Category: আন্তর্জাতিক

  • হায়দ্রাবাদে করাচি বেকারিতে ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপি-র কর্মীরা

    হায়দ্রাবাদে করাচি বেকারিতে ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপি-র কর্মীরা

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে স্থানীয় সময় শনিবার (১০ মে) তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদে করাচি বেকারির একটি আউটলেটে ভাঙচুর চালিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কর্মীরা। এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, আরজিআই বিমানবন্দর থানা এলাকার শামশাবাদ শাখায় স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে করাচি বেকারিতে ভাঙচুর করা হয়। গেরুয়া শাল পরিহিত ভাঙচুরকারীরা পাকিস্তানি পতাকা পদদলিত করে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।

    ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তারা লাঠি দিয়ে সাইনবোর্ডে আঘাত করছে, বিশেষ করে ‘করাচি’ শব্দটি লক্ষ্য করে।

    উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সাল থেকে হায়দ্রাবাদের একটি জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান এই করাচি বেকারি। ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার সময় প্রায়শই আক্রমণের শিকার হয় এই প্রতিষ্ঠান। মূলত, ‘করাচি’ নামটি ভারতের স্বাধীনতার আগে প্রতিষ্ঠাতার নিজ শহরকে নির্দেশ করে। বছরের পর বছর ধরে বারবার আক্রান্ত হওয়ার পরও, বেকারিটি তার প্রতিষ্ঠাতার শিকড়ের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নাম পরিবর্তন করেনি।

  • মোদিকে রাহুলের সংসদে বিশেষ অধিবেশনের আহ্বান

    মোদিকে রাহুলের সংসদে বিশেষ অধিবেশনের আহ্বান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরদিনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি পাঠালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। তিনি সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান। খবর এনডিটিভি‘র।

    রাহুল গান্ধি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করছি। পেহেলগামের জঙ্গি হামলা, অপারেশন সিন্ধুর ও যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হওয়া জরুরি। দেশের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের ঐক্য দেখানোও প্রয়োজন।’

    রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও একই অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘২৮ এপ্রিল আমি ও রাহুল গান্ধি আপনাকে চিঠি দিয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার অনুরোধ জানিয়েছিলাম। পেহেলগামের নৃশংস হামলার প্রেক্ষিতে এই আলোচনা জরুরি।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘যুদ্ধবিরতির ঘোষণাটি প্রথমে এসেছে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে। পরে ভারত ও পাকিস্তান সরকার সেটি নিশ্চিত করে। এই প্রেক্ষাপটে আমি রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে রাহুল গান্ধির আহ্বানকে সমর্থন জানাচ্ছি।’

    পেহেলগামে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর সরকার সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিল। এরপর পাকিস্তান ও পিওকে-তে চালানো হয় বিমান হামলা, যেটিকে ‘অপারেশন সিন্ধুর’ বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সেই বৈঠকে উপস্থিত না থাকাটা সমালোচনার কারণ হয়েছে। তবে সেই বৈঠকে বিরোধীরা সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিল।

    এদিকে হঠাৎ করেই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে। তিনি ট্রুথ সোস্যালে লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান সম্পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। শুভবুদ্ধি ও বুদ্ধিমত্তার জন্য দুই দেশকে অভিনন্দন।’

  • পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    রোববার (১১ মে) এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে শাহবাজ লেখেন, ‘বিশ্ব শান্তির জন্য ট্রাম্পের অগ্রণী নেতৃত্ব ও অঙ্গীকারের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি আনতে বড় ভূমিকা রাখছেন এবং আরও সক্রিয় হতে চেয়েছেন। যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মাধ্যমে পাকিস্তান একজন প্রকৃত অংশীদার পেয়েছে। এই অংশীদারিত্ব শুধু বাণিজ্য ও বিনিয়োগেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সব ধরনের সহযোগিতার ক্ষেত্রেই শক্তিশালী হবে পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক।’

    এরআগে ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তান সম্পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এরপরই পাকিস্তানের তরফে ধন্যবাদ জানান দেশটির শীর্ষ নেতারা।

    এদিকে ভারতের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও কোনো মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি।

  • ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে ইরান

    ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে ইরান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চারদিনব্যাপী উত্তেজনার পর ঘোষিত যুদ্ধবিরতিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে ইরান। স্থানীয় সময় শনিবার (১০ মে) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই যুদ্ধবিরতি অঞ্চলে উত্তেজনা কমাতে এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

    দেশটির সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ভারত ও পাকিস্তানের নেতাদের এই সিদ্ধান্তকে দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং আশা প্রকাশ করেন, নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে সম্পর্ক দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।

    ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরিস্থিতি ভয়াবহ মোড় নেয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করেন।  যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে শনিবার দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।  ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতিকে ‘ঐতিহাসিক ও বীরোচিত’ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন এবং কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে ভবিষ্যতে কাজ করার ঘোষণা দেন।

  • যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। শনিবার (১০ মে) বিকেলে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর, ভারত ও পাকিস্তান অবিলম্বে একটি পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এ সময়, বিচক্ষণতা ও দুর্দান্ত বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জন্য উভয় দেশকে অভিনন্দনও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    পাকিস্তানের উপ প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, আমরা যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছি। পাকিস্তান তার সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার সাথে আপস না করে, সবসময় এ অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    অপরদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই স্থল, আকাশ ও সমুদ্রেপথে সকল ধরনের গুলিবর্ষণ এবং সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    এর আগে, কাশ্মিরের পেহেলগামে হামলা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তানের ছয়টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। এর জবাবে রাতেই পাল্টা হামলা চালানো শুরু করে পাকিস্তান।

  • ভারতের দাবি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাকিস্তানের হামলা; দাবি প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

    ভারতের দাবি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাকিস্তানের হামলা; দাবি প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ভারত দাবি করেছে, তাদের জম্মু-কাশ্মির ও পাঞ্জাবে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। যদিও এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামাবাদ।

    বৃহস্পতিবার (৮ মে) ভারতীয় সেনাবাহিনী দাবি করে, জম্মুর আখনুর, সামবা, কাঠুয়াসহ আরও কয়েক জায়গা, উদমপুর ও পাঞ্জাবের পাঠানকোটে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। কয়েকটি সামরিক স্থাপনা টার্গেট করে ছুড়েছে ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন। হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    তবে ভারতে হামলার কথা অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহর দাবি, এ পর্যন্ত কেবল ‘প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ নিয়েছে তার দেশ। এক পাকিস্তানি পাইলট আটক হয়েছে বলেও জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম। তবে এ খবর সত্য নয় বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

    এর আগে, ভারতের বিরুদ্ধে ২৯টি ড্রোন ছোড়ার অভিযোগ করেছে পাকিস্তান। এতে নিহত হয়েছে ২ জন। ২৫টি ড্রোন ভূপাতিতের দাবিও করেছে তারা।

    প্রসঙ্গত, কাশ্মীরের পেহেলগাম কাণ্ডের জেরে গত মঙ্গলবার (৬ মে) মধ্যরাতে পাকিস্তানের কয়েকটি স্থানে ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে অভিযান চালায় ভারত। ওই রাতেই দেশটির পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করে পাকিস্তান।

    পাল্টাপাল্টি হামলায় এখনও উত্তপ্ত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত। বিরোধপূর্ণ কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় ব্যাপক গোলাবর্ষণের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ করছে দুই দেশ।