিকম্পে এখনো পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

  • ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভয়াবহ দক্ষিণ সিরিয়ার পরিস্থিতি

    ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভয়াবহ দক্ষিণ সিরিয়ার পরিস্থিতি

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক:       সরকারি বাহিনী, বেদুইন মিলিশিয়া এবং স্থানীয় দ্রুজ যোদ্ধাদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভয়াবহ দক্ষিণ সিরিয়ার পরিস্থিতি। রোববার থেকে শুরু হওয়া লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত ২০৩ জনের প্রাণ গেছে। নিহতদের মধ্যে ৯৩ জনই সরকারি বাহিনীর। বাকিরা বেদুইন এবং দ্রুজ সম্প্রদায়ের।

    যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে এখনও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছে সুয়েইদার বিভিন্ন স্থানে। ক্ষতিগ্রস্ত শহরটির গুরুত্বপূর্ণ সব এলাকার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

    আটকা পড়া সেনাসদস্যদের উদ্ধারে হামা এবং হোমস প্রদেশ থেকে আরও সেনাবহর পাঠাচ্ছে প্রশাসন। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অনেক এলাকা। অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে সিরিয়া প্রশাসন। অথচ, সংঘাত কবলিত এলাকাতেই হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।

    সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়কে রক্ষায় এই অভিযান বলে জানিয়েছে তেলআবিব। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর- সুয়েইদা দ্রুজ সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় আবাস। বরাবরই তাদের সুরক্ষায় নেতানিয়াহু প্রশাসন সোচ্চার।

     

  • ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

    ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     আবারও ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় রোববার (১৩ জুলাই) মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে তিনি এ কথা জানান। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

    প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটির ঠিক কয়টি ইউনিট কিয়েভকে দেয়া হবে, তা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ওয়াশিংটন। তবে সামরিক সহায়তাটি বিনামূল্যের নয় বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জন্য মূল্য পরিশোধ করতে হবে জেলেনস্কি প্রশাসনকে।

    এর আগে, ২০২২ সালেও ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম দেয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। যা ২০২৩ সালে সরবরাহ করা হয়। এছাড়াও, মার্কিন সামরিক বাহিনীর দূরপাল্লার রকেট লঞ্চার হাইমার্সও দেয়া হয় জেলেনস্কি বাহিনীকে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে মারাত্মক মাদক ফেন্টানিল প্রবাহের জন্য চীন দায়ী !

    যুক্তরাষ্ট্রে মারাত্মক মাদক ফেন্টানিল প্রবাহের জন্য চীন দায়ী !

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:       মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর চীনা পণ্যে শুল্ক আরোপ করেন। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে মারাত্মক মাদক ফেন্টানিল প্রবাহের জন্য তিনি চীনকে দায়ী করেন। তবে বেইজিং জানায়, ফেন্টানিল সংকট একান্তই যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যা। চীন এরইমধ্যে এ বিষয়ে ‘বড় অগ্রগতি’ অর্জন করেছে বলে দাবি করে।

    সিএনএন‘র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন বলছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে যৌথভাবে কাজ করতে চায়। তবে ‘চাপ, হুমকি ও ব্ল্যাকমেইল’ বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানায় দেশটি।

    এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত মাসে চীন আরও দুটি ফেন্টানিলের উপাদানকে নিষিদ্ধ তালিকায় যুক্ত করেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী তাদের অবস্থান আরও শক্ত হলো। একই সময়, চীন নিতাজিন নামের আরেক ধরনের মাদক উপাদানের ওপরও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে।

    চীনের জননিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াং শিয়াওহং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড পার্ডুকে বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে যৌথভাবে কাজ করতে চীন প্রস্তুত।

    যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, চীন এখনও বেআইনি ফেন্টানিল উৎপাদনে ব্যবহৃত উপাদানের প্রধান উৎস। যদিও ২০১৯ সালে চীন ফেন্টানিলকে একটি সম্পূর্ণ মাদক শ্রেণি হিসেবে ঘোষণা করে। এতে করে সরাসরি চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিল প্রবাহ অনেকটাই কমে আসে।

    তবে অপরাধচক্র নতুন কৌশলে ফেন্টানিল তৈরি করছে। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ফেন্টানিলের কাঁচামাল মেক্সিকোর মাদকচক্রের কাছে বিক্রি করে। এরপর সেসব চক্র যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাঠায়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন এ বিষয়ে অনেক পদক্ষেপ নিলেও আরও কিছু করণীয় রয়েছে। কারণ, এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল চীনের রাসায়নিক শিল্প খাত থেকেই আসছে।

    চীন সরকার নিজেকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘দায়িত্বশীল খেলোয়াড়’ হিসেবে তুলে ধরতে চায়। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করতে আগ্রহী হলেও তারা যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা চাপ মেনে নিচ্ছে না।

    চীন দাবি করছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ ছাড়াই নিজেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নতুন উপাদানগুলো নিষিদ্ধ করেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্ক আরোপের কারণে চীন এই পদক্ষেপ নিয়েছে এবং হয়তো এর বিনিময়ে বাণিজ্য আলোচনায় সুবিধা পেতে চায়।

    গত বছর একটি মার্কিন কংগ্রেস রিপোর্টে অভিযোগ তোলা হয়— চীন সরকার করছাড় দিয়ে বেআইনি মাদকের কাঁচামাল রপ্তানিকে উৎসাহ দিচ্ছে। চীন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সমস্যা তৈরি করা’ বলে অভিযুক্ত করে।

    চীনা কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের দেশে মাদকের অপব্যবহার খুবই সীমিত। তাই তারা মনে করে, এই সমস্যা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ— অর্থাৎ ‘চাহিদার সমস্যা’, সরবরাহের নয়।

    চীনের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি মাদক বিশ্লেষণ কেন্দ্রের উপপরিচালক হুয়া জেনডং বলেন, ফেন্টানিল সমস্যার মূল সমাধান হলো যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের চাহিদা কমানো। কারণ ফেন্টানিল তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহারযোগ্য রাসায়নিকের সংখ্যা অনেক। সবগুলো একসঙ্গে নিষিদ্ধ করা প্রায় অসম্ভব।

    তিনি বলেন, ‘এই খেলা মূলত বিড়াল-ইঁদুর খেলার মতো। অপরাধীরা নিয়ম বদলে নতুন রাসায়নিক দিয়ে একই মাদক তৈরি করতে পারে। তাই আমরা কেবল তাদের পেছনে ছুটতে পারি, আগেভাগে সব বন্ধ করা কঠিন।‘

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের নতুন পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা একটি শুরু মাত্র। এখন প্রয়োজন আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় পর্যায়ে এসব নির্দেশনার বাস্তব প্রয়োগ।

    চীনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গত বছর ১,৪০০ টনের বেশি কাঁচামাল জব্দ করেছে এবং ১৫১টি মামলা নিষ্পত্তি করেছে। তবে চীনের এক সাম্প্রতিক রিপোর্ট জানায়, কেমিক্যাল চোরাচালানের পদ্ধতি দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এ বিষয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।

  • ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছে আরো ১১০ ফিলিস্তিনি

    ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছে আরো ১১০ ফিলিস্তিনি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১১০ ফিলিস্তিনি। শনিবার থেকে রোববার (১৩ জুলাই) সকাল পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

    জানা গেছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরের কাছে ইসরায়েল-সমর্থিত মার্কিন সংস্থা গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন জিএইচএফ-এর একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন অনেকে। এতে প্রাণ হারান ৩৪ জন।

    উত্তর গাজার বেইত হানুনে চালানো হয় ব্যাপক বিমান হামলা। শনিবার সন্ধ্যার শুরুতে প্রায় ৪০টি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। জাবালিয়ায় আবাসিক ভবনেও চলে ইসরায়েলি আগ্রাসন। প্রাণ হারায় কমপক্ষে ১৫ জন।

    গাজার ঘনবসতিপূর্ণ আল-শাতি শরণার্থী শিবিরেও চলে আইডিএফের তাণ্ডব। শিশুসহ হতাহত হন অনেকে।

    অন্যদিকে, দখলকৃত পশ্চিম তীরের আল-মানিয়া গ্রামের কাছে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। তারা ঘরবাড়িতে পাথর নিক্ষেপ করে এবং সেগুলো আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়, ফলে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আতঙ্ক।

  • গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৬১ জন ফিলিস্তিনি নিহত, আহত হয়েছে ২৩১ জন

    গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৬১ জন ফিলিস্তিনি নিহত, আহত হয়েছে ২৩১ জন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:       ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় শনিবার (১২ জুলাই) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরও অন্তত ৬১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে ২৩১ জন।

    এরমধ্যে ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ১১ জন।

    জানা গেছে, উত্তর থেকে দক্ষিণ-উপত্যকাটির বিভিন্ন স্থানে আক্রমণ চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার কেন্দ্রীয় নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলায় হতাহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। দেইর আল-বালাহ এলাকায় আইডিএফের দু’টি বিমান হামলায় নিহত হন ৪ ফিলিস্তিনি, আহত আরও অনেকে।

    খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুতেও চালানো হয়েছে ইসরায়েলি হামলা। এ আগ্রাসনে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৭ জন।

    এছাড়াও শহরটির বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলায় হতাহত হয়েছে বহু মানুষ। রামাল্লাহর উত্তরে, সিঞ্জিল শহরেও চালানো হয় আগ্রাসন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে মে মাস থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৮০০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।