Category: আন্তর্জাতিক

  • আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে জেলেনস্কি- ট্রাম্পের ফোনালাপ

    আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে জেলেনস্কি- ট্রাম্পের ফোনালাপ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ত:  ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার ক্রমাগত হামলার মধ্যেই বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং যৌথ ড্রোন উৎপাদন নিয়ে আলোচনা করেছেন। জেলেনস্কির দফতর থেকে জানানো হয়েছে, এই কথোপকথনে ইউক্রেনের নিরাপত্তা চাহিদা এবং পশ্চিমা সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির দাবি, ইউক্রেনের আকাশ সুরক্ষিত রাখার জন্য একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প। প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা এবং যৌথভাবে অস্ত্র উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই নেতার মাঝে।

    সম্প্রতি, রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় প্যাট্রিয়ট ও অন্যান্য এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম প্রদানে ত্বরান্বিত পদক্ষেপের কথা উঠেছে।

    এছাড়াও, আলোচনায় পারস্পরিক সরঞ্জাম ক্রয় ও বিনিয়োগ, কূটনৈতিক পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র’সহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ইউক্রেনের সহযোগিতা সম্পর্কেও আলোচনার কথা জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

    এর আগে, ওয়াশিংটন মঙ্গলবার (১ জুলাই) নিশ্চিত করে যে, নিজস্ব মজুদ পর্যালোচনার পর কিয়েভের জন্য নির্ধারিত কিছু সামরিক সহায়তা স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

    এই আলোচনা ইউক্রেন যুদ্ধে মার্কিন নীতির সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। তবে, ইউক্রেনের তাত্ক্ষণিক চাহিদা পূরণে পশ্চিমা দেশগুলোর একত্রিত পদক্ষেপই এখন সমস্যা সমাধানের মূল চাবিকাঠি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ইউক্রেনে রেকর্ড সংখ্যক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া

    ইউক্রেনে রেকর্ড সংখ্যক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ইউক্রেনে রেকর্ড সংখ্যক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। কিয়েভের আকাশ স্থানীয় সময় শুক্রবার (৪ জুলাই) ধোঁয়া ও বিস্ফোরকের গন্ধে ভারী হয়ে উঠে। এই হামলা ঘটে মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার ফোনালাপে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ‘কোনো অগ্রগতি’ হয়নি।

    এই ব্যাপক বিমান হামলায় ইউক্রেনের রাজধানীর একাধিক ভবন ও আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের বর্ণনায় তিন বছরের যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলোর একটি।

    কিয়েভের জরুরি সেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাতের হামলায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৪ জুলাই) সকালে শহর ও সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৩ ঘণ্টাব্যাপী এই হামলায় অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।

    ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার রেকর্ড ৫৩৯টি ড্রোনের মধ্যে ৪৭৬টি তারা ধ্বংস করেছে। এছাড়া রাশিয়া ১১টি ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে।

    দেশটির আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, ইউক্রেনের নতুন ইন্টারসেপ্টর ড্রোন দ্বারা ৬০টি রাশিয়ান ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে।

    শুক্রবার (৪ জুলাই) ভোর পর্যন্ত শহরজুড়ে বিস্ফোরণ ও ড্রোনের শব্দের মধ্যে হাজার হাজার বাসিন্দা মেট্রো স্টেশন বা ভূগর্ভস্থ পার্কিং লটের মতো আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটিয়েছেন।

    ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সাইবিহা বলেছেন, ‘কিয়েভে একেবারেই ভয়াবহ ও নিরবচ্ছিন্ন একটি রাত পার হয়েছে। এ যুদ্ধের অন্যতম ভীতিকর রাত এটি।’

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি একে ‘দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ বিমান হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    জেলেনস্কি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) আমাদের শহর ও গ্রামীণ অঞ্চলগুলোতে প্রথম বিমান হামলা সতর্কতা বাজতে শুরু করে। রাশিয়া আবারও দেখিয়ে দিল যে তাদের যুদ্ধ ও সন্ত্রাস বন্ধ করার কোনো ইচ্ছা নেই।’

    প্রথমে শহরের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও নতুন ড্রোন-ইন্টারসেপ্টরগুলোর শব্দ শোনা গেলেও, সময় যত গড়িয়েছে, আকাশে ড্রোনের অবিরাম শব্দ এবং পরে আঘাতের শব্দ শোনা গেছে।

    ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় শহরের একাধিক জেলায় ভবন ও স্থাপনায় আগুন ধরে যায় এবং বহুতল ভবন আংশিক ধ্বংস হয়। এছাড়া কিয়েভের রেলপথের একটি অংশ ধ্বংস হয় এবং আহতদের সাহায্যে এগিয়ে যাওয়া পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    পোল্যান্ডের কনস্যুলেটও এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাডোস্ল সিকোর্স্কি। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ইউক্রেনে বিমান-বিরোধী গোলাবারুদ সরবরাহ পুনরায় চালু করতে এবং আগ্রাসীর ওপর কঠোর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের’ আহ্বান জানিয়েছেন।

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাশিয়া প্রায় প্রতিরাতেই শতাধিক মিসাইল ও ড্রোন নিয়ে ইউক্রেনে বিমান হামলা চালাচ্ছে। এর আগের রেকর্ড সংখ্যক হামলা হয়েছিল মাত্র পাঁচ দিন আগে— যখন রাশিয়া ইউক্রেনে ৫৩৭টি ড্রোন ও মিসাইল নিক্ষেপ করেছিল।

    বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ট্রাম্প পুতিনের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ফোনালাপ করেন এবং যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় হতাশা প্রকাশ করেন।

    ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কথা হয়েছিল। বেশ দীর্ঘ আলাপ ছিল। আমরা অনেক বিষয়ে কথা বলেছি, যার মধ্যে ইরানও ছিল। ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে আরও কথা বলেছি। বিষয়গুলো নিয়ে আমি খুশি নই।’

    পুতিনের সঙ্গে ইউক্রেন নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারলেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘না’।

    তিনি যোগ করেন, ‘আজ তার সঙ্গে আমার কোনো অগ্রগতি হয়নি। তিনি শুক্রবার (৪ জুলাই) সকালে জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলবেন এবং পুতিনের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে তিনি ‘অত্যন্ত হতাশ’, কারণ তার মতে পুতিন যুদ্ধ থামানোর ‘কোনো চেষ্টাই করছেন না’।

    শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে ফোনালাপে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ বলেন, রাশিয়া ট্রাম্পের সকল বক্তব্যের প্রতি ‘গভীর মনোযোগ’ দেয়।

    পেসকোভ বলেন, আলোচনায় পুতিন ‘আমাদের লক্ষ্য অর্জনে আগ্রহের পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং পছন্দ অনুসারে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে তা করা যায় কি না তা নিয়েও কথা হয়েছে।’

    রাশিয়ার রাতের পর রাত হামলা এখন কিয়েভবাসীর জন্য নতুন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয় শুক্রবার (৪ জুলাই) জানিয়েছে, রাতের হামলার পর শহরের বায়ুদূষণের মাত্রা ‘উচ্চ’ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বেসামরিক নাগরিকদের ঘরের ভেতরে থাকতে, ঘর বায়ুচলাচল না করতে এবং সম্ভব হলে এয়ার পিউরিফায়ার সর্বোচ্চ সেটিংয়ে চালানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বিমান হামলা সতর্কতা বন্ধ হওয়ার পর ইউক্রেনের বাসিন্দারা রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রতি ট্রাম্পের সহনশীলতাকে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেন।

    কিয়েভের এক বাসিন্দা ইউরি বলেন, ‘সবাই জানে পুতিনের মানসিকতা একটি গুন্ডার মতো। সে কেবল ক্ষমতা বোঝে, এবং দুর্ভাগ্যবশত ট্রাম্প সেই ক্ষমতা দেখাচ্ছেন না। রাশিয়া মনে করছে তারা দায়মুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারে এবং তাদের কর্মের জন্য কোনো শাস্তি পাবে না। এটি স্রেফ সন্ত্রাস।’

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালে, রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় সামরিক সহায়তাদাতা, যারা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন, রকেট লঞ্চার, রাডার, ট্যাংক ও অ্যান্টি-আর্মার অস্ত্র সরবরাহ করেছে। তবে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় ফেরার পর ইউক্রেনে সাহায্যের ভারসাম্য ব্যাপকভাবে বদলেছে, যা কিয়েভের জন্য মার্কিন সমর্থনের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ তৈরি করেছে।

  • চীন তিব্বত ইস্যুতে ভারতকে হস্তক্ষেপ না করতে সতর্ক করেছে

    চীন তিব্বত ইস্যুতে ভারতকে হস্তক্ষেপ না করতে সতর্ক করেছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    তিব্বত ইস্যুতে ভারতকে হস্তক্ষেপ না করতে সতর্ক করেছে চীন। শুক্রবার (৪ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এ হুঁশিয়ারি দেন।

    মাও নিং বলেন, নয়াদিল্লি চীনের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করছে। এগুলো বন্ধ না করলে তা দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে।

    তিনি আরও বলেন, তিব্বতের তথাকথিত নির্বাসিত সরকার একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনৈতিক গোষ্ঠী, যারা তিব্বত নিয়ে গুজব ও মিথ্যাচার ছড়ানোতে অভ্যস্ত। তাদের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। আমরা আশা করি নয়াদিল্লি তিব্বত ইস্যুতে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপণ বন্ধ করবে। যাতে এটি চীন-ভারত সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে না পারে।

  •  জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশিরা আইএসকে অর্থ পাঠাতো

     জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশিরা আইএসকে অর্থ পাঠাতো

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:      জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশিরা সিরিয়া ও বাংলাদেশে ‘ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সেলগুলোকে অর্থ পাঠাতো’ বলে তথ্য দিয়েছেন দেশটির পুলিশ প্রধান (আইজিপি) মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল।

    শুক্রবার (৪ জুলাই) বুকিত আমানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য দেন। খবর দ্য স্টার, মালয়েশিয়ার।

    মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল বলেছেন, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে ওই ৩৬ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তারা কারখানা, নির্মাণ ও সেবা খাতে কর্মরত ছিলেন।

    গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিদের ওই চক্রটি অন্য বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে থেকে সদস্য বাড়াচ্ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে ‘উগ্রবাদী মতাদর্শ’ ছড়াচ্ছিলেন।

    চক্রটি আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস ও ই-ওয়ালেট ব্যবহার করে সিরিয়া ও বাংলাদেশে ‘আইএসের জন্য’ অর্থ পাঠাতেন বলে জানান মালয়েশিয়া পুলিশের মহাপরিদর্শক।

    মালয়েশিয়া পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের কাউন্টার টেরোরিজম ডিভিশন অর্থ সংগ্রহের প্রমাণ পেয়েছে বলেও জানানো হয়।

    গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে জাড়িত থাকার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ১৫ জনকে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর ১৬ জন এখনও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন খালিদ ইসমাইল।

    তিনি জানিয়েছেন, যাদের সংশ্লিষ্টতা কম তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। আর যাদের সম্পৃক্ততা বেশি, তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ১০১ ফিলিস্তিনি

    গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ১০১ ফিলিস্তিনি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     চলছে যুদ্ধবিরতি আলোচনা। তবে এর মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ১০১ ফিলিস্তিনি।

    বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) গাজার একাধিক স্থানে সংগঠিত হামলায় নিহত হন তারা। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয় এ তথ্য।

    খাবারের আশায় ত্রাণকেন্দ্রে ভিড় জমানো মানুষের ওপরও গুলিবর্ষণ করে নেতানিয়াহুর সৈন্যরা। এতেই প্রাণ হারান ৫১ জন।

    গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর আল-বালাহ এলাকায় আগ্রাসন চালায় তেল আবিব। এতে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত পাঁচজন ফিলিস্তিনি, আহত বেশ কয়েকজন। নুর শামস শরণার্থী শিবিরেও চালানো হয় গুলি।

    আইডিএফের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন মুহান্নাদ আল লিলি নামের একজন ফুটবলার। খাদামাত আল-মাঘাজি ক্লাবের হয়ে খেলতেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

    উল্লেখ্য, গত দেড় বছরে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এটি উপত্যকাটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ শতাংশের সমান। নিহত ফিলিস্তিনির এ সংখ্যা হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি।

  • একদিনে আরও ১১১ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু

    একদিনে আরও ১১১ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেও অব্যাহত ইসরায়েলি আগ্রাসন। ভয়াবহ হামলায় একদিনে আরও ১১১ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    নিহতদের মাঝে ২৪ জন ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে খাবারের জন্য অপেক্ষমান ছিলেন। গাজার ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালের পরিচালকের বাসভবন লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

    মৃত্যু হয়েছে উপত্যকার সবচেয়ে বড় হাসপাতালটির পরিচালক মারওয়ান আল সুলতানের। হামলায় প্রাণ গেছে তার স্ত্রী ও এক মেয়ের। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে বিষয়টি। মারওয়ান আল সুলতানকে সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েল।

    শরনার্থী শিবির ও ত্রাণ নিতে আসা ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ গাজাতেও। কথিত নিরাপদ ঘোষিত অঞ্চলে আইডিএফের হামলায় শিশুসহ মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫ জনের।