Category: আন্তর্জাতিক

  • দালাই লামার উত্তরসূরি নির্ধারণে চীনের হস্তক্ষেপের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত

    দালাই লামার উত্তরসূরি নির্ধারণে চীনের হস্তক্ষেপের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   দালাই লামার উত্তরসূরি নির্ধারণে চীনের হস্তক্ষেপের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সাফ জানিয়েছেন, দালাই লামার উত্তরসূরি কে হবেন, সে সিদ্ধান্ত একমাত্র তারই। খবর ইন্ডিয়া টুডে’র।

    বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ধর্মশালায় এক অনুষ্ঠানে রিজিজু বলেন, দালাই লামার অবস্থান শুধু তিব্বত নয়, বিশ্বব্যাপী তার অনুসারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার উত্তরসূরি নির্বাচনের অধিকার একমাত্র তারই।

    তিনি আরও জানান, এটি সম্পূর্ণ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান, রাজনীতির সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

    দালাই লামার ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে ধর্মশালায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন কিরেন রিজিজু ও জনতা দল (ইউ)-এর নেতা লাল্লন সিং।

    সম্প্রতি দালাই লামার দপ্তর জানায়, ২০১১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া ঘোষণায় স্পষ্ট করা হয়েছে, ভবিষ্যতে দালাই লামা নির্বাচন করবে ‘গাদেন ফোডরাং ট্রাস্ট’। প্রতিষ্ঠানটির সদস্যরাই এ সিদ্ধান্ত নেবেন।

    এদিকে চীন জানিয়েছে, দালাই লামার উত্তরসূরি নির্ধারণে তাদের অনুমোদন লাগবে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, দালাই লামার উত্তরসূরি নির্ধারণ চীনের আইন ও ঐতিহ্য অনুযায়ী হতে হবে।

    তবে ভারতের বক্তব্য স্পষ্ট—চীনের এই দাবি গ্রহণযোগ্য নয়। দালাই লামার উত্তরসূরি নির্ধারণ করবেন তিনিই, অন্য কেউ নয়।

  • ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন

    ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন

    দখলকৃত পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রশাসন। এ বিষয়ে পার্লামেন্টে চিঠি দিয়েছে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি। এতে স্বাক্ষরও দিয়েছেন ১৫ এমপি। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের পাশে থাকায়, এ পদক্ষেপের জন্য এটাই উপযুক্ত সময় বলে মনে করছে তেলআবিব।

    গাজায় বর্বরতম হামলার পাশাপাশি গেলো দেড় বছর ধরে ইসরায়েলের আগ্রাসনের টার্গেট হয়েছে পশ্চিম তীরও। গত কয়েকদিনে আরও বেড়েছে উত্তেজনা-ধরপাকড়। এরই মাঝেই পশ্চিম তীর নিয়ে নতুন ছক কষেছে তেলআবিব।

    পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের সার্বভৌম অঞ্চল হিসেবে সংযুক্ত করতে চান বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইরানে ইসরায়েলের ‘বিজয়কে’ সাফল্য আখ্যা দিয়ে চিঠিতে বলা হয়, ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি এমন কোনো কিছুর অস্তিত্ব রাখাই ঠিক হবে না।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাশে থাকায়, এখনই পশ্চিম তীরকে যুক্ত করার উপযুক্ত সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয় পার্লামেন্টে দেয়া চিঠিতে। এতে স্বাক্ষর করেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ’সহ ১৫জন লিকুদ এমপি। আগামী ২৭ জুলাইয়ের মাঝে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার পরিকল্পনা তাদের।

    ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোরিচ বলেন, এটি ইসরায়েলের শত্রুদের জন্য শক্ত জবাব। আমি লিকুদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। প্রধানমন্ত্রীকে কথা দিতে চাই, যে মুহূর্তে তিনি আমাকে সংকেত দিবেন তখনই তার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবো।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সাথে যুক্ত করার অর্থ, ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া। এটি কার্যকর হলে সেখানে ইসরায়েলিদের বসতিগুলো স্থায়ী ও বৈধতার স্বীকৃতি পাবে। আন্তর্জাতিক মহলে এখনও পশ্চিম তীর ইসরায়েলের দখলকৃত অংশ হিসেবেই পরিচিত।

    এদিকে, পশ্চিম তীরের সংযুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব, মিসরসহ কয়েকটি আরব দেশ। ফিলিস্তিনি ভূমিকে ইসরায়েলের জোরপূর্বক সংযুক্তিকরণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ তাদের।

    উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালে ৬ দিন ব্যাপী আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় জর্ডানের কাছ থেকে পশ্চিম তীর দখল করে ইসরায়েল। তবে অঞ্চলটিকে কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সার্বভৌম ভূখণ্ড হিসেবে সংযুক্ত করেনি তারা।

  • রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করতে আরো সৈন্য পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া

    রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করতে আরো সৈন্য পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করতে আরো সৈন্য পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। একটি গোপন ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনের ফ্রন্টলাইনে যুদ্ধ করতে উত্তর কোরিয়া অতিরিক্ত ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার সেনা পাঠাতে যাচ্ছে। এর ফলে রাশিয়ার পক্ষে লড়াইরত উত্তর কোরীয় সেনার সংখ্যা প্রায় তিনগুণ হতে পারে। খবর সিএনএন’র।

    ২০২৪ সালের নভেম্বরেই প্রায় ১১ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল, যারা ইউক্রেনের কুরস্ক অঞ্চলে রুশ সীমান্তে হামলা ঠেকাতে সহায়তা করেছিল। ইউক্রেনীয় ও পশ্চিমা গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানায়, এদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার হতাহত হন। তবুও মস্কো-পিয়ংইয়ং সম্পর্ক এর পর থেকেই আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে।

    সিএনএন’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উত্তর কোরীয় সেনাদের জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম যোগানোর পাশাপাশি তাদের রুশ ইউনিটে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফ্রন্টলাইনের ইউক্রেন অধিকৃত এলাকাগুলোতে বড় ধরনের আক্রমণে তাদের যুক্ত করা হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    স্যাটেলাইট ছবি ও উন্মুক্ত উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সিএনএন বলছে, গত বছরের মতোই আবারো সেনা পরিবহনকারী রুশ জাহাজ ও উত্তর কোরিয়ার সুনান বিমানবন্দরে কার্গো বিমানের গতিবিধি বেড়েছে। মে মাসে দুনাই বন্দরে একটি রোপুচা-ক্লাস জাহাজ ভিড়েছে, যা ৪০০ সেনা বহনে সক্ষম। একই ধরণের জাহাজ গত বছরও ব্যবহৃত হয়েছিল। জুনে সুনান বিমানবন্দরে আইএল-৭৬ কার্গো বিমান দেখা গেছে, যেগুলোও অতীতে সেনা পরিবহনে ব্যবহৃত হয়েছিল।

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে তার উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শইগু গত ১৭ জুন পিয়ংইয়ং সফর করেন। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন, উত্তর কোরিয়া ১ হাজার মাইন নিষ্কাশনকারী ও ৫ হাজার সামরিক নির্মাণ শ্রমিক রাশিয়ায় পাঠাবে। যারা কুরস্ক অঞ্চলের ধ্বংস হওয়া অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সহায়তা করবে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া এরই মধ্যে সেনা নির্বাচনের কাজ শুরু করেছে, জুলাই বা আগস্টে তাদের পাঠানো হতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে প্রথম থেকেই রাশিয়াতে সহায়তা করে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। ২০২৪ সালেই পিয়ংইয়ং মস্কোকে অন্তত ১০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ৯০ লাখ গোলাবারুদ সরবরাহ করেছে বলে জাতিসংঘের ১১টি দেশের একটি যৌথ প্রতিবেদন জানিয়েছে। এছাড়া, রুশ ভাষায় অনূদিত উত্তর কোরীয় আর্টিলারি প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালও উদ্ধার করেছে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দারা।

  • যুদ্ধবিরতি আলোচনার মাঝেই গাজায় ভয়াবহ তাণ্ডব ইসরায়েলের

    যুদ্ধবিরতি আলোচনার মাঝেই গাজায় ভয়াবহ তাণ্ডব ইসরায়েলের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:      যুদ্ধবিরতি আলোচনার মাঝেই গাজায় ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ইসরায়েল। গত ২৪ ঘণ্টায় আগ্রাসনে প্রাণ গেছে কমপক্ষে ১০৯ ফিলিস্তিনির। মঙ্গলবার (১ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে উঠে আসে এ তথ্য।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৬ জন দক্ষিণাঞ্চলের একটি খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে ইসরায়েলি সেনাদের অতর্কিত গুলিবর্ষণে নিহত হন। মে মাসের শেষ থেকে এ পর্যন্ত গাজার খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে সহায়তা নিতে গিয়ে প্রাণ গেছে কমপক্ষে ৬শ’ ফিলিস্তিনির।

    অপরদিকে, গাজা সিটিতে পুনরায় তাণ্ডব চালানো শুরু করেছে আইডিএফ। অঞ্চলটিতে কোয়াডকপ্টার হামলায় অন্তত ৫ জন মারা গেছেন। এছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস ও আল মাওয়াসিতে আবাসিক বাড়ি লক্ষ্য করে চালানো হামলায় ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপত্যকায় ১৪০ বারেরও বেশি হামলা করেছে ইসরায়েল। এ নিয়ে চলমান আগ্রাসনে প্রাণহানি ছাড়ালো ৫৬ হাজার।

  • মহানবী (সা.) ও মুসা (আ.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র আঁকায় চারজন কার্টুনিস্ট আটক

    মহানবী (সা.) ও মুসা (আ.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র আঁকায় চারজন কার্টুনিস্ট আটক

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   তুর্কি পুলিশ স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ জুন) কমপক্ষে চারজন কার্টুনিস্টকে আটক করেছে, যাদের বিরুদ্ধে একটি কার্টুন আঁকা ও বিতরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ ও বিক্ষোভকারীরা দাবি করছেন যে এই কার্টুনে মহানবী (সা.) ও মুসা (আ.)-কে চিত্রিত করা হয়েছে।

    একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গ-পত্রিকায় প্রকাশিত এই কার্টুনে একজন মুসলিম ও একজন ইহুদি ব্যক্তিকে ডানা ও আলোকচ্ছটাসহ হাত মেলাতে দেখা যায়, যেখানে নিচে বোমা পড়ছে।

    কার্টুনটি প্রকাশিত হওয়ার চার দিন পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। শত শত মানুষ ইস্তাম্বুলের প্রধান পর্যটন রাস্তায় ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিয়ে বিক্ষোভ করে এবং শরিয়া আইনের দাবি তোলে। তুর্কি কর্তৃপক্ষ দ্রুত পত্রিকাটির নিন্দা জানায়।

    দেশটির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী আলি ইয়ারলিকায়া এই কার্টুনটিকে একটি উত্তেজনাপূর্ণ প্ররোচনা বলে অভিহিত করে বলেন, ‘যারা এমন কাজ করার সাহস দেখায়, তাদের আইনের সামনে জবাবদিহি করতে হবে।’

    তিনি এও উল্লেখ করেন যে এই কার্টুনটি মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা বাকস্বাধীনতার অধীনে সুরক্ষিত নয়।

    তুরস্কের প্রেসিডেন্সির যোগাযোগ প্রধান ফাহরেত্তিন আলতুন একে ‘আমাদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ওপর নিচু স্তরের হামলা’ বলে অভিহিত করেন।

    দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় তুর্কি দণ্ডবিধির ২১৬ ধারা অনুযায়ী ‘ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি প্রকাশ্যে অবমাননা’-এর অভিযোগে এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে।

    রাজনৈতিক ব্যঙ্গ-পত্রিকা ‘লেমান’, যারা ফ্রান্সের শার্লি হেবদো-এর মতো বিতর্কিত কার্টুনের জন্য পরিচিত, একটি বিবৃতিতে জানায় যে তাদের কার্টুনে মহানবী (সা.)-কে চিত্রিত করা হয়নি।

    পত্রিকাটি বলেছে, ‘এই কার্টুনটি নবী মুহাম্মদ (স.)-এর কোনো চিত্র নয়। এখানে ‘মুহাম্মদ’ নামটি ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে নিহত একজন মুসলিম ব্যক্তির নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ইসলামিক বিশ্বে ২০ কোটিরও বেশি মানুষ মুহাম্মদ নাম ধারণ করে। এই কাজটি কোনোভাবেই নবী মুহাম্মদ (স.)-কে নির্দেশ করে না।’

    লেমান আরও বলেছে, ‘একজন নিহত মুসলিমকে তুলে ধরে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল নির্যাতিত মুসলিম জনগণের ন্যায়বিচারের দিকে আলোকপাত করা, ধর্মীয় মূল্যবোধকে ছোট করার কোনো ইচ্ছা নেই। আমরা আমাদের ওপর আরোপিত কলঙ্ক প্রত্যাখ্যান করছি, কারণ এখানে আমাদের নবীর কোনো চিত্রণ নেই।’

    পত্রিকাটি মন্তব্য করে, ‘এই কার্টুনকে এভাবে ব্যাখ্যা করা চরম দূর্নীতিপরায়ণতার পরিচয়’, তবে যারা আঘাত পেতে পারেন তাদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছে।

    বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামার পর, তুর্কি অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় কার্টুনিস্টদের গ্রেফতারের ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে তাদের পুলিশের হাতে ‘পা ও হাত বাঁধা’ অবস্থায় দেখানো হয়। .

    এছাড়াও ভিডিওতে ক্যাপশন দেয়া হয়, ‘তুমি আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী বা ন্যায়বিচার থেকে পালাতে পারবে না।’

    ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রীয় অফিসে বিক্ষোভকারীরা পত্রিকার দরজায় লাথি মারতে দেখা যায়। একটি ভিডিওতে একজন বিক্ষোভকারী চিৎকার করে বলছেন, ‘আমরা আমাদের নবীর জন্য জীবন দেব, জীবন নেব—কেউ আমাদের নবীর অবমাননা করতে পারবে না।’

    বিক্ষোভকারী ওই অফিসের সামনে এশার নামাজও আদায় করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইস্তাম্বুলের গভর্নর দাভুত গুল ঘোষণা করেন যে কার্টুনের সাথে জড়িত চারজনই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

    তবে কোনো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে কিনা, এ প্রসঙ্গে কোন পরিষ্কার ধারণা দেননি গুল। একটি বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি প্ররোচনামূলক কাজে জড়িত ছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও নাগরিকদের ক্ষতি রোধে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    তবে ইস্তাম্বুলের কিছু গোষ্ঠী মঙ্গলবার (১ জুলাই) পত্রিকাটির বিরুদ্ধে আরও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

  • ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশ

    ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশ। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ জুন) সমুদ্র তীরবর্তী প্রদেশটির বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। বাতাসের তীব্রতায় মুহূর্তেই আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আগুন।

    ঘণ্টায় ১শ’ কিলোমিটার বাতাসের বেগ থাকায়, আগুনের লেলিহান শিখা ছড়ায় তুরস্কের জনপ্রিয় পর্যটন নগরী ম্যান্ডেরেস-এ। ফলে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় ইজমির আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর।

    জঙ্গলের কাছাকাছি ৬টি এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়েছে প্রশাসন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে ১ হাজারের বেশি ফায়ার সার্ভিস কর্মী। এছাড়া ১১টি বিমান ও ২৭টি হেলিকপটার থেকে ছিটানো হচ্ছে রাসায়নিক। দাবানলের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।