Category: আন্তর্জাতিক

  • ভারতের  বিধ্বস্ত বিমানে বিদেশি আরোহী ছিলেন ৬১ জন

    ভারতের বিধ্বস্ত বিমানে বিদেশি আরোহী ছিলেন ৬১ জন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ভারতের আহমেদাবাদে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বিমানবন্দরের কাছে বিধ্বস্ত হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটিতে মোট আরোহী ছিলেন ২৪২ জন। এদের মধ্যে ২৩২ জন যাত্রী ও ১০ জন কেবিন ক্রু। তবে মোট যাত্রীদের মধ্যে বিদেশি রয়েছেন ৬১ জন।

    বৃহস্পতিবার (১২ জুন) লন্ডনগামী ফ্লাইটটি বিমানবন্দরের রানওয়েতে থেকে উড্ডয়নের মাত্র পাঁচ মিনিট পরেই বিধ্বস্ত হয়।

    বিমানের ৬১ জন বিদেশি যাত্রীর মধ্যে ৫৩ জন ব্রিটিশ, ১ জন কানাডিয়ান এবং ৭ জন পর্তুগালের নাগরিক ছিলেন। বাকি ১৬৯ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন সেই ফ্লাইটে।

    ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিওতে ধূসর ধোঁয়ার ঘন কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। বেশকয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। ওই এলাকার দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

    উল্লেখ্য, এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১ ফ্লাইটটি লন্ডনের গ্যাটউইকে যাচ্ছিলো। এখনও হতাহতের কোনও তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ।

  • ভারতের বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটিতে ছিলেন গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি

    ভারতের বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটিতে ছিলেন গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    ভারতের আহমেদাবাদে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বিমানবন্দরের কাছে বিধ্বস্ত হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটিতে ছিলেন গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। যাত্রী তালিকার নথি অনুসারে, ‘বিজয় রমণীকলাল রূপানি’ ছিলেন তালিকার ১২তম যাত্রী। খবর, ইন্ডিয়া টুডে’র।

    বৃহস্পতিবার (১২ জুন) লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হওয়া বিমানটি রানওয়ে থেকে উড্ডয়নের মাত্র পাঁচ মিনিট পরেই বিধ্বস্ত হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, বিজয় রূপানির রাজকোটের বাসভবনের বাইরের উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। উদ্বিগ্ন এবং অশ্রুসিক্ত চোখে প্রতিবেশীরা তার বাড়ির বাইরে জড়ো হতে শুরু করেছেন।

    বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটিতে মোট ২৪২ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। এখনও হতাহতের কোনও তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ।

    উল্লেখ্য, বিজয় রূপানি ২০১৬ সালের আগস্ট থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের ১৬তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

  • ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে ২৪২ জন আরোহী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত

    ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে ২৪২ জন আরোহী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে ২৪২ জন আরোহী নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে আহমেদাবাদের মেঘহানি নামক আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভি’র।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, আহমেদাবাদের সরদার ভল্লভভাই প্যাটেল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১ ফ্লাইটটি লন্ডনের গ্যাটউইকে যাচ্ছিলো।

    হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, বিমানের যাত্রীদের মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয় ও ৬১ জন বিদেশি যাত্রী ছিল। বিদেশিদের মধ্যে ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগীজ ও একজন কানাডিয়ান ছিলেন। এছাড়া, পাইলট ও ক্রু ছিলেন ১২ জন। তবে এখনও হতাহতের কোনও তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ। এ দুর্ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটি একটি মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের হোস্টেলে আছড়ে পড়ে। হোস্টেলের একটি ডাইনিং হলের দেয়াল ভেদ করে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়েছে বলে দেখা গেছে।

    এতে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিওতে ধূসর ধোঁয়ার ঘন কুণ্ডলী উঠতে দেখা যাচ্ছে। বেশকয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স এরইমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বিমানবন্দর এলাকা থেকে কিছু লোককে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ওই এলাকার দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

  • অস্ট্রিয়ার স্কুলে গোলাগুলি, শিক্ষার্থীসহ নিহত অন্তত ৯

    অস্ট্রিয়ার স্কুলে গোলাগুলি, শিক্ষার্থীসহ নিহত অন্তত ৯

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অস্ট্রিয়ার গ্রাজ শহরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গোলাগুলিতে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার ড্রেইয়ার্সচুৎজেনগাস স্কুলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলায় একাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কতজন নিহত হয়েছেন তার সঠিক তথ্য এখনও প্রকাশ পায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে ৯ জন নিহত হয়েছেন।

    তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি দেশটির কয়েকটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, হামলার পর ৯টি মরদেহ পাওয়া গেছে। যারমধ্যে হামলাকারীর মরদেহ আছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

    স্থানীয় মেয়র এলকে কাহর বার্তাসংস্থা এপিএ নিউজকে জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন বন্দুকধারী আছে।

    গ্রাজের মেয়র পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৯ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন। যারমধ্যে সাতজন হলেন স্কুলের শিক্ষার্থী। আরেকজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি। তিনি এ ঘটনাকে ‘ভয়ানক ট্র্যাজেডি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মেয়র নিশ্চিত করেছেন, ৯ জনের মধ্যে হামলাকারীও আছে। পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বন্দুকধারী এ স্কুলেরই শিক্ষার্থী ছিল।

    যে স্থানে হামলা হয়েছে সেটি অস্ট্রিয়ার দ্বিতীয় বৃহৎ শহর। এটি রাজধানী ভিয়েনা থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

    বন্দুকধারী প্রায় এক ঘণ্টা স্কুলটিতে তাণ্ডব চালায়। এরপর সেখানে পুলিশ উপস্থিত হয়। রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংবাদমাধ্যম ওআরএফ জানিয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে বন্দুকধারী নিজেই পরবর্তীতে আত্মহত্যা করে।

  • ইলন মাস্কের ‘আমেরিকা পার্টি’ কি বদলে দেবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি?

    ইলন মাস্কের ‘আমেরিকা পার্টি’ কি বদলে দেবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি?

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  টেসলা সিইও ইলন মাস্ক এবার যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চলমান দ্বন্দ্বের মধ্যেই এমন ভাবনা সামনে আনেন তিনি। এক্স-এ করা এক জরিপে মাস্ক প্রশ্ন করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে কি এখন এমন একটি রাজনৈতিক দল গঠনের সময় এসেছে, যা মাঝামাঝি অবস্থানের ৮০% মানুষের প্রতিনিধিত্ব করবে?’ সেখানে প্রায় ৮০% অংশগ্রহণকারী ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন।

    এরপর মাস্ক লেখেন, ‘মানুষ কথা বলেছে। নতুন একটি রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন, যা ৮০% মানুষের কণ্ঠস্বর হবে। আর ঠিক ৮০% মানুষ একমত—এটাই বাস্তব।’

    টাইম ম্যাগাজিন‘র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস্কের প্রস্তাবিত দলের নাম দেন ‘দ্য আমেরিকা পার্টি’। এই নামটি তার গঠিত ‘আমেরিকা পিএসি’র সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এই সুপার পিএসি ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন দিতে গঠিত হয়েছিল এবং প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে। ওই সময় ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় দাতা ছিলেন মাস্ক।

    তবে সম্প্রতি ট্রাম্প ও মাস্কের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বিশেষ করে ট্রাম্পের ‘বিগ, বিউটিফুল বিল’ নিয়ে মাস্কের বিরোধিতা উত্তেজনা বাড়ায়। মাস্ক বিলটিকে ‘ঘৃণ্য’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করার আহ্বান জানান।

    এরপর মাস্ক এক পোস্টে দাবি করেন, ট্রাম্পের নাম জেফরি এপস্টেইনের গোপন ফাইলগুলোতে আছে। যদিও তিনি কোনো প্রমাণ দেননি এবং পোস্টটি পরে মুছে ফেলেন। একইভাবে আরেকটি পোস্টে মাস্ক বলেন, ‘ট্রাম্পকে ইমপিচ করা উচিত’ এবং তার পরিবর্তে ভ্যান্সকে আনার কথা বলেন।

    ট্রাম্পও চুপ থাকেননি। তিনি ট্রুথ সোশ্যাল-এ লেখেন, মাস্ক এখন বিরক্তিকর হয়ে উঠেছে। এমনকি তিনি মাস্ককে হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন।

    এদিকে এনবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মাস্ক যদি ডেমোক্র্যাটদের তহবিল দেন, তবে তার পরিণতি হবে খারাপ। তবে ঠিক কী ধরনের পরিণতির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি।

    তবে অনেক রাজনীতিক মনে করছেন, এই দ্বন্দ্ব সাময়িক। ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান জিমি প্যাট্রোনিস বলেন, মাস্ক নতুন কোনো দল গঠন করবেন না। এক মাস পর ট্রাম্প ও মাস্ক আবারও একসঙ্গে দেখা যাবে।

    এই দ্বন্দ্ব ও নতুন দল গঠনের ভাবনা এখনো আমেরিকার রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। মাস্কের ‘দ্য আমেরিকা পার্টি’ সত্যিই গড়ে ওঠে কি না, তা এখন দেখার বিষয়।

  • ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী

    ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননের বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার আগে ইসরায়েলি বাহিনী এলাকার কয়েকটি ভবন খালি করার সতর্কতা জারি করেছিল।

    ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর একটি গোপন ইউনিট শনাক্ত করেছে, যা ভূগর্ভে ‘হাজার হাজার’ ড্রোন উৎপাদন করছিল এবং এটি ‘ইরানি সন্ত্রাসীদের অর্থায়নে’ পরিচালিত হচ্ছিল। গত ছয় মাস ধরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও অনেকটা অতর্কিতভাবে এই হামলা চালানো হয়।

    এ হামলার পর লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এক্সে পোস্ট করে এই হামলাকে ‘জঘন্য ও ইচ্ছাকৃত’ আক্রমণ বলে অভিহিত করেন।

    তিনি বলেন, ‘আমি এই হামলাকে আমাদের স্বদেশ, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতির বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত হামলা হিসেবে দেখছি—বিশেষ করে উৎসবের প্রাক্কালে এবং পর্যটন মৌসুমে।’

    হামলার সতর্কতার পর ওই অঞ্চলের হাজার হাজার বাসিন্দা দ্রুত এলাকা ছেড়ে যান, যার ফলে সেখানে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।

    লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আওন এই হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন, এটি ‘একটি পবিত্র ধর্মীয় উৎসবের প্রাক্কালে’ ঘটেছে।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর ‘ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার’ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের আক্রমণের একটি প্রধান হাতিয়ার এবং এটি ‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সমঝোতার সরাসরি লঙ্ঘন’।

    হামলার এক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচাই আদরাঈ হাদাথ, হারেত হরেইক ও বোরজ আল-বরাজনেহ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মানচিত্রসহ পোস্ট করে বলেন, ‘আপনারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামোর পাশে আছেন’।