Category: আন্তর্জাতিক

  • ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ফিল্ড মার্শাল র‌্যাংক পেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির

    ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ফিল্ড মার্শাল র‌্যাংক পেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ফিল্ড মার্শাল র‌্যাংক পেলেন দেশটির সেনাপ্রধান আসিম মুনির। প্রয়াত সাবেক সেনাশাসক আইয়ুব খানের পর পাক সেনার দ্বিতীয় অফিসার হিসাবে ‘পাঁচ তারকা জেনারেল’ পদ পেলেন মুনির। এর মধ্য দিয়ে ৬০ বছরের পর পাকিস্তানে সামরিক বাহিনীর কোনো জেনারেল ফিল্ড মার্শাল হলেন।

    মঙ্গলবার (২০ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দফতরের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে পদোন্নতির অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা। এই মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অফিস এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কা-ই-হক ও অপারেশন বুনইয়া-নুম-মারছুছের সময়ে উচ্চ কৌশল ও সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে শত্রুর পরাজয় ও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনিরের এই পদোন্নতি অনুমোদন করেছে সরকার।

    প্রসঙ্গত, ফিল্ড মার্শাল পদমর্যাদা হল ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর আদলে নির্মিত সর্বোচ্চ সেনাবাহিনীর পদ। ১৯৫৯ সালে রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভা কর্তৃক এটি কেবল জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খানকে প্রদান করা হয়েছিল।

    ফিল্ড মার্শাল পদোন্নতির অনুমোদন দেয়ার আসিম মুনির বলেন, এটি শুধু (আমার) ব্যক্তিগত নয়, বরং পুরো দেশ এবং পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য একটি সম্মান।

    ২০২২ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন আসিম মুনির। সাধারণত পাকিস্তানের সেনাপ্রধানদের মেয়াদ হয় তিন বছর। তবে ২০২৩ সালের নভেম্বরে দেশটির পার্লামেন্টে আইন সংশোধন করে আসিম মুনিরের মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়।

    পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে মুনির দেশটির প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পুলওয়ামায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৪০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ওই সময় তিনি দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তখন তার ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য ছিল।

    এদিকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যাপক হামলা-পাল্ট হামলার ঘটনা থামলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি এখনও। পাক সেনাপ্রধান হুমকি দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তান শান্তি চায়। কিন্তু পাকিস্তানের সম্মান রক্ষার্থে তারা পাল্টা হামলা চালাতে কোনো দ্বিধা করবেন না।

  • দুই সপ্তাহ থেকে দিনে মাত্র এক বেলা খেতে পারছি: ফিলিস্তিনি সাংবাদিক বিসান ওয়াদা

    দুই সপ্তাহ থেকে দিনে মাত্র এক বেলা খেতে পারছি: ফিলিস্তিনি সাংবাদিক বিসান ওয়াদা

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:    গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত অভিযানের মধ্যেই খাদ্য, পানি ও মৌলিক সহায়তা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে। গাজাবাসী, বিশেষত শিশু ও চিকিৎসাকর্মীরা চরম অপুষ্টি ও ক্লান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী বিসান ওয়াদা। মঙ্গলবার (২০ মে) এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

    গাজার ভয়াবহ পরিস্থিতি বর্ণনা করে ওয়াদা বলেন, ‘ইসরায়েল ৭৭ দিন ধরে গাজায় খাদ্য প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। আমি গত দুই সপ্তাহ থেকে দিনে মাত্র এক বেলা খেতে পারছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ডাক্তার, নার্স, সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা—সবাই একই পরিস্থিতিতে বাঁচার চেষ্টা করছেন। আমরা অপুষ্টিতে ভুগছি, পরিবারগুলো বাস্তুচ্যুত, আর আমরা খালি হাতে ইসরায়েলকে মোকাবেলা করছি।’

    ওয়াদা আবেদন করেন, ‘আমরা শুধু বাঁচতে চাই। বিশ্ব আমাদের দিকে তাকাক—এই অবরোধ ও নিষ্ঠুরতা বন্ধ হোক। গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা জরুরি ভিত্তিতে পৌঁছানোই এখন একমাত্র আশা।’

  • ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকার সম্পূর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেবে : নেতানিয়াহু

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকার সম্পূর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেবে : নেতানিয়াহু

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকার সম্পূর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেবে।

    টেলিগ্রামে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘লড়াই তীব্র হচ্ছে, আমরা সামনে অগ্রসর হচ্ছি। খুব তাড়াতাড়ি পুরো গাজা আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

    এদিকে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহর ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদেরকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলা আগে তাৎক্ষণিকভাবে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    ইসরায়েলকে অবরোধ শিথিল করতে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই প্রায় ৮০ দিন ধরে চলা কঠোর অবরোধের পর গাজায় বসবাসরত ২৪ লাখ মানুষের জন্য কেবল ৯টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে ইসরায়েল।

    এদিকে, ইসরায়েলের চরমপন্থি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির মানবিক সহায়তা বিরোধী অবস্থান নিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের জিম্মিরা কোনো সাহায্য পাচ্ছে না।’

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৮ মার্চ থেকে চলা অভিযানে ৩,১৯৩ জন নিহত হয়েছে, যুদ্ধে মোট মৃত্যু ৫৩,৩৩৯ ছাড়িয়েছে।

  • গাজায় যুদ্ধ বন্ধে শর্ত এঁটে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

    গাজায় যুদ্ধ বন্ধে শর্ত এঁটে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  গাজায় যুদ্ধ বন্ধে রাজি ইসরায়েল। তবে হামাসকে বেশকিছু শর্ত এঁটে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। স্থায়ী আগ্রাসন থামাতে নিরস্ত্রীকরণ তো করতেই হবে, সেইসাথে উপত্যকাও ছাড়তে হবে হামাস সদস্যদের। একইসাথে মুক্তি দিতে হবে সকল জিম্মিদের। তেলআবিবের এমন শর্তের বিপরীতে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী গোষ্ঠীটি।

    হামাস নির্মূলের অজুহাতে গাজায় দীর্ঘ দেড় বছর চলছে ইসরায়েলি আগ্রাসন। প্রাণ গেছে ৫৩ হাজার ফিলিস্তিনির। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা কয়েক হাজার মরদেহ। লক্ষ্য পূরণে যে অনেকটাই ব্যর্থ তেলআবিব হামাস সদস্যদের এই উপস্থিতি তারই প্রমাণ।

    বাধ্য হয়ে যুদ্ধবিরতি ভেঙে গত ১৮ মার্চ পুনরায় হামলা শুরু করে আইডিএফ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরের পর সম্প্রতি যা আরও জোরালো হয়। এদিকে, কাতারে চলমান আলোচনার মাঝেই গাজায় অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ। আর স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে আগে থেকেই দাবি জানিয়ে আসছিল ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি।

    এবার তেলআবিব জানালো উপত্যকায় যুদ্ধ বন্ধে রাজি তারা। যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া অস্থায়ী কিংবা হামাসের স্থায়ী দুই প্রস্তাবেই সম্মত নেতানিয়াহু প্রশাসন। বিনিময়ে দেয়া হয়েছে বেশকিছু কঠিন শর্ত।

    স্থায়ীভাবে আগ্রাসন বন্ধ চাইলে গাজার নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে হবে হামাসকে। করতে হবে অস্ত্র সমর্পণ; পাশাপাশি উপত্যকা ছেড়ে বেছে নিতে হবে নির্বাসিত জীবন। আর সব জিম্মিকে একসাথে ছাড়ার শর্ত তো রয়েছেই। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয় এসব দাবি।

    এর আগে, গাজায় স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও এবার সেই অবস্থান থেকে সরে আসতে দেখা গেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে।

  • যুদ্ধ বন্ধে ব্যর্থ হওয়া পুতিনের সাথে ফোন আলাপের সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

    যুদ্ধ বন্ধে ব্যর্থ হওয়া পুতিনের সাথে ফোন আলাপের সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া-ইউক্রেনের সরাসরি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, এবার পুতিনের সাথে ফোনে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (১৭ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদসংস্থা সিএনএন।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়, সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে নিজেই এ তথ্য জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    এতে, ৩ বছর ধরে চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, রক্তপাত বন্ধেই রুশ প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    অপরদিকে, আগামী সোমবার দুই প্রেসিডেন্টের ফোনালাপের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে মস্কো।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, পুতিনের সাথে আলোচনার পর, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলদেমির জেলেনস্কিকেও ফোন করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

  • ট্রাম্পের হুমকির কাছে মাথা নত করবো না: মাসুদ পেজেশকিয়ান

    ট্রাম্পের হুমকির কাছে মাথা নত করবো না: মাসুদ পেজেশকিয়ান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   সম্প্রতি কাতার সফরে ইরান নিয়ে বেশকিছু মন্তব্য করে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতি উত্তরে ইরানও ছেড়ে কথা বললো না। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সাফ জানালেন, ট্রাম্পের কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করবে না ইরান।

    বৃহস্পতিবার (১৫ মে) এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। তিন দিনের উপসাগরীয় সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তেহরানের সমালোচনা করলে তার জবাবেই এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন পেজেশকিয়ান।

    বুধবার (১৪ মে) রাষ্ট্রীয় টিভিতে সরাসরি সম্প্রচারিত বক্তব্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের জন্য শহীদ হওয়া বিছানায় মৃত্যুর চেয়ে অনেক মধুর। আমরা কোনও হুমকির কাছে মাথা নত করব না।

    এর আগে, মঙ্গলবার রিয়াদে জিসিসি শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সাথে চুক্তি করতে হলে আগে দেশটিকে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করতে হবে। রক্তাক্ত প্রক্সি যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে পারমাণবিক অস্ত্র বানানো।

    ট্রাম্প আরও বলেন, যদি ইরান এই শান্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

    এরইমধ্যে ওয়াশিংটন এবং তেহরান ওমানের মধ্যস্থতায় পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চারটি বৈঠক করেছে। যদিও এখনও ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি দেশ দুটি।